সুনামগঞ্জ-০৩ আসনে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মানান বিজয়ী

স্টাফ রিপোর্ট:
সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ) আসনে বিশাল ব্যবধানে জয় লাভ করেছেন নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান। এই আসনের মোট ১৪২টি কেন্দ্রের ফলাফলে এম এ মান্নান পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ভোট। ধানের শীষ প্রতীকে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী শাহীনুর পাশা পেয়েছেন ৪৪ হাজার ২৮১ ভোট। ফলে টানা ৩য় বারের মতো প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করেছেন প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান।

এদিকে সোমবার দিনব্যাপী প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান সুনামগঞ্জ-৩ জগন্নাথপুর দক্ষিণ সুনামগঞ্জ আসনে তার নির্বাচনী এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করেছেন। বিকেল ৩টায় জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের আব্দুস সামাদ আজাদ অডিটোরিয়ামে দলীয় নেতাকর্মী ও সর্বস্থরের নাগরিক বৃন্দের সাথে কুশল বিনিময় করেছেন। পরে আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করায় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সর্বস্থরের নাগরিক বৃন্দকে অভিনন্দন এবং কৃজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আসাবাদ ব্যক্ত করেন।

জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকমল হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজুর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা সিদ্দিক আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম, নুরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা হারুনুর রশিদ, মিজানুর রশিদ ভূইয়া, আনহার মিয়া, আব্দুল মালিক, সিরাজুল হক, আব্দুল কাইয়ুম মশাহিদ, লুৎফুর রহমান, সুজিত কুমার রায়, জয়দ্বীপ সুত্রধর বীরেন্দ্র, বিজন কুমার দেব, হাজি আব্দুল জব্বার, ফিরোজ আলী, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতা ইয়াওর মিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা মাসুম আহমদ, সাদেকুর রহমান,

হাজি ইকবাল হোসেন ভূইয়া, আব্দুস সালাম, ফখরুল হোসেন, দ্বীপাল কান্তি দে, ছদরুল ইসলাম, আব্দুল গফুর, পৌর কাইন্সিলর আবাব মিয়া, উপজেলা যুবলীগ নেতা কামাল উদ্দিন, মাহবুবুর রহমান, আবুল হোসেন লালন, পৌর কাউন্সিলর দিলোয়ার হোসেন, পৌর কাউন্সিলর সুহেল আহমদ, যুবলীগ নেতা বকুল গোপ, রমজান আলী ছানা, তাজ উদ্দিন তাজ, নজরুল ইসলাম নজির, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সাফরোজ ইসলাম, কল্যাণ কান্তি রায় সানি, শাহ রুহেল আহমদ, তোহা চৌধুরী, ছায়াদ আহমদ ভূইয়া, সজিব রায় দূর্জয়, তাহা আহমদ, হাসান আদিল, মিসবা আহমদ প্রমূখ।

জগন্নাথপুর টুডে-১৯

জগন্নাথপুরে পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে গাঁজা সহ গ্রেফতার ১

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুরে পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে গাঁজা সহ উস্তার আলীকে(৩২) গ্রেফতার করা হয়েছে। সে ছাতক উপজেলার হায়দরপুর গ্রামের মৃত চান্দ আলীর ছেলে। জগন্নাথপুর থানার ওসি মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী জানান গতকাল শুক্রবার এস আই সাইফুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্টে অভিযান কালে উস্তার আলীর দেহ তল্লাশী করে ১০০ গ্রাম ওজনের গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জগন্নাথপুর টুডে-১৮

হবিবপুরে প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের নৌকা মার্কার সমর্থনে উঠান বৈঠক

স্টাফ রিপোর্ট:
সুনামগঞ্জ-৩ জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব এম এ মান্নানের নৌকা মার্কার সমর্থনে উঠান বৈঠক অনুষ্টিত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা রাতে জগন্নাথপুর পৌর শহরের হবিবপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ওমান আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলীর উদ্যোগে তার নিজ বাড়ীতে আয়োজিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হবিবপুর সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা ম্যাজিষ্ট্রেট সুয়েব আহমদ তালুকদার বলেছেন প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশে উন্নয়নের মহা বিপ্লব সৃষ্টি করেছেন।

উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পূনরায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় নিয়ে আসতে হবে। তিনি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান কর্তৃক বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের ফিরিস্তি তুলে ধরে বলেন তিনি একজন সৎ, দক্ষ, মানব দরদী ব্যক্তি। এম এ মান্নানের দক্ষ নেতৃত্বের ফলে জগন্নাথপুর উপজেলা সহ পুরো জেলা ব্যাপী উন্নয়নের উৎসব সৃষ্টি হয়েছে। উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় আগামী ৩০ ডিসেম্বর নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে এম এ মান্নানকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে এলাকার সর্বস্থরের নাগরিক বৃন্দের প্রতি অনুরোধ জানান।

জগন্নাথপুর পৌর সভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আব্দুল মনাফের সভাপতিত্বে ও ওমান আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলীর পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পৌর সভার ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ছাদেকুর রহমান ছাদেক, উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতা তছির আলী দিলু মিয়া, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শাহ রুহেল, সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদ, সহকারি শিক্ষক সালেহ আহমদ তালুকদার, হবিবপুর এলাকার বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম, আব্দুল খালিক প্রমূখ। পরে নৌকা মার্কায় ভোট প্রদানের জন্য এম এ মান্নানের প্রচারপত্র বাড়ী বাড়ী গিয়ে ভোটারদের হাতে তুলে দেয়া হয়।

জগন্নাথপুর টুডে-১৮

জগন্নাথপুরে নির্বাচনী শেষ জনসভায় প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান আগামী দিন গুলো আপনাদের পাশে থেকে সেবা করে যেতে চাই


স্টাফ রিপোর্ট:
অর্ধ লক্ষাধিক ভোটারের নৌকা নৌকা মুহুর মু শ্লোগানে মূখরিত জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের পৌর পয়েন্টে জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ অঙ্গ ওসহযোগী সংগঠনের আয়োজনে নির্বাচনী শেষ জনসভায় জনতার ভালবাসায় সিক্ত হলেন সুনামগঞ্জ-৩ জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ¦ এম এ মান্নান। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে শুরু হওয়া জনসভা বিকেল ৫টায় শেষ হয়।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বর্ণাঢ্য মিছিল নিয়ে জনসভাস্থল জন¯্রােতে পরিনত হয়। নির্বাচনী জনসভায় প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান জনসাধারনের কাছে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে বলেন আপনারা আজকে আমাকে যে ভাবে স্নেহ ভালোবাসা দেখালেন এতে আমি অভিভূত হয়েছি। আপনারা মহানুভব অত্যন্ত দয়ালু তাই আপনারা আমাকে ১০টি বছর স্নেহ দিয়ে প্রতিপালন করেছেন। আপনাদের প্রতি রইল শ্রদ্ধা ভালোবাসা। আজকের দিনটি আমার হৃদয়ের মনিকোঠায় স্বর্নাক্ষরে লেখা থাকবে।

তিনি বলেন বিগত ১০টি বছর আপনাদের পাশে থেকে সেবা করেছি যতটুকু পেরেছি জনগনের কল্যাণেই কাজ করেছি। জীবনের বাকি দিন গুলো আপনাদের পাশে থেকে সেবা করে যেতে চাই। প্রতিমন্ত্রী জগন্নাথপুর তথা পুরো জেলার উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন আগামীতে জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় গেলে জগন্নাথপুরকে একটি মডেল উপজেলা উপহার দেয়া হবে। তিনি কৃষি প্রশিক্ষন কেন্দ্র, মহিলা কলেজ, হাসপাতাল ও শহরের সেতু ভেঙ্গে নতুন প্রসস্ত সেতু নির্মান সহ পৌর শহরের আধুনিকায়ন এবং প্রতিটি ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থার অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করনের প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেন।

তিনি বলেন বিগত ১০টি বছর আপনারা আমাকে দেখেছেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা বার বার বলেন তিনি আমার প্রতি আস্তাশীল , আমি জানিনা কেন তিনি এত আস্তাশীল তবে আমার বিশ্বাস আপনাদের এবং আমার মরহুম বাবা মায়ের দোয়ায় বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গ বন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে অত্যন্ত স্নেহ করেন। প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান দেশের সামগ্রীক উন্নয়নের গনজোয়ারে আওয়ামী লীগ সরকারের বিকল্প নেই উল্লেখ করে বলেন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় গেলে সারা দেশে শুধু উন্নয়নের মহোৎসব চলবে। তিনি বলেন আমি কারো পথের কাটা নই আমার ভুল থাকতে পারে সেটা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখে আগামী ৩০ ডিসেম্বর সকল ভেদাভেদ ভুলে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে জনসাধারনের প্রতি অনুরোধ জানান।

জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকমল হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজুর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সিদ্দিক আহমদ, সাধারন সম্পাদক ব্যারিষ্টার এম এনামুল কবির ইমন, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান তনয় শাহাদাত মান্নান, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম, পিপি অ্যাডভোকেট খায়রুল কবির রুমেন, সৈয়দ আবুল কাশেম, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলাম, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা এডিশনাল পিপি সৈয়দ শামিম আহমদ,

সুনামগঞ্জ পৌর সভার মেয়র নাদের বখত, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আতাউর রহমান, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হরমুজ আলী, বাংলাদেশ কৃষক লীগের মানব সম্পদ সম্পাদক শামীমা শাহরিয়ার, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৈয়ব মিয়া কামালী, কলকলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, যুক্তরাজ্যের মিডল্যান্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আকমল খাঁন, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি পৌর সভার মেয়র আব্দুল মনাফ, আওয়ামী লীগ নেতা জগন্নাথপুর পৌর সভার সাবেক মেয়র মিজানুর রশীদ ভূইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি পাটলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক,

সহ সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম মশাহিদ, সহ সভাপতি জেলা পরিষদ সদস্য সৈয়দ ছাবির মিয়া সাব্বির, সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তাদির আহমদ মুক্তা, সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দ্বীপ সুত্রধর বীরেন্দ্র, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, কোষাধ্যক্ষ মাহবুবুল হক শেরিন, যুগ্ম সম্পাদক লুৎফুর রহমান, প্রচার সম্পাদক হাজি আব্দুল জব্বার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুজিবুর রহমান মুজিব, সহ প্রচার সম্পাদক ফিরোজ আলী, সহ দপ্তর সম্পাদক মাসুম আহমদ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা: আব্দুল আহাদ, সাধারন সম্পাদক হাজি ইকবাল হোসেন ভূইয়া,

লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল হক লালা মিয়া, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাষ্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল এম হোসাইন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাষ্টের দানবীর হাসনাত আহমদ চুনু, জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাষ্টের জেনারেল সেক্রেটারী মুজিবুর রহমান মুজিব, ইষ্ট লন্ডন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা উন্নয়ন সংস্থা ইউকের জেনারেল সেক্রেটারী মো: আব্দুল ওয়াহিদ, আওয়ামী লীগ নেতা লন্ডন টাওয়ার হ্যামলেটসের কাউন্সিলর আতিকুর রহমান, লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা আজহারুল ইসলাম কামালী, জেলা পরিষদ সদস্য সাবিনা সুলতানা, জেলা পরিষদ সদস্য হাজি মাহতাবুল হাসান সমুজ,

আওয়ামী লীগ নেতা পৌর সভার প্যানেল মেয়র শফিকুল হক শফিক, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আফছর উদ্দিন ভূইয়া, আওয়ামী লীগ নেতা চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান চৌধুরী সুফি, আওয়ামী লীগ নেতা চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বকুল, আওয়ামী লীগ নেতা কলকলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাশিম, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরশ মিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন,

সাধারন সম্পাদক আবুল হোসেন লালন, সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান ভূইয়া, সহ সভাপতি সাইফুল ইসলাম রিপন, যুগ্ম সম্পাদক এনামুল হক এনাম, সাংগঠনিক সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন আহমদ তালুকদার, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া, কলকলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক দ্বীপাল কান্তি দে দিপাল, পাটলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মনু মোহাম্মদ মতচ্ছির, মীরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক বাবুল মিয়া, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ডা: ছদরুল ইসলাম,

সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মনোয়ার আলী, আশার কান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আবুল কয়েছ ঈসরাইল, পাইলগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল তাহিদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দিপংকর কান্তি দে, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাফরোজ ইসলাম মুন্না, উপজেলা আল ইসলাহ নেতা মাওলানা মুহি উদ্দিন এমরান, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ছালিক আহমদ পীর, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল মুকিত প্রমূখ।

জগন্নাথপুর টুডে-১৮

জগন্নাথপুরের ভবের বাজারে এম এ মান্নানের নির্বাচনী পথসভা


স্টাফ রিপোর্ট:
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-দক্ষিন সুনামগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরের ভবের বাজারে নির্বাচনী পথসভায় নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে বলেন আমার জীবনের শেষ সময় আপনাদের পাশে থেকে সেবা করে যেতে চাই।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে নৌকা মার্কায় ভোট প্রদানের জন্য সর্বস্থরের নাগরিক বৃন্দের প্রতি অনুরোধ জানান। পৌর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হাজি আলা মিয়ার সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সিদ্দিক আহমদ,

