করোনা: জগন্নাথপুরের কলকলিয়া সৈয়দ তালহা আলম এর উদ্যোগে সাড়ে ৬শ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার::
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রভাবের কারণে খেটে খাওয়া অসহায় দিনমজুর শ্রেনীর লোকজন কর্মহীন হয়ে গৃহবন্ধি অবস্থায় রয়েছেন।

জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের পীরেরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজসেবক সৈয়দ তালহা আলম এর উদ্যোগে কলকলিয়া ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন এলাকায় আটশত পরিবারকে ঘরে ঘরে পৌছে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেছেন সৈয়দ তালহা আলম।

মঙ্গলবার ( ৭ এপ্রিল) দিনভর কলকলিয়া ইউনিয়নের সবকটি ওয়ার্ডের সাড়ে ৬শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রীর নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের প্যাকেট প্রদান করা হয়। সৈয়দ তালহা আলম জানান, কলকলিয়া ইউনিয়নে পূর্বে ১শ ৫০ পরিবার সহ মোট আটশ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ দিন অতিক্রম করছি । প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সতর্কতা অবলম্বণের মাধ্যমে সরকারি নির্দেশনা পালনে সর্বস্থরের নাগরীকবৃন্দের প্রতি অনুরোধ জানান। এই সংকটময় মূহুর্তে জগন্নাথপুর উপজেলার প্রবাসী সহ বিত্তশালীরা এগিয়ে এসেছেন।

অসহায় দরিদ্রদের কল্যাণে সরকারের পাশাপাশি কাজ করার প্রতিশ্রæতি ব্যক্ত করে তিনি বলেন, শীঘ্রই পাইলগাঁও সৈয়দপুর শাহারপাড়া এবং মীরপুর ইউনিয়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে।

করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে প্রবাসীসহ ২ জনের মৃত্যু

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::
করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে প্রবাসীসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকায় আইসোলেশনে থাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপলোর ৪৫ বছর বয়সী এক কৃষক এবং রাতে নাসিরনগর উপজেলা হাসপাতালে শ্বাসকষ্টে এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়।

তার বাড়ি উপজেলার পূর্বভাগ গ্রামে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আইয়ূবপুর ইউনিয়নের চরছাউনী গ্রামের ওই কৃষককে করোনাভাইরাসের উপসর্গ থাকায় করোনা আক্রান্ত সন্দেহে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে আইসোলেশনে থাকাবস্থায় তিনি মারা যান।

তবে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা সেটি এখনও জানা যায়নি। তার সংস্পর্শে আসা ১৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অপরদিকে, মঙ্গলবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা হাসপাতালে শ্বাসকষ্ট নিয়ে চিকিৎসাধীন থাকা এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার জেঠাগ্রামে শ্বশুর বাড়িতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে বিকেলে তাকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এ ঘটনায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ওই প্রবাসীর শ্বশুরবাড়ি লকডাউন করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সম্প্রতি তিনি প্রবাস থেকে দেশে ফিরে ১৪ দিন হোমকোয়ারেন্টিনের শর্তও পালন করেছিলেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া দুইজনের নমুনা পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে জানা যাবে তারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা।

দেশে করোনায় মৃত্যু বেড়ে ২০, নতুন আক্রান্ত ৫৪

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::
দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩ জনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছে সরকারের রোগত্ত¡ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান- আইইডিসিআর। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ২০ জনের প্রাণহানি ঘটলো।

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে মোট ৯৮১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৫৪ জনের দেহে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত করা গেছে।

এর মধ্যে পুরুষ ৩৩ জন ও মহিলা ২১ জন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৩৯ জন ঢাকার ও ১৫ জন ঢাকার বাইরে। এ নিয়ে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২১৮ জন। এছাড়াও এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৩৩ জন।

রমজান মাসে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::
আসন্ন রমজান মাসের জন্য সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে অফিসের সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে সরকার।

সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। রমজান মাসে বেলা ১টা ১৫ মিনিট থেকে দেড়টা পর্যন্ত ১৫ মিনিট জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে যথারীতি শুক্র ও শনিবার।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বৈঠকের পরে সচিবালয়ে বৈঠক সম্পর্কে সাংবাদিকদের একথা বলেন। তিনি বলেন, ‘ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ডাক, রেলওয়ে, হাসপাতাল ও রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা এবং অন্যান্য জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এ সময়সূচির আওতার বাইরে থাকবে।

