যুক্তরাজ্য থেকে চারটি ফ্লাইটে আসছেন বাংলাদেশিরা

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করে দিয়েছে যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার, শনিবার ও পরবর্তী রবিবার চারটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা ঢাকা ফিরবেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ৮৫০ সিটের বিমানে করে এসব যাত্রী আসবেন। প্রতিটি ফ্লাইটের টিকিটের দাম পড়বে ৬০০ পাউন্ড করে। ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, তাদের দেশে ভ্রমণে আসাদের বাড়ি যেতে সাহায্য করতে কাজ করছে ব্রিটেন সরকার।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান থেকেও যুক্তরাজ্যে ফিরে গেছে ব্রিটিশ নাগরিকরা। এদিকে ২০ থেকে ২৭ এপ্রিলের মাঝে ভারত থেকে যুক্তরাজ্যে ১৭টি ফ্লাইট যাবে।

পাকিস্তান থেকে ২১ থেকে ২৭ এপ্রিলের মাঝে ১০টি ফ্লাইট যাবে। করোনা ভাইরাস বৈশ্বিক মহামারী হওয়ার পর তিন থেকে ১০ লাখ ব্রিটিশ নাগরিক বিশ্বের নানা জায়গায় ঘুরছিলেন বলে জানায় ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

কোন জেলায় কতজন করোনা আক্রান্ত

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী মারা গেছে ৮৪ জন। আক্রান্ত হয়েছে দুই হাজার ১৪৪ জন।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশের ৫২টি জেলায় করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।

কোভিড-১৯ আক্রান্ত সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা জেলায়, ৭৬৮ জন। তাদের মধ্যে ৭৪০ জনই শুধুমাত্র ঢাকা মহানগরীতে শনাক্ত হয়েছে।

এটা শুক্রবার পর্যন্ত সংখ্যা। আজ শনিবার আরো ৬ জন এ মহানগরীতে আক্রান্ত হয়েছে।

ঢাকা মহানগরীর মিরপুরে সর্বোচ্চ ৪২, ওয়ারীতে ২৭, মোহাম্মদপুরে ২৬, লালবাগে ২১ জন আক্রান্ত হয়েছে।

এরপরই রয়েছে নারায়ণগঞ্জ। সেখানে শনাক্ত হয়েছে ২৮৯ জন।

করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ জেলা গাজীপুর। শুক্রবার পর্যন্ত এখানে শনাক্ত হয়েছে ১১৭ জন।

তারপর রয়েছে নরসিংদী ৬৫ জন, কিশোরগঞ্জে ৩৩, মুন্সিগঞ্জে ২৭, মাদারীপুরে ২৩, গোপালগঞ্জে ১৭ ও টাঙ্গাইলে ৯ জন।

চট্টগ্রামে শুক্রবার পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩৭ জন। আর লক্ষ্মীপুরে ১৮, কুমিল্লায় ১৫, বান্দরবানে ১, নোয়াখালীতে ২, চাঁদপুরে ৮ ও ফেনীতে ১ জন শনাক্ত হয়েছে।

অপরদিকে গাইবান্ধায় শনাক্ত হয়েছে ১২ জন, দিনাজপুরে ৮ জন।

কোন জেলায় কতজন করোনা আক্রান্ত
ছবি: স্বাস্থ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া

সিলেটে শুক্রবার পর্যন্ত মোট ৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। তার মধ্যে মৌলভীবাজারে ২, সুনামগঞ্জে ১, সিলেট জেলায় ৩ ও হবিগঞ্জে ১ জন শনাক্ত হয়েছে।

রংপুরে ৩৭ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। আর খুলনায় ৬, বরিশালে ৩১, রাজশাহীতে ৮ ও ময়মনসিংহে ৪২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এটা শুক্রবার পর্যন্ত হিসাব।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা শনিবারের বুলেটিনে বলেন, জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ঢাকা শহর, যা শতকরা ৩২ ভাগ।

এর আগে যারা শনাক্ত হয়েছিলেন তারা বেশিরভাগই নারায়ণগঞ্জ থেকে গেছেন। এরপর আছে গাজীপুর। নতুন সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জ।

