
শেখ মাহতাব হোসেন
ডুমুরিয়া, খুলনা:
অতিবৃষ্টি ও হরিভদ্র নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের ডোমরা বিলে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ফসলি জমি ও শত শত মৎস্যঘের পানিতে তলিয়ে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষক ও খামারিরা।
শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫টায় দুর্গত এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেন ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসন, উদ্ধারকারী দলের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ সবিতা সরকার দ্রুত পানি নিষ্কাশনের লক্ষ্যে আরও দুটি ড্রেজিং মেশিন এনে জরুরি ভিত্তিতে নদীর পলি অপসারণের নির্দেশ দেন।
ইউএনও বলেন, অতিবৃষ্টি ও হরিভদ্র নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত পলি অপসারণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে।
পরিদর্শনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার আবু তাহের জানান, পানি নিষ্কাশনের প্রধান প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা মোল্লা আবুল কাশেম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হরিভদ্র নদী খন না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই বিস্তীর্ণ এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে। তিনি দ্রুত নদী খন ও কার্যকর পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
ডোমরা বিল কমিটির সভাপতি ও ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম বলেন, জলাবদ্ধতা এখন হাজারো পরিবারের জীবন-জীবিকার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু ও পানি অপসারণ না করলে চলতি মৌসুমে কৃষি ও মৎস্য খাত মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও মৎস্যঘের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের দাবি, হরিভদ্র নদীর স্থায়ী খনন ও কার্যকর স্লুইস গেট ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হলে প্রতিবছরের এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে।
উপদেষ্টা: এম ফখরুল ইসলাম ফয়েজ। সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল হাই। বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়: উপজেলা পরিষদ রোড, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ। যোগাযোগ: মোবাইল: ০১৭১৫-১৭৩০০১ ই-মেইল: abdulhye.jp@gmail.com
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