এসব প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব আইন অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনা করে সময়সূচি নির্ধারণ ও অনুসরণ করবে। সুপ্রিম কোর্ট ও এর আওতাধীন সব কোর্টের সময়সূচি সুপ্রিম কোর্ট নির্ধারণ করবে বলেও জানান তিনি।’ ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৪ বা ২৫ এপ্রিল থেকে মুসলিমদের সিয়াম সাধনার মাস রমজান শুরু হবে।

উল্লেখ্য, সাধারণত প্রতি সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কিংবা সচিবালয়ে দেশের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম মন্ত্রিসভার বৈঠক বসলেও আজ গণভবনে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে মাস্ক পরে, দূরত্ব বজায় রেখে এবং যাঁদের এজেন্ডা ছিল সেসব মন্ত্রিদের নিয়েই সীমিত পরিসরে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় বলে জানান মন্ত্রীপরিষদ সচিব।

জগন্নাথপুরে আরো ৮ জনের নমুনা সংগ্রহ

স্টাফ রিপোর্টার::
প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর উপজেলায় করোনা ভাইরাস সংক্রমন পরীক্ষার জন্য আজ সোমবার আরো আট জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও পাঁচজন নারী রয়েছেন।

তাদের প্রত্যেকের বয়স ৪০ থেকে ৪৫ বছর। জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড: মধু সুধন ধর জানান, আজ আটজনের নমুনা সংগ্রহে করে আমরা ঢাকায় পাঠিয়েছি। তাদের শরীরে জ্বর, সর্দির লক্ষণ পাওয়া গেছে। তিনি জানান, প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে তাদের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আছে কিনা।

ইতোমধ্যে আরো আটজনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে মোট ১৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি উপজেলা থেকে দুইজনের নমুনা সংগ্রহের সিদ্ধান্ত হয়।

সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক স্থানীয় উপজেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মীরা বৃহস্পতিবার একজন ওমান প্রবাসী এবং এক নারীর নমুনা সংগ্রহ করেন। শনিবার আরেকজন পুরুষের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। রবিবার আরো পাঁচজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এই পাঁচজনকে হোম কোয়ারেন্টি রাখা হয়েছে।

সিলেটে প্রথমবারের মতো করোনা রোগী শনাক্ত

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::
সিলেটে প্রথমবারের মত একজন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক। করোনা ভাইরাস আক্রান্তের খবরে সিলেটের সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

রবিবার আইইডিসিআর থেকে যে ১৮ জন রোগী শনাক্তের কথা বলা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন ওই চিকিৎসক। এতোদিন সিলেটে করোনা ভাইরাসের কোন রোগী শনাক্ত না হওয়ায় অনেকটা স্বস্থিতেই ছিলেন সিলেট বিভাগের মানুষ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় অফিসের সহকারী পরিচালক ডা. আনিছুর রহমান জানান, আইইডিসিআর গত ২৪ ঘণ্টায় যে ১৮ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্তের কথা বলেছে তার মধ্যে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন চিকিৎসক রয়েছেন। তার শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্তের পর তার বাসা লকডাউন করে রাখা হয়েছে।

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস উপসর্গে ছেলে শিশুর মৃত্যু

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::
করোনা উপসর্গ (শ্বাস কষ্ট, খিচুনী) নিয়ে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে দুইবছর তিন মাস বয়সী এক ছেলে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতে ছেলেটি তার নিজ বাড়িতে মারা যায়। এ ঘটনার পর উপজেলার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের তোরাবগঞ্জ গ্রামে নিহতের বাড়িসহ ৩টি বাড়ি লকডাউন করে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ বিভাগ।

কমলনগর উপজেলার স্বাস্থ্য হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার মো: আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এর আগেও তার শ্বাস কষ্ট ছিল। গত দুইদিন আগে তার শ্বাস কষ্ট বেড়ে যায়, রাতে খিচুনী, শ্বাস কষ্ট হয়ে শিশুটি মারা যায়।