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, সহ সভাপতি হরমুজ আলী, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সৈয়দ আবুল কাশেম, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, যুক্তরাজ্যের মিডল্যান্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আকমল খাঁন, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দ্বীপ সুত্রধর বীরেন্দ্র, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতা শাহ জিল্লুল করিম,

লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল এম হোসাইন, লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হাসনাত আহমদ চুনু, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আসম আবু তাহিদ, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া প্রমূখ। পরে বিএনপি থেকে অর্ধশতাধিক নেতা কর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।

জগন্নাথপুর টুডে-১৮

এম এ মান্নানের নৌকা মার্কার সমর্থনে মো: আব্দুল ওয়াহিদের নেতৃত্বে আধুয়া গ্রামে দিনভর নির্বাচনী প্রচারনা

স্টাফ রিপোর্ট:
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-দক্ষিন সুনামগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নানের নৌকা মার্কার সমর্থনে সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের আধুয়া গ্রামে দিনভর নির্বাচনী প্রচারনা ও প্রচারপত্র ভোটারদের হাতে তুলে দিয়েছেন মো: আব্দুল ওয়াহিদ।

ইষ্ট লন্ডন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জগন্নাথপুর উপজেলা উন্নয়ন সংস্থা ইউকের জেনারেল সেক্রেটারী মীরপুর ইউনিয়নের আধুয়া গ্রামের বাসিন্দা মো: আব্দুল ওয়াহিদের নেতৃত্বে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী ছাড়াও গ্রামের বিপুল সংখ্যক লোকজনদের অংশ গ্রহনে আলহাজ্ব এম এ মান্নানের নৌকা মার্কার প্রচারপত্র ভোটারদের হাতে তুলে দেয়া হয়।

এসময় বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় নৌকার শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে আধুয়া গ্রাম। পরে আধুয়া গ্রামের শাহজালাল বাজারে পথসভায় মো: আব্দুল ওয়াহিদ বলেন ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন উন্নয়নের সিঁড়িতে। দেশের উন্নয়নের গনজোয়ারকে অব্যাহত রাখতে মানবতার মা শেখ হাসিনাকে পূনরায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় নিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নানের নেতৃত্বে জগন্নাথপুর সহ পুরো জেলা ব্যাপী উন্নয়নের উৎসব সৃষ্টি হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারাকে অব্যাহত রাখতে আগামী ৩০ ডিসেম্বর নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে এম এ মান্নানকে বিজয়ী করতে সর্বস্থরের নাগরিক বৃন্দের প্রতি অনুরোধ জানান।

নির্বাচনী প্রচারনায় অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কৃতি ফুটবলার সাদেকুর রহমান সাদ, সিলেট মহনগর যুবলীগ নেতা সুলতান, মীরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রুবেল, আধুয়া গ্রামের ব্যবসায়ী আব্দুল শহীদ, আধুয়া জামে মসজিদের মোতায়াল্লি আব্দুল মোক্তার, সুবরাজ, মতলিব, আব্দুল মিয়া, তকবুর মিয়া প্রমূখ।

জগন্নাথপুর টুডে- ১৮

প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের নির্বাচনী প্রচারনায় যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরছেন জগন্নাথপুর উপজেলার কৃতি সন্তান লিটন আহমদ তালুকদার

স্টাফ রিপোর্টার:
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নানের নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরছেন জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের তেঘরীয়া গ্রামের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার সাবেক সহ সভাপতি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কেলিফনিয়া চিলিকন বেলী শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন আহমদ তালুকদার।

তিনি বুধবার (২৬ ডিসেম্বর) একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা সাবেক তোখর ছাত্রলীগ নেতা লিটন আহমদ তালুকদার অনলাইন নিউজ পোর্টাল জগন্নাথপুর টুডের সাথে আলাপকালে জানান, অতীতের চাইতে এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। উন্নত সমৃদ্ধ আধুনিক বাংলাদেশের ভবিষত নির্ভর করছে এই নির্বাচনের উপর।

তিনি আরো জানান, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান একজন সৎ, দক্ষ, কর্মঠ ও যোগ্য ব্যক্তি। তাঁর দক্ষ নেতৃত্বের ফলে জগন্নাথপুর তথা বৃহত্তর সুনামগঞ্জে উন্নয়নের নতুন মাত্রা পেয়েছে উল্লেখ করে লিটন আহমদ তালুকদার বলেন সুনামগঞ্জ জেলাকে একটি নান্দনিক ও উন্নত জেলায় রূপান্তরিত করনের স্বপ্ন দ্রষ্টা আলহাজ্ব এম এ মান্নানের বিকল্প নেই।

