ইসহাকপুর লুদরপুর,এনায়েত নগর দারুস সুন্নাহ ইমদাদিয়া মাদ্রাসা ট্টাস্ট ইউকের উদ্যোগে পূর্ব লন্ডনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোঃ আব্দুল হাইঃ- জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরের ইসলামী দ্বীনি শিক্ষার স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান,ইসহাকপুর,লুদরপুর,এনায়েত নগর দারুস সুন্নাহ ইমদাদিয়া মাদ্রাসা ট্টাস্ট ইউকের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

আজ মঙ্গল বার (১০ এপ্রিল) পূর্ব লন্ডনের সোনার গাঁও রেস্টুরেন্টে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টের সভাপতি ইকবাল এম হোসাইন।

ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিনের পরিচালনায় শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ মাওলানা সিহাব উদ্দিন।

 

অতিথি ছিলেন কাউন্সিলার ইকবাল হোসাইন, খান জয়নাল আবেদীন , শাহ জিল্লুল করিম , শাহ লুত্ফুল করিম , আবদুল হালীম আক্কাস ,আবুল হাসনাত চুনু, সাজ্জাদ আলী শাহ,

মিরপুর ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্টাস্টের সভাপতি শিশু মিয়া,মিরপুর ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্টাস্টের সাধারণ সম্পাদক আবু ইয়াসিন (সুমন)।

বক্তব্য রাখেন মুহিত মিয়া,আলমগীর হোসেন,ইকবাল উদ্দিন,সামসুল সহ আরো অনেকে।

বক্তাগণ পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরেন।এবং ইফতার ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের জন্য এবং উপস্হিত সকল নেতৃবৃন্দের প্রতি অভিনন্দন জানান।

পরে বিশ্বের মুসল্লিম উম্মার মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন ফখরুল উদ্দীন ।

সাংবাদিক ও চিত্র শিল্পী ওয়েছের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হকের মৃত্যুতে ইউকে বাংলা রিপোর্টাস ইউনিটির শোক

লন্ডন অফিস :
ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির
সহ-সাধারণ সম্পাদক এটিএন বাংলা ইউকের ম্যানচেস্টার প্রতিনিধি, সাংবাদিক আমিনুল হক ওয়েসের পিতা যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

সোমবার ৪ এপ্রিল ২০২২ দুপুরে সিলেট শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
সিলেট বিভাগের সুনামগন্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের ভূরাখালি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হক ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে তিনি গুরুতর আহত হন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হকের লাশ গ্রামের বাড়ি ভূরাখালি নেওয়ার পর সেখানে রাষ্টীয় মর্যাদায় তাকে সমাহিত করা হয়েছে।

ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির শোক :

  1. এদিকে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আমিনুল হক ওয়েছের পিতা আব্দুল হকের মৃত্যুতে সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
    ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আনসার আহমদ উল্লাহ, সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, সেক্রেটারী সাজিদুর রহমান, সহ সভাপতি মতিয়ার চৌধুরী, এটিএম মনিরুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ মুহাম্মদ সালেহ আহমেদ এক শোকবার্তায় মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

লন্ডনে সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশনের বঙ্গবন্ধু লেকচার অনুষ্ঠিত

 

মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, লন্ডন থেকে :

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরাঙ্গনাদের শ্রদ্ধা জানিয়ে — ইংল্যান্ডে এ্যানুয়াল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লেকচার সম্পন্ন হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশনের উদ্দোগে এ্যানুয়াল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লেকচার এর এই অনলাইন ইভেন্টে — “ হিস্টোরিচিং দ্যা বীরঙ্গনা : ট্রাচিং দ্যা পাস্ট, পেজেন্ট এন্ড ফিউচার, ট্রাজেকটোরিজ অফ দ্যা বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার অব ১৯৭১” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় ।

বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ ২০২২) বিকেলে ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের প্রফেসর এডওয়ার্ড সিম্পসন এর সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডনের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম ও সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশনের আনসার আহমদ উল্লাহর সূচনা পর্বে লন্ডনে অনলাইন ইভেন্টে — এ্যানুয়াল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লেকচারের এই পর্বে মুখ্য আলোচক হিসেবে অংশ নেন – ইংল্যান্ডের ডারহাম ইউনিভার্সিটির এন্ত্রোলজি বিভাগের প্রফেসর নায়ানিকা মুখার্জি ।
অনুষ্ঠান শেষ পর্বে ভোট অব থ্যান্কস প্রদান করেন – সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নুরউদ্দিন আহমদ।

অনুষ্ঠানের সহযোগী পার্টনার ছিলো- সোয়াস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডন।

নির্ধারিত এই লেকচারে আলোচনায় উঠে আসে ১৯৭১সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরাঙ্গনাদের অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যতের কথা।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ হওয়ার পাশাপাশি ১০ লাখ মা-বোন নির্যাতনেরও শিকার হন৷
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁদের সম্মানের নাম দেন ‘বীরাঙ্গনা ৷’
কিন্তু সামাজিক ও পারিবারিক কারণে কোনো নারীই তখন তাঁদের ওপর ওপর নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ করতে চাইতেন না৷ তবে এর ব্যতিক্রম হয়েছেন কেউ কেউ।
ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীই প্রথম ব্যতিক্রমী নারী যিনি তাঁর ওপর নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ করেন৷
তাঁর নামের সঙ্গেও যুক্ত করেন বীরঙ্গনা শব্দটি৷ বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ করে এক বীরাঙ্গনা ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীকে৷