শিশুটির করোনা উপসর্গ থাকায় (শ্বাস কষ্ট, খিচুনী ) তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী তার লাশ দাফন করা হবে। এ ঘটনায় ৩টি বাড়িকে লকডাউন করে রাখা হয়েছে।

টুডে/ হোসাইন জাকির

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

মো: শওকত আলী::
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেখলাম আমাদের দেশের সেনাবাহিনী, পুলিশ, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী সবাই একদিনের বেতন দিয়েছেন গরীব দু:খী মেহনতী মানুষের জন্য। যেহেতু দেশের লকডাউন চলছে ।

সেনাবাহিনীর এক দিনের বেতন কর্তন হলে দাঁড়ায় ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পুলিশের একদিনের বেতন ২০ কোটি টাকা। নৌবাহিনীর ৪ কোটি ৫ লাখ টাকা। বিমান বাহিনীর ১ কোটি ২০ লাখ টাকা।

যারা জীবন বাজি রেখে এ দেশকে রক্ষা করার জন্য, এদেশের আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এখন তারা প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় দিনরাত পরিশ্রম করছেন।

তারা যদি একদিনের বেতন দিতে পারেন, তাহলে তো আমদেরকে ও কিছু করা উচিত এ দেশের জন্য। তাঁদের সবাইকে সালাম, শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানাই। ২০১৮ সালে বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী দেশে মোবাইলের গ্রাহক সংখ্যা ১৬ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার।

এরমধ্যে গ্রামীণ সাত কোটি ৬৪ লাখ ৬২ হাজার। রবি ৪ কোটি ৯০ লাখ ৪ হাজার। বাংলালিংক ৩ কোটি ৫২ লাখ ৩৯ হাজার। টেলিটক ৪৮ লাখ ৬৮ হাজার। আমরা যারা গ্রাহক আছি আমরা যদি একদিন এক টাকা করে দেই তাহলে টাকা দাঁড়ায় ১৬ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার টাকা।

সরকারের পক্ষ থেকে যদি টেলিভিশনের মাধ্যমে নোটিশ (এ্যড) দেয়া হয় যে- দেশের এ সংকটময় মুহুর্তে আমরা মাসে এক টাকা করে দুইবার আপনাদের কাছ থেকে দাবি করে ২ টাকা কর্তন করে নিয়ে যাচ্ছি ।

আমার মনে হয় যে যারা মোবাইল গ্রাহক আছেন তারা সবাই সানন্দে সে প্রস্তাব গ্রহণ করবেন। কারণ আমরা সবাই রক্তে, মাংসে গড়া ও বিবেক সম্পন্ন মানুষ । একজন ঠেলা গাড়ী চালকও মোবাইল ব্যবহার করছেন। ঠেলাচালকের পক্ষে দেশের এ দুর্যোগোময় মুহুর্তে মাসে ২ টাকা দেয়া কোনো বিষয় না ।

তাছাড়া ২ টাকা দিয়ে তার ঘরে ৫০০ বা ১০০০ টাকার ত্রাণ আসবে। এটা ছাড়াও জনগণের জন্য এই দুর্যোগ মুহূর্তে মাসে ২ টাকা দিতে আমাদের গায়ে লাগবেনা বা কেউ নারাজ হবেন না । প্রত্যেক মোবাইল অপারেটরদেরকে ডেকে যদি বলেন যে জনগণের কাছ থেকে মাসে ২ বারে ২টাকা করে জমা দাও তারা সেটা করে দিতে পারবে।

১ টাকা করে কাটলে ১ দিন টাকা দাড়ায় ১৬ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার টাকা। আরও ১৫ দিন পর ১ টাকা করে কাটলে আরও হলো ১৬ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার। মাসে হলো – ৩৩ কোটি ১১ লাখ ৪৪ হাজার । আপারেটরদেরকে বললেন আপনারাও মাসে ১ টাকা করে ২ বার দেন তাহলে টাকা দাড়ালো ৬৬ কোটি ২২ লাখ ৮৮ হাজার টাকা।

এটা কি করা যায় না ? যদি মোবাইল থেকে জনগণের টাকা কেটে না নিতে চান, তাহলে ২০১৯ সালের একটি হিসেবে দেখা গেছে আমাদের দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী গ্রাহকের সংখ্যা ৯ কোটি ৯৪ লাখ ২৮ হাজার। যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তারা বেশিরভাগই বিনোদনের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করেন।

