স্টাফ রির্পোটার:
উপজেলার জগন্নাথপুর পৌর শহরের লুদরপুর এলাকার বাসিন্দা লন্ডন প্রবাসী নাজমুল হোসেনের বাড়ির বাংলো ঘরের জেনারেটরের কক্ষ থেকে রাপচান নামে ১৩ বছরের এক কিশোর গৃহকর্মীর মৃত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ঐ কক্ষ থেকে অপর গৃহকর্মী ১৪বছরের কিশোর রাকিব আলীকে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাপচান সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার রঘুনাথপুর শিমুলবাগ গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে ও রাকিব আলী নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার দিরপন গ্রামের ফারুক আলীর ছেলে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় লন্ডন প্রবাসী নাজমুল হোসেনের স্বজনরা কৌশলে দরজা খুলে রাপচান ও রাকিব আলীকে উদ্ধার করে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের নিয়ে যাওয়া হলেও জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক রাপচানকে মৃত ঘোষনা করেন এবং রাকিব আলী উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। লন্ডন প্রবাসী নাজমুল হোসেনের চাচাতো ভাই ফজর আলী জানান, সোমবার রাতে বাড়ির বাংলো ঘরে গৃহকর্মীরা প্রতিদিনের ন্যায় ঘুমাতে যায়। পরদিন ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় বাড়ির লোকজন ডাকা ডাকি করলে তাদের কোন সাড়া শব্দ পাওয়া যায়নি। পরে ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাপচানকে মৃত ঘোষনা করেন। জগন্নাথপুর থানার এস আই অনুজ কুমার দাস জানান, রাপচানের সুরতহালের সময় কোন আঘাতের চিহৃ পাওয়া যায়নি। ময়না তদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্তক্রমে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে গৃহকর্মী কিশোর রাপচানের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নানা জল্পনা কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। কি কারনে রাপচানের মৃত্যু হয়েছে তা কেউ সঠিক করে বলতে পারেনি।