
স্টাফ রিপোর্টার:
জগন্নাথপুরে রিকসা চালক জমিল হোসেনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (১৭ আগষ্ট) নিহত জামিল হোসেনের স্ত্রী জামেনা বেগম বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত শাকিল মিয়া সেকেলকে প্রধান আসামী করে এ হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামী শাকিল মিয়া সেকেলকে রবিবার (১৮ আগষ্ট) আদালতে পাঠানো হয়েছে। নিহত জমিল হোসেন নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ি উপজেলার আছাদপুর নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত মফিজ আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবনগর এলাকায় একটি কলোনীতে স্ব-পরিবারের করতেন। গ্রেফতারকৃত শাকিল মিয়া সেকেল জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের পাইলগাঁও গ্রামের এখলাছ মিয়ার ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবনগর এলাকায় ছিলিমপুর এষ্টেট মার্কেটে রিকসার গ্যারেজ এর ব্যবসা করতেন।
উল্লেখ্য, জগন্নাথপুর রাণীগঞ্জ সড়কের পৌর শহরের হবিবনগর এলাকায় ছিলিমপুর এষ্টেট মার্কেটে হত্যা মামলার প্রধান আসামী শাকিল মিয়া সেকেলের রিকসার গ্যারেজ থেকে তার একটি রিকসা চুরি হলে ওই এলাকার কলোনীর বাসিন্দা নিহত রিকসা চালক জমিল হোসেনকে রিকসা চুরির সন্দেহে শাকিল মিয়া সেকেল তার গ্যারেজের একটি কক্ষে গত ১৩আগষ্ট থেকে লোহার শিকল দিয়ে বেঁেধ রাখে। এক পর্যায়ে রিকসা চালক জমিল হোসেন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গ্যারেজ মালিক শাকিল মিয়া সেকেল শুক্রবার ১৬ আগষ্ট দুপুর পৌনে ২টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জমিল হোসেনকে মৃত ঘোষনা করলে লাশ রেখে শাকিল মিয়া সেকেল পালিয়ে যায়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এস আই) লুৎফুর রহমান জানান, নিহত জমিল হোসেনের স্ত্রী জামেনা বেগম বাদি হয়ে শাকিল মিয়া সেকেলকে প্রধান আসামী করে শনিবার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্য আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উপদেষ্টা: এম ফখরুল ইসলাম ফয়েজ। সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল হাই। বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়: উপজেলা পরিষদ রোড, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ। যোগাযোগ: মোবাইল: ০১৭১৫-১৭৩০০১ ই-মেইল: abdulhye.jp@gmail.com
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