এখান থেকে টাকা কাটা যেতে পারে। ঠিক একই রকম যদি টেলিভিশনে বা পত্রিকায় একটা বিজ্ঞাপন দিয়ে বলেন যে , আমরা এই দুর্যোগময় মুহূর্তে আপনারা নেট ব্যবহার কারীদের কাছ থেকে “৪ টাকা করে মাসে ২ বার কেটে নিতে চাই”- না বলে বলবেন দাবি করে কেটে নিচ্ছি । দয়া করে কেউ মনে কিছু নিবেন না ।

তাহলে কেউ এটাতে মনে কিছু করবে না । আপনি ৪ টাকা করে কাটলেন এবং ইন্টারনেট কোম্পানীর প্রধানদের সাথে বসে আলোচনা করে তাদের কাছ থেকে ৪ টাকা করে কাটেন মাসে ২ বার। তাহলে টাকা দাঁড়াল ৮ টাকা গুন ৯ কোটি ৯৪ লাখ ২৮ হাজার = মাসে ৭৯ কোটি ৫৪ লাখ ২৪ হাজার । নেট কোম্পানী যদি আরো ৮ টাকা দেয় তাহলে টাকা হবে দ্বিগুন। মাননীয় দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী আপনিতো জনগণের ওপর দাবি করতেই পারেন।

কারণ আপনি জীবন বাজী রেখে দেশের জন্য কাজ করছেন। তাছাড়া আপনি প্রধানমন্ত্রী । আপনার অনেক দাবি আছে জনগণের উপর। সম্রাট শাহজাহান, মমতাজের জন্য ২০ হাজার লোককে ২০ বছর খাটিয়েছেন তাজমহল বানানোর জন্য । তার ব্যক্তি স্বার্থে কত টাকা খরছ করেছেন। আপনি মাত্র ২ টাকা বা ৮ টাকা কর্তন করছেন আমাদেরই জন্য । আমাদের জন্যই আমরা ২ টাকা বা ৮ টাকা মাসে দিচ্ছি। এটা যদি কেটে নেন কেউ কিছু মনে করবেন না।

কারণ একটা পানের মূল্য এর চেয়ে অনেক বেশি। সারা দেশ আজ লকডাউন, এটা করতে হচ্ছে আমাদের সবার স্বার্থে। আপনার জন্য নয়, আমাদের জন্য করছেন। সুতরাং এ ব্যাপারে যত তাড়াতাড়ি পদক্ষেপ নেয়া যায় ততই মঙ্গল । এ প্রস্তাবটি বিবেচনা করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি ।


করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়::


আপনি কিভাবে নিজেকে নিরাপদ রাখবেন?

:: পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ রাখার স্বার্থে একা একটি আলাদা কক্ষে থাকুন । :: মাস্ক ব্যবহার করুন। :: একান্ত প্রয়োজন না হলে ঘরের বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ::ঘন ঘন হাত পরিস্কার করুন । :: যতদুর সম্ভব চোখে-নাকে-মুখে হাত স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। :: সরকারি নির্দেশনা মেনে চলুন।

:: জনসচেতনতায় সতর্ক মূলক প্রচারণার জন্য সকল মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জিন সাহেবদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

::আতংকিত না হয়ে সচেতনা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেকে পরিবারকে এবং সমাজকে সুরক্ষিত রাখুন।


মো: শওকত আলী
সদস্য , ওয়ার্ড নং-০৬
৮নং আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ।

করোনা ঠেকাতে ৩০০০ বন্দি মুক্তি!

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে সঙ্গরোধ করতে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা, যা কারাগারে পালন অসম্ভব। তবে এবার কারাগারে করোনা সংক্রমণ এড়াতে ভিড় কমানোর উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে ভারত। চলতি সপ্তাহেই দেশটির বিভিন্ন কারাগারে থাকা বন্দিদের মুক্তি দিতে নির্দেশনা জারি করেছেন ভারতে সর্বোচ্চ আদালত। সেই নির্দেশনা মেনে তিন হাজারের বেশি বন্দিকে সাময়িক মুক্তি দিতে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। ভারতের সুপ্রিমকোর্ট ও কারা সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, ভারতের সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি শরদ বোবদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ জামিনে ও প্যারোলে কিছু বন্দিকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন। আর সেই নির্দেশ মেনে শুক্রবার কলকাতার কারা কর্তৃপক্ষের কাছে ১০১৭ জন দন্ডিত ও ২০৫৯ জন বিচারাধীন বন্দিকে যথাক্রমে মুক্তি দেয়ার সুপারিশ করেছেন কলকাতা হাইকোর্ট। জানা গেছে, চলমান করোনা পরিস্থিতিতে তিন মাসের জন্য মুক্তি পেতে পারেন এসব বন্দি।

