বিদেশে আটকাপড়াদের প্রয়োজনীয় অর্থ পাঠানো যাবে: বাংলাদেশ ব্যাংক

জগন্নাথপুর টুডে, ডেস্ক::
করোনা ভাইরাসের জন্য পৃথিবীর প্রায় সব দেশই আন্তর্জাতিক আগমন-বহির্গমন বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে বিদেশে ভ্রমণে গিয়ে এবং চিকিৎসার জন্য গিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেক বাংলাদেশি। তাদের খরচের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে রবিবার রাতে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিদেশে আটকাপড়াদের প্রয়োজনীয় ব্যয় সামলাতে তাদের ভ্রমণ বা চিকিংসা কোটা অনুযায়ী অর্থ তাদের আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডে দেয়া যাবে। গ্রাহকের আবেদনের প্রেক্ষিতে কার্ডের লিমিট বাড়িয়ে দিতে পারবে ব্যাংকগুলো। এর বেশি যাদের অর্থের প্রয়োজন তাদেরকে অর্থ ছাড় করবে ব্যাংক। গ্রাহকের চাহিদা অনুসারে বিদেশের ব্যাংক বা মানিএক্সচেঞ্জে অর্থ পাঠানো যাবে। তবে এক্ষেত্রে যৌক্তিক পরিমান অর্থ পাঠাতে হবে।

অর্থ ছাড়ের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে। সূত্র জানায়, বিদেশে বিশেষ করে ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে অনেকে আটকা পড়েছেন। তাদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সুবিধা দিল। তাদের প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে ক্রেডিট কার্ডেও লিমিট বাড়াতে পারবে ব্যাংক। এর বাইরে হাসপাতালের অ্যাকাউন্টে বা এক্সচেঞ্জ হাউজে টাকা দিতে পারবে ব্যাংকগুলো। গ্রাহকের আাবেদনের ভিত্তিতে ব্যাংকের এসব ক্ষমতা দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সাধারণ মানুষকে রাস্তাঘাটে হয়রানি নয় : তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ::
তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ সাধারণ মানুষকে রাস্তা-ঘাটে হয়রানি না করতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকরা তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ আহ্বান জানান। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, জনগণকে রাস্তায় অহেতুক ঘোরাফেরা না করার জন্য সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তবে রাস্তায় যে কেউ প্রয়োজনে যেতেই পারেন।

রাস্তায় গেলেই কাউকে হয়রানি করাটা দুঃখজনক। তথ্যমন্ত্রী আরা বলেন, প্রয়োজনে অবশ্যই যে কেউ রাস্তায় বের হতে পারে, তবে বিনা প্রয়োজনেও কেউ যদি বের হয়, তাকে বুঝিয়ে ঘরে পাঠিয়ে দেয়ার জন্য পুলিশ সদর দপ্তরকে থেকে মাঠ পর্যায়ের পুলিশকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তাই কেউ ঘর থেকে বের হলেই তাকে হয়রানী করতে হবে তা সঠিক নয়। চিকিৎসা ক্ষেত্রে গবেষণায় ব্যয় বাড়ানের ওপর গুরুত্বারোপ করে হাছান মাহমুদ বলেন, আজ সারা পৃথিবীর মানুষ লক্ষ্য করছে একটি জীবানুর কাছে মানুষ কত অসহায়।

সমস্ত পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশ মানুষ লকডাউন অবস্থায় আছে। সমস্ত পৃথিবী থমকে গেছে। শত্রু হলো পৃথিবীর মানুষ। তিনি বলেন, আমরা একটি জীবানু মোকাবেলা করতে পারিনি, পরাস্ত করতে পারিনি। অর্থাৎ আমরা দেখতে পাচ্ছি, পৃথিবীতে মেডিকেল রিসার্চের জন্য সরকারি ব্যয় হচ্ছে ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা মাত্র কয়েকটি অত্যাধুনিক সামরিক বিমান তৈরির ব্যয়ের সমান। তথ্যমন্ত্রী বলেন, অথচ আমরা একে অপরের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য ক্রমাগত সামরিক ব্যয় বাড়িয়ে চলেছি। ২০১৭ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে সামরিক ব্যয় বেড়েছে ২ দশমিক ৬ শতাংশ।

