জগন্নাথপুরে মারামারি মামলার আসামী কাইয়ূম গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টঃ

জগন্নাথপুরে মারা-মারি মামলার আসামী কাইয়ূম (৪৫)কে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূঁঞার দিক নির্দেশনায় অত্র থানার এসআই আল-আমীন এর নেতৃত্বে এসআই অপূর্ব কুমার সাহা, এসআই দিপংকর হালদার, এসআই হাদী আব্দুল্লাহ, এসআই কবির আহমদ, এসআই রিফাত সিকদার, এএসআই আলী আকবর এবং এএসআই/ জমির উদ্দিন সহ একদল পুলিশ ১৬ ই নভেম্বর দিবাগত রাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ছাতক উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত শ্রীপতিপুর গ্রাম নিবাসী মৃত ইছহাক আলীর ছেলে জগন্নাথপুর থানার এফআইআর নং-১২, তারিখ- ১৭ নভেম্বর, ২০২৫; জি আর নং-২০৪, ধারা- 307/323/326/354/379/
506/114/34 The Penal Code, 1860;এর এজাহার নামীয় আসামী আব্দুল কায়ুম (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে ১৭ নভেম্বর সুনামগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।
এ বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূঁঞা।
উল্লেখ্য, ছাতক ও জগন্নাথপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ছাতক উপজেলার শ্রীপতিপুর গ্রাম নিবাসী হাজী আবারক আলীর ছেলে সাহেব আলী(৫১) এর সাথে একই গ্রাম নিবাসী মৃত ইছহাক আলীর ছেলে আব্দুল কাইয়ূম (৪৫) এর সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পূর্ব বিরোধ চলে আসছিল। বিগত ১৪ ই নভেম্বর রোজ শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকার সময় জগন্নাথপুর উপজেলাধীন যোগলনগর মার্কেটস্থ দীপক দাস এর চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন সাহেব আলী(৫১) এসময় আব্দুল কাইয়ূম ও আব্দুল মতিন এই দোকানে প্রবেশ করে সাহেব আলীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার পাশা-পাশি অতর্কিত হামলা চালিয়ে সাংবাদিক জুবায়ের আহমদ এর মাতা আয়দন মালা(৬০) ও সালিসি ব্যক্তি সহ ৬/৭ জনকে গুরুতর আহত করে। আহতদের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে হামলাকারীদের হাত থেকে আহতদের উদ্ধার করেন। আহতরা জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সহ স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ বিষয়ে সাহেব আলী বাদী হয়ে ১৭ ই নভেম্বর হামলাকারী আব্দুল কাইয়ূম(৪৫) ও আব্দুল মতিন (৪০)কে আসামী করে জগন্নাথপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপেক্ষিতে আব্দুল কাইয়ূম (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

 

দারুল কেরাত মজিদিয়া ফুলতলী হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদরাসা শাখা কেন্দ্রের কমিটি গঠন

স্টাফ রিপোর্টারঃ-

দারুল কেরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্ট  শাখা কেন্দ্র হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদরাসার পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গত ১৪ নভেম্বর হবিবপুর এলাকার কৃতি সন্তান ক্বারী মোঃ জিল্লুর রহমানকে সভাপতি ও হাজি হাসান আহমদকে নাজিম করে এক বছরের মেয়াধী ১৩ সদস্য বিশিষ্ট দারুল কেরাত পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্যান্যরা হলেন সহ সভাপতি হাজি মোঃ আব্দুস শহীদ, সহ নাজিম মাওলানা নোমান আহমদ, কোষাধ্যক্ষ মোঃ আবুল খয়ের, সদস্য মোঃ দিলু মিয়া, মোঃ মিনার আলী, মোঃ সমছু মিয়া, সেলিম আহমদ, রাসেল রহমান, আকমল হোসেন, রুমেন মিয়া, জুমেন মিয়া।

জগন্নাথপুরে এডভোকেট ইয়াসীন খানের সমর্থনে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডে জামায়াতের উঠান বৈঠক

