স্টাফ রির্পোটার:-
জগন্নাথপুরে নিজ ভুমি থেকে জোর পূর্বক গাছ কেঁটে ফেলার প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের অর্তকিত হামলায় গুরুতর আহত শফিক মিয়া (৬০) হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। আহত শফিক মিয়া জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের শেখ গোষ্ঠির মৃত ইয়াজ উল্লাহ‘র ছেলে। হামলায় অন্যান্য আহতরা চিকিতসাধিন রয়েছেন। এ ঘটনায় মৃত ইয়াজ উল্লাহ‘র ছেলে আহত নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে গত মাসের ২৯এপ্রিল মোহাম্মদপুর গ্রামের উত্তরহাটি গোষ্ঠির মৃত হাতিম উল্লাহ‘র ছেলে ছইল মিয়াকে প্রধান আসামী করে ২৬জনের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার আসামীরা পুলিশের চোখ ফাকিঁ দিয়ে এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে এবং মামলার বাদী সহ পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি সহ প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। মামলার অন্যান্য আসামীরা হচ্ছে-মোহাম্মদপুর গ্রামের মৃত শিকদার উল্লাহ‘র ছেলে কদ্দুছ মিয়া, লাল মিয়ার ছেলে সায়েল মিয়া, ঠাকুর মিয়ার ছেলে রায়হান মিয়া, দরছত উল্লাহ‘র ছেলে দুলু মিয়া , মৃত আফিজ উল্লাহ‘র ছেলে আবু তাহের, লাল মিয়ার ছেলে তোফায়েল আহমদ, মৃত ওয়াব আলীর ছেলে শেবুল মিয়া ও রাজন মিয়া, মৃত তোরাব আলীর ছেলে ইদ্রিছ আলী, ইদ্রিছ মিয়ার ছেলে জাকির মিয়া, আলমগীর, আলীনূর, আলী হোসেন, ওয়াব আলীর ছেলে রানা মিয়া ও লাহিন মিয়া ,
মৃত আফিজ উল্লাহ‘র ছেলে আব্দুল হাই, মৃত আর্শদ আলীর ছেলে রফিক মিয়া , তারুজ আলীর ছেলে মহিবুর রহমান, আবাদ উল্লাহ‘র ছেলে মালেক মিয়া, জমসর মিয়ার ছেলে হাবিব মিয়া, দরাছত মিয়ার ছেলে জিলু মিয়া, শফিক মিয়ার ছেলে বাবর সুলতান, হাতিম উল্লাহ‘র ছেলে শফিক মিয়া, জমাত আলীর ছেলে সুমন মিয়া ও লাল মিয়ার ছেলে মোজাম্মিল। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয় , গত মাসের ২৭এপ্রিল দুপুর ১২টায় মোহাম্মদপুর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে সায়েল মিয়া গুরুতর আহত শফিক মিয়ার বাড়ির নিজস্ব ভ’মিতে রোপনকৃত কলাগাছ
এবং ভ’মি সায়েল মিয়া তার ভুমি বলে দাবি করলে এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ঘটনার দিন সায়েল মিয়া তার সহযোগিদের নিয়ে দেশীয় অস্রসস্র সজ্জিত হয়ে জোর পূর্বক কলাগাছ কেঁটে ফেলতে চাইলে শফিক মিয়া বাধা দেন। এর জের ধরে প্রতিপক্ষ ছইল মিয়ার হুকুমে অন্যান্য সহযোগিরা শফিক মিয়ার ওপর অর্তকিত হামলা চালিয়ে কুপিয়ে এবং অন্যান্য দেশীয় অস্র দিয়ে এলোপাতারী আঘাত করে। শফিক মিয়ার চিতকারে তার ভাই ছেলে সহ স্বজনরা এগিয়ে এলে হামলাকারিরা মৃত সিকন্দর আলীর ছেলে ইলিয়াছ মিয়া (৪৫),গিয়াস উদ্দিন (৪২), সেলিম মিয়া (৩২), শফিক মিয়ার ছেলে নাঈম মিয়া (২৪) , মৃত ইয়াজ উল্লাহ‘র ছেলে নজরুল মিয়া (৫০), মৃত চারাই উল্লাহ‘র আব্দুল হক কে (৫০) গুরুত্বর আহত করে।
তাদের চিতকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারিরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে আহত শফিক মিয়ার অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিতসক তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
অন্যান্য আহতদের জগন্নাথপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আহত শফিক মিয়া সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। এছাড়াও মামলার বাদী নজরুল ইসলাম জানান, থানায় মামলা দায়ের করার কারনে ছইল মিয়া , কদ্দুছ মিয়া, সায়েল মিয়া ও আব্দুল হাই সহ অন্যান্য আসামীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা সহ ঘরবাড়ি লুঠপাট করার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।