বিশ্বনাথের কিশোর বাছিতের আইটি সেক্টরে ভবিষ্যত নিশ্চিত

আজহারুল হক ভূইয়া শিশু:
সময়ের সাথে দেশ যতই এগিয়ে যাচ্ছে দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ততই আইটি নির্ভর হয়ে পড়েছে। যার ফলে আইটি সেক্টর হয়ে উঠেছে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের জন্য তরুণ প্রজন্মের প্রথম পছন্দ। আইটি সেক্টরের বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত শাখা যেমন HTML, SEO, Web Design, ডেটাবেজ ম্যানেজম্যন্ট, ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট, ১ বছরের ট্রেনিং নিয়ে বর্তমানে সাফল্যের সাথে নিজের ভবিষ্যত নিশ্চিত করেছে সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার বিশ্বনাথের গাওঁ গ্রামের হাজি মো. তোয়াহিদ আলীর সর্ব কনিষ্ট ছেলে সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র আবদুল বাছিত ।

জানতে চাইলে মেধাবী ছাত্র আব্দুল বাছিত প্রতিবেদককে বলেন আমরা জানি আইটি সেক্টরে বা চাকরির ক্ষেত্রে বর্তমানে গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়াকিং এবং অনলাইন মার্কেটিং সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব বহন করে। এসবের যত চাহিদা বাড়বে তত কর্মদক্ষতার প্রয়োজন হবে। আমার আগ্রহ ছিল আইটি বিষয়ে প্রশিক্ষন নেয়ার, আগ্রহ থেকে সাফল্য অর্জন শুধু অনুপ্রেরণা মাত্র। আমি আইটি সেক্টরে সকলের সহযোগিতা ও ভালোবাসায় নিজেকে এবং দেশকে এগিয়ে নিতে চাই।

আবদুল বাছিত তার ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কে জানায় আইটি সেক্টরে শেষ সীমান্তে পৌঁছতে চাই, সে লক্ষ্যে যোগ্যতা অর্জনের জন্যই সকল চ্যালেঞ্জিং কাজে নিজেকে যুক্ত রাখছি। সে আরো জানায় টাকার প্রতি আমার নেশা নেই, যোগ্যতা অর্জনের প্রতি রয়েছে আমার নেশা। সকল যোগ্যতা অর্জন করতে প্রতিনিয়ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে টেকনিক্যাল কলেজের মেধাবী ছাত্র আবদুল বাছিত । সে তার ভবিষ্যত লক্ষ্য অর্জনে সকলের দোয়া কামনা করছে।

জ.টুডে-১৩ জুন ২০১৮/বিডিএন

সুনামগঞ্জে ক্যান্সার ও কিডনি রোগীদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরন করেছেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্

সুনামগঞ্জ অফিস:
সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় হতে প্রাপ্ত দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত সুনামগঞ্জ পৌরসভা এবং সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ক্যান্সার ও কিডনি রোগীদের মধ্যে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে-৪ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।

হাছন নগরে ক্যান্সার ও কিডনি রোগীদের মধ্যে চেক বিতরণ করেন সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর আসনের সংসদ সদস্য সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-আহ্বায়ক মো.রশিদ আহমদ, সদর উপজেলা স্কাউটস’র কমিশনার মো.গিয়াস উদ্দিন, জাপা নেতা মো.জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

জ.টুডে-১৩জুন২০১৮/বিডিএন

রানীগঞ্জ ফ্রেন্ডস্ ক্লাবের উদ্যোগে দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

রাণীগঞ্জ প্রতিনিধি:
জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রানীগঞ্জ ফ্রেন্ডস্ ক্লাবের উদ্যোগে ইউনিভার্সাল ফ্রেন্ডস্ ক্লাবের অর্থায়ানে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেড় শতাধিক অসহায় দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১৩ জুন ) দুপুওে ফ্রেন্ডস্ ক্লাবের কার্যালয়ে এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো.তৈয়ব মিয়া কামালী, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউনিভার্সাল ফ্রেন্ডস্ ক্লাবের অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান তুহিন,

ফেন্ডস্ ক্লাবের আজীবন দাতা সদস্য ও উপদেষ্টা মো.মুক্তার মিয়া, মোতাহীর আলী, সমাজ সেবী দিলদার মিয়া মিটু, মো.খালেকনুর। আরো বক্তব্য রাখেন, ক্লাবের সহ সভাপতি নাহিদুল ইসলাম নুরুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মিঠুন রায়।

ফ্রেন্ডস্ ক্লাবের সভাপতি ইসলাম আলীর সভাপতিত্বে ও ফ্রেন্ডস্ ক্লাবের সাধারন সম্পাদক মো.মিফতাহ উদ্দিনের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফ্রেন্ডস ক্লাবের সদস্য বদরুল ইসলাম রনি। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,রানীগঞ্জ ফ্রেন্ডস্ ক্লাবের আজীবন দাতা সদস্য মো.তোফায়েল আহমদ, অর্থ সম্পাদক আবেদুর রহমান হাবিব, প্রচার সম্পাদক মো.আলী রাজন,

