১২:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যায়ে সরকারি দপ্তরে তথ্য উন্মুক্ত রাখতে হবে— প্রধান তথ্য কমিশনার

  • Update Time : ০৪:৪৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৯
  • / 909

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমদ বলেছেন,‘সরকার যেখানে একটাকা ব্যয় করবে সেখানে কোথায় কত টাকা ব্যয় হয়েছে তার স্বচ্ছতা জবাদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।দেশে অনেক উন্নয়ন হচ্ছে।দুর্নীতির জন্যে উন্নয়ন নষ্ট করা যাবে না।উন্নয়নের সুফল সকলকে পেতে হবে।সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।‘সবাইকে মনে রাখতে হবে তথ্য পাওয়া মানুষের অধিকার।ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যায়ে সরকারি দপ্তরে তথ্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। সরকারি কর্মকর্তারা হচ্ছেন জনগণের সেবক।সেবক ডালি নিয়ে বসে থাকলে চলবে না।আপনাকে তথ্য জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।কোনো তথ্য গোপন করা যাবে না।কর্তৃপক্ষ স্বেচ্ছায় তথ্য প্রদান করবেন। তিনি বলেন,২০৪১ সালে সবাইকে আমরা আধুনিক করব,আর এই উন্নয়নের সুুফলত সকলকে সমান ভাবে পেতে হবে। সামাজিক, বেষম্যে আটকে থাকলেত চলবে না, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হবে, সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন,সংশ্লিষ্ট দপ্তর তথ্য প্রদানে অনিহা প্রকাশ করলে তথ্য কমিশনের কাছে প্রমানিত হলে তাঁকে অনধিক ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে।তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ গন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সোমবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের হল রুমে জেলা পর্যায়ে তথ্য অথিকার আইন-২০০৯ বিষয়ক জনহিতকরণ সভায় এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন তথ্য সচিব তৌফিকুল আলম,পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান,স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ এমরান হোসেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো.হারুনুর রশিদ,মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম,জেলা তথ্য অফিসার মো.আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যায়ে সরকারি দপ্তরে তথ্য উন্মুক্ত রাখতে হবে— প্রধান তথ্য কমিশনার

Update Time : ০৪:৪৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৯

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমদ বলেছেন,‘সরকার যেখানে একটাকা ব্যয় করবে সেখানে কোথায় কত টাকা ব্যয় হয়েছে তার স্বচ্ছতা জবাদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।দেশে অনেক উন্নয়ন হচ্ছে।দুর্নীতির জন্যে উন্নয়ন নষ্ট করা যাবে না।উন্নয়নের সুফল সকলকে পেতে হবে।সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।‘সবাইকে মনে রাখতে হবে তথ্য পাওয়া মানুষের অধিকার।ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যায়ে সরকারি দপ্তরে তথ্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। সরকারি কর্মকর্তারা হচ্ছেন জনগণের সেবক।সেবক ডালি নিয়ে বসে থাকলে চলবে না।আপনাকে তথ্য জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।কোনো তথ্য গোপন করা যাবে না।কর্তৃপক্ষ স্বেচ্ছায় তথ্য প্রদান করবেন। তিনি বলেন,২০৪১ সালে সবাইকে আমরা আধুনিক করব,আর এই উন্নয়নের সুুফলত সকলকে সমান ভাবে পেতে হবে। সামাজিক, বেষম্যে আটকে থাকলেত চলবে না, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হবে, সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন,সংশ্লিষ্ট দপ্তর তথ্য প্রদানে অনিহা প্রকাশ করলে তথ্য কমিশনের কাছে প্রমানিত হলে তাঁকে অনধিক ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে।তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ গন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সোমবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের হল রুমে জেলা পর্যায়ে তথ্য অথিকার আইন-২০০৯ বিষয়ক জনহিতকরণ সভায় এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন তথ্য সচিব তৌফিকুল আলম,পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান,স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ এমরান হোসেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো.হারুনুর রশিদ,মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম,জেলা তথ্য অফিসার মো.আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।