০১:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত ঠাকুরগাঁওয়ের মালেকা মোকাররমা মলি

  • Update Time : ১১:৫৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • / 9

মোঃ আকতারুল ইসলাম আক্তার, ঠাকুরগাঁও থেকে:

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এ জাতীয় পর্যায়ে সহকারী শিক্ষক (মহিলা) ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ধন্দোগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মালেকা মোকাররমা মলি। তাঁর এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনে ঠাকুরগাঁও জেলার শিক্ষা অঙ্গনে আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে তিনি রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক (মহিলা) নির্বাচিত হন। বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক বাছাই কমিটির চূড়ান্ত ফলাফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ক্যাটাগরিতে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়।

রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক বাছাই কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম (এনডিসি) এবং বিভাগীয় উপ-পরিচালক ও কমিটির সদস্যসচিব আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত ফলাফলে মালেকা মোকাররমা মলির শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা মালেকা মোকাররমা মলি দীর্ঘ এক দশকের শিক্ষকতা জীবনে শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল বিকাশ এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে আসছেন। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা, উদ্ভাবনী শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে বিভাগীয় পর্যায় অতিক্রম করে এবার জাতীয় পর্যায়েও তিনি শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন।

নিজের এই অর্জন প্রসঙ্গে মালেকা মোকাররমা মলি মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই সম্মান আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব।” তিনি এ সাফল্যের জন্য সহকর্মী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহলের মতে, মালেকা মোকাররমা মলির এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং ঠাকুরগাঁও জেলার জন্যও একটি গর্বের বিষয়। তাঁর এ স্বীকৃতি জেলার অন্যান্য শিক্ষকদের অনুপ্রাণিত করবে এবং প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত ঠাকুরগাঁওয়ের মালেকা মোকাররমা মলি

Update Time : ১১:৫৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

মোঃ আকতারুল ইসলাম আক্তার, ঠাকুরগাঁও থেকে:

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এ জাতীয় পর্যায়ে সহকারী শিক্ষক (মহিলা) ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ধন্দোগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মালেকা মোকাররমা মলি। তাঁর এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনে ঠাকুরগাঁও জেলার শিক্ষা অঙ্গনে আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে তিনি রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক (মহিলা) নির্বাচিত হন। বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক বাছাই কমিটির চূড়ান্ত ফলাফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ক্যাটাগরিতে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়।

রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক বাছাই কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম (এনডিসি) এবং বিভাগীয় উপ-পরিচালক ও কমিটির সদস্যসচিব আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত ফলাফলে মালেকা মোকাররমা মলির শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা মালেকা মোকাররমা মলি দীর্ঘ এক দশকের শিক্ষকতা জীবনে শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল বিকাশ এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে আসছেন। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা, উদ্ভাবনী শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে বিভাগীয় পর্যায় অতিক্রম করে এবার জাতীয় পর্যায়েও তিনি শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন।

নিজের এই অর্জন প্রসঙ্গে মালেকা মোকাররমা মলি মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই সম্মান আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব।” তিনি এ সাফল্যের জন্য সহকর্মী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহলের মতে, মালেকা মোকাররমা মলির এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং ঠাকুরগাঁও জেলার জন্যও একটি গর্বের বিষয়। তাঁর এ স্বীকৃতি জেলার অন্যান্য শিক্ষকদের অনুপ্রাণিত করবে এবং প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।