এ ব্যয় দিন দিন বাড়ছে। তিনি বলেন, পৃথিবীর ৫টি দেশ মোট সামরিক ব্যয়ের ৬০ শতাংশ ব্যয় করে থাকে, সেটা আরো বাড়ছে। আমরা আশা করবো মানবজাতির ভাবার সময় এসেছে, আমরা এক অপরের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য ব্যয় বাড়াব, নাকি মানুষকে স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা দেয়ার জন্য ব্যয় বাড়াব। কারণ ভবিষ্যতে এ ধরনের জীবানুর আক্রমণ আরো হতে পারে। সুতারং সেটি থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য স্বাস্থ্যখাতে গবেষণায় ব্যয় বাড়ানো এখন সময়ের দাবী। এটি নিয়ে বিশ্ববাসীকে অবশ্যই ভাবতে হবে।

বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় আরও ১ হাজারটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণের উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ::
সব শিশুর জন্য মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় আরও ১ হাজারটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আর এ লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহে প্রত্যেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

স্কুলবিহীন এলাকাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে এক মাসের মধ্যে বিদ্যালয় নির্মাণের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব করতে বলা হয়েছে কমিটিকে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, এখনো দেশের অনেক গ্রামে কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। পাহাড়, হাওড়, চর ও উপকূলীয় এলাকায় এর সংখ্যা বেশি। কোন কোন গ্রাম থেকে চার থেকে পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যেও কোনো স্কুল নেই। ফলে এসব দুর্গম এলাকার শিশুরা প্রাথমিক শিক্ষাবঞ্চিত হচ্ছে।

গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, দুর্গম এলাকার এসব শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। স্কুল বিহীন এলাকায় ১ হাজারটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের নতুন প্রকল্প খুব শিগগিরই হাতে না হচ্ছে। ইতোমধ্যেই জিপিএস ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে বিদ্যালয়বিহীন এলাকা চিহ্নিত করে উপজেলা ভিত্তিক ম্যাপ তৈরি করেছে এলজিইডি। বিদ্যালয়বিহীন এলাকাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে এবং বাস্তব অবস্থার সাথে মিলিয়ে বিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করতে গত ১৫ মার্চ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আরও জানায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক, সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা প্রকৌশলী এবং সহকারী বা উপসহকারী প্রকৌশলীকে কমিটির সদস্য করা হয়েছে। আর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কমিটিতে সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। এলজিইডির প্রস্তুত করা ম্যাপের বিদ্যালয়বিহীন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করে স্কুল নির্মাণের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব করবে এ কমিটি।

ম্যাপ এর বাইরে থাকা কোন এলাকায় যদি বিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রেও তা পরিদর্শন করে বিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়েছে কমিটিকে। আগামী এক মাসের মধ্যে বিদ্যালয়বিহীন এলাকা চিহ্নিত করে বিদ্যালয় স্থাপনের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব সরাসরি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে কমিটিকে।

শ্রমিকদের বেতন-ভাতার জন্য ৫০০০ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ:
করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ তহবিলের অর্থ দ্বারা কেবল শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যাবে।

বুধবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত বিষয়সহ দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান। তিনি বলেন, আমাদের শিল্প উৎপাদন এবং রফতানি বাণিজ্যে আঘাত আসতে পারে। এই আঘাত মোকাবিলায় আমরা কিছু আপদকালীন ব্যবস্থা নিয়েছি। রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য আমি ৫ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করছি।

এ তহবিলের অর্থ দ্বারা কেবল শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যাবে। এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে ব্যবসাবান্ধব বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগামী জুন মাস পর্যন্ত কোনো গ্রাহককে ঋণ খেলাপি না করার ঘোষণা দিয়েছে।

শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেলেন খালেদা জিয়া

ডেস্ক নিউজ::
২৫ মাস পর বয়স ও মানবিক বিবেচনায় শর্ত সাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য মুক্তি পেলেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তার দন্ডের কার্যকারিতা স্থগিত করে মুক্তির আদেশের নথি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কারা কর্তৃপক্ষের হাত ঘুরে আজ বুধবার বিকালে ৩টার পর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে পৌঁছায়।

এরপর বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে বের হন খালেদা জিয়া। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল থেকে খালেদাকে তার গুলশানের বাসা ‘ফিরোজায়’ নিয়ে যেতে আগেই হাসপাতালের বাইরে এনে রাখা হয় তার নিশান প্রেটোল গাড়ি। বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের পাঁচটি গাড়ি ও মাইক্রোবাসও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে দেখা যায়।

এর আগে, মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানের বাসভবনে এক ব্রিফিংয়ে সরকারের এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাহী আদেশে শর্ত সাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে খালেদা জিয়া ঢাকায় নিজ বাসায় থেকে চিকিত্সা গ্রহণ করবেন। দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সরকার মানবিক কারণে সদয় হয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা (উপধারা-১) অনুযায়ী মুক্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তাকে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেওয়ার সুপারিশ পাঠানো হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। তার মুক্তি নিয়ে গতকাল আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে খালেদা জিয়ার দন্ডাদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে তাকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কিছুদিন আগে খালেদা জিয়ার ভাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি দরখাস্ত এবং আমার কাছে একটি দরখাস্ত করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাহী আদেশে মুক্তি দেওয়ার জন্য।

সেখানে তিনি লন্ডনে উন্নত চিকিৎসা করানোর কথা বলেছিলেন। এরপর খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার, বোন সেলিমা ইসলাম, বোনের স্বামী রফিকুল ইসলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই বিষয়ে সাক্ষাৎ করেছিলেন। সেখানেও এই আবেদনের ব্যাপারে তারা কথা বলেছিলেন। তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে বলেছিলেন নির্বাহী আদেশে তাকে মুক্তি দেওয়ার জন্য।’ তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হবে কি না, এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আগে ছয় মাস যাক, তারপর দেখা যাবে।

ফিরে দেখা একাত্তরের কালো রাত

ডেস্ক নিউজ:
পাকিস্তান সামরিকবাহিনী বাংলাদেশে গণহত্যার নীল নকশা খ্যাত ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর মাধ্যমে বাঙালিকে চূড়ান্ত আক্রমণের সময় ২৫ মার্চ দিবাগত রাত ১টা নির্ধারণ করে। পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর লে. জে. টিক্কা খান, সেনাপতি মে. জে. খাদিম হোসেন রাজা ও মে. জে. রাও ফরমান আলীর সমন্বয়ে অপারেশন সার্চলাইটের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়।

এই পরিকল্পনায় বাংলাদেশের জনগণের ওপর আক্রমণের ক্ষেত্রে কয়েকটি কৌশল ব্যবহৃত হয় যেমন ক্ষমতা-বহির্ভূত শক্তি প্রদর্শন, আকস্মিক আক্রমণ, চূড়ান্ত প্রতারণা, ত্বরিত্ সাফল্য ও অধিক সন্ত্রাস। বাংলাদেশে এই নারকীয় হত্যাযজ্ঞের লক্ষ্যস্থল ছিল পিলখানা, রাজারবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিক্ষক ও কর্মচারীদের আবাসস্থল, বিশেষত ইকবাল ও জগন্নাথ হল, ছিন্নমূল ও হিন্দু-অধ্যুষিত এলাকা, অসমসাহসী বাংলা ও ইংরেজি সংবাদপত্র ‘ইত্তেফাক’ ও ‘পিপল’-এর কার্যালয়।

অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে ব্যাপক বাঙালি নিধনযজ্ঞ সংঘটিত হলেও প্রকৃতার্থে আওয়ামী লীগের নেতা, কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থকবৃন্দ; সেনাবাহিনী, পুলিশ, ইপিআর ও আনসার বাহিনীর বাঙালি অংশ; বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়; তরুণ ছাত্র ও যুবক এবং শ্রমজীবী ও গ্রামীণ জনগণই ছিল মুখ্য। মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের বিভিন্ন পরিসংখ্যান রয়েছে। সুইডেনভিত্তিক একটি গবেষণা- প্রতিষ্ঠানের হিসাব অনুযায়ী, ২৫ মার্চ রাতে শুধু ঢাকা শহরের ৭,০০০ এবং পরবর্তী এক সপ্তাহে ৩০,০০০ বাঙালি পাকিস্তানবাহিনীর হাতে নিহত হন।

সম্প্রতি ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির এক হিসাব মতে, ২৫ থেকে ২৭ মার্চ দুপুরে কেবল ঢাকায় ২৩-২৪ হাজার বাঙালি পাকিস্তানবাহিনীর আক্রমণে মারা যায়। মুক্তিযুদ্ধকালে নাত্সীবাহিনীর মতো পাকিস্তান সেনাবাহিনীও অবাঙালি ও হিন্দুকে নিচু জাত ও বিশ্বাসঘাতক রূপে বিবেচনা করত। ইয়াহিয়া খানের দম্ভোক্তিই তার প্রমাণ। তিনি বলেন যে, ৩০ লাখ বাঙালিকে হত্যা করলেই অবশিষ্টরা তাঁদের নিয়ন্ত্রণে আসবে। এমনকি আর. জে. রুমেলের উবধঃয নু এড়াবৎহসবহঃ গ্রন্থে প্রদত্ত জেনারেল নিয়াজীর বক্তব্য থেকেও বাংলাদেশে গণহত্যা পরিকল্পনাকারীদের ভাবনা প্রকাশ পায়।

নিয়াজী বলেন, ‘বাঙালির হিন্দু অংশ নাত্সীর ইহুদির মতো দুর্বৃত্ত, এদেরকে নির্মূল করা উচিত।…পাকিস্তান সামরিকবাহিনী ইচ্ছেমতো বাঙালি নিধন করতে পারবে। কারো কাছে জবাবদিহি নয়। এটাই ক্ষমতার ঔদ্ধত্য।’ বাংলাদেশে পাকিস্তানবাহিনীর এরূপ নারকীয় হত্যাযজ্ঞ বাঙালির চূড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের জয়ের পূর্বক্ষণেও নিয়াজী ও ফরমান আলীর নির্দেশে এদেশীয় দোসরদের সহায়তায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী গণহত্যায় লিপ্ত ছিল। যার একটি ১৪ ডিসেম্বর বাঙালি বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড।

পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশব্যাপী গণহত্যা সংঘটনে ‘পোড়া মাটির নীতি’ অর্থাত্ দেশটির সর্বত্র লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ-উত্তর হত্যা সম্পন্ন করে। এরূপ গণহত্যার বিপরীতে বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানের প্রশিক্ষিত, সুসংগঠিত ও অত্যাধুনিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মুজিবনগর সরকার ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের সহায়তায় গেরিলা যুদ্ধ ও সশস্র সংগ্রামের মাধ্যমে বিজয় অর্জন করে। যার ফল বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।

সারাদেশে সেনা মোতায়েন মঙ্গলবার থেকে

ডেক্স নিউজ:
মঙ্গলবার থেকে সারা দেশে সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। তারা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন। সোমবার (২৩ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। এর আগে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে সকল সরকারি অফিস ৪ এপ্রিল পর্যন্ত দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কাঁচাবাজার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও হাসপাতালসহ জরুরি সেবা বিভাগগুলো এই ঘোষণার আওতায় থাকবে না।