লেকচারে আরো তুলে ধরা হয় – ১৯৭১ সালের বীরাঙ্গনা যুদ্ধ শিশুদের বর্তমান ও ভবিষ্যত চিত্র। ভবিষ্যতে যাতে এই বীরাঙ্গনা শিশুরা তাদের সামাজিক ভাবে সাপোর্ট পায়, চাকুরী পায়, এটি তাদের অধিকার। তাদের এই অধিকার আদায়ে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়।জটুডে/এহাই

সাজ্জাদ মিয়া এমবিই জানাজা মঙ্গলবার বাদ জোহর ব্রিকলেন মসজিদে, বিভিন্নমহলের শোক

মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, লন্ডন থেকে  : 
যুক্তরাজ্যের কমিউনিটির সুপ্রিয় ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মোহাম্মদ
সাজ্জাদ মিয়া এমবিই জানাজা মঙ্গলবার বাদ জোহর ব্রিকলেন মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে  । প্রধানমন্ত্রী , পরিকল্পনামন্ত্রী  সহ বিভিন্ন মহলের  শোক  ।
যুক্তরাজ্যের বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব, ঐতিহ্যবাহী  ব্রিকলেন  জামে মসজিদ ট্রাস্টি বোর্ডের প্রেসিডেন্ট, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের সাবেক চেয়ারম্যান— আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাজ্জাদ মিয়া এমবিই সম্মাননা পাওয়ার পর জীবদ্দশায় বলেছিলেন— “ কমিউনিটির সেবায় আরো কাজ করতে চাই, জীবনকে উৎসর্গ করতে চাই “ ।
যতদিন বেঁচে ছিলেন সাধ্যমত করেছেন। পৃথিবীর নিয়মেই ক্যান্সার নামক এই রোগে তার জীবন এখন থমকে গিয়েছে।
এখন শুধু তাঁর সৃষ্টিশীল কাজের স্মতিকথা মানুষের মুখে মুখে থাকবে। কারণ প্রত্যেক মানুষের মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হয়, তিনিও তার ব্যতিক্রম হলেন না।
সোমবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ইং , সকাল ৫ টা ১১ মিনিটে কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব সাজ্জাদ মিয়া এমবিই ইন্তেকাল করেছেন, ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
সাবেক কাউন্সিলর, বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা সাজ্জাদ মিয়া এমবিই মৃত্যুসময় তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর ।
প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ :
আলহাজ্ব সাজ্জাদ মিয়া এমবিই মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক লিখিত শোক বার্তায় পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন— বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর সভাপতি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমপি  এবং  বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর সাধারণসম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি।
পরিকল্পনা মন্ত্রীর শোক প্রকাশ :
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ব্রিকলেন জামে মসজিদের সভাপতি, আলহাজ্ব সাজ্জাদ মিয়া এমবিই এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান এমপি।
ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির শোক প্রকাশ : সাজ্জাদ মিয়া এমবিই মৃত্যুর সংবাদে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রেসিডেন্ট আনসার আহমদ উল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রবীন সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট এটিএম মনিরুজ্জামান, ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ শাহ সেলিম, সেক্রেটারী সাজিদুর রহমান, এসিসটেন্ট সেক্রেটারী আমিনুল হক ওয়েছ, ট্রেজারার মুহাম্মদ সালেহ আহমদ, এসিসটেন্ট ট্রেজারার  এসকেএম আশরাফুল হুদা, মিডিয়া এন্ড আইটি সেক্রেটারি শাহ রুমি হক, সোসিয়াল ওয়েল ফেয়ার সেক্রেটারি মিজানুর রহমান মীরু, ব্যারিস্টার ইকবাল হোসেন, জামাল খান,  আনসার মিয়া ও সেলিনা আক্তার জোসনা প্রমুখ।
যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ ও অন্যান্যের শোক প্রকাশ :
সাজ্জাদ মিয়া এমবিই মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন- যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরিফ ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক  নঈম  উদ্দিন রিয়াজ এবং
যুক্তরাজ্য জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি মোহাম্মাদ শামীম আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ চন্দন মিয়া সহ বিভিন্ন সংগঠনের এবং কমিটির নেতৃবৃন্দ ।
বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের শোক :
বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে শোক জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি মো.  হরমুজ আলী ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। ।
আরো শোক  প্রকাশ করেছেন ব্রিকলেন জামে মসজিদ ট্রাস্টের জেনারেল সেক্রেটারি হেলাল উদ্দিন আলী, ট্রেজারার হামিদুর রহমান চৌধুরী সহ কমিটির নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও মরহুমের অনেক গুণগ্রাহী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই সমবেদনা জানাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগে শোকগাঁথা লিখে সমবেদনা জানিয়ে দোয়া করে শোক প্রকাশ লিখেছেন— সাংবাদিক আহাদ চৌধুরী বাবু সহ অনেকেই ।
বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে শোক জানিয়েছেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম। লন্ডন এডুকেশন ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান মো: আব্দুল মুনিম জাহেদী ক্যারল, সংহিত সাহিত্য পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের, গোলাপগঞ্জ স্যোশাল এন্ড কালচারাল ট্রাস্ট ইউকে’র চেয়ারম্যান শামসুল হক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ দিলওয়ার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মাসুদ আহমেদ জোয়ারদার, ফুলবাড়ি ইউনিয়ন সোসাইটি ইউকে’র প্রেসিডেন্ট এমদাদ হোসেন
টিপু ও সাধারণ সম্পাদক সাহিন আহমেদ।
উল্লেখ্য সমাজকর্মী  সাজ্জাদ মিয়া ১৯৬৭ সালে যুক্তরাজ্যে আসেন। এরপর থেকে কমিউনিটির উন্নয়নে তিনি নিরলসভাবে কাজ করেছিলেন। মহান মুক্তিসংগ্রামে প্রবাসে গড়ে উঠা আন্দোলন সংগ্রামে তার উপস্থিতি ছিল প্রায় প্রতিটি মিটিং – মিছিলে।
 ব্রিটেনে আজকের ব্রিটিশ বাংলাদেশীদের গৌরব গাথা, অর্জন দৃশ্যমান। তবে অতীত এ রকম ছিল না, ছিল সংগ্রামের, লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজের অধিকার আদায় করে নিতে হত।
কারণ বর্ণ বৈষম্য ছিল তুঙ্গে।  আর তাই ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ ইয়ুথ এসোসিয়েশন। বর্নবাদ বিরোধী আন্দোলনকে চাঙ্গা করে এই সংগঠন।
তারুণ্যের প্রতীক নিয়ে নিজে হাল ধরেছেন সংগঠনের ট্রেজারার হিসেবে। এরপর জেনারেল সেক্রেটারি, সর্বোচ্চ পদ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে কমিউনিটির সেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।
ব্রিটেনে বাংলাদেশী মুসলমানদের অন্যতম অর্জন ঐতিহাসিক ব্রিকলেন জামে মসজিদ।
 খৃস্টীয় ধর্মাবলম্বীদের চার্চ, ইহুদিদের সিনাগগের পর আল্লাহর ঘর মসজিদ স্থাপিত হয়। পূর্বে লন্ডন জামে মসজিদ ট্রাস্ট যা বর্তমান নাম হচ্ছে ব্রিকলেন জামে মসজিদ ট্রাস্ট।
১৯৭৮  সালে এর সদস্যপদ গ্রহন করেন সাজ্জাদ মিয়া। দীর্ঘ দিন মসজিদের সেবার মাধ্যমে ২০১৫ সালে ঐতিহ্যবাহী ব্রিকলেন জামে মসজিদ  ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তিনি।
তিনি ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদেও নির্বাচিত হন। আস্থার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
শিক্ষা প্রসারেও তার অবদান লক্ষণীয়।
 ১৯৮৪ সালে থমাস বাক্সটন প্রাইমারি স্কুলের প্যারেন্ট গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
 ১৬ বছর চেয়ার অফ গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৮৮ সালে টাওয়ার হ্যামলেটস ল সেন্টারের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ব্রিটিশ রাজনীতিতেও আবদান রাখেন সাজ্জাদ মিয়া। ১৯৯০ সালে টাওয়ার হ্যামলেটস ওয়েভার্স ওয়ার্ডের  কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে কমিউনিটির নানা উন্নয়ন কর্মকান্ডে বিশেষ অবদান রাখেন।
তিনি অন্যান্য সংগঠনের সাথে মিলে দেশে বিদেশে কমিউনিটির সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন।
 ২০১৫-২০১৭ সালে জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের চেয়ারপার্সন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তার সময়েই সংগঠনের পক্ষ থেকে শুরু করা হয় জিসিএসই ও এ লেভেল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয় , যা এখনো  চলমন
জীবনের প্রথম ধাপ থেকে আজ পর্যন্তন কমিউনিটির সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন।  আর তাই ২০২০ সালে ব্রিটেনের রাণী এলিজাবেথ কর্তৃক এমবিই খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। তার জীবনের দীর্ঘ অর্জন সমাজের অন্যান্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে।
তিনি জগন্নাথপুর উপজেলার রসুলপুরের  লাউতলা গ্রামের কৃতি সন্তান ।
মৃত্যুকালে তিনি ১ ছেলে ও ৪ মেয়ে সহ অসংখ্য আত্বীয়-সজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
আগামীকাল মঙ্গলবার ১ মার্চ ২০২২ ইং বাদ যোহর ব্রিকলেন জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে মরহুমের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
মরহুমের  পরিবারের পক্ষ থেকে বড় ছেলে রাসেল মিয়া কমিউনিটির সবাই কাছে পিতার জন্য দোয়া চেয়েছেন।
জ.টুডে/ মো: আব্দুল হাই

‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান : লন্ডনে স্বাগত জানিয়েছেন ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটি

যুক্তরাজ্য ব্যুরো অফিস :

২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ায় লন্ডন থেকে বাংলাদেশ সরকারকে স্বাগত এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন- ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃবৃন্দ।

বুধবার ( ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২) পূর্বলন্ডনে — ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা তথা মহান শহীদদিবসের আলোচনায় বক্তারা এ অভিনন্দন জানান ।

ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি, ডেইলী স্টারের যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি- সাংবাদিক আনসার আহমদ উল্লাহর সভাপতিত্বে ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক, সাপ্তাহিক বাংলা সংলাপ’র সিনিয়র রিপোর্টার মুহাম্মদ সাজিদুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- প্রবীন সাংবাদিক দৈনিক উত্তর পূর্বের যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি- মতিয়ার চৌধুরী,