স্টাফ রিপোর্টারঃ-

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর – শান্তিগঞ্জ)  আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী এডভোকেট ইয়াসীন খানের সমর্থনে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার (১৬ নভেম্বর) রাত ৮ টায় জগন্নাথপুর পৌর সভার ৩ নং ওয়ার্ড জামায়াতের আয়োজনে কেশবপুর বরাখায় আয়োজিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এডভোকেট ইয়াসীন খান।

এলাকার প্রবীণ মুরব্বী মোঃ দরছ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা পেশাজীবি শাখার সেক্রেটারি জুলফিকার আহমদ মনি এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জগন্নসথপুর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা দরস উদ্দিন,

উপজেলা জামায়াতের কর্ম পরিষদের সদস্য মাষ্টার আবু তাহিদ, উপজেলা পেশাজীবি শাখার সভাপতি কবির উদ্দিন, উপজেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারী মাওলানা নেছার উদ্দিন, সিলেট এমসি কলোজ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র শিবির সভাপতি  ইসমাইল খান,

উপজেলা পশ্চিম সাথী শাখার  সভাপতি আবু তাহের, জগন্নাথপুর পৌর জামায়াতের সহ সভাপতি আতিকুর রহমান, সাবেক ছাত্র নেতা দায়েম আহমদ, সুহেল আহমদ, রুহুল আমীন, ব্যবসায়ী নাসির উদ্দীন বকুল,

আকিক মিয়া শামীম আহমদ, আলী আকবর, রাসেল আহমদসহ আরো অনেকে। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জামায়াত নেতা যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাকির হোসেন। অনুষ্টানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আবু তাহের। ###

জগন্নাথপুর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে এডভোকেট ইয়াসিন খানের সমর্থনে উঠান বৈঠক

স্টাফ রিপোর্টারঃ-

সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এডভোকেট ইয়াসীন খান বলেছেন, দেশের উন্নতি করতে হলে সৎ নিষ্ঠাবান দেশপ্রেমীক জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে হবে।

সৎ লোকের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে জনগণের দেয়া আমানতের খেয়ানত হবেনা। স্বাধীনতার পর থেকে অনেক সরকার এসেছেন তাঁরা নামমাত্র উন্নয়ন করে  উন্নয়নের আড়ালে সীমাহীন দুর্নীতি আর লুটপাট করেছে ।

জনগণের আকাঙ্খা বাস্তবায়ন করতে হলে আগামীর বাংলাদেশে ন্যায়, ইনসাফের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ইনশাল্লাহ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে দেশে উন্নয়নের বিপ্লব ঘটবে।

আজ শনিবার (১৫ নভেম্বর) বাদ মাগরিব জগন্নাথপুর পৌরসভার হবিবপুর গ্রামে ৪নং ওয়ার্ড জামায়াতের  আয়োজিত  উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা গুলো বলেছেন।

হবিবপুর গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বি আমরু মিয়ার সভাপতিত্বে ও উপজেলা পেশাজীবি শাখার সভাপতি কবির উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা লুৎফুর রহমান, নায়বে আমীর মাওলানা দরছ উদ্দিন,

উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আফজাল হোসাইন, পৌর জামায়াতের সভাপতি আ হ ম ওয়ালী উল্লা,  পৌরসভার পেশাজীবি শাখার সহ-সভাপতি আশরাফ হোসেন এনাম, ৪নং ওয়ার্ড জামায়াতের কর্মী কাওসার আহমদ,

আরফিক আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে ৪নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন দল থেকে অর্ধশত লোক জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। এসময় দলীয় নেতৃবৃন্দ সহ শতাধিক জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।##

জগন্নাথপুরে ওয়ারিদ উল্ল্যা এন্ড ফরিদ উল্ল্যা মেমোরিয়াল ট্রাস্টের  মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

মোঃ হুমায়ুন কবিরঃ-

জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবপুর এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষিকা রশিদা বেগম ও মোঃ আবুল হোসেন দলা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ওয়ারিদ উল্ল্যা এন্ড ফরিদ উল্ল্যা মেমোরিয়াল ট্রাস্টের উদ্যােগে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার (১৫ নভেম্বর) হবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় পৌর শহরের ১৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণী পরীক্ষায় ৭৯জন ছাত্র ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন।

পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আবু হোরায়রা সাদ মাস্টার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাহাবুবুল আলম, সহকারি শিক্ষা অফিসার মামুনুর রহমান হাওলাদার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষন কেন্দ্রের ইন্সট্রাক্টর মোস্তফা আহসান হাবীব।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ নুরুল হক। এসময় ছিক্কা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপক কান্তি দে, লুদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক,

হবিবপুর সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালেহা পারভীন, ইসহাকপুর সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুকুল চন্দ্র সরকার, কেশবপুর সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন,

শিক্ষানুরাগী শামসুল হক সমসু, হাজী হাসান,  তানভীর আহমদ সুহেল, ট্রাস্টের দাতা সদস্য কবির মিয়া, ট্রাস্টি শহীদুর রহমান, ওয়াহিদুর রহমান,  শিক্ষক আতাউর রহমান, শহীদুর রহমান উজ্জল,  রুহুল আমীন, নীলকান্ত দাস, নৃপেশ তালুকদার,

সোনিয়া বেগম মিলি, রোমেনা বেগম, লিপি রানী দাস, জাহাঙ্গীর আলম, লিপি রানী দাস সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা মরহুম মন্তেশর আলীর সহধর্মিণী হবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষিকা রশিদা বেগম তার শ্বশুর ও শিক্ষানুরাগী মোঃ আবুল হোসেন দলা তার দাদার নামে

ওয়ারিদ উল্ল্যা এন্ড ফরিদ উল্ল্যা মেমোরিয়াল ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন।  ট্রাস্টটি প্রতিষ্ঠা করে প্রথমবারের মতো এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করায় ওয়ারিদ উল্ল্যা এন্ড ফরিদ উল্ল্যা মেমোরিয়াল ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতাসহ ট্রাস্টের সাথে জড়িত সবাইকে অভিনন্দন জানান পরীক্ষা পরিদর্শনে আসা নেতৃবৃন্দ।###

আশরাফুলের দাফন সম্পন্ন, মায়ের আহাজারি

টুডে ডেস্ক::

পরকীয়া প্রেমের দ্বন্দ্বে বাল্যবন্ধুর হাতে নৃশংসভাবে খুন হওয়া কাঁচামাল ব্যবসায়ী আশরাফুল হকের (৪২) জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর নয়াপাড়া আল মাহফুজ মাদ্রাসা মাঠে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে।

এদিকে আশরাফুলের জানাজা ও দাফন ঘিরে এলাকায় গভীর শোক নেমে এসেছে। আজ ভোর থেকে বদরগঞ্জের গোপালপুর ইউনিয়নের নয়পাড়া গ্রামে হাজারো মানুষ ভিড় করেন।

এর আগে, শুক্রবার গভীর রাতে আশরাফুলের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। সকালে জানাজায় অংশ নিতে দূরদূরান্ত থেকে মুসল্লিরা ছুটে আসেন। জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়। মায়ের আহাজারি, স্বজনদের কান্না আর বিহ্বল মানুষের দীর্ঘশ্বাসে ভারী হয়ে ওঠে আশরাফুলের শেষবিদায়ের মুহূর্ত।

স্থানীয়রা জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আশরাফুলের পরিবার শোকে মুহ্যমান। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন-বাল্যবন্ধু জরেজ আশরাফুলকে ডেকে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেছেন। এ ঘটনায় নিহত আশরাফুলের বোন আনজিনা বেগম শুক্রবার সকালে ঢাকার শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় আশরাফুলের বন্ধু জরেজুল ইসলাম জরেজকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে জরেজুল ইসলাম ও শামীমা নামের এক নারীকে।

আহাজারি করতে করতে আশরাফুল হকের স্ত্রী লাকী বেগম বলেন, ‘নিজের ভাই মনে করতো জরেজকে। জাপান যাওয়ার ১০ লাখ টাকা চাইছিল, সেই টাকাও আমরা দিতে চাইছি। আরও টাকা লাগলে নিতো। আমার সব সম্পত্তি নিয়া স্বামীটারে বাঁচাই রাখতো। স্বামীটার জান কেন কাড়ি নিল। আমি উনার (জরেজের) ফাঁসি চাই। যারা আমার স্বামীরে টুকরা টুকরা করছে, সবার ফাঁসি চাই।’