বিয়ের টাকার জন্য প্রেমিকার কথায় খুন

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::
রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউপির দক্ষিণ কেরোয়া গ্রামের ইমন ও আসমা আক্তার আয়েশা। দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রেম ছিল। একপর্যায়ে তারা পালিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু বিয়ে করার জন্য কোন টাকা-পয়সা ছিল না তাদের কাছে।

এদিকে একই এলাকার মাহফুজা খাতুন নামে এক বৃদ্ধা স্বর্ণালংকার পরে প্রতিদিন বিকেলে হাঁটতে বের হতেন। বিয়ের টাকার জন্য ওই বৃদ্ধাকে হত্যা করে প্রেমিক ইমনকে স্বর্ণালংকার লুট করতে বলেন প্রেমিকা আসমা। পরে তারা হত্যার পরিকল্পনা করেন দুদিন ধরে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৯ সালের ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাহফুজাকে হত্যা করে স্বর্ণালংকার লুটে নেন ইমন। আর মরদেহ বস্তাবন্দী করে একটি খালে ফেলে দেন। ১৭ অক্টোবর ওই বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সন্দেহজনক ইমন ও আজিজ দুইজনকে আটক করা হয়। আজিজ ওই প্রেমিক যুগলের বার্তাবাহক। শনিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও নোয়াখালী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. জহিরুল হক মোবাইল ফোনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ইমন ও আসমার প্রেম ছিল। আজিজ তাদের প্রেমের চিঠি আদান-প্রদানে সহযোগিতা করতেন। একদিন তারা পালিয়ে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু ইমনের কাছে টাকা ছিল না। ইমন বিষয়টি আসমাকে জানান। বিষয়টি শুনে বৃদ্ধ মাহফুজাকে হত্যা করে স্বর্ণালংকার লুটে নিতে আসমা ইমনকে বলেন। এই পরিকল্পনার দুইদিন পর বৃদ্ধা মাহফুজার বাড়ির পাশে ইমন ও আজিজ ওত পেতে থাকেন। ঘটনার দিন মাহফুজা হাঁটতে বের হলে নিজ ঘরে ডেকে নেন ইমন। একপর্যায়ে ইমন ও আজিজ তার গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন।

তিনি আরো জানান, হত্যার পর বস্থাবন্দী করে মরদেহ বাড়ির রান্নাঘরের পেছনের বাগানে ফেলে দেন ইমন। এদিকে মাকে না পেয়ে বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেন ছেলেরা। এসব দেখে ইমন ও আজিজ বস্তাবন্দী মরদেহ টেনে নিয়ে পার্শ্ববর্তী খালে ফেলে দেন। পরে বস্তা টেনে নেয়ার চিহ্ন দেখে খাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতের ছেলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আব্দুল ওয়াদুদ শিপন বলেন, মায়ের হত্যাকান্ডের অগ্রগতি না দেখে মামলাটি পিবিআইয়ে হস্তান্তরের জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টারে আবেদন করি। এর পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেয়া হয়। পিবিআই নোয়াখালীর অ্যাডিশনাল এসপি বসু দত্ত চাকমা বলেন, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে আসামিরা। অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় লক্ষ্মীপুর আদালতের মাধ্যমে তাদের নিরাপদ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

জগন্নাথপুরের বাউধরন গ্রামে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার::
আজ শনিবার সকাল ১১টায় জগন্নাথপুর উপজেলার বৃহৎ নলুয়ার হাওরে প্রচন্ড বজ্রপাতে সিপন মিয়া (২৯) প্রাণ হারিয়েছেন।

সে উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের বাউধরন গ্রামের মৃত তবারক উল্ল্যার ছেলে । নিহত সিপন মিয়া হাওরে গরু চড়াতে গেলে হঠাৎ বৃষ্টির আসার সাথে সাথেই বাড়ি ফিরতে গিয়ে প্রচন্ড বজ্রপাতে হাওরেই প্রাণ হারিয়েছেন।

জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জগন্নাথপুরে গাড়িতে অতিরিক্ত যাত্রী, ১২ জনকে অর্থদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টসহ::
সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে গাদাগাদি করে ব্যাটারিচালিত টমটম (ইজিবাইক) গাড়িতে ওঠায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ১২ জন যাত্রীকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে জগন্নাথপুরের ইকড়ছই-চিলাউড়া সড়কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসির আরাফাত এ দণ্ড প্রদান করেন।

জানা যায়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ও মানুষকে ঘরমুখী করতে জগন্নাথপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জগন্নাথপুরের বিভিন্ন স্থানে সচেতনামূলক প্রচার অভিযান শুরু করে। অভিযানকালে ইকড়ছই-চিলাউড়া সড়কে একটি যাত্রীবাহী টমটম গাড়িতে বেআইনিভাবে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসির আরাফাত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১২ জন যাত্রীর প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে জরিমানা করেন। তবে টমটম গাড়ির চালক কৌশলে পালিয়ে যান।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক জগন্নাথপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসির আরাফাত বলেন, সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারা অনুযায়ী প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

জগন্নাথপুরের মেয়ে দক্ষিণ সুরমার গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু:: মামলা দায়ের

স্টাফ রিপোর্টার:
বড়দি ওরা আমাকে মেরে ফেলবে ,আমাকে ওদের কবল থেকে বাচাঁও বড়দি। ওরা পাষন্ডের মত আমাকে নির্যাতন করছে। বাবা , মা কোথায় ,আমি তাদের সাথে কথা বলতে চাই। এমন কথা বলে অঝর ধারার কান্না যেন থামছিলনা। এমন কথা বলেই মোবাইল ফোনটির লাইন কেটে যায় । পহেলা এপ্রিল সময় তখন সকাল ৮টা ২০ মিনিট। মা. বাবা ,ভাই,বোন ও স্বজনরা যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন আদরের দুলালীকে দেখতে যাবেন ঠিক সেই মূহুর্তে ৯:২৫ মিনিটে আরেকটি কল আসে লাকী আর নেই ।

এক ঘন্টার ব্যবধানে রহস্যজনক মৃত্যুর সংবাদ শুনে বিমূর্ষ হয়ে পড়েন বাবা,মা,ভাই বোন ও স্বজনরা । কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিলেননা তাদের আদরের মনি লাকী চিরদিনের জন্য চোখের আড়াল হয়ে যাবে। তখন বাবা,মা,ভাই বোন ও স্বজনদের হাউ মাউ করে কান্না জগন্নাথপুরের মন্দির বাড়ি এলাকার আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠে।

:: দীর্ঘ দিনের প্রেম অথচ প্রেমিকাকে ফাকিঁ দিয়ে বিয়ে । সুন্দরী স্ত্রীকে ঘরে রেখে প্রেমিকার মন জয় করে পরকিয়া । অবশেষে পরকিয়ার অনৈতিক সম্পর্কে বাধাঁ দেয়ায় বিবাহিত স্ত্রীকে সইতে হয় অমানবিক ও শারিরীক নির্যাতন।

পাষন্ড স্বামী ও তার পরিবারের সদস্য এবং প্রেমিকার অত্যাচার শারিরীক ও মানষিক নির্যাতনে রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে জগন্নাথপুরের মেয়ে দক্ষিণ সুরমার গৃহবধু এক সন্তানের জননী লাকী রাণী নাথ কেয়ার।

পৈষাচিক হৃদয় র্স্পশী চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজারের শাহসিকন্দর গ্রামে।