২৯ মার্চ থেকে দোসরা এপ্রিল পর্যন্ত সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। তার সামনে পেছনে ২৬ মার্চের ছুটি ও নিয়মিত ছুটি মিলে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি হচ্ছে। এর আগে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সকল স্কুল কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে দেয়া হয়। উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করে দেয়া হয়। পহেলা এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। বাংলাদেশে সকল দোকান, বিপণি বিতান ২৫ মার্চ থেকে বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

ছয় মাসের জন্য এনজিও ঋণের কিস্তি শিথিল

স্টাফ রিপোর্টার:
এনজিও ঋণের কিস্তি ছয় মাসের জন্য শিথিল করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)। এর ফলে আগামী জুন পর্যন্ত ঋণগ্রহীতা কিস্তি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে সেটিকে খেলাপি বা বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না।

গতকাল সংস্থাটি এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে। সার্কুলারে বলা হয়, ‘বর্তমানে করোনাভাইরাস জনিত কারণে বিশ্ববাণিজ্যের পাশাপাশি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। দেশের সার্বিক অর্থনীতির এ নেতিবাচক প্রভাবের ফলে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতাদের ব্যবসা-বাণিজ্য তথা স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডও বাধাগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ অবস্থায় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি বিধিমালা, ২০১০ এর বিধি ৪৪ অনুসরণে ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ওই ঋণ তার চেয়ে বিরূপ মানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। ’ এর আগে গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনে নিম্নবিত্তদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে ‘করোনায় দিনজীবীদের কমছে আয়, চিন্তা ঋণের কিস্তি নিয়ে’ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়, যেখানে ভুক্তভোগীরা এনজিও ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।

ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর পরই নড়েচড়ে বসে এমআরএ। সংস্থাটির নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান অমলেন্দু মুখার্জ্জি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা আপাতত আগামী জুন পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধের বিষয়টি রিল্যাক্স করে সার্কুলার দিয়েছি।

পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে প্রয়োজনে এই সুবিধা আরও বাড়ানো হবে। এমআরএর তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭৫৮টি এনজিও সারা দেশে প্রায় ১ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছে। ৩ কোটির বেশি গ্রাহক এই ঋণ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে বকেয়া ঋণের পরিমাণ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।


জগন্নাথপুর টুডে/জাকির/সূত্র-বাংলাদেশ প্রতিদিন

সাংবাদিক পেটানো নাজিম উদ্দিনসহ ৩ ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগ্যানের বাড়িতে মধ্যরাতে হানা এবং তাকে তুলে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেওয়ার ঘটনায় আরডিসি (সিনিয়র সহকারী কমিশনার রাজস্ব) নাজিম উদ্দিন, এডিসি (সহকারী কমিশনার) রিন্টু বিকাশ চাকমা ও এডিসি এস এম রাহাতুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক (এডিসি) মো. হাফিজুর রহমান। তিনি জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কে এম আল-আমীনের স্বাক্ষর করা এক চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে রবিবার কুড়িগ্রামের ডিসি সুলতানা পারভীনকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, শুক্রবার মধ্যরাতে রিন্টু বিকাশ চাকমার নেতৃত্বে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আনসার সদস্যদের একটি দল শহরের চড়ুয়াপাড়ায় বাংলা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগ্যানের বাড়িতে হানা দেয়। তার স্ত্রীর ভাষ্যমতে, এরপর মারধর করতে করতে তাকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে তার পোশাক খুলে দুই চোখ বেঁধে নির্যাতন করা হয়। এসব ঘটনার নেতৃত্ব দেন ডিসি কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার নাজিম উদ্দিন।

এরপর মাদকবিরোধী অভিযানে আটক এবং পরে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে আরিফুলকে কারাগারে পাঠান ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশে শনিবার রংপুর বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) আবু তাহের মো: মাসুদ রানাকে দিয়ে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির এই সদস্য তাৎক্ষণিকভাবে সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করেন। তদন্ত শেষে শনিবারই বিভাগীয় কমিশনাররের কাছে প্রতিবেদন জমা পড়ে। এরপর রবিবার ডিসি সুলতানা পারভীনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