বাবা আবদুর রশিদের বিলাপ, ‘হাসপাতালে ছিলাম। জরেজ খুব তাগদা দিয়া ছেলেটারে ঢাকা নিয়া গেছে। বাবাটাক খুন করবে জানলে নিজের জান দিয়াও ঢাকা যাবার দিতাম না। ছোট নাতি-নাতনি, আমাদের এখন কে দেখবে।’

সরেজমিনে দেখা যায়, মা এছরা খাতুন মূর্ছা যাচ্ছেন। স্বজনেরা জ্ঞান ফেরালে বিলাপ করছেন, ‘আমার বেটা তো কারও ক্ষতি করে নাই। তাহলে কেন এমন করল ওরা? কেন আমার বেটাকে টুকরা টুকরা করল?’

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় মা-বাবার একমাত্র ছেলে আশরাফুল হক। তার চার বোন আছে। ভাই-বোনের মধ্যে আশরাফুল তৃতীয়। তার বাবা আবদুর রশিদ ছিলেন একজন ক্ষুদ্র কাঁচামাল ব্যবসায়ী। ছোট থাকতেই বাবার হাত ধরে কাঁচামাল ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন আশরাফুল। তিনি কাঁচামাল আমদানিকারক ছিলেন। বিভিন্ন দেশ থেকে কাঁচামাল এনে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন আড়তে দিতেন। তার সংসারে ১৩ বছর বয়সী সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মেয়ে ও ৭ বছর বয়সী এক ছেলে আছে।

এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেন বলেন, আশরাফুল কাঁচামালের ব্যবসা করতেন। তিনি একজন বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। কাঁচামাল ট্রাকে করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠাতেন। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি অত্যন্ত নম্র ও ভদ্র মানুষ ছিলেন। বছরের দুই ঈদে এলাকার গরিব মানুষদের দুই হাত প্রসার করে শাড়ি লুঙ্গিসহ শুকনা খাবার বিতরণ করতেন। গরিব মানুষদের জন্য প্রতিবছর কোরবানির ঈদে একটি গরু কিনে মাংস বিতরণ করতেন। তাকে হত্যাকারী যেই হোক, তার বিচার চান তিনি।

বদরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম আতিকুর রহমান বলেন, সকালে আশরাফুল হকের লাশ তার নিজ গ্রামে দাফন হয়েছে। তাকে হত্যার ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা হয়েছে। তার সঙ্গে থাকা বন্ধু জরেজুল ও শামীমা নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উলেখ্য, গত ১১ নভেম্বর মালয়েশিয়া-ফেরত বন্ধু জরেজুল ইসলামের সঙ্গে ঢাকায় যান আশরাফুল। এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার হাইকোর্ট-সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠের গেটের পাশে একটি ড্রাম থেকে এক তার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সূত্র:- ইত্তেফাক

জগন্নাথপুরে উপজেলা ফুটবল খেলোয়ার কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে প্রবাসী ৫ জন উপদেষ্টাকে সংবর্ধনা ও সংস্থার কমিটির নেতৃবৃন্দকে আপার বিতরণ করা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্ট::

জগন্নাথপুর উপজেলা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে সংস্থার প্রবাসী উপদেষ্টা যুক্তরাজ্য প্রবাসী নাজুল কামাল,মোঃ আদনান,যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জাবেদ চৌধুরী,পুর্তগাল প্রবাসী শামসুজ্জামান, ফ্রান্স প্রবাসী মাজু মিয়াকে সংবর্ধনা ও সংস্থার সকল নেতৃবৃন্দের মধ্যে আপার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিপুল উৎসাহ উদ্দিপনায় আনন্দমুখর পরিবেশে বিপুল সংখ্যক ক্রীড়া প্রেমী ও জগন্নাথপুর উপজেলা খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার সকল নেতৃবৃন্দের সরব অংশগ্রহণে সংস্থার প্রবাসী পাঁচ জন উপদেষ্টাকে সংবর্ধনা ও খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সকল নেতৃবৃন্দের মধ্যে আপার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার(১৪ নভেম্বর) বিকেল তিনটায় জগন্নাথপুর পৌরশহরে প্রধান ব্যাবসা কেন্দ্র জগন্নাথপুর বাজারের পৌরপয়েন্টস্ত আধুনিক মানের মাহিমা পার্টি সেন্টারে বর্ণিল এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জগন্নাথপুর উপজেলা খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জগন্নাথপুর উপজেলা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার সভাপতি জনপ্রিয় সাবেক ফুটবলার ও ক্রীড়া সংগঠক আফজাল হোসেন ফজর আলীর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের লাইসেন্স হোল্ডার কোচ এবং জগন্নাথপুর উপজেলা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন রাহুল।