এ ঘটনায় নিহত লাকী রাণী নাথ কেয়ার বড় ভাই সাংবাদিক বিপ্লব দেব নাথ বাদী হয়ে ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার ) দক্ষিণ সুরমা থানায় নিহত লাকীর পাষন্ড স্বামী অমরেশ দেবনাথ অমরকে প্রধান আসামী করে ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার অন্যান্য আসামীরা হচ্ছে: শাহসিকন্দর গ্রামের ধীরেন্দ্র দেবনাথ ধীরু ও তার স্ত্রীশেফালী রাণী নাথ, নিতাই দেবনাথ ও তার স্ত্রী শিল্পী রাণী নাথ, বালাগঞ্জ উপজেলার চানঁপুর গ্রামের বাসিন্দা মুন্টু দেবনাথ ও তার স্ত্রী মনষা রাণী নাথ, অমরেশ দেবনাথের প্রেমিকা জকিগঞ্জ উপজেলার কালিগঞ্জ গ্রামের মৃত: নিখিল দেবনাথের মেয়ে লিপি রাণী নাথ।

সেদিনের ঘটনা: দক্ষিণ সুরমা উপজেলার শাহ সিকন্দর গ্রামের ধীরেন্দ্র দেবনাথের ছেলে অমরেশ দেবনাথ অমরের স্ত্রী লাকী রাণী নাথ কেয়ার রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পেয়ে নিহত লাকীর পিতা সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর পৌর শহরের ৬নং ওয়ার্ডের মন্দির বাড়ির বাসিন্দা নবেশ দেবনাথ তার ছেলে সাংবাদিক বিপ্লব দেবনাথ সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এবং জগন্নাথপুর পৌরসভার সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলার মীনা রাণী পাল সহ স্বজনরা শাহসিকন্দর গ্রামে নিহত লাকীর স্বামীর বাড়ি শাহসিকন্দর গ্রামে পৌছেন।

ঘাতক অমরেশ দেবনাথের দোতলা বাড়ির আঙ্গিনায় পুলিশ সহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। দুুপুরের দিকে ঘাতক অমরেশ দেবনাথের ঘরের দোতলার শয়নকক্ষের উত্তর পাশের একটি কক্ষ থেকে সিলিং ফ্যানের একটির পাখার সাথে পুরনো শাড়ি কাপড় দ্বারা গলায় ফাস লাগানো অবস্থায় নিহত গৃহবধু লাকী রাণী নাথ কেয়ার লাশ পুলিশ উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লাশ ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

এদিকে প্রত্যক্ষদর্শী এবং উপস্থিত তিনজন গনমাধ্যমকর্মী নিহত গৃহবধু লাকীর ঝুলন্ত দেহ এবং কক্ষের পারিপার্শিক অবস্থান মূভি ক্যামেরা এবং মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। লাশের পা দুটি হাটু মোড়ানো অবস্থায় বিছানার সাথে লাগানো ছিল। এছাড়াও কক্ষটির উত্তর পাশের দেয়ালে ছোট পর্দা লাগানো অনুমান দুই ফুট পরিমাপের খোলা জানালা রয়েছে । গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ এবং কক্ষটির পারিপার্শিক অবস্থানে ধারণা করা হয় গৃহবধু লাকী রাণী নাথ কেয়াকে নিষ্টুর ও নির্মম কায়দায় হত্যা করে ঘটনাটিকে আত্মহত্যায় চালিয়ে নিতে ঘাতকরা গৃহবধুর দেহ ঝুলিয়ে রেখেছে। ঘটনাটির সুষ্টু তদন্তে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন হওয়ার আশা রাখছেন লাকীর স্বজনরা ।

নিহত গৃহবধু লাকীর স্বজনরা জানান : ২০১৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারী ধর্মীয় রীতি অনুয়ায়ী দক্ষিণ সুরমা উপজেলার শাহসিকন্দর গ্রামের ধীরেন্দ্র দেবনাথ ধীরুর ছেলে অমরেশ দেবনাথ অমরের সাথে জগন্নাথপুর উপজেলার জগন্নাথপুর পৌর শহরের ৬নং ওয়ার্ডের নবেশ দেবনাথের মেয়ে লাকী রাণী নাথ কেয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের প্রথম দিকে দাম্পত্য জীবন সুখের হলেও চার মাস পর থেকেই শুরু হয় স্বামী স্ত্রীর কলহ। এর পেছনে রয়েছে ঘাতক অমরেশের তালাতো বোন বড় ভাই নিতাই দেবনাথের শ্যালিকা লিপি রাণী নাথের পূর্বের প্রেমের সম্পর্ক ।