 

গ্রেটব্রিটেনে বাঙালি মালিকাধিন একমাত্র ইংরেজি জনপ্রিয় পত্রিকা বাংলা মিররের বিশেষ প্রতিনিধি, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি- মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সেক্রেটারি- ব্রিটিশ বাংলা নিউজের সম্পাদক এটিএম মনিরুজ্জামান, বাংলানিউজ ইউএস ডটকমের যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি মুহাম্মদ সালেহ আহমদ, জগন্নাথপুর টাইমসের সিনিয়র রিপোর্টার আশরাফুল হুদা বাবুল প্রমুখ।

এ আলোচনায় বক্তার বলেন – ১৯৫২ সালে মাতৃভাষা “বাংলাকে “ রক্ষার জন্য প্রাণদানকারী শহীদদের পবিত্র রক্ত বৃথা যেতে পারেনা। শহীদদের এই আত্মত্যাগই বাংলা ভাষার জন্য মহান একুশে ফেব্রুযারি শহীদ দিবস আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

তাই এ শোকগাঁথা সুফল তাৎপর্য বিশ্বের মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। এরজন্য বাংলা ভাষাভাষী দেশ প্রেমিক সচেতন নাগরিকরাই সর্বাগ্রে এগিয়ে আসতে হবে। পৃথিবীর সকল মাতৃভাষা রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

বক্তার বলেন – ২০২০ সালের ১০ মার্চ জয় বাংলা স্লোগানকে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হিসেবে গ্রহণের জন্য হাইকোর্ট রায় প্রদান করেন।
দেরীতে হলেও ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জয় বাংলা হল একটি স্লোগান, যা বাংলাদেশে ও ইংল্যান্ডসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে বসবাসকারী বাংলাভাষা ভাষী মানুষেরা এ স্লোগান ব্যবহৃত করেন।
আর তাদের মুখের ভাষা, প্রাণের ভাষা হলো বাংলা।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম, কলকাতাসহ অন্যান্য কয়েকটি রাজ্যে এ শ্লোগান ব্যবহৃত হয়।

বক্তারা আরো বলেন- ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় এই স্লোগান জনগণকে তাদের মুক্তিসংগ্রামে প্রবলভাবে প্রেরণা যুগিয়েছিল।

তৎসময়ে পূর্ববাংলা তথা আজকের বাংলাদেশ ও ভারতের বাঙালি অধ্যুষিত পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, বরাক উপত্যকার লোকেরাও বাঙালির ঐক্য বোঝাতে এর ব্যবহার করে থাকেন।

এর আগে বাঙালি কখনো এত তীব্র, সংহত ও তাৎপর্যপূর্ণ স্লোগান দেয়নি । যাতে একটি পদেই প্রকাশ পেয়েছে রাজনীতি, সংস্কৃতি, দেশ, ভাষার সৌন্দর্য ও জাতীয় আবেগ হলো “ জয় বাংলা “ ।

জয় বাংলা স্লোগান ছিল মুক্তিযুদ্ধকালীন বাঙালির প্রেরণার উৎস।

সফল অপারেশন শেষে বা যুদ্ধ জয়ের পর অবধারিত ভাবে মুক্তিযোদ্ধারা চিৎকার করে “জয় বাংলা” স্লোগান দিয়ে জয় উদ্‌যাপন করতেন।

লন্ডনে লেন্সবারি ওয়ার্ড লেবার পার্টির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু

মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, লন্ডন থেকে :-

লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের ৫ মে ২০২২ সালের ইলেকশনকে সামনে রেখে লেন্সবারি ওয়ার্ড লেবার পার্টি তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে।

শনিবার ১২ ফেব্রুয়ারি পূর্ব লন্ডনের ক্রিপট্রিস্ট মার্কেটের আইডিয়া স্টোরের সামনে অনুষ্ঠিত জমায়েতে লেবার পার্টির কর্মী ও উপস্থিত জনসমাবেশে মেয়র জন বিগস বলেন, শুধু মাত্র পরিবর্তন বললে হয়না উন্নয়ন এবং অগ্রযাত্রাকে আমলে নিয়ে সমস্ত টাওয়ার হ্যামলেটসের জনসাধারনের সামগ্রিক উন্নয়নে অগ্রাধিকার ও সাম্যের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে এর জন্য লেবার পার্টির বিকল্প নেই ৷

এ সময় উপস্থিত অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পপলার অ্যান্ড লাইম হাউসের এমপি অপসানা বেগম, টাওয়ার হ্যামলেট কাউন্সিলের মেয়র জন বিগস, এসেম্বলি মেম্বার উনমেশ দেশাই, হেলাল আব্বাস, বর্তমান কাউন্সিলর কাহার চৌধুরী ও লেবার থেকে কাউন্সিলর প্রার্থী সাহেদা রহমান, আনসারুল হক সহ লেবার দলের নেতাকর্মীরা।

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের অনিয়মের প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলনে ৪ দফা দাবি