উপজেলা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার প্রচার সম্পাদক ধারাভাষ্যকার নুরুল হক আবু ও সহ-অর্থ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম নাঈম এর যৌথ পরিচালনায় সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা ফুটবল খেলোয়ার কল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা ও ফুটবল খেলোয়াড় জগন্নাথপুর উপজেলা এফ সি ইউকে এর কৃতি ফুটবলার নাজুল কামাল,জগন্নাথপুর উপজেলা ফুটবল খেলোয়ার কল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা ক্রীড়া সংগঠক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জাবেদ চৌধুরী,সংস্থার উপদেষ্টা ও ইনাতনগর স্পোর্টিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোঃ আদনান,ক্রীড়ানুরাগী ফ্রান্স প্রবাসী মাজু মিয়া।

এছাড়া ও বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার সহ সভাপতি নেওয়াজ মিয়া, সহ সাধারণ সম্পাদক এস এম সুলতান ,সাংগঠনিক সম্পাদক আলি আহমেদ জয়, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রুজেল আহমদ প্রমুখ।

শুরুতেই পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করেন জগন্নাথপুর উপজেলা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার সহ-সভাপতি মারুফ আহমেদ।

পরে সংবর্ধিত অতিথিদের মধ্যে সম্মাননা স্মারক ক্রেষ্ট এবং খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সকল নেতৃবৃন্দের মধ্যে আপার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর উপজেলা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার কোষাধ্যক্ষ জগন্নাথপুর বাজারের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী মাহিমা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গ্রুপের চেয়ারম্যান শিক্ষানুরাগী মকবুল হোসেন ভূইয়া, খেলোয়ার কল্যাণ সংস্থার , সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম নজির ,আব্দুল কাহার ,আলমগীর কবির,সুহেন আহমেদ ,সহ সাধারণ সম্পাদক আখলুছ মিয়া ভূইয়া,মোজাক্কির হোসেন ,কবির আহমদ ,মিজানুর রহমান মিজান ,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল কিবরিয়া ,সিদ্দিকুর রহমান ,রাসেল মিয়া ,কামাল আহমদ ,শোভন আহমদ ভূইয়া ,সহ- শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক খোকন মিয়া ,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মইনুল ইসলাম ,বেলাল বক্স,প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক জোবায়ের আহমদ ,সহ তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক খালেদ আহমদ ,,সদস্য নাসির মিয়া ,তকবুর মিয়া,এম এ মানিক,মামুন মিয়া ,জুমান আহমদ সহ ক্রীড়াপ্রেমি এবং বিভিন্ন পেশাজীবি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জগন্নাথপুর উপজেলা খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার সকল সদস্যদের মধ্যে আপার স্পন্সর করায় সংস্থার উপদেষ্টা যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল ফটিক বক্স এর প্রতি অভিনন্দন জানানো হয়।

জটুডে/এ হাই

জগন্নাথপুরে তালামীযের ইউনিয়ন শাখার সাবেক সভাপতিকে সংবর্ধনা প্রদান

স্টাফ রিপোর্টারঃ-

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া রানীগঞ্জ ইউনিয়ন শাখার সাবেক সভাপতি লন্ডন প্রবাসী মোঃ কবির উদ্দিন তালুকদার স্বদেশ আগমন উপলক্ষে আলোচনা সভা সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাণীগঞ্জ উন্নয়ন সংস্থার কার্যালয়ে রানীগঞ্জ শাখার সভাপতি মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আখতার হোসেন রাহির পরিচালনায় আলোচনা সভায়

