স্টাফ রিপোর্টার::
মাদকাসক্ত যুবকের অত্যাচারে অতিষ্ঠ স্বজনরা শাসন করতে গিয়ে হত্যায় জড়িয়ে পড়েছেন।
জগন্নাথপুরের পল্লীতে এঘটনাটি ঘটেছে। এ প্রতিবেদক লেখা পর্যন্ত এঘটনায় কোন মামলা হয়নি। তবে প্রস্তুতি চলছে বলে থানা পুলিশ জানিয়েছেন। তদন্তের স্বার্থে পুলিশের কাছ থেকে কোন তথ্য পাওয়া যায় নি।
জানা যায়, উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের মশাজান গ্রামের করিম বক্সের ছেলে কয়েছ মিয়া (৩০) দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন করে আসছিল এর পাশাপাশি চুরিসহ সামাজিক নানা অপরাধে সে জড়িয়ে পড়ে। মাদকাসক্ত এই যুবকের অত্যাচারে তাঁর স্বজনরা রীতিমত অতিষ্ঠ হয়ে উঠেন। গত সোমবার মাদক সেবী কয়েছ মিয়াকে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে তাঁর চাচাতো ভাইয়ের ছেলে আখলাক, ময়নুল, মুজাহিদগংরা মারধর করেন। এতে সে আহত হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। এক পযার্য়ে গত বুধবার আহত যুবকের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের লোকজনের নিকট মৃতদেহটি হস্তান্তর করেন।
পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মখলুছ মিয়া জানান, মাদকাসক্ত যুবকের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ ছিলেন তাঁর স্বজনরা। একটি মোবাইল চুরির ঘটনায় স্বজনরা তাকে স্বাভাবিক মারধর করে ছিলেন বলে শুনেছি।
ঘটনাস্থল পরির্দশনকারী জগন্নাথপুর থানার উপ পরির্দশক (এসআই) মনিরুজ্জামান জানান, তদন্তের প্রয়োজনে এই মূর্হুতে কিছুই বলতে পারছিনা।
স্থানীয় নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি জানান, মৃত কয়েছ মিয়া সর্বোচ্ছ মাদকসেবীদের মধ্যে একজন। মোবাইল ফোন চুরির ঘটনায় তাকে স্বজনরা চরতাপ্পার মারেন। তাতে কয়েছ মিয়ার তেমন কিছু হয়নি। মাদকাসক্ত হয়ে স্ত্রীকে মানসিক নির্যাতনের ফলে দীর্ঘদিন ধরে মৃত কয়েছ মিয়ার সাথে তাঁর স্ত্রীর মনমালিন্য চলছিল। এ ফাকে কয়েছ মিয়ার স্ত্রী ৮ বছরের ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়ি হবিগঞ্জের বানিচং গ্রামে থাকতেন। কয়েছ মিয়ার স্বাভাবিক মৃত্যুকে হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিয়ে যেতে তার স্ত্রী সহ একটি মহল পায়তারা চালাচ্ছে।