লিপি রাণী নাথ দোতলা বাড়ির নীচ তলায় বোন জামাই নিতাই দেবনাথের ঘরে বোনের সাথে থাকার সুবাধে আড়ালে- আবডালে প্রেম করে বসে অমরেশের সাথে । একসময় তা শারীরিক সম্পর্কে পৌছে ।

ঘটনাটি জানাজানি হলে , নিতাই দেবনাথের স্ত্রী শিল্পী রাণী নাথ তার বোন লিপিকে অমরেশের সাথে বিয়ে দিতে নানা কৌশল এবং স্বামীর পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করে। বিষয়টি এক পর্যায়ে ধামাচাপা দেয়া হয়।

পরবর্তীতে অমরেশের বোন জামাই বালাগঞ্জের মন্টু দেবনাথ শ্যালক অমরেশ দেবনাথকে বিয়ে করাতে মেয়ে দেখতে থাকেন। অবশেষে লাকী রাণী নাথ কেয়ার সাথে অমরেশের বিয়ে হয়। এদিকে অমরেশ একই বাড়িতে প্রেমিকা সহ স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করছেন। এ ফাকে প্রেমিকা লিপির সাথে অমরেশের শুরু হয় পরকিয়া । স্ত্রী লাকীর অগোচরে প্রেমিকা লিপির সাথে অমরেশ প্রায় সময় অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার কথা ফাঁস হয়ে গেলে শুরু হয় স্বামী স্ত্রীর কলহ।

লাকীর স্বজনরা আরো জানান: অমরেশের পরকিয়া সম্পর্কের ঘটনাটি বাধাঁ দেয়ার কারণে অমরেশ ও তার মা শেফালী রাণী নাথ এবং বৌদি শিল্পী রাণী নাথ এর সহযোগিতায় অসংখ্যবার লাকীর রাণী নাথের ওপর অমানবিক অত্যাচার নির্যাতন চালানো হয়েছে।

এসব অত্যাচার সহ্য করে গৃহবধু লাকী রাণী নাথ স্বামীর সংসারে একটু সুখের আশায় ঘর করতে থাকে । শেষ মেষ লাকীর গর্ভে জন্ম নেয় একটি ফুটফুটে ছেলে সন্তান ।

সবকিছুর পর সন্তানের মূখের দিকে চেয়ে স্বামী অমরেশের অত্যাচার সহ্য করে সংসার চালিয়ে যাচ্ছিল লাকী । অবশেষে পরকিয়া প্রেমের বাধাঁ হয়ে দাড়াল লাকীর সূখের সংসার।

দশ মাসের পূত্র অভিজিৎ দেবনাথ অভিমুন্নের মা ডাকার স্বপ্নকে ভেঙ্গে তছনছ করে দিয়েছে ঘাতক পাষন্ড অমরেশ ও তার পরিবারের সহযোগিরা।

গৃহবধু লাকী রাণী নাথ কেয়ার নিহত হওয়ার ঘটনাটি তার স্বজনরা সহ অনেকেই ধারণা করছেন এটি একটি নির্মম এবং নিষ্টুর হত্যাকান্ড ।

এদিকে মামলা দায়েরের পর পুলিশ গত ১০ এপ্রিল রাতে আসামীদের গ্রেফতারে শাহসিকন্দর গ্রামে আসামীদের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে।

তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। চলবে…

আল্লামা আব্দুল মুমিন ইমামবাড়ী : আলোকিত জীবন ও কর্ম:: ডক্টর সৈয়দ রেজুওয়ান আহমদ

প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, খলিফায়ে মাদানী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি শায়খুল হাদীস আল্লামা আব্দুল মোমিন শায়খে ইমামবাড়ী আজ ৮ মার্চ’ ২০২০ খ্রি. মঙ্গলবার তিনির নিজ বাস ভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি…রাজেউজন)। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম একজন শায়খুল হাদীস ও আধ্যাত্মিক রাহবর। তিনি ছিলেন এক বর্ণাঢ্য ও সমৃদ্ধ জীবনের অধিকারী।