লন্ডন অফিস :-

মেম্বারশিপ নিয়ে লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের নজিরবিহীন অনিয়মের প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৪ দফা দাবিতে বলা হয়েছে বিভাজন নয়, সাংবাদিকদের ঐক্য প্রতিষ্ঠা করুন। মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর ২০২১) দুপুরে লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের মেম্বারশিপ নিয়ে এবারে নজিরবিহীন অনিয়মের প্রতিবাদে লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে ক্লাবের যেসব সদস্যের সদস্যপদ নবায়ন করা হয়নি এবং যে চার জনের সদস্যপদ স্থগিত রাখা হয়েছে, তাঁদের স্থায়ি সদস্যপদ অবিলম্বে ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

 

সম্মেলনে মূল লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর। সূচনা বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সৈয়দ সাদেক আহমদ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মোহাম্মদ খায়রুল আলম, তওহীদ আহমদ, সৈয়দ জহরুল হক, ইয়াসমিন সুলতানা পলিন, শাহ সোহেল আহমদ, শামসুর রহমান সুমেল, আমিনুর চৌধুরীসহ অন্যান্য ভুক্তভোগি। সম্মেলনে মূল লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর। লিখিত বক্তব্যে যা বলা হয়েছে তা নিম্নরূপ : আপনারা যারা আজ এখানে উপস্থিত হয়েছেন প্রত্যেকেই আমাদের সহকর্মী।

 

আর আজ আমরা আপনাকে একজন সহমর্মী হিসেবেও পাশে চাইছি বিশ্বাসে ভরসায়। আপনারা জানেন যে, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের নতুন সদস্য তালিকা সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এই তালিকা দেখে আমরা হতবাক, বিস্মিত, দুঃখিত এবং অপমানিতও বটে। আমরা যারা এই সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেছি, অজ্ঞাত কারণে আমাদের কাছ থেকে প্রেস ক্লাবের সাধারণ সদস্যপদ ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাজনীতির সঙ্গে সংযুক্ত বিধায় কয়েক জন সদস্যের সদস্যপদ স্থগিত রাখা হয়েছে, যা তাদের স্থায়ীভাবে বাদ দেয়ার প্রাথমিক প্রক্রিয়া বলে অনুমিত।

 

রাজনীতি করা কোন অপরাধ নয়। যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থক ও ক্লাবের সদস্য তাদের নিয়ে ক্লাবে কোন ঝামেলার নজির নেই গত ২৮ বছরের ইতিহাসে। সকল সদস্যই রাজনীতি দূরে রেখে ক্লাবের ঐতিহ্য, ভাবমূর্তি সমুন্নত রেখেছেন। এই ক্লাবে স্থানীয় রাজনীতি অর্থাৎ লেবার, কনজারভেটিভ বা লিবডেমের সমর্থকরাও সদস্য হিসেবে আছেন। তাঁদের নিয়ে যদি সমস্যা না হয় তবে দেশীয় রাজনীতি নিয়ে সমস্যা কোথায়? এই বৈষম্যমূলক নীতির মাধ্যমে আমরা কেবল দেশীয় রাজনীতি নয়, প্রিয় বাংলাদেশকেও কি অপমান করছি না? এমনও শোনা গেছে ক্লাবের নেতৃবৃন্দ আবেদনকারী সদস্যদের দুটি চয়েস দিয়েছেন রাজনীতি না সাংবাদিকতা।

 

কেউ কেউ রাজনীতি থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং এ প্রেক্ষিতে তাদের সদস্যশীপ দেয়া হয়েছে। এ কোন ধরণের মানসিকতা? কি উদ্দেশ্য নিহিত আছে এর পিছনে? এই সদস্যরা কেউ কেউ বিগত সময় সাংবাদিকতা ও রাজনীতি দুটোই করে আসছেন। তাদের রাজনীতি দিয়ে কোনদিনই ক্লাবের কর্মকান্ডকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন নি। অথচ তাদের বাদ দেয়ার জন্য ক্লাব নেতৃবৃন্দের তোড়জোড় যথেষ্ট সন্দেহ তৈরি করে। অন্যদিকে রাজনীতি করার দায়ে চারজন সম্মানিত সদস্যের সদস্যপদ স্থগিত রেখে নির্বাচন ঘোষণার যে তোড়জোড় শুরু হয়েছে সেটিও আইনসম্মত নয় বলেই আমরা মনে করছি।

 

মেম্বারশীপ পেন্ডিং রেখে কোন নিবার্চন হয়েছে এমন নজির আছে কি? আর এভাবে একাধিক সদস্যকে স্থগিত রেখে সদস্যপদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা কিভাবে প্রস্তুত হয় সেটাও আমাদের বোধগম্য নয়। আমরা জানি যে, যেকোনো সংগঠনের সদস্যপদ যাচাই-বাছাই কমিটি তাদের সংবিধান অনুযায়ী, সদস্যপদে কারো আবেদন গ্রহণ কিংবা প্রত্যাখানের সুযোগ রাখেন।

 

তবে সেটি করতে হয় অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হয়ে এবং সকলের প্রতি সমতাপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে। কিন্তু আমরা দুঃখ ও ক্ষোভের সাথে লক্ষ্য করেছি, আমাদের সদস্যপদ বৈষম্যমূলকভাবে এমনকি দায়িত্বশীল কারো কারো ব্যক্তিগত ক্রোধের কারণেও কেড়ে নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সংগঠনের সাংবিধানিক অধিকার থেকে আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। এবার লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্যপদ বঞ্চিত তালিকায় এমন ব্যক্তিও রয়েছেন যারা প্রায় এ ক্লাবের জন্মলগ্ন থেকে সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছেন।

