০৮:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে ক্রেতা না থাকায় কোরবানীর পশুর চামড়া মাটিতে পুঁতে এবং নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে

  • Update Time : ০৫:৪৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৯
  • / 595


স্টাফ রিপোর্টার:
জগন্নাথপুর উপজেলায় কোরবানীর পশুর চামড়ার ক্রেতা ও মূল্য না থাকায় প্রায় ৪০ লাখ টাকার চামড়া মাটিতে পুতে ফেলা সহ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে। কোরবানীর পশুর চামড়ার মূল্য কম থাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই আবার জামেলা এড়াতে ৫০ থেকে ১০০ টাকায় গরুর এবং ১০ থেকে ২০ টাকায় খাশির চামড়া বিক্রি করেছেন। অনেক এলাকায় লোকজন ক্রেতা না পাওয়ায় মাটিতে পুতে ফেলা ছাড়াও নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছেন। জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর হাফিজিয়া হোসাইনিয়া দারুল হাদিস মাদরাসায় দানকৃত কোরবানীর ৭৪০টি গরুর চামড়াসহ প্রায় ৯০০ চামড়া ক্রেতা না পাওয়ায় ওই সব চামড়াগুলি মাদরাসা প্রাঙ্গণে মাটিতে পুতে ফেলা হয়। মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা সৈয়দ ফখরুল ইসলাম জানান, অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও মাদরাসার পক্ষ থেকে কোরবানির পশুর ৯০০ চামড়া সংগ্রহ করা হয়। তিনি জানান, চামড়াগুলো সংগ্রহে এবং চামড়ায় লবণ ব্যবহারে ৫০ হাজার টাকা খরছ হয়েছে। অন্যান্য বছর কোরবানীর চামড়া বিক্রি থেকে মাদ্রাসার উন্নয়নে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা আয় হত।

Please Share This Post in Your Social Media

জগন্নাথপুরে ক্রেতা না থাকায় কোরবানীর পশুর চামড়া মাটিতে পুঁতে এবং নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে

Update Time : ০৫:৪৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৯


স্টাফ রিপোর্টার:
জগন্নাথপুর উপজেলায় কোরবানীর পশুর চামড়ার ক্রেতা ও মূল্য না থাকায় প্রায় ৪০ লাখ টাকার চামড়া মাটিতে পুতে ফেলা সহ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে। কোরবানীর পশুর চামড়ার মূল্য কম থাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই আবার জামেলা এড়াতে ৫০ থেকে ১০০ টাকায় গরুর এবং ১০ থেকে ২০ টাকায় খাশির চামড়া বিক্রি করেছেন। অনেক এলাকায় লোকজন ক্রেতা না পাওয়ায় মাটিতে পুতে ফেলা ছাড়াও নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছেন। জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর হাফিজিয়া হোসাইনিয়া দারুল হাদিস মাদরাসায় দানকৃত কোরবানীর ৭৪০টি গরুর চামড়াসহ প্রায় ৯০০ চামড়া ক্রেতা না পাওয়ায় ওই সব চামড়াগুলি মাদরাসা প্রাঙ্গণে মাটিতে পুতে ফেলা হয়। মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা সৈয়দ ফখরুল ইসলাম জানান, অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও মাদরাসার পক্ষ থেকে কোরবানির পশুর ৯০০ চামড়া সংগ্রহ করা হয়। তিনি জানান, চামড়াগুলো সংগ্রহে এবং চামড়ায় লবণ ব্যবহারে ৫০ হাজার টাকা খরছ হয়েছে। অন্যান্য বছর কোরবানীর চামড়া বিক্রি থেকে মাদ্রাসার উন্নয়নে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা আয় হত।