মোঃ আব্দুল হাই :
উপজেলার জগন্নাথপুর পৌর শহরের ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম ভবানীপুর এলাকায় খালের উপর সড়ক বিহীন ব্রিজটি নির্মানের ২১ বছর পেরিয়ে গেলেও ব্রিজের দু-পাশে কোন সড়ক না থাকায় মাঠের একপাশে দন্ডায়মান পরিত্যাক্ত ব্রিজটি এলাকাবাসীর কাজে আসছে না ।
ফলে ঐ ব্রীজের পাশ দিয়ে গ্রামবাসীর ব্যবহৃত সড়কে ব্রিজ না থাকায় চরম দূর্ভোগে রয়েছেন পশ্চিম ভবানীপুর গ্রামসহ আশপাশ এলাকার জনসাধারন। সড়ক বিহীন ব্রিজ নিয়ে বেশ কয়েকবার পত্রিকায় লিখা হলেও কর্তৃপক্ষের নজরে আসেনি।
এলজিইডি অফিস ও পৌরসভার কর্তৃপক্ষ বলছেন ব্রিজ নির্মাণের তথ্য না থাকায় কোন ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। খোঁজ নিয়ে জাানাযায়, ৩টি স্প্যানে প্রায় ২৫ মিটার দৈর্ঘ্য এ ব্রিজটি ১৯৯৮সালে নির্মাণ করা হয়েছে।
তবে কোন দপ্তর কর্তৃক ব্রিজটির নির্মান কাজ করা হয়েছে তা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি জনপ্রতিনিধি , স্থানীয় লোকজনদের সাথে কথা বলেও ব্রিজটির সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় প্রবীন ব্যক্তিরা জানান এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে তৎকালিন জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়।
পরবর্তীতে নির্মিত ব্রীজটি দু-পাশের সড়ক পরিবর্তন করে পশ্চিম ভবানীপুর ও পূর্ব ভবানীপুর এলাকাবাসী নলুয়ার হাওরে যাতায়াতের সুবিধার্থে নির্মিত ব্রীজের স্থান পরিবর্তন করে নতুন ভাবে পশ্চিম ভবানীপুর সড়ক নির্মান হওয়ায় প্রায় ২১বছর ধরে সড়ক বিহীন ব্রিজটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় রয়েছে।
জগন্নাথপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম ভবানীপুর এলাকায় সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পশ্চিম ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠের পূর্ব পাশে সড়ক বিহীন দন্ডায়মান ব্রিজটি জনসাধারনের কাজে আসছেনা।
স্থানীয় লোকজনদের সাথে ব্রিজটি নির্মিত হওয়ার কারন জানতে চাইলে এলাকার লোকজন জানান, নলুয়ার হাওরে যাতায়াতের সুবিধার্থে এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে ব্রিজটি নির্মিত হয়। ব্রিজটি নির্মাণের পর এলাকাবাসী আনন্দিত হলেও কখনও ব্রিজ দিয়ে পারাপার হননি।
৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার দ্বিপক গোপ জানান, ব্রিজটি কত সালে নির্মিত হয়েছিল তা আমার জানা নেই। তবে ধারনা করা হচ্ছে বিগত ২১বছর আগে নির্মান করা হয়েছে।
উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার জানান, ব্রিজটির নির্মানকারী প্রতিষ্টানের কোন তথ্য আমার জানা নেই।
তবে ব্রিজের স্থানটি পৌরসভার হওয়ায় বিষটি পৌর কর্তৃপক্ষ দেখবেন এর পরও কবে ব্রিজটি নির্মান কাজ হয়েছে তার খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।