 

আবার এমনও ব্যক্তি আছেন যারা বেশ কয়েকবার নির্বাহী কমিটিতে সম্পাদকীয় পদে সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। আর সাংবাদিক হিসেবে কমিউনিটিতে তাদের সবারই আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। অথচ সদস্যপদ বাতিলের আগে আমাদের কারো সাথে ক্লাবের নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে কোনোরূপ যোগাযোগ করা হয় নি, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয় নি। অনেকটা একতরফা ভাবে আমাদের সদস্যপদের আবেদনকে উড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

 

এমনকি সদস্য তালিকা প্রকাশের পর বঞ্চিতদের পক্ষ থেকে ক্লাবের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের সাথে যোগাযোগ করা হলে কোনো সদুত্তর মেলেনি বরং মিলেছে অবজ্ঞা আর অবহেলা। আমরা সদস্য তালিকা ধরে ধরে চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, পুরাতন সদস্যদের সদস্যপদ বাতিলে কোনো ধরনের সমতার বিধান রক্ষা করা হয় নি। যাকে ইচ্ছা দেবো, যাকে ইচ্ছা কাটবো এমন পক্ষপাত দুষ্ট আচরণ এখানে স্পষ্ট বলেই আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়। একই গ্রাউন্ডে পৃথক আবেদনে একজনকে প্রত্যাখান করে অন্য জনকে মঞ্জুর করারও একাধিক উদাহরণ রয়েছে।

 

সদস্যপদ প্রাপ্তদের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখে আমরা এখানে কারো নাম উল্লেখ করছি না। সাংবাদিক বন্ধুরা, আপনারা সদস্য তালিকা পর্যালোচনা করলে আমাদের এ বক্তব্যের সপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ পাবেন বলে বিশ্বাস করি। সদস্যপদ বাতিল করার পর আমাদের প্রতি প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের কর্মকাণ্ড আরও বেশি অমানবিক এবং অবমাননাকর। নতুন সদস্য তালিকা প্রকাশের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যেভাবে প্রেস ক্লাবের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে রিমুভ বা বহিস্কার করা হয়েছে তা চরম অসৌজন্যমূলক।

 

এতে আমাদের প্রতি নির্বাহী কমিটির তীব্র অবজ্ঞা প্রকাশ পেয়েছে।‌তারা যদি বলতেন, আমরা নিজেরা অন্তত সম্মান নিয়ে গ্রুপ ছেড়ে চলে যেতাম। বিদায় কালে আমাদের নূন্যতম সম্মান প্রদর্শন না করার এই বিষয় প্রেস ক্লাবের ইতিহাসে কালো অধ্যায় হিসেবেই থেকে যাবে। এখন আবার আমাদের সদস্যপদ না দেওয়ার কারণ হিসেবে নানাভাবে বিভিন্ন অসত্য এবং বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। যা আমাদের সম্মানক্ষুণ্ন করার আরেকটি অপচেষ্টা।‌

 

এর মাধ্যমে আমাদের একান্ত তথ্য বেহাত হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। এটি ডেটা প্রটেকশন আইনেরও গুরুতর লংঘন। লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্যপদ থেকে আমাদের বঞ্চিত কেবল ব্যক্তিগত লাভ লোকসানের হিসেবে দেখলে চলবে না। এটি ক্লাবে ‘বিভাজন‘ সৃষ্টির ‘নজিরবিহীন‘ এক চেষ্টা। যার মাধ্যমে সিকি শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে ক্লাবে বিরাজমান সুষম ও ভারসাম্যমূলক পরিবেশ এ কারণে বিঘ্নিত হয়েছে, যা এদেশে মিডিয়া কর্মীদের পেশাগত ঐক্য হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে এবং আমাদের কমিউনিটি-কাঠামোর ভিত্তিমূলে আঘাত হেনেছে।

 

প্রিয় সহকর্মী বন্ধুরা,আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের মধ্যমে আমরা ক্লাবে সুস্থ, স্বাভাবিক ও পারষ্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আবারও ফিরিয়ে আনা এবং সেই সাথে মিডিয়াকর্মীদের পেশাগত ঐক্য পুন:প্রতিষ্ঠার স্বার্থে আমাদের ৪ দফা দাবি মেনে নেয়ার জন্যে প্রেসক্লাবের নির্বাহি কমিটির কাছে দাবি জানাচ্ছি:

 

১. ক্লাবের যে পুরনো সদস্যদের সদস্যপদ নবায়ন না করে ক্লাব থেকে বাদ দেয়া হয়েছে, অবিলম্বে তাঁদের ক্লাবে ফিরিয়ে নিয়ে তাঁদের সদস্যপদ নবায়ন এবং নতুন সদস্য তালিকায় তাঁদেরকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

 

২. কাল বিলম্ব না করে ক্লাবের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তাঁদেরকে পুনরায় সসম্মানে সাধারণ সদস্যপদে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

 

৩. ক্লাবের যে ৪ জন সদস্যের সদস্যপদ নবায়ন অথবা বাতিল কোনটাই না করে গঠনতন্ত্র বহির্ভূতভাবে মনগড়া একটি পেন্ডিং লিস্টে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, তাঁদের সদস্যপদ অবিলম্বে নবায়ন করে নতুন সদস্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

 

