০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ্মায় ভাঙন তীব্র, বেরি বাঁধ এলাকায় আতঙ্কে রাত কাটছে মানুষের

  • Update Time : ০২:০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
  • / 11

নয়ন আহমেদ, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) থেকে:

পদ্মার পানি বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভাঙনের তীব্রতা। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার রাইটা-ফয়জুল্লাপুর বেরি বাঁধ এলাকায় নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আতঙ্কে দিন-রাত কাটাচ্ছে তীরবর্তী কয়েকশ পরিবার।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিনই নদীর তীর ধসে যাচ্ছে। হুমকির মুখে পড়েছে বসতবাড়ি, আবাদি জমি ও বন্যা প্রতিরোধক বাঁধ। পানি যত বাড়ছে, মানুষের চোখে-মুখে ততই বাড়ছে উৎকণ্ঠা।

বৃহস্পতিবার ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিরুল আরাফাত। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি নিজে পর্যবেক্ষণ করেন।

ইউএনও আমিরুল আরাফাত বলেন, “বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জরুরি ভিত্তিতে জানানো হয়েছে। দ্রুত কার্যকর ভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে বসতবাড়ি, ফসলি জমি এবং বাঁধ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বে।”

তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করেছে এবং বিষয়টি কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েকদিনে নদীর তীরের অনেক অংশ নদীতে চলে গেছে। অনেকেই ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দ্রুত বালুর বস্তা ও জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধ করা না হলে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক, যাতে আর কোনো পরিবারকে নিঃস্ব হতে না হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

পদ্মায় ভাঙন তীব্র, বেরি বাঁধ এলাকায় আতঙ্কে রাত কাটছে মানুষের

Update Time : ০২:০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

নয়ন আহমেদ, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) থেকে:

পদ্মার পানি বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভাঙনের তীব্রতা। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার রাইটা-ফয়জুল্লাপুর বেরি বাঁধ এলাকায় নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আতঙ্কে দিন-রাত কাটাচ্ছে তীরবর্তী কয়েকশ পরিবার।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিনই নদীর তীর ধসে যাচ্ছে। হুমকির মুখে পড়েছে বসতবাড়ি, আবাদি জমি ও বন্যা প্রতিরোধক বাঁধ। পানি যত বাড়ছে, মানুষের চোখে-মুখে ততই বাড়ছে উৎকণ্ঠা।

বৃহস্পতিবার ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিরুল আরাফাত। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি নিজে পর্যবেক্ষণ করেন।

ইউএনও আমিরুল আরাফাত বলেন, “বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জরুরি ভিত্তিতে জানানো হয়েছে। দ্রুত কার্যকর ভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে বসতবাড়ি, ফসলি জমি এবং বাঁধ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বে।”

তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করেছে এবং বিষয়টি কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েকদিনে নদীর তীরের অনেক অংশ নদীতে চলে গেছে। অনেকেই ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দ্রুত বালুর বস্তা ও জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধ করা না হলে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক, যাতে আর কোনো পরিবারকে নিঃস্ব হতে না হয়।