স্টাফ রিপোর্টার :-
জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের জয়নগর-কুশারাই মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেড কর্তৃক কুমারিয়া বিলা ইজারা নিয়ে সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করে পানি শুঁিকয়ে বিল আহরনে সম্প্রতি বিলের পানি সেচ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ায় বিলের আশ পাশ এলাকার শত শত একর জমির মালিক সহ এলাকাবাসী বিল ইজারাদারকে বিল সেচ না করার জন্য বলার পরও অব্যাহতভাবে বিলের পানি সেচের কাজ চালিয়ে যাওয়ায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন শ্যামারগাও গ্রামের বাসিন্দা ফারুক আহমদ।
তিনি আরো জানান বিলের পানি সেচ বন্ধ করা না হলে যে কোন মুহুর্তে এলাকায় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে। এছাড়াও তিনি জানান, কুমারিয়া বিলের পানি সেচ বন্ধ করনের দাবী জানিয়ে আজ রবিবার জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। 
অভিযোগে উল্লেখ করা হয় বোরো মৌসুমে এলাকার কৃষকগন কুমারিয়া বিলের আশ পাশে প্রায় ৫শত একর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ করা হয়েছে। বর্তমানে বোরো জমিতে পানি সেচ দেয়া জরুরী।
কিন্ত বিল ইজারাদার জয়নগর-কুশারাই মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেড এবং তাদের সহযোগী একটি প্রভাবশালী মহল সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করে গোতগাঁও, শ্যামারগাঁও ভায়া মেঘারকান্দি এলজিইডির কাঁচা সড়ক কেঁটে কয়েকটি সেলো মেশিন দিয়ে বিলের পানি সেচ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। পানি সেচ কারীদের এলাকাবাসী মৌখিকভাবে জানানোর পরও তারা সেচ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে শত শত একর জমির বোরো ফসল পানি সেচের অভাবে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
শ্যামার গাঁও গ্রামবাসীর পক্ষে ফারুক আহমদ, মো: শামছুদ্দীন, খছরু মিয়া, হাছান মিয়া, তেরাই মিয়া, কানন মিয়া ও আবুল লেইছ স্বাক্ষরিত অভিযোগ পত্রে কৃষি জমির ধান উৎপাদন বিবেচনা করে জরুরী ভিত্তিতে বিলের পানি সেচ কার্যক্রম বন্ধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে জোর দাবী জানানো হয়। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, অভিযোগ দেখার পর তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।