স্টাফ রিপোর্টার::
“ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমান“ ২৬ সেপ্টেম্বর দুই হাজার কুড়ি থেকে পক্ষকালব্যাপি জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এডভোকেসী ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রশিক্ষণ ভবনে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্টার মধু সুধন ধর এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ডাক্টার শামসউদ্দিন।
জগন্নাথপুর উপজেলা আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্টার সাইখুল ইসলাম এর পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মেডিকেল অফিসার ডাক্টার শারমিন আরা আশা, মেডিকেল অফিসার ডাক্টার মহিউদ্দিন আহমেদ , উপজেলা শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন , প্রেসক্লাব সভাপতি শংকর রায় , দৈনিক ইত্তেফাক ও এনটিভি ইউরোপ প্রতিনিদি মো: আব্দুল হাই প্রমূখ।
সভায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন এর কর্মপরিকল্পনা সহ বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ডাক্টার শামসউদ্দিন।
ভিটামিন ‘এ’ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে , রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমায় ।
জন্মের পর পরই নবজাতককে শালদুধ সহ মায়ের দুধ খাওয়ানো শুরু করুন।
জন্মে পর প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ান। পানি , মধু, চিনি বা মিসরির পানি ইত্যাদি খাওয়ানো যাবে না।
শিশুর বয়স শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমান মত ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ান। ছয় থেকে এগারো মাস বয়সী শিশুকে একটি নীল রঙের এবং বারো থেকে ঊনষাট মাস বয়সী শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ান।
মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিতকরণে গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমানে ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ প্রাণিজ খাবার (মাছ, মাংস, ডিম, দুধ,কলিজা) ও উদ্ভিজ খাবার (হলুদ ফলমূল ও রঙিন শাক-সবজি ) খেতে দিন।
জেরোফথ্যালমিয়া (রাতকানা ও বিটট্স স্পট), দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া , হাম ও মারত্মক অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ান।