শিক্ষা ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সোজায়েল আহমদ ডালিম, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মো.জুনায়েদ আহমদ,সিনিয়র সদস্য সায়েক আহমদ, সম্মানিত সদস্য শাহেদ আহমদ, মো.ফয়জুর রহমান,আলীনুর রহমান, মো.কাওছার আহমদ,মো.সুজন আহমদ,হাজী আলফু মিয়া, জাবেদ আলী, আব্দুল মতিন প্রমুখ।

সভায় ইউনিভার্সাল ফ্রেন্ডস্ ক্লাবের অর্থ সম্পাদক মো.মাহমুদুল হাসান তুহিন, ঘোষনা করেন ইউনিভার্সাল ফ্রেন্ডস্ ক্লাব ও ফ্রেন্ডস্ ক্লাব যুক্তরাজ্য শাখার অর্থায়ানে শীঘ্রই নিজস্ব ভবন নির্মাণ করা হবে।

অনুষ্টানের প্রধান অতিথি ক্লাবের কার্যক্রম দেখে আজীবন দাতা ফরমে স্বাক্ষর করেছেন। অনুষ্টানের শুরুতে পবিত্র কোরআ থেকে তেলাওয়াত করেন ফ্রেন্ডস্ ক্লাবের সদস্য মো.রইছ উদ্দিন।

জ.টুডে-১৩ জুন২০১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুরে অটো টেম্পু অটো রিক্সা শ্রমিকদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত

জগন্নাথপুর টুডে নিউজ:
সুনামগঞ্জ জেলা অটো টেম্পু অটো রিক্সা ড্রাইভার্স ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত জগন্নাথপুর পূর্ব পাড় ও পৌর পয়েন্ট শ্রমিকবৃদের যৌথ আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ জুন) পৌর শহরের সি/এ মার্কেটস্থ জনতা রেস্টুরেন্টে আয়োজিত ইফতার পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার গিয়াস উদ্দিন মুন্না বলেছেন রমজান মাস হচ্ছে মুসলমানদের জন্য তাকওয়া অর্জনের মাস। এই মাসেই পবিত্র কোরআন নাযিল হয়েছে।

তিনি বলেন এ মাসে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তার বান্দাদের ভাগ্য খুলে দেন। তিনি সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে এ ধরনের একটি আয়োজনে শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের প্রতি অভিনন্দন জানান।

শ্রমিক সংগঠনের প্রতিষ্টাতা সভাপতি মশাহিদ আলীর সভাপতিত্বে সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক আব্দুল মনাফের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জগন্নাথপুরের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জগন্নাথপুর টুডে ডটকম’র সম্পাদক দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক সবুজ সিলেট প্রতিনিধি মো: আব্দুল হাই, জগন্নাথপুর মিনিবাস শ্রমিক সংগঠনের সাবেক সভাপতি রব্বানী মিয়া, যুক্তরাজ্য প্রবাসী হবিবপুর এলাকার বাসিন্দা দুলদুল বারী, ইজি বাইক টমটম শ্রমিক সংগঠন জগন্নাথপুরের সভাপতি মো: শফিক মিয়া, বাউল গীতিকার আব্দুল পরান।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অটো টেম্পু অটো রিক্্রা শ্রমিক সংগঠনের লিটন মিয়া, আবু তাহের, হাসান মিয়াসহ শতাধিক সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন। ইফতার পূর্ব বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন হবিবপুর এলাকার বাসিন্দা হাফিজ ফজলু মিয়া।

জ.টুডে-১২জুন২০১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুর থানায় অপরাধ দমনে বিশেষ ভুমিকা রাখায় ওসি হারুনুর রশীদ চৌধুরী তৃতীয় বার জেলার শ্রেষ্ট হয়েছেন

মো: আব্দুল হাই:
গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে নৈপুণ্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তৃতীয় বারের মতো জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ট অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার পুলিশ লাইনসে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ ও কল্যান সভায় সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মো: বরকতুল্লাহ খান দক্ষ নেতৃত্ব ও ভাল কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরীর হাতে সম্মাননা ক্রেষ্ট ও সনদ তুলে দেন। এসময় জেলা পুলিশের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)সহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে গত বছরের নভেম্বর মাসে মাসিক অপরাধ ও কল্যান সভায় অস্ত্র উদ্ধার, ডাকাত ও সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ অপরাধ দমনে বিশেষ ভুমিকা রাখায় জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরীকে সম্মাননা ক্রেষ্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।