দাওয়াত- তাবলিগ, ওয়াজ-নসিহত, সমাজ সংস্কার, শিক্ষকতা, আধ্যাত্মিকতা ও রাজনীতি ইত্যাদি বিষয়ে ছিল তাঁর সরব পদচারণা। তাঁর মৃত্যুতে এক বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। নাম : মো: আব্দুল মুমিন। তবে বৃহত্তর সিলেট তথা সারা বাংলায় ‘ইমামবাড়ী হুযুর’ নামে সকলের নিকট পরিচিত। পিতা : পিতা মরহুম মো: আব্দুস সাত্তার একজন খোদাভিরু ব্যক্তি ছিলেন। মাতার নাম গুলবাহার বেগম। মরহুম আব্দুল মুমিন রহ. ১৯৩১ খ্রি. হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার পুরানগাঁও গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মলাভ করেন।
শিক্ষাজীবন :-
গ্রামের মসজিদ থেকে শিক্ষাজীবন শুরু। প্রাথমিক শিক্ষার্জন করেন শিবগঞ্জ প্রাইমারী স্কুলে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত। পরে ইলমে দ্বীন শিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে তিনি তৎকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠিত ইমামবাড়ী জামেয়া ইসলামিয়া আরাবিয়ায় ছাফেলা আউয়ালে ভর্তি হয়ে নাহুমির পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন। পরবর্তীতে কিছুদিন বি-বাড়িয়া জামেয়া ইউনুসিয়া এবং রায়ধর মাদরাসায় অধ্যয়ন করে পূণরায় ইমামবাড়ি ফিরে এসে শরহে জামি পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন।

পরবর্তীতে উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ট বিদ্যাপীঠ ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসায় ভর্তি হয়ে একাধারে প্রায় ছয় বছর লেখা-পড়া করে ১৯৫৬ খ্রি. দারুল হাদীস পাশ করে শিক্ষা সমাপন করেন। হযরতের উস্তাদবৃন্দ মধ্যে অন্যতম হলেন- শায়খুল ইসলাম সৈয়দ হুসাইন আহমদ মাদানী রহ., মাওলানা ইবরাহীম বালিয়াভী, ক্বারী মাওলানা মো: তৈয়্যব, মাওলানা সৈয়দ ফখরুল হাসান, মাওলানা মেরাজুল হক, মাওলানা সৈয়দ নাসির আহমদ, মাওলানা সৈয়দ মাহমুদুল হাসান খলীফায়ে থানভি, মাওলানা আখতার হাসান বুলন্দ শহরী, মাওলানা মাহমুদ হাসান বিহারী প্রমূখ।
কর্মজীবন :-
দেশে প্রত্যাবর্তন করে তিনি ১৯৫৭ খ্রি. ইমামবাড়ি মাদরাসায় শিক্ষকতায় যোগদান করে ১৯৬৫ খ্রি. পর্যন্ত প্রায় আট বছর শিক্ষকতা করেন। পরবর্তীতে হবিগঞ্জের বালিধারা মাদরাসায় এক বছর, উমেদনগর দারুল হাদীস মাদরাসায় দুই বছর এবং বিশ্বনাথ জামেয়া মাদানিয়া মাদরাসায় দুই বছর শায়খুল হাদীস ছিলেন। পরবর্তীতে জামেয়া মাদানিয়া নবীগঞ্জ এর মুহতামীম হিসেবে চার বছর ছিলেন।

পরবর্তীতে ইমামবাড়ী মাদরাসায় পূণরায় যোগদান করে তিনি ক্রমান্বয়ে শিক্ষাসচিব, মুহতামিম ও শায়খুল হাদীস পদে ১৯৮৯খ্রি. থেকে ২০১০খ্রি. পর্যন্ত দায়িত্বরত ছিলেন। অত:পর দক্ষিণকাছ হোসাইনিয়া মাদরাসা সিলেট এর শায়খুল হাদীস হিসেবে কিছুদিন ছিলেন, এরপর জামিয়া দারুল কুরআন সিলেট এর প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত (প্রায় আট বছর) প্রধান শায়খুল হাদীস ছিলেন।