৪. ক্লাবের যেসব সদস্যের সাধারণ সদস্যপদ কেড়ে নিয়ে অগঠনতান্ত্রিকভাবে তাঁদেরকে সহযোগী (এসোসিয়েট) সদস্যের তালিকায় ঠেলে দেয়া হয়েছে, অবিলম্বে সেই অন্যায় এবং অবিচারের প্রতিকার করতে হবে এবং সদস্যের তালিকায় সসম্মানে তাঁদেরকে ফিরিয়ে আনতে হবে।

আমরা আশা করি, প্রেস ক্লাবের নির্বাহি কমিটি ক্লাব-সদস্যদের স্বার্থ এবং ক্লাবের সুনাম সমুন্নত রাখতে বিভাজনের পথ পরিহার করবেন এবং অবিলম্বে আমাদের দাবিসমূহ মেনে নিয়ে ক্লাবে বিরাজমান অস্থিতিশীল পরিস্থতির অবসান ঘটাবেন। প্রিয় সহকর্মী বন্ধুরা,আমাদের আহবানে সাড়া দিয়ে আজকের এই সংবাদ সম্মেলন সফল করতে আপনারা এগিয়ে আসায় সকলকে অন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমাদের প্রিয় লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সার্বজনীনতা অটুট রাখতে আপনাদের সকলের সহযোগিতা আমাদের একান্তকাম্য।

লন্ডনে আবুল লেইস শ্যামল’র “ বাংলাদেশ ৫০” ফটো অ্যালবামের মোড়ক উম্মোচন

মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, লন্ডন থেকে :

বাংলাদেশের বিজয়ের ৫০ বছর উপলক্ষে লন্ডনে স্বাধীনতা ট্রাস্ট ইউকের উদ্দোগে সত্তর দশকের সিলেটের জনপ্রিয় ফটোজার্নালিস্ট আবুল লেইস শ্যামল’র “ বাংলাদেশ ৫০” ফটো অ্যালবামের মোড়ক উম্মোচন লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ ডিসেম্বর ২০২১) বিকেলে পূর্ব লন্ডনের একটি হলে স্বাধীনতা ট্রাস্ট ইউকের চেয়ারপারসন জুলি বেগমের সভাপতিত্বে ফটোজার্নালিস্ট আবুল লেইস শ্যামল’র “ বাংলাদেশ ৫০” ফটো অ্যালবামের মোড়ক উম্মোচন করেন লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ্যামলেটস’র স্পিকার মো: আহবাব হোসেইন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্পিকার মো: আহবাব হোসেইন বলেন- বাংলাদেশের স্বাধীনতা হঠাৎ করে আসেনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছে । ৩০ লক্ষ শহীদ আর ২ লক্ষ মা-বোনদের ইজ্জতের বিনিময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছে । বাংলার কৃষক শ্রমিক, শিক্ষক, চিকিৎসক, সংস্কৃতি কর্মী, সাংবাদিক , বুদ্বিজীবি সহ সকলের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছে ।

ফটোজার্নালিস্ট আবুল লেইস শ্যামল’র “ মতো অসংখ্য ব্যক্তিদের ত্যাগ রয়েছে । ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৭২ পর্য়ন্ত ফটোজার্নালিস্ট আবুল লেইস শ্যামল’র “ তোলা ছবি নিয়ে প্রকাশিত ফটো অ্যালবাম “ বাংলাদেশ ৫০” এর ভূয়শী প্রশংসা করেন অতিথি ও অনুষ্ঠানে আগত দর্শকবৃন্দ । অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউকে বাংলা রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি আনসার আহমদ উল্লাহ, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট ডক্টর জাকির খান, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম বাসন ও ঝর্ণা চৌধুরী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ভোট অব থ্যাক্নস প্রদান করেন- ফটোজার্নালিস্ট আবুল লেইস শ্যামল’র পুত্র আবু সায়েম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন – মাফিজুর রব। উল্লেখ্য ফটোজার্নালিস্ট আবুল লেইস শ্যামল’ ১৯৬৯ সালে সিলেট থেকে স্নাতক শেষ করে ফটো সাংবাদিকতায় সম্পৃক্ত হন। সে সময় তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত পূর্বদেশ ও গণকণ্ঠ পত্রিকায় কাজ করেন এবং সিলেট থেকে প্রকাশিত দৈনিক যুগভেরীর স্টাফ ফটোগ্রাফার ছিলেন।

পরবর্তীতে বাংলাদেশেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। পত্রিকার দায়িত্ব পালনকালে ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধকালে অনেক ছবি তুলেন । স্বাধীনতার পরও ১৯৭২ সালে তোলা ছবি — যা এই “বাংলাদেশ ৫০” ফটো অ্যালবামে অনেকটা স্থান পেয়েছে। যে ছবি গুলো এখন ইতিহাসের স্বাক্ষী।

সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মকসুদ কোরেশীর যুক্তরাজ্যে মতবিনিময়সভা

আনোয়ার কোরেশী সৈয়দপুর থেকে:-

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মকসুদ মিয়া কোরেশী যুক্তরাজ্য বসবাসরত প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের ‘সান্ডারল্যান্ড বাংলাদেশী কমিউনিটি সেন্টারে’ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ মকসুদ মিয়া কোরেশী বলেন আমি নৌকা মার্কা প্রতিকের আশাবাদী। নৌকা প্রতিক পেলে ইউনিয়নকে একটি ডিজিটাল ইউনিয়নে রূপান্তরিত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হওয়ার জন্য মকসুদ মিয়া কোরেশী মুরব্বীয়ান, যুবকসহ সবাইকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান। উপস্থিত লোকজন এ ধরনের একটি উদ্যোগের জন্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মকসুদ মিয়া কোরেশীকে স্বাগত জানান।