এছাড়াও চলতি বছরের এপ্রিল মাসে মাসিক অপরাধ ও কল্যান সভায় গণধর্ষন মামলার মূল রহস্য উৎঘাটন আসামী গ্রেফতারসহ গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা এবং আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে নৈপুণ্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ শ্রেষ্ট অফিসার ইনচার্জ হিসেবে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরীকে সম্মাননা স্বারক প্রদান করেন সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো: বরকতুল্লাহ খান।

অপরাধ দমনে দিক-নির্দেশনার জন্য পুলিশ সুপার মো: বরকতুল্লাহ খান’র প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানান। এছাড়াও অস্ত্র উদ্ধার, ডাকাতসহ বিভিন্ন অপরাধিদের গ্রেফতার এবং আইন শৃংঙখলা নিয়ন্ত্রনে ভুমিকা রাখায় জগন্নাথপুর থানার সকল অফিসার ও ফোর্সদের প্রতি অভিনন্দন জানিয়েছেন তৃতীয় বারের মতো নির্বাচিত জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।

এদিকে ২০১৭সালের শুরুতে জগন্নাথপুর থানায় যোগদানের পর থেকে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী চোর, ডাকাতসহ বিভিন্ন অপরাধী গ্রেফতার, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে সফলতা অর্জনসহ দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে প্রসংশিত হচ্ছেন।

জ.টুডে-১২জুন২০১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুরে কেশবপুর সৌরভ যুব সংঘের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত

জগন্নাথপুর টুডে নিউজ:
জগন্নাথপুর পৌর শহরের কেশবপুর সৌরভ যুব সংঘের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়েছে। রবিবার (১০জুন) কেশবপুর বাজারে আয়োজিত ইফতার পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ নেতা সৌরভ যুব সংঘের আজীবন সদস্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমাজসেবী সাংবাদিক আনহার মিয়া মুন্না এলাকার অসহায় দরিদ্রদের কল্যানের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নে সৌরভ যুব সংঘ গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখছে।

তিনি দেশে ও প্রবাসে অবস্থানরত সৌরভ যুব সংঘের নেতৃবৃন্দের প্রতি অভিনন্দন জানিয়ে বলেন প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশীরা বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারের পাশাপাশি এলাকার সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছেন। এলাকার ঐতিহ্যবাহি সংগঠন কেশবপুর সৌরভ যুব সংঘের অগ্রযাত্রায় তিনি সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি কেশবপুর যুব সংঘের মাধ্যমে এলাকার অসহায় দরিদ্রদের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সৌরভ যুব সংঘের সাবেক সভাপতি সালাহ উদ্দিন মিঠু। কেশবপুর সৌরভ যুব সংঘের সভাপতি শফিক মিয়ার সভাপতিত্বে ও টিটু আহমদের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সৌরভ যুব সংঘের সহ-সভাপতি তৈয়ব আলী, হাজি আছকির মিয়া, কোষাধ্যক্ষ মোহন মিয়া প্রমূখ।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর পশ্চিমপাড়া মসজিদের ইমাম ক্বারী ইমাদ উদ্দিন, হাফিজ খলিলুর রহমান, সাবেক মোয়াজ্জিন সরফ উদ্দিন, কেশবপুর এলাকার বাসিন্দা মছদ্দর আলী, আবুল বশর, আব্দুল হান্নান, জিলু মিয়া, মদই মিয়া, জলিল মিয়া, গৌছ আলী, বেলাল আহমদ, সুনু মিয়া, জালু মিয়া, কেশবপুর বাজার কমিটির সহ-সম্পাদক আব্দুল হেকিম, আতিকুর রহমান প্রমূখ। ইফতার পূর্ব বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন কেশবপুর বরাকা বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদের ইমাম সাইদুর রহমান।

জ.টুডে-১২জুন২০১৮/বিডিএন

রাশিয়াতে শেষ বিশ্বকাপ কাপ হতে পারে যাঁদের

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

বৃহস্পতিবার(১৪ জুন) থেকে শুরু বিশ্বকাপ। রাশিয়াতেই শেষ বিশ্বকাপ কাপ হতে পারে যাঁদের, তাদের নিয়েই এই আয়োজন।

রাফায়েল মারকুইজ (মেক্সিকো)

বয়স ৩৯ পেরোলেও মাঠের খেলায় এর ছাপ পড়তে দেননি মেক্সিকো ফুটবল দলের অধিনায়ক রাফায়েল মারকুইজ। রাশিয়া বিশ্বকাপে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গেই ২টি রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন তিনি। বিশ্বের প্রথম ফুটবলার হিসেবে চারটি বিশ্বকাপে অধিনায়কত্ব করার ইতিহাস গড়বেন তিনি। ২০০৬ সালে প্রথমবার মেক্সিকোকে বিশ্ব ফুটবলের আসরে নেতৃত্ব দেন মারকুইজ। এরপর ২০১০ এবং ২০১৪ সালে বিশ্বকাপেও তার নেতৃত্বেই খেলেছে মেক্সিকো। সেইসঙ্গে বিশ্বের তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে সর্বোচ্চ ৫টি বিশ্বকাপ খেলার কৃতিত্ব অর্জন করবেন তিনি। এর আগে মেক্সিকোর গোলরক্ষক আন্তোনিও কারভালহো এবং জার্মানির লোথার ম্যাথাউস ৫টি করে বিশ্বকাপে খেলেছেন। ২০০২ সালের বিশ্বকাপ দিয়ে ফুটবলের বিশ্ব আসরে পা রেখেছিলেন তিনি।