এদিকে সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগ্যানকে জামিন দিয়েছেন কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। রবিবার সকালে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া দন্ডের বিরুদ্ধে আপিল এবং জামিন আবেদন করা হলে তিনি তা শুনানির জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পাঠান। এরপর সকাল ১১টার দিকে শুনানি শেষে ২৫ হাজার টাকা বন্ডে এবং একজন আইনজীবী ও প্রেসক্লাবের সভাপতির জিম্মায় জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: সুজাউদ্দৌলা।

এক সাংবাদিককে ধরতে ৪০ জন, তিনি কি সেরা সন্ত্রাসী ?

ডেস্ক নিউজ
কুড়িগ্রামে মধ্যরাতে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিব্রিউনের সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদন্ড দেওয়ার ঘটনায় মামলা ও সাজা সংক্রান্ত তথ্যাদি জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষকে সোমবারের মধ্যে এ বিষয়ে তথ্যগুলো জানাতে বলা হয়েছে। বিচারপতি মো: আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি সরদার মো: রাশেদ জাহাঙ্গীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ রবিবার এ আদেশ দেন।

পাশাপাশি এ বিষয়টি সোমবার কার্যতালিকায় পরবর্তী আদেশের জন্য রাখা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৪০ জনের একটি টিম সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে সাজা দেওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে রবিবার হাইকোর্ট বলেন, একজন সাংবাদিককে ধরতে মধ্যরাতে তার বাসায় ৪০ জনের বিশাল বাহিনী গেলো, এ তো বিশাল ব্যাপার! তিনি কি দেশের সেরা সন্ত্রাসী? আদেশ অনুসারে, সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে দেওয়া সাজা ও দন্ডের আদেশের অনুলিপি, অভিযান কারা পরিচালনা করেছে মোবাইল কোর্ট নাকি টাস্কফোর্স, রাতে অভিযান পরিচালনার বিষয়ে আইন অনুসারে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, অভিযান পরিচালনার কারণ এবং আইন অনুসারে ঘটনা কার সামনে কখন সংঘটিত হলো তা জানাতে হবে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দেবাশীষ ভট্টাচার্য্য। অন্যদিকে সাংবাদিক আরিফুল ইসলামের পক্ষে করা রিটের ওপর শুনানি করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান ও ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। এর আগে রবিবার দুপুরে বাংলা ট্রিবিউনের নির্বাহী সম্পাদক হারুন উর রশীদ জনস্বার্থে মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের সংশ্নিষ্ট শাখায় এ রিটটি দায়ের করেন।

রিট আবেদনে টাস্কফোর্সের নামে আরিফুল ইসলামকে অবৈধ সাজা ও আটক করা কেন সংবিধান পরিপন্থি হবে না এবং আরিফুল ইসলামকে ৫০ লাখ টাকা কেন ক্ষতিপুরণ দেওয়া হবে না- এ মর্মে রুল জারিরও আর্জি জানানো হয়। এছাড়াও কুড়িগ্রামের ডিসি, সিনিয়র সহকারী কমিশনার, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে তাদের ভুমিকার ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য তলবের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি আরিফের বিরুদ্ধে করা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মামলার নথি এবং টাস্কফোর্স পরিচালনার নথি তলবের আদেশ চাওয়া হয়েছে। আদেশের পর রিটকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন সাংবাদিকদের বলেন, দেশের কিছু কিছু জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোগল সম্রাটের মতো আচরণ করছেন। সরকারের কাছ থেকে বেতন নিয়ে তাদের অনেকে সরকারকেই বিপদে ফেলতেই ষড়যন্ত্র করছেন। কুড়িগ্রামের ঘটনাও তেমনই একটি।