সৈয়দ খালিদ মিয়া অলিদ-এর সভাপতিত্বে ও মোঃ জাবিছ জিম্মাদারের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সৈয়দ ময়নুল ইসলাম, সৈয়দ আতাউর রহমান, জাহাঙ্গীর কোরেশী মকুল, সৈয়দ জিয়াউল বারি, মো: মাসুক মিয়া কোরেশী, সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম, সৈয়দ তছদুক, শাকির আলম কোরেশী, সৈয়দ জয়নাল, মো: সাজনুর, মো: খালিক মিয়া, সৈয়দ একুত মিয়া, ইকবাল তালুকদার, সৈয়দ আজমান আলী, সৈয়দ সজ্জাদ মিয়া, মো: আখতার কোরেশী, ছালিক আহমদ ছুলেমান, সৈয়দ রাব্বানী, মো: সৈয়দ খইরুল ইসলাম, সৈয়দ আওছাফ,

মোঃ ফখরুল ইসলাম, সাবুল মিয়া, শেখ সাইদুল, সৈয়দ কাওছার আহমদ, সৈয়দ জিলু মিয়া, মল্লিক শামিম, সৈয়দ সজনু মিয়া, মল্লিক ফেদল, সৈয়দ রুবেল, সৈয়দ ছাবির, মো: মারুফ কোরেশী, মো: শুবন কোরেশী, লোকমান কোরেশী, সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, মো: আনার মিয়া, মো: ফংকি, মল্লিক শেলু সহ আরো অনেকে বক্তব্য রাখেন।

মতবিনিময় সভায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা শাহীনুর আহমদ। সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নবাসীর যুব সমাজের আইকন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ট কণ্ঠস্বর, শিক্ষানুরাগী, সমাজ সেবক, মেহনতী মানুষের আপনজন মো: মকসুদ মিয়া কোরেশীকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ইউনিয়নবাসীর সেবা করার জন্য সু-পরামর্শ ও দিক নির্দেশনা দিয়ে সবার সহমত পোষনের মাধ্যমে মতবিনিময় সভাটি সম্পন্ন হয়।

লন্ডনের ব্রিকলেইন জামে মসজিদ ট্রাস্টের ২০২১-২০২৩ সালের জন্য নতুন কমিটি গঠন সম্পন্ন

যুক্তরাজ্য অফিস :
যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী ব্রিকলেইন জামে মসজিদের পরিচালনা পরিষদের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৯ আগষ্ট রবিবার পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেইন মসজিদের সেমিনারে হলে ব্রিকলেইন জামে মসজিদ ট্রাস্টের দ্বি-বার্ষিক সভা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়।
এ দ্বি-বার্ষিক সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব সাজ্জাদ মিয়া।
সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন আলীর পরিচালনায় সভায় কমিটির বিগত দুই বছরের কার্য বিবরনী তুলে ধরা হয়।  এছাড়া সভায় ট্রেজারার হামিদুর রহমান চৌধুরী বিগত দুই বছরের হিসাব তুলে ধরলে তা সর্ব সম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।  দ্বি-বার্ষিক সভায় কমিটির সদস্যগন বিগত রমজান মাসে ফান্ড রাইজিংয়ে ব্যাপক সফলতা, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে মসজিদ পরিচালনায় জন্য বিদায়ী কমিটিকে ধন্যবাদ জানান।
দ্বি-বার্ষিক সভা শেষে কাউন্সিলার আব্দুল মুকিত চুন্নু এমবিই কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চাঁদ চৌধুরীকে সহকারী নির্বাচন কমিশনার করে নতুন কমিটি গঠনের জন্য মনোনয়ন আহবান করা হয়। এতে মাত্র একটি প্যানেল জমা পড়লে আলহাজ্ব সাজ্জাদ মিয়া এমবিইকে সভাপতি, হেলাল উদ্দিন আলীকে সাধারণ সম্পাদক ও হামিদুর রহমান চৌধুরীকে ট্রেজারা পুন:নির্বাচিত ঘোষণা করে ২৩ সদস্য কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির সদস্যগন হচ্ছেন সভাপতি আলহাজ্ব সাজ্জাদ মিয়া এমবিই, সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল গফুর খালিসাদার, সহ সভাপতি মো: হরমুজ আলী, সৈয়দ মতুর্জা আলী, আলহাজ্ব নূর উদ্দিন, আমির হোসেন, আলতাফুর রহমান মোজাহিদ, এমডি ইলিয়াস, সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল মছব্বির,
মতিউর রহমান, হাফিজুর রহমান লাকু, ট্রেজারার হামিদুর রহমান চৌধুরী, সদস্য আলহাজ্ব নূরুল হক লালা মিয়া, ইউসুফ কামালী, আনছারুল হক, আরফিক আলী, আব্দুল খালিক, নূরুল ইসলাম, মশিউর রহমান চৌধুরী মিটু, সৈয়দ কামরুল ইসলাম, মো: সেবা মিয়া, আঙ্গুর আলী, নূরু আলম রাসেল।