ছাত্রদের মধ্যে অন্যতম- মাওলানা মুফতি আব্দুল কাইয়ুম কালাঞ্জুরা, মুফতি হাফিজ মাওলানা তাজুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস লরছপুরী, মাওলানা শামছুল হুদা শ্রীমতপুরী, মাওলানা কানী মুতিউর রহমান, মুফতি মাওলানা আব্দুস সাত্তার, মাওলানা আব্দুর জলীল মুমেনশাহী, মুফতি মাওলানা আব্দুল আউয়াল ওয়াইসী, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম জালালাবাদী, মাওলানা কাজী হারুন রশীদ, মাওলানা লুৎফুর রহমান নবীগ্জী, মুফতি মাওলানা তালিব উদ্দীন প্রমূখ।
আধ্যাত্মিকতা:
১৯৫৬ খ্রি. দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে তাকমীল ফিল হাদীস শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শেষ করে ইলমে ওহীর পাশাপাশি ইলমে তাসাউফের আলো প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে আওলাদে রাসুল সাইয়্যেদ হোসাইন আহমদ মাদানী র, এর কাছে বাইয়াত গ্রহণ করেন।

এবং দীর্ঘ এক বছর স্বীয় পীরের খেদমতে তাযকিয়ায়ে ক্বলবের মেহনতের ফলে ১৯৫৭খ্রি. পবিত্র রমজান মাসের ২৯ তারিখে আসামের বাশকান্দিতে এতেকাফকালীন সময়ে খেলাফত লাভ করেন। তিনি নিজেকে সবসময় গোপনকরে রাখতেন। খেলাফত প্রদানে ও তিনি কঠোর ছিলেন। মরহুমের খলিফাদের মধ্যে অন্যতম হলেন- মুফতি মাহবুব উল্লাহ, মরহুম মাওলানা মুহিউদ্দীন খান, মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা আব্দুল বছীর প্রমুখ।
রাজনীতি :-
তিনি দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার ও ইলমে তাসাউফের পথে জনসাধারণকে প্রশিক্ষিত তরার পাশাপাশি রাজনীতি ও সামাজিক কর্ম-কাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করেন। ইসলামি রাজনৈতিক পরিমন্ডলে তিনি একজন উচুঁমানের রাজনীতিবীদ ছিলেন। তিনি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম হবিগঞ্জ জেলার দীর্ঘদিনের সভাপতি ছিলেন। তিনি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের ২০০৫খ্রি. থেকে সভাপতি ছিলেন।
পারিবারিক জীবন :-
পারিবারিক জীবনে তিনি বানিয়াচং থানাধীন আমিরপুর গ্রামে আলহাজ্ব আসকির মিয়ার কন্যা মোছা. জায়দা খাতুনের সাথে বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি ৬ ছেলে, ২ কন্যা সন্তানের জনক। তারা হরেন- শহীদ মুফতি মাওলানা আব্দুল্লাহ, যিনি ঐতিহ্যবাহী জামেয়া ফারুকিয়্যার শিক্ষক ছিলেন। তিনি শিয়া বিরুধী আন্দোলনে করাচীতে শাহাদত বরণ করেন। মৌলভি উবায়দুল্লাহ, মৌলভি ওলীউল্লাহ, কারী মাওলানা ইমদাদুল্লাহ, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, হাফিজ মাওলানা জুবায়ের আহমদ, সাইয়িদা খাতুন ও হামিদা খাতুন।

