০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শহীদ আব্দুল হান্নানের স্মৃতি রক্ষায় হবিবপুর পাঠানবাড়ি নিজ ভবনে স্মৃতি ফলক স্থাপন

  • Update Time : ০৫:১১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
  • / 120

স্টাফ রিপোর্টারঃ-

১৯৭১ সালের ৩১ আগস্ট শ্রীরামসিতে পাক বাহিনীর হাতে জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবপুর পাঠান বাড়ির কৃতি সন্তান যুক্তরাজ্য প্রবাসী মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আব্দুল হান্নান শহীদ হন। ঐ সময় পাক বাহিনী অনেক মানুষকে হত্যা করেছিল৷ আব্দুল হান্নান তার মামার বাড়িতে ছিলেন।

পাক বাহিনী হাফাতি হাওর থেকে ধরে নিয়ে আব্দুল হান্নানকে হত্যা করেছিল। সে সময় শহীদ আব্দুল হান্নানকে তার নানারা মিরপুর ইউনিয়নের গড়গড়ি গ্রামে দাফন করেছিলেন। ছাড়াও হবিবপুর গ্রামের অনেক মানুষ মুক্তিযোদ্ধে আংশ গ্রহন করেছিলেন। শহীদ আব্দুল হান্নানের স্মৃতি রক্ষায় দীর্ঘদিন পর তার ছোট ভাই যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা আলহাজ্ব মন্তাজ আলী তাদের বাড়ির মূল ভবনে এ স্মৃতি ফলক স্থাপন করেছেন।

শুক্রবার (১৬ মে ২০২৫) বাদ জুমা শহীদ আব্দুল হান্নানের স্মৃতি ফলক স্থাপন অনুষ্ঠানে স্মৃতি চারন করে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর  ড. এডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহিন, শহীদ আব্দুল হান্নানের ছোট ভাই আলহাজ্ব মন্তাজ আলী।

স্মৃতি ফলক স্থাপন অনুষ্ঠানে এডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহিন বলেছেন ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে সারা বাংলাদেশী জাতির জন্য একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযোদ্ধের মাধ্যমে আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ ও একটি লাল সবুজের পতাকা পেয়েছিলাম।

৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি। তাদের কাছে কৃতজ্ঞ ও চিরঋণী বাংলাদেশের মানুষ। এই দিনে পাক বাহিনীর হাতে আমাদের হবিবপুর পাঠান বাড়ির কৃতি সন্তান যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল হান্নান শহীদ হয়েছিলেন।

পাক বাহিনী এসময় শ্রীরামসীতে অনেক এলাকার মানুষজনদের নিয়ে হত্যা করেছে। এই নির্মম হত্যাকান্ড আমাদের ইতিহাসে চির স্মরনীয়। আমরা সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করি।

এসময় হবিবপুর এলাকার  বিশিষ্ট মুরব্বী আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম হীরা, আবুল মনসুর সাব মিয়া, বজলুর রশীদ চৌধুরী, সমাজকর্মী বাবর আহমদ, ফজলুল হক আমিনীসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। ####

জ.টুডে/হু/২০২৫ইং

Please Share This Post in Your Social Media

শহীদ আব্দুল হান্নানের স্মৃতি রক্ষায় হবিবপুর পাঠানবাড়ি নিজ ভবনে স্মৃতি ফলক স্থাপন

Update Time : ০৫:১১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টারঃ-

১৯৭১ সালের ৩১ আগস্ট শ্রীরামসিতে পাক বাহিনীর হাতে জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবপুর পাঠান বাড়ির কৃতি সন্তান যুক্তরাজ্য প্রবাসী মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আব্দুল হান্নান শহীদ হন। ঐ সময় পাক বাহিনী অনেক মানুষকে হত্যা করেছিল৷ আব্দুল হান্নান তার মামার বাড়িতে ছিলেন।

পাক বাহিনী হাফাতি হাওর থেকে ধরে নিয়ে আব্দুল হান্নানকে হত্যা করেছিল। সে সময় শহীদ আব্দুল হান্নানকে তার নানারা মিরপুর ইউনিয়নের গড়গড়ি গ্রামে দাফন করেছিলেন। ছাড়াও হবিবপুর গ্রামের অনেক মানুষ মুক্তিযোদ্ধে আংশ গ্রহন করেছিলেন। শহীদ আব্দুল হান্নানের স্মৃতি রক্ষায় দীর্ঘদিন পর তার ছোট ভাই যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা আলহাজ্ব মন্তাজ আলী তাদের বাড়ির মূল ভবনে এ স্মৃতি ফলক স্থাপন করেছেন।

শুক্রবার (১৬ মে ২০২৫) বাদ জুমা শহীদ আব্দুল হান্নানের স্মৃতি ফলক স্থাপন অনুষ্ঠানে স্মৃতি চারন করে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর  ড. এডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহিন, শহীদ আব্দুল হান্নানের ছোট ভাই আলহাজ্ব মন্তাজ আলী।

স্মৃতি ফলক স্থাপন অনুষ্ঠানে এডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহিন বলেছেন ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে সারা বাংলাদেশী জাতির জন্য একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযোদ্ধের মাধ্যমে আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ ও একটি লাল সবুজের পতাকা পেয়েছিলাম।

৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি। তাদের কাছে কৃতজ্ঞ ও চিরঋণী বাংলাদেশের মানুষ। এই দিনে পাক বাহিনীর হাতে আমাদের হবিবপুর পাঠান বাড়ির কৃতি সন্তান যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল হান্নান শহীদ হয়েছিলেন।

পাক বাহিনী এসময় শ্রীরামসীতে অনেক এলাকার মানুষজনদের নিয়ে হত্যা করেছে। এই নির্মম হত্যাকান্ড আমাদের ইতিহাসে চির স্মরনীয়। আমরা সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করি।

এসময় হবিবপুর এলাকার  বিশিষ্ট মুরব্বী আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম হীরা, আবুল মনসুর সাব মিয়া, বজলুর রশীদ চৌধুরী, সমাজকর্মী বাবর আহমদ, ফজলুল হক আমিনীসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। ####

জ.টুডে/হু/২০২৫ইং