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন  জগন্নাথপুর উপজেলা আল ইসলাহ সভাপতি মাওলানা নিজাম উদ্দিন জালালী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মিফতাহ উদ্দিন, সাবেক সভাপতি হাফিজ ইমরান জাহান, রাণীগঞ্জ উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি মোহাম্মদ কাশেম আলী তালুকদার।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আরো সংগঠনের সহ সভাপতি মোঃ জামিয়াদ হোসেন,  সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ তায়েফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ আহমদ রুজেল, সায়েক আহমদ, অফিস সম্পাদক মুনাইম আহমদ,

সহ অফিস সম্পাদক শাহিনুর আলী, তারেক আহমদ, তানভীর আহমদ, জুনাইদ আহমদ, মুহিব আহমদ, জামিল আহমদ, সারওয়ার হোসেন, ফরহাদ আহমদ। পরে সংগঠনের পক্ষ থেকে সংবর্ধিত অতিথির হাতে সম্মাননা ক্রেষ্ট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। ###

উম্মর উল্ল্যা এন্ড মালা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এর দেয়া উপহার মোটর সাইকেল গ্রহন করছেন আশরাফুল হক

স্টাফ রিপোর্টারঃ-

জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বালিশ্রী গ্রামে উম্মর উল্ল্যা এন্ড মালা ফাউন্ডেশন ও ফ্যামিলিজ এর আয়োজনে রৌয়াইল হিলালপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির ত্রি- বার্ষিক নির্বাচনে সহ সভাপতি পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আশরাফুল হককে উপহার হস্তান্তর উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বেলা ২টায় উম্মর উল্ল্যা এন্ড মালা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাজী মোহাম্মদ আব্দুল মুকিত এর ব্যবস্থাপনায় ফ্যামিলির সদস্যবৃন্দের সার্বিক সহযোগিতায় নিজ বাড়িতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বী আমির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক আল আমিন ইসলামের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন রৌয়াইল হিলালপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিঃ এর নির্বাচনে সহ সভাপতি প্রার্থী মোহাম্মদ আশরাফুল হক।

যুক্তরাজ্য থেকে ভিডিও কনন্ফারেন্সে বক্তব্য রাখেন উম্মর উল্ল্যা এন্ড মালা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাজী মোহাম্মদ আব্দুল মুকিত।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন রৌয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসলাম উদ্দিন ফকির, সাবেক ইউপি সদস্য মমরাজ হোসেন রাজ, মুরব্বী আলতাবুর রহমান, ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাকির হোসেন,

বালিশ্রী আফতাব আলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম, সমাজকর্মী জিয়াউল হক সহ আরো অনেকে। অনুষ্টানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা তাহমিদ হাসান।

আলোচনাসভা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফিজ মাওলানা নুরুল হক। পরে উম্মর উল্ল্যা এন্ড মালা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাজী মোহাম্মদ আব্দুল মুকিত এর দেয়া উপহার একটি নতুন মোটর সাইকেল গ্রহন করেন মোহাম্মদ আশরাফুল হক।####

জগন্নাথপুরে আবু ছালেহ মুহাম্মাদ মামুন রচিত গবেষণামূলক গ্রন্থ “হাফিয হবেন কিভাবে” এর মোড়ক উন্মোচন

মোঃ হুমায়ুন কবিরঃ-

জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবপুর এলাকার কৃতি সন্তান মাওলানা আবু ছালেহ মুহাম্মদ মামুন রচিত কুরআন হিফযের উপরে লিখিত গবেষণামূলক গ্রন্থ হাফিয হবেন কীভাবে এর মোড়ক উন্মোচনগ্রন্থ অনুষ্টান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার ( ৮ নভেম্বর) সকাল ১১টায় প্রকাশনা অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির জগন্নাথপুর এর  আয়োজনে হাসপাতাল পয়েন্টস্থ হামজা কমিউনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