তবে মুক্তির তালিকায় স্থান পাবেন না নারী ও শিশু যৌন হেনস্তা, রাষ্ট্রবিরোধী দাঙ্গা, জালনোট, শিশু অপহরণ, দুর্নীতি, মাদক পাচারের অভিযোগে দন্ডিতরা। এ তালিকায় থাকবেন না অভারতীয় বন্দিরাও। এ বিষয়ে ভারতের সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছেন, বিচারাধীন বন্দিদের অন্তর্র্বতী জামিনের ক্ষেত্রে একাধিক শর্ত থাকবে। সাত বছর বা তার থেকে কম সময়ের কারাদন্ডপ্রাপ্ত বন্দি এবং ওই একই সাজা হতে পারে এমন মামলায় বিচারাধীন বন্দিদের মুক্তির সুযোগ দেয়া যেতে পারে।

দমদম সেন্ট্রাল জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্যারোল ও অন্তর্র্বতী জামিনের ক্ষেত্রে জেল কর্তৃপক্ষকে ডিস্ট্রিক্ট লিগ্যাল সার্ভিসেস অথিরিটি (ডালসা) সাহায্য করবে। প্রসঙ্গত ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০২৪ জন। সোমবার ৬টি রাজ্যে একজন করে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত ভারতে করোনায় মৃত্যু সংখ্যা ২৭ জন। করোনার বিস্তার রুখতে পুরো ভারতে চলছে লকডাউন। নির্দেশ অমান্য করলেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন!

বর পক্ষের লোকজনের অপেক্ষায় ছিল কনে পক্ষ:: ননদের বদলে বিয়ের পিঁড়িতে বসে পড়লেন ভাবি

ডেস্ক নিউজ::
প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে ননদের পরিবর্তে বিয়ের পিঁড়িতে বধূ সেজে বসলেন ভাবি। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ননদের পরবর্তী বিয়ের পিঁড়িতে ভাবি বসার ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সাদুল্যা আকইপাড় গ্রামের বাবলু মিয়ার নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া কন্যার সঙ্গে একই ইউনিয়নের বামনাছড়া রশিদ মার্কেট এলাকার রোস্তম আলীর ছেলে আল আমিনের বিয়ে ঠিক হয়।

সোমবার রাতে জাঁকজমক আয়োজনের মধ্য দিয়ে চলছিল বিয়ের অনুষ্ঠান। আমন্ত্রিত লোকজনের আপ্যায়ন শেষে বর পক্ষের লোকজনের অপেক্ষায় ছিল কনে পক্ষ। কিন্তু সে আনন্দে পানি ঢেলে দেন প্রশাসন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে সেখানে ছুটে যান সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির। এমন সময় কনে পক্ষের লোকজন প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ছাত্রীর পরিবর্তে বিয়ের পিঁড়িতে ছাত্রীর বড় ভাই জয়নালের স্ত্রী ফারজানা আক্তারকে বধূ সেজে বসিয়ে দেন। ভাবিকে কনের জায়গায় বসিয়ে দিয়ে প্রশাসনকে বোকা বানানোর চেষ্টা চলে।

কিন্তু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের বিষয়টি সন্দেহ হলে বিয়ের পিঁড়িতে বসা ভাবিকে সত্য প্রকাশের জন্য চাপ দেন। তখন বাড়ির লোকজন এগিয়ে এসে স্বীকার করেন প্রশাসনের হাত থেকে বাঁচতেই ননদের (ছাত্রী)পরিবর্তে তার ভাবিকে বধূ সাজানো হয়। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বর পক্ষ বিয়ে বাড়িতে না এসে সটকে পড়েন।