টিম কাহিল (অস্ট্রেলিয়া)

বিশ্ব ফুটবলে খুব বড় শক্তি নয় অস্ট্রেলিয়া। তবে আপন মহিমায় ফুটবলের বিশ্ব সেরাদের দলে নিজের নাম লিখেছেন অস্ট্রেলিয়ান ফরোয়ার্ড টিম কাহিল। বিশ্বকাপে কাহিলের গোল ছাড়া কোনও ম্যাচ জেতেনি সকারুরা। ২০০৬, ২০১০ এবং ২০১৪ তিনটি বিশ্বকাপ মিলিয়ে মোট ৮টি ম্যাচ খেলেছেন কাহিল।এই ৮ ম্যাচে তাঁর পা ছুঁয়ে বল জাল জড়িয়েছে মোট ৫ বার। আসন্ন বিশ্বকাপে কেরিয়ারের চতুর্থ তথা শেষ বিশ্বকাপে নামতে চলেছেন কাহিল। এরই মধ্যে বয়সটা যে ৩৮ পেরিয়েছে কাহিলের।

হাভিয়ের মাসচেরানো (আর্জেন্টিনা)

২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার রানার্স হওয়ার পিছনে মূখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন এই হাভিয়ের মাসচেরানো। সেবারের সেমিফাইনাল ম্যাচে ডাচ খেলোয়াড় আরিয়েন রোবেনকে করা তাঁর ট্যাকেল জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ট্যাকেলের তালিকায়। ২০০৬ সালের বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০১৪ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপের প্রতিটি মিনিট মাঠে ছিলেন এই মিডফিল্ডার।সাহসী ডিফেন্ডিংয়ের মধ্যে দিয়ে দলের রক্ষণভাগ আগলে রাখতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু এরই মধ্যে বয়সের কাটা ছুঁয়েছে ৩৩। তাই রাশিয়া বিশ্বকাপেই সম্ভবত শেষ হতে যাচ্ছে আর্জেন্টাইন এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের বিশ্বকাপ যাত্রা।

আন্দ্রে ইনিয়েস্তা (স্পেন)

স্পেনের ফুটবল ইতিহাসে নিঃসন্দেহে অন্যতম সেরা ফুটবলারের নাম আন্দ্রে ইনিয়েস্তা। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ইনিয়েস্তার করা গোলেই বিশ্বকাপ জিতে নেয় স্পেন। তিনিই বিশ্বের একমাত্র ফুটবলার যিনি ২টি ইউরো কাপ ফাইনাল এবং ১টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন। ২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপ দিয়ে বিশ্ব ফুটবলের মহাযজ্ঞে অভিষেক হয় ইনিয়েস্তার। এরপর ২০১০ এবং ২০১৪ বিশ্বকাপে স্পেনের হয়ে সবকটি ম্যাচে খেলেছেন তিনি। রাশিয়া বিশ্বকাপ শুরুর আগে এরই মধ্যে ৩৪ ছুঁয়েছে ইনিয়েস্তার বয়স। ছেড়ে দিয়েছেন শৈশবের ক্লাব বার্সেলোনা। রাশিয়া বিশ্বকাপ শেষেই হয়তো অবসর নিয়ে নেবেন জাতীয় দল থেকেও। আর অবসর না নিলেও ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের কার্টেন রেজারের আগেই যে বুট জোড়া তুলে রাখবেন ইনিয়েস্তা তা নিয়ে হয়তো আর কারোর কোনও সংশয় নেই।

সার্জিও রামোস (স্পেন)

স্পেনের সোনালী দিনের শরিক সার্জিও রামোস। ২০০৮ ও ২০১২ সালের ইউরো জয় থেকে ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলে ছিলেন এই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপকে দ্রুত ভুলতে চাইবেন তিনি। ২০১২ সালের ইউরো জয়ের পর বড়মঞ্চে আর তেমন সাফল্য নেই স্প্যানিশদের। রাশিয়া বিশ্বকাপে অন্যতম ফেভারিট ধরা হচ্ছে এবার স্পেনকে। স্প্যানিশদের রক্ষণে বড় ভরসার নাম অবশ্যই রামোস। সেই সঙ্গে কর্নার থেকে গোল করায় রামোসের জুড়ি মেলা ভার। ইতিমধ্যেই ৩২ ছুঁয়েছে তাঁর বয়স। পরের বিশ্বকাপে খেলার সম্ভবনা খুব কম। তাই রাশিয়াতেই সম্ভবত শেষ হচ্ছে সের্জিও রামোসের বিশ্বকাপ।

