স্টাফ রিপোর্টার:-
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের আশারকান্দি ইউনিয়নের ৭৪নং পূর্ব তিলক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রোকসানা জায়গীদার থাকেন স্বামীর কর্মস্থল সিলেটে। স্কুলে আসনে সপ্তাহে ৩/৪দিন। বিদ্যালয়ে প্রতিদিন না আসায় পূর্ব তিলক গ্রামের কুদ্দুছ মিয়ার মেয়ে মুফিদা বেগমকে প্যারা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন তিনি। অভিযোগ শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের।
সরেজমিনে মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় বিদ্যালয়ে গেলে দেখা যায় স্কুল বন্ধ। জাতীয় পতাকা টানানো অবস্থায় রয়েছে। এলাকাবাসীর সাথে আলাপকালে জানাযায়, এ বিদ্যালয়ে ৩জন শিক্ষক রয়েছে। এদের মধ্যে রোকসানা জায়গীদার সিলেটে অবস্থান করায় তিনি প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসেননা। যার ফলে রোকসানা ম্যাডমের নিজ বেতনে মুফিদা বেগম নামের একজন প্যারা শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে তার পরিবর্তে বিদ্যালয়ের পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মুনায়েম খান সাদ জানান, রোকসানা ম্যাডাম প্রতিদিন স্কুলে না আসায় আমি সহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা প্রতিদিন স্কুলে আসতে বলি। রোকসানা জায়গীদার সপ্তাহে ২/১দিন বিদ্যালয়ে আসেননা। যার কারনে তিনির নিজ বেতনে একজন প্যারা শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন। প্রধান শিক্ষিকা শিউলি বেগমের মুঠো ফোনে ফোন দিলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। পূর্ব তিলক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রোকসানা জায়গীদার বিদ্যালয়ে না আসা এবং নিজ বেতনে প্যারা শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিদ্যালয়ে আসিনি এবং প্যারা শিক্ষকের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোন বক্তব্য দেয়া সম্ভব নয়। উপজেলা শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। সহকারী শিক্ষা অফিসারকে আগামীকাল বুধবার বিদ্যালয়ে পাঠাবো।