আল্লামা আব্দুল মুমিন রহ. ইসলামী শিক্ষাদান তথা দ্বীনের খেদমতে ছিলেন এক উজ্জল ব্যক্তিত্ব। আমল আখলাকে ছিলেন তিনি রাসুলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম এর আদর্শ নমূনা। তাঁর আধ্যাত্মিক সবক ও দ্বীনি শিক্ষা দানে অসংখ্য হৃদয়ে ইসলামের আলোকমালা প্রজ্জ্বলিত হয়েছে যা, ইসলামি রেনেসাঁর ইতিহাসে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তথা দেশে-বিদেশে অসংখ্য আলেম ও সুনাগরিক সৃষ্টিতে তঁর রয়েছে অসামান্য ভূমিকা। বরেণ্য এ বুযুর্গ আলেমের মৃত্যুর সংবাদ চারদিকে ছড়িয়ে পড়তেই দেশ বিদেশে আলেম-উলামা, ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও ছাত্র-শিক্ষকসহ হযরতের ভক্ত-মুরিদদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। আল্লাহ হযরত কে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমীন।
লেখক: ডক্টর সৈয়দ রেজুওয়ান আহমদ, অধ্যক্ষ সৈয়দপুর সৈয়দীয়া শামছিয়া ফাজিল (ডিগ্রি)মাদরাসা, জগন্নাথপুর,সুনামগঞ্জ।

চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন র‌্যাবের মহাপরিচালক

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::
চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বিপিএম, পিপিএম র‌্যাবের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।


বুধবার (৮ এপ্রিল, ২০২০) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখার প্রজ্ঞাপনে চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বিপিএম, পিপিএম কে নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়।

এর আগে তিনি সিআইডির প্রধান হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বিপিএম, পিপিএম ৮ম বিসিএস পরীক্ষায় ঊত্তীর্ণ হয়ে সরাসরি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।

দেশে করোনায় মৃত্যু বেড়ে ২৭, নতুন আক্রান্ত ৯৪

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::
দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৭ জনে পৌঁছালো।

আজ শুক্রবার দুপুরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় সরকারের রোগত্ত¡ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান- আইইডিসিআর।আইইডিসিআর আরো জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে মোট ১১৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৯৪ জনের দেহে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত করা গেছে। এর মধ্যে পুরুষ ৬৯ জন ও মহিলা ২৫ জন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ৩৭ জন ও নারায়নগঞ্জে ১৬ জন ও বাকিদের সারাদেশ থেকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪২৪।

পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান চিকিৎসক ও নার্সদের সুরক্ষাসামগ্রী প্রদান করেছেন

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান দ্বিতীয়বারের মতো জেলা সদর হাসপাতালসহ ১১ উপজেলার হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের সুরক্ষাসামগ্রী প্রদান করেছেন।

আজ বুধবার জেলার সব উপজেলার হাসপাতালের জন্য ৭৫ টি করোনা পরীক্ষাকরণ কীট, ১১০ টি পিপিই, ৩ হাজার সার্জিকেল মাস্ক, ৩৫ টি সার্জিকেল চশমা ও ৬ টি ডিজিটাল থার্মোমিটার প্রদান করেন তিনি।

এর আগে জেলা সদর হাসপাতাল, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলা হাসপাতালে সুরক্ষাসামগ্রী দিয়েছেন তিনি। সকাল সাড়ে ১০ টায় মন্ত্রীর পক্ষ থেকে রাজনৈতিক সচিব হাসনাত হোসেন এই সুরক্ষাসামগ্রী সিভিল সার্জন ডা. শামস উদ্দিনের হাতে তুলে দেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. বিশ্বজিৎ গোলদার, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার রফিকুল ইসলাম, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: জসিম উদ্দিন, সাংবাদিক পংকজ কান্তি দে, সাংবাদিক শামস শামীম প্রমুখ। পরিকল্পনামন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব হাসনাত

হোসেন জানান, পরিকল্পনামন্ত্রী আলহাজ্ব এমএ মান্নান এমপি সার্বক্ষণিক সুনামগঞ্জ জেলাবাসীর খোঁজখবর রাখছেন। এলাকার কর্মহীন মানুষ, ছিন্নমূল, দরিদ্র লোকজনদের খোঁজখবরও রাখছেন। পাশাপাশি জেলাবাসীকে সরকারি নির্দেশনা পালন করে করোনা ভাইরাস মোকাবেলার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।