লুইস সুয়ারেজ (উরুগুয়ে)

২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপে ইতালির জর্জিও কিয়েলিনিকে কামড়ে রাতারাতি খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন উরুগুয়ের লুইস সুয়ারেজ। এই ঘটনার জেরে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে নির্বাসিতও হতে হয়েছিল তাঁকে। ২০১৪ সালে বিশ্বকাপের পর অবশ্য বার্সেলোনায় যোগ দেন তিনি। মেসির পাশে নিজেকে বেশ মানিয়ে নিয়েছেন সুরারেজ। ২০১০ সালে প্রথম বিশ্বকাপে খেলেন তিনি। তখনও দলের কোচ ছিলেন অস্কার তাবারেজ। সেই তাবারেজ আবারও বিশ্বকাপে উরুগুয়ের কোচ। এডিনসন কাভানি, লুইস সুয়ারেজের দিকেই তাকিয়ে উরুগুয়ে। ইতিমধ্যেই ৩১ বছর পেরিয়ে গিয়েছেন সুয়ারেজ। চার বছর পর ২০২২ সালে কি বিশ্বকাপে সুয়ারেজকে খেলতে দেখা যাবে? সম্ভবনা কম বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল)

‘ছোট থেকেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখে আসছি। সেই বিশ্বকাপ জিতলেও অবসর নেওয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই।’ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলেও অবসর নেবেন না বলছেন সিআর সেভেন। বর্তমানে তাঁর বয়স ৩৩। চার পর ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে রোনালদোর বয়স হবে ৩৭। তাহলে কি বয়সটা কোনও ফ্যাক্টর নয়, ফিটনেসই আসল এই তত্বকে সামনে রেখে এগোচ্ছেন তিনি। রোনাল্ডো যাই বলুন না কেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা কিন্তু রাশিয়াতেই রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ দেখতে পাচ্ছেন।

লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)

বিশ্বকাপ না জিততে পারলে অবসরের ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন লিওনেল মেসি। কোপা আমেরিকা, বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা – পর পর তিন বছর তিনটি বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেও কাপটা হাতের নাগালের বাইরেই রয়ে গেছে আর্জেন্টিনা ও মেসির। ২০১৬ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনালে হারার পর হতাশায় জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়ে নেন মেসি। পরে আবার ফিরে এসেছেন। এবারই মেসির জন্য শেষ সুযোগ, অমরত্ব অর্জনের। মেসি নিজেও জানেন সেটা। এ জন্যই এবার বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের বুটজোড়া পাকাপাকিভাবে তুলে রাখার চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছেন ৩০ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

সুত্র- ঢা.টা /১২জুন২০১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত

জগন্নাথপুর টুডে নিউজ:
বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক সমিতি জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়েছে। রবিবার (১০জুন) পৌর শহরের জগন্নাথপুর বাজারের তালুকদার রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত ইফতার পূর্ব আলোচনা সভায় সহকারি শিক্ষক সমিতির সভাপতি শহরের ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারি শিক্ষক আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হাজি আব্দুর রশীদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রুহল আমিনের পরিচালনায় মাহে রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে সহকারি শিক্ষক সমিতির কার্যক্রমের সাফল্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক হবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: নুরুল হক।

বক্তব্য রাখেন ইউ আর সি ইন্সট্রাক্টর মো: হারুন অর রশীদ চৌধুরী, সহকারি শিক্ষা অফিসার মাসুম বিল্লাহ, সহকারি শিক্ষক অফিসার কামাল উদ্দিন, সহকারি শিক্ষা অফিসার রাপ্রুচাই মারমা, উপজেলা প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি আতাহার উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস, কেশবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন, আজিজুর হক, এটি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারি শিক্ষক সালেহা পারভীন, শিক্ষক আতাউর রহমান, আবুল কালাম, শহীদুর রহমান উজ্জল, মুর্শেদুর রহমান, শরিফ উল মামুন, জায়েদ হোসেইন প্রমূখ।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা হিসাব রক্ষন অফিসের অডিটর কবির উদ্দিন, উপজেলা শিক্ষা অফিসের হিসাব রক্ষক আব্দুল কুদ্দুছ, সহকারি হিসাব রক্ষক মোফাজ্জুল হোসেন। ইফতার পূর্ব বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা নিজাম উদ্দিন জালালী।

জ.টুডে-১১জুন২০১৮/বিডিএন

মীরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রুবেল আহমদ হাবিবের উদ্যোগে শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবসে আলোচনা সভা ইফতার ও দোয়া মাহফিল