হাফিয হবেন কীভাবে এর মোড়ক উন্মোচন করেন ও উদ্বোধকের বক্তব্য রাখেন  ইয়াকুবিয়া হিফযুল কুরআন বোর্ড এর জেনারেল সেক্রেটারি হাফিয মাওলানা ফখরুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী।

হলিয়ারপাড়া জামেয়া কাদেরিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ ড. মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ রইছ উদদীন।

জগন্নাথপুর উপজেলা আঞ্জুমানে আল ইসলাহ সভাপতি মাওলানা নিজাম উদ্দিন জালালী ও সাধারন সম্পাদক হাফিজ সমসু মিয়া সুজল এর যৌথ পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাফিয হবেন কিভাবে বইয়ের লেখক লন্ডনের ওল্ডহাম মদিনা মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারে ইমাম ও খতীব মাওলানা আবু সালেহ মোহাম্মদ মামুন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ড. সৈয়দ রেজওয়ান আহমদ, শাহচান্দ শাহকালু হাফিজিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুল মুক্তাদির খান, সৎপুর দারুল হাদিস কামিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা রশিদ আহমদ চৌধুরী,

হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আব্দুল হাকীম, চিলাউড়া দারচ্ছুন্নাহ আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা তাজুল ইসলাম আলফাজ, আল হাবীব ফাউন্ডেশন প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক মাওলানা মোঃ আব্দুল বাকী খালেদ।

অনুষ্টানে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. এডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহিন, হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদরাসার সিনিয়র প্রভাষক মাওলানা আব্দুল করীম ফারুকী, ইকড়ছই জামেয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদরাসার প্রভাষক মাওলানা আজমল হোসেন জামী,

ইয়াকুবিয়া হিফজুল কুরআন বোর্ড জগন্নাথপুর উপজেলা সভাপতি হাফিজ ক্বারী নুরুল হক, জগন্নাথপুর উপজেলা লতিফিয়া ক্বারী সোসাইটির সাধারন সম্পাদক মাওলানা নুর আহমদ, হলিয়ারপাড়া জামেয়া কাদেরিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা নুরুল হক,

ইয়াকুবিয়া হিফজুল কুরআন বোর্ড জগন্নাথপুর উপজেলার সাধারন সম্পাদক  হাফিজ ইয়াহিয়া আলী, মিনাজপুর হাফিজিয়া মাদরাাসার শিক্ষক হাফিজ আবু সালেহ, আঞ্জুমানে তালামিযে ইসলামীয়া জগন্নাথপুর পশ্চিম শাখার সভাপতি রুবেল আহমদ খোকন।

অনুষ্টানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফিজ মাহিন।  নাতে রাসুল পাঠ করেন হাফিজ মুজাম্মেল হোসেন। মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সিলেট, হবিগঞ্জ,  সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন আলীয়া ও কওমী মাদরাসার হাফিজিয়া শাখার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আবু ছালেহ মুহাম্মদ মামুন ১৯৮০ সালে৷   সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার পৌরসহরের হবিবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম আব্দুস শহীদ মাস্টার একজন সুনামধন্য শিক্ষক ছিলেন। তিনি ঐতিহ্যবাহী হবিবপুর কেশবপুর ফাজিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল, আলিম ও ফাজিল ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

পরবর্তীতে বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ  বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধীন ২০০১ সালে অনার্স ও ২০০৩ সালে কৃতিত্বের সাথে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তিনি ২০০১ সালে কুষ্টিয়া কুওয়াতুল ইসলাম কামিল মাদ্রাসা থেকে হাদিস বিভাগে কামিল ডিগ্রী অর্জন করেন।

২০০৪ সালে জগন্নাথপুরের প্রাচীন বিদ্যাপীঠ সৈয়দপুর সৈয়দীয়া শামছিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় আরবি প্রভাষক হিসেবে যোগদান করে  কর্মজীবন শুরু করেন। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকতা পেশায় থাকাকালী ২০০৯ সালে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য যুক্তরাজ্যের পাড়ি জমান।

তিনি বর্তমানে লন্ডনের ওল্ডহাম শহরে অবস্থিত মদিনা  মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারে ইমাম ও খতিব হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এছাড়া দারুল হাদীস লতিফিয়া নর্থওয়েস্টে খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ####