০৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এনজিও সংস্থা ব্র্যাকের কিস্তির চাপে শ্রমিকের ‘আত্মহত্যা’

  • Update Time : ০৩:১২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২০
  • / 1041

জগন্নাথপুর টুডে ডেক্স::

নওগাঁর রাণীনগরে ব্র্যাকের ঋণের কিস্তির চাপের কারণে ছাইদুল ইসলাম (৫০) নামে এক দিনমজুর আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ছাইদুল ইসলাম উপজেলার বড়গাছা ইউনিয়নের বড়িয়া গ্রামের মৃত-আয়েত আলী শেখের ছেলে। রবিবার রাতে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মারা যান।

ছাইদুল ইসলামের ভাই রহিদুল ইসলাম জানান, ব্র্যাক থেকে এক লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন ছাইদুল। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সারা দেশ লকডাউন থাকার কারণে তাকে কয়েক মাস কোনো কিস্তি দিতে হয়নি। গত শনিবার ব্র্যাক কর্মীরা এসে ছাইদুলকে রবিবারে কিস্তি দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে যায়।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে আমার ভাইয়ের তেমন কোনো কাজকর্ম না থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে তার দিনকাল খুব ভালো যাচ্ছিলো না।

রাণীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ জহুরুল হক বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ এখনো পাইনি ।

করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত যেখানে প্রধানমন্ত্রী সকল প্রকারের এনজিওদের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করেছেন অথচ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বিভিন্ন এনজিওরা তাদের কিস্তি আদায়ের কাজ করে আসছে। এই কর্মকান্ড যদি বন্ধ রাখা না হয় তাহলে কর্মহারা অনেক অসহায়, দিনমজুর ও হতদরিদ্ররা কিস্তির চাপ থেকে বাঁচার জন্য এভাবেই নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতে বাধ্য হবেন বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এনজিও সংস্থা ব্র্যাকের কিস্তির চাপে শ্রমিকের ‘আত্মহত্যা’

Update Time : ০৩:১২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২০

জগন্নাথপুর টুডে ডেক্স::

নওগাঁর রাণীনগরে ব্র্যাকের ঋণের কিস্তির চাপের কারণে ছাইদুল ইসলাম (৫০) নামে এক দিনমজুর আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ছাইদুল ইসলাম উপজেলার বড়গাছা ইউনিয়নের বড়িয়া গ্রামের মৃত-আয়েত আলী শেখের ছেলে। রবিবার রাতে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মারা যান।

ছাইদুল ইসলামের ভাই রহিদুল ইসলাম জানান, ব্র্যাক থেকে এক লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন ছাইদুল। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সারা দেশ লকডাউন থাকার কারণে তাকে কয়েক মাস কোনো কিস্তি দিতে হয়নি। গত শনিবার ব্র্যাক কর্মীরা এসে ছাইদুলকে রবিবারে কিস্তি দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে যায়।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে আমার ভাইয়ের তেমন কোনো কাজকর্ম না থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে তার দিনকাল খুব ভালো যাচ্ছিলো না।

রাণীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ জহুরুল হক বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ এখনো পাইনি ।

করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত যেখানে প্রধানমন্ত্রী সকল প্রকারের এনজিওদের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করেছেন অথচ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বিভিন্ন এনজিওরা তাদের কিস্তি আদায়ের কাজ করে আসছে। এই কর্মকান্ড যদি বন্ধ রাখা না হয় তাহলে কর্মহারা অনেক অসহায়, দিনমজুর ও হতদরিদ্ররা কিস্তির চাপ থেকে বাঁচার জন্য এভাবেই নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতে বাধ্য হবেন বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।