জগন্নাথপুর টুডে নিউজ:
জাতির জনক বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষ্যে জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রুবেল আহমদ হাবিবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়েছে।

সোমবার (১১জুন) মীরপুর ইউনিয়নের মীরপুর বাজারে রাহিম আহমদের বেঙ্গল সুইটমিটে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিল পূর্ব কারামুক্তি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আকমল হোসেন বলেছেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল রাস্ট্রে পরিণত হয়েছে।

দেশের উন্নয়নের গনজোয়ারকে গতিশীল রাখতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। তিনি বলেন সেনা সমর্থিত ১/১১’র তত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭সালের ১৬জুলাই শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘ প্রায় ১১মাস কারাভোগের পর ২০০৮সালের ১১জুন সংসদ ভবন চত্ত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃনমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে গতিশীল করে তুলতে আওয়ামী লীগ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম মশাহিদ, মীরপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জমির উদ্দিন, মীরপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আব্দুল খালিক, সাবেক ইউপি সদস্য আতিক মিয়া।

মীরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রুবেল আহমদ হাবিবের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মীরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সাজাদ খান, যুবলীগ নেতা আব্দুল আহাদ, যুবলীগ নেতা সুহেল আহমদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আফরোজ আলী,

জগন্নাথপুর ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক তাহা আহমদ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বাহার আহমদ, সহ-সভাপতি নিজাম রনি, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা কামরান, জুমন, রাহেল আহমদ, সাইফ, সাকিব, মীরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান আবু নাছের, সাংগঠনিক সম্পাদক ছালিক আহমদ,

সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বদর উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক রাসেল আহমদ, দপ্তর সম্পাদক রাশেদ খান, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুন্না দেব, আইন বিষয়ক সম্পাদক রাজু আহমদ, ক্রীড়া সম্পাদক আলাল শেখ, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক ছায়েদ আহমদ প্রমূখ। ইফতার ও দোয়া মাহফিলে আওয়ামী লীগ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও মুসল্লীগন উপস্থিত ছিলেন।

জ.টুডে- ১১জুন২০১৮/বিডিএন

জগন্নাথপুর পৌরসভার ৩৬কোটি ২১লাখ ৮০হাজার টাকার বাজেট ঘোষনা

জগন্নাথপুর টুডে নিউজ:
জগন্নাথপুর পৌরসভার ২০১৮-২০১৯অর্থ বছরের ৩৬কোটি ২১লক্ষ ৮০হাজার টাকার বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। সোমবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় পৌরসভার অস্থায়ী ভবনে আয়োজিত অনুষ্টানে প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষনা করেছেন মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল মনাফ।

ঘোষিত বাজেটে রাজস্ব খাতে আয় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৭১লাখ ৮০ হাজার টাকা, উন্নয়ন খাতে আয় দেখানো হয়েছে ৩৪কোটি ৫০লাখ টাকা। মোট আয় ৩৬ কোটি ২১লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। রাজস্ব ব্যয় দেখানো হয়েছে ১কোটি ৬৯লাখ ৩০হাজার টাকা, উন্নয়ন ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩৪কোটি ৫০লাখ টাকা, মোট ব্যায় ৩৬কোটি ১৯লাখ ৩০ হাজার টাকা। উদ্বৃত্ত দেখানো হয়েছে ২লক্ষ ৫০হাজার টাকা।

জনাকীর্ণ বাজেট অনুষ্টানে পৌরসভার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষনা শেষে মেয়র মো: আব্দুল মনাফ বলেছেন জগন্নাথপুর পৌরসভাকে আলোকিত ও নান্দনিক পৌরসভায় রূপান্তরিত করতে সকল নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আধুনিক পৌরসভা গঠন সম্ভব।

তিনি পৌরসভার সকল নাগরিকবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন কোন প্রকার করারোপ না করেই কল্যানমূখী বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। তিনি শহরের দরিদ্র জনগোষ্টির কল্যানসহ সকল নাগরিকদের সেবায় নিজেকে আত্ম নিয়োগ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে উপস্থিত বিভিন্ন শ্রেনী পেশার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, ব্যবসায়ীসহ সকলকে অভিনন্দন জানান এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে পৌরবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

বাজেট অনুষ্টানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে পৌরসভার সচিব মো: মোবারক হোসেনের পরিচালনায় বাজেট অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্যানেল মেয়র ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার শফিকুল হক শফিক, প্যানেল মেয়র-২ ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার সুহেল আহমদ, ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার গিয়াস উদ্দিন মুন্না,

৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার দ্বীপক গোপ, পৌরসভার প্রকৌশলী স্বতীশ গোস্মামী, মহিলা কাউন্সিলার মীনা রানী পাল, নার্গিস ইয়াছমিন, দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি সানোয়ার হাসান সুনু, দৈনিক মানক কন্ঠ প্রতিনিধি জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া, দৈনিক সিলেটের ডাক প্রতিনিধি অমিত দেব, দৈনিক নয়াদিগন্ত ও সুনামগঞ্জের ডাক প্রতিনিধি মো: হুমায়ুন কবির, দৈনিক সুনামকন্ঠ প্রতিনিধি শাহজাহান, সাংবাদিক এস কে চৌধুরী শিমু,

পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে রশিদ আলী, এলাইছ মিয়া, আব্দুস সালাম, রঞ্জিত চন্দ্র শীল, বিমল চন্দ্র বনিক, মাহমুদা বেগম, বিপ্লু রঞ্জন সরকার, রুবি রানী দেব, মো: রফিকুল ইসলাম, পুলক রায়, বিপ্রেস চন্দ্র মৈত্রসহ পৌর শহরের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে মোনাজত পরিচালনা করেন পৌরসচিব মো: মোবারক হোসেন। ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে প্রস্তাবিত বাজেটে উন্নয়ন আয় দেখানো হয়েছে সরকার প্রদত্ত উন্নয়ন সহায়তা মঞ্জুরী তহবিল ২ কোটি টাকা। আই, ইউ, আই. ডি. পি তহবিল, এলজিইডি ৫ কোটি টাকা।

ওয়াটার সাপ্লাই (স্যানিটেশন, ড্রেনেজ এন্ড সয়েল ওয়াস্ট মেনেজমেন্ট ফর স্মল পৌরসভা (জিওবি- আইডিবি) তহবিল ২৫ কোটি টাকা, নতুন পৌরভবন নির্মান ২ কোটি ৫০লাখ টাকা। মোট উন্নয়ন ৩৪ কোটি ৫০লাখ টাকা। উন্নয়ন ব্যায়ের বিবরণীতে দেখানো হয়েছে

অবকাঠামো:-রাস্তা নির্মান ৬ কোটি টাকা, রাস্তা মেরামত ও সংস্কার ১ কোটি টাকা, ব্রীজ, কালভার্ট নির্মান ৩ কোটি ৫০লাখ টাকা, ব্রীজ কালভার্ট সংস্কার ৩ কোটি টাকা, ড্রেইন নির্মান ৭ কোটি টাকা, পানির লাইন স্থাপন ১০ কোটি টাকা, পৌর ভবন নির্মান ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

হাটবাজার উন্নয়ন:-বাস টার্মিনাল নির্মান ২লাখ টাকা, বাস টার্মিনাল সংস্কার ১লাখ টাকা, মার্কেট নির্মান/ সংস্কার ৮ লাখ টাকা, পার্ক নির্মান/ বাগান ২লাখ টাকা, শ্মশান ঘাট নির্মান সংস্কার ১লাখ টাকা, নিজস্ব অফিস ভবন সংস্কার ৮ লাখ টাকা, বন্যা নিরোধ প্রকল্প (জরুরী ভিত্তিতে) ৬লাখ টাকা,

বাঁধ নির্মান ৭লাখ টাকা, সাকোঁ নির্মান ২লাখ টাকা, নলকূপ স্থাপন ও সংস্কার ১লাখ টাকা, বিদ্যুত লাইন স্থাপন/ মেরামত ২লাখ টাকা, রিং ল্যাট্রিন সরবরাহ/ স্যানিটেশন ১০লাখ টাকা। মোট ব্যায় ৩৪ কোটি ৫০লাখ টাকা। রাজস্ব হিসাব বিবরণীতে আয়ের খাত দেখানো হয়েছে

ট্যাক্্র:- গৃহ ও ভুমির উপর কর ৩২লাখ টাকা, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর ফি ২০লাখ টাকা, ইমারত নির্মান ও পুন: নির্মান ৭লাখ টাকা, পেশা, ব্যবসা ও কলিং ৯লাখ টাকা, জন্ম, বিবাহ ও দত্তক গ্রহন ৫০হাজার টাকা, বিজ্ঞাপন কর ৭লাখ টাকা, পোষা প্রানী ২০হাজার টাকা, সিনেমা থিয়েটার ও অডিও ভিজুয়াল ২০হাজার টাকা, যানবাহন ১লাখ টাকা।

রেইট:- লাইটিং ১লাখ ৫০হাজার টাকা, কনজারভেন্সী ২লাখ টাকা, জনসেবামূলক পূর্ত কাজ ১লাখ টাকা, লাইসেন্স (ঠিকাদারী সহ) ৮লাখ টাকা, পশু জবাই ফি ৫০হাজার টাকা, পৌর মার্কেট ভাড়া ১লাখ টাকা, মেলা, কৃষি প্রদশনী ফি ৫০হাজার টাকা।

অন্যান্য:- হাটবাজার ইজারা ২৫লাখ টাকা, বাসস্ট্যান্ড ইজারা ১লাখ ৫০হাজার টাকা, ফেরীঘাট/জলমহাল/নৌকাঘাট ইজারা ৯লাখ টাকা, কবরস্থান/ শ্মশানঘাট ১৫হাজার টাকা, রোড রোলার/মিকচার মেশিন/ ট্রাক ভাড়া ৩লাখ টাকা, পৌর সম্পত্তি ভাড়া ১লাখ টাকা, অন্য সংস্থা কর্তৃক রাস্তা কর্তনের ক্ষতি পুরন আদায় ১লাখ টাকা, বিভিন্ন সার্টিফিকেট ফি ৯লাখ টাকা,

বিভিন্ন ফরম বিক্রয় ৫০হাজার টাকা, সিডিউল বিক্রয় ১২লাখ টাকা, জরিমানা ২৫হাজার টাকা, উন্নয়ন খাত ব্যতিত সরকারী অনুদান ১৮লাখ টাকা। সর্ব মোট রাজস্ব আয় ১কোটি ৭১লাখ ৮০হাজার টাকা। রাজস্ব হিসাব থেকে ব্যয়ের খাত দেখানো হয়েছে

সাধারন সংস্থাপন:-পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরগনের সম্মানীভাতা ১৭লাখ টাকা, কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতা ৭৫লাখ টাকা, আনুতোষিক/ভবিষ্যত তহবিলে স্থানান্তর ২৫লাখ টাকা, যানবাহন মেরামত ও জ্বালানী ৩লাখ ৫০হাজার টাকা, টেলিফোন বিল ১০হাজার টাকা, বিদ্যুত বিল ২লাখ টাকা,

বিজ্ঞাপন বিল ২লাখ টাকা, আনুষাঙ্গিক ষ্টেশনারী/ফটোষ্ট্যাট/ কম্পোজ/আপ্যায়ন/অন্যান্য ৭লাখ টাকা, ভ্রমন ভাতা ১লাখ টাকা, মোটর সাইকেল/বাই সাইকেল/কম্পিউটার/ডুপ্লিকেটিং মেশিন ক্রয়/ মেরামত ২লাখ টাকা, আসবাবপত্র ক্রয় ১লাখ টাকা।

শিক্ষা ব্যয়:- পৌরসভা চালিত শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা ১লাখ টাকা, পৌর পাঠাগার স্থাপন/পাঠাগারে বই পুস্তক ক্রয় ১লাখ টাকা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানে অনুদান ১লাখ টাকা, মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদর বৃত্তি প্রদান/বই প্রদান ১লাখ টাকা।

অন্যান্য:- ঔষধ ও চিকিৎসা (এ আর ভি) সহ ১লাখ টাকা, ইপি আই ৫০হাজার টাকা, নর্দমা পরিস্কার ২লাখ টাকা, ময়লা আবর্জনা পরিস্কার ২লাখ টাকা, ময়লা আবর্জনা পরিস্কারের উপকরন ক্রয় ১লাখ টাকা, মশক নিধন ৫০হাজার টাকা, বেওয়ারিশ লাশ দাফন/সৎকার ৫০হাজার টাকা।

কর আদায় খরচ:- এসেসমেন্ট ১লাখ টাকা, হোল্ডিং প্লেইট তৈরী ৫০হাজার টাকা, যাবতীয় মুদ্রন ১লাখ ৫০হাজার টাকা, রিক্্রা/টেলা নাম্বার প্লেইট তৈরী ৫০হাজার টাকা, ট্যাক্্র আদায় খরচ ৭৫হাজার টাকা, বৃক্ষ রোপন ও রক্ষণাবেক্ষন ১লাখ টাকা।

সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্টানে অনুদান:- পৌর এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্টান/ ক্লাবে অনুদান ১লাখ টাকা, পৌর এলাকার বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্টানে অনুদান ১লাখ ৫০হাজার টাকা, রাস্তা আলোকিত করন ও মেরামত ২লাখ টাকা, অন্যান্য (বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের নাগরিক সংবর্ধনা ও আপ্যায়ন) খরচ ১লাখ টাকা, শহর সমন্বয়/ওয়ার্ড কমিটি/সিবিও কমিটি ব্যয় ২লাখ টাকা,

ভুমি উন্নয়ন কর ২৫হাজার টাকা, অডিট ব্যয় ২০হাজার টাকা, মামলা খরচ ৫০হাজার টাকা, জাতীয় দিবস উদযাপন ১লাখ ৫০হাজার টাকা, খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্টান ১লাখ টাকা, জরুরী ত্রান/আর্থিক সাহায্য ৩লাখ টাকা, স্যানিটেশন ৫০হাজার টাকা, রাজস্ব থেকে উন্নয়ন ব্যয়/জামানত ফেরত ২লাখ ৫০হাজার টাকা। মোট ব্যায় ১কোটি ৬৯লাখ ৩০হাজার টাকা।

জ.টুডে-১১জুন২০১৮/বিডিএন