তিনি উন্নয়নের গনজোয়ারকে গতিশীল রাখতে আগামী ৩০ ডিসেম্বর নৌকা প্রতীকে রেকর্ড পরিমান ভোট দিয়ে এম এ মান্নানকে বিজয়ী করতে সর্বস্থরের নাগরিক বৃন্দের প্রতি অনুরোধ জানানন। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বসবাসরত সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সর্বস্থরের নাগরিক সহ প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি আলহাজ্ব এম এ মান্নানের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

জগন্নাথপুর টুডে-১৮

ইনাতনগরে আওয়ামী লীগ নেতা হাসনাত আহমদ চুনুর উদ্যোগে এম এ মান্নানের নৌকা মার্কার সমর্থনে উঠান বৈঠক অনুষ্টিত

স্টাফ রিপোর্ট:
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-দক্ষিন সুনামগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নানের নৌকা মার্কার সমর্থনে উঠান বৈঠক অনুষ্টিত হয়েছে।

সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরের ইনাতনগর গ্রামে লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাষ্টের দানবীর ইনাতনগর গ্রামের কৃতি সন্তান হাসনাত আহমদ চুনুর উদ্যোগে তার নিজ বাড়ীতে আয়োজিত বিশাল উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সিদ্দিক আহমদ আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে।

তিনি বলেন সারা দেশে নৌকার গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জগন্নাথপুর দক্ষিণ সুনামগঞ্জ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব এম এ মান্নান একজন সৎ, দক্ষ ব্যক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন তার দক্ষ নেতৃত্বে ইতো মধ্যে জগন্নাথপুর তথা পুরো জেলা ব্যাপী এখন উন্নয়নের উৎসব চলছে। উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে এম এ মান্নানকে বিজয়ী করতে জনসাধারনের প্রতি অনুরোধ জানান।

জগন্নাথপুর পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজি আলা মিয়ার সভাপতিত্বে ও জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল মমিন নাছিরের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্যের মিডল্যান্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ইসহাকপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আকমল খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল ইসলাম, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আসম আবু তাহিদ,

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতা শাহ জিল্লুল করিম, লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল এম হোসাইন, লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাষ্টের দানবীর হাসনাত আহমদ চুনু, জগন্নাথপুর-ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের ট্রাস্টী আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হালিম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মন্তেশ্বর মিয়া, রাজা মিয়া, হাফিজুর রহমান, বুলবুল ইসলাম, তাজুন্নুর, মুক্তার মিয়া,

পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল হামিদ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সেলিম মিয়া, সুহেল আহমদ, হারিক মিয়া, সালিম মিয়া, ফজল মিয়া, আব্দুল বাছিত, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক লোকমান তালুকদার, লিপন আহমদ, ছাত্রলীগ নেতা হুমায়ুন খান, পৌর ছাত্রলীগ নেতা কামরান আহমদ, জগন্নাথপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নিজাম রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম,

ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা সুজন আহমদ, নাবিল আহমদ, আক্তার হোসেন, নাহিদ ইসলাম, রাসেল হাসিবুল, রেজুওয়ান আহমদ, সায়মন করিম, লিজু মিয়া প্রমূখ। এদিকে নৌকার সমর্থনে নারী পুরুষদের সরব উপস্থিতিতে এবং নৌকার মুহুর মুহু স্লোগানে মূখরিত হয়ে উঠে ইনাতনগর এলাকা।

জগন্নাথপুর টুডে- ১৮

নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের জন্য নীতিমালা জারি

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাংবাদিকদের জন্য একটি নীতিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত ওই নীতিমালায় সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের দিক-নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের এসব নীতিমালা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর প্রিজাইডিং অফিসারকে অবহিত করে ভোটগ্রহণ কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ, ছবি তোলা এবং ভিডিও ধারণ করতে পারবেন।তবে কোনোক্রমেই গোপন কক্ষের ছবি সংগ্রহ কিংবা ধারণ করতে পারবেন না। একসঙ্গে একাধিক সাংবাদিক একই ভোটকেন্দ্রের একই ভোটকক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না। এমনকি ভোটকক্ষ থেকে সরাসরি সম্প্রচার বা ফেইসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সরাসরি প্রচার করা যাবে না। ভোট কেন্দ্রের ভেতর থেকে সরাসরি সম্প্রচার করতে হলে ভোটকক্ষ থেকে নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে করতে হবে। কোনোক্রমেই ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি করা যাবে না। সাংবাদিকরা ভোট গণনা কক্ষে গণনা কার্যক্রম দেখতে পারবেন, তবে সরাসরি সম্প্রচার করতে পারবেন না।

ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকরা প্রিজাইডিং অফিসারের আইনানুগ নির্দেশ মেনে চলবেন এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। কোনো প্রকার নির্বাচনী উপকরণ স্পর্শ বা অপসারণ করতে পারবেন না। নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের সময় প্রার্থী বা কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে যে কোনো ধরনের প্রচারণা বা বিদ্বেষমূলক প্রচারণা থেকে বিরত থাকতে হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচনী আইন ও বিধিবিধান মেনে চলতে হবে।

নীতিমালা অমান্য করলে বা ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আইন, বিধি ও কোড অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নীতিমালাটি ইতোমধ্যে সংসদ নির্বাচনের সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে- সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ভোটগ্রহণের দিনসহ বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকরা যাতে সহজে নির্বিঘ্নে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহ করতে পারেন সেজন্য সহযোগিতা প্রদান করা প্রয়োজন রয়েছে, তবে তা অবশ্যই নির্বাচনের সময়, ভোটগ্রহণ ও ভোট গণনার সময় প্রযোজ্য বিধি-নিষেধ মেনে করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত ব্যক্তি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন। এ জন্য ভোটকেন্দ্রের সংবাদ সংগ্রহের জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে সাংবাদিকদের বিশেষ কার্ড সরবরাহ করা হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাদের সংশ্লিষ্ট এলাকার কার্ড দেবেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে সংশ্লিষ্ট উপজেলার সাংবাদিকদের কার্ড প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা থেকে যেসব সাংবাদিক দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহ করতে যাবেন, তাদের কার্ড নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে দেয়া হবে।সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন কমিশন অনুমোদিত এবং অনুমোদন সূচক স্টিকারযুক্ত যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন।

নীতিমালায় বলা হয়েছে- মোটরসাইকেল ব্যবহার করার জন্য কোনো স্টিকার ইস্যু করা হবে না। তবে অন্য যানবাহন ব্যবহার করলে স্টিকার দেয়া হবে।ভোটের সময় মোটরসাইকেল চালনার ওপর নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে ২ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ক্ষেত্র বিশেষ আরো অধিককাল মোটরসাইকেল বা অনুরূপ যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। ফলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের আগে-পরে মোট ৪ দিন মোটরসাইকেল ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

সুত্র-ইত্তেফাক

নৌকা প্রতীক বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে : শেখ হাসিনা

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে, তখনই দেশের উন্নয়ন হয়, জনগণের কল্যাণ হয়। আওয়ামী লীগ শুরু থেকেই জনগণের অধিকারের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। উন্নয়নের জোয়ার সিলেটে এসেছে। আমরা সিলেট বিভাগে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করেছি। প্রতিটি এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি। আমরা ১৬শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিয়ে শুরু করেছিলাম। এখন ২০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করতে পেরেছি। আজ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে, ভাগ্য পরিবর্তন হচ্ছে। সিলেটে শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছি। এখানে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হবে। প্রবাসী যারা আছেন, তারাও বিনিয়োগ করতে পারবেন। সকলের বিনিয়োগের সুযোগ করে দিচ্ছি, যেখানে কর্মসংস্থান হবে।

তিনি বলেছেন, ‘আগে চায়ের নিলাম শুধুমাত্র চট্টগ্রামে হতো। আমরা সেই নিলাম সিলেটে যাতে হয়, তার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। চা শ্রমিকরা সবসময় নৌকায় ভোট দেয়। তাদেরকে ধন্যবাদ। তাদের উন্নয়নে আমরা ব্যাপক কাজ করেছি। চা শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য স্কুলের ব্যবস্থা করেছি, চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। আমরা সারা দেশে কমিউনিটি ক্লিনিক করে দিয়েছি। মা বোনেরা এখন বাড়ির পাশে চিকিৎসা নিতে পারে।

আজ শনিবার বিকাল ৪টা ৩ মিনিট থেকে আধা ঘন্টারও বেশি দীর্ঘ বক্তব্যে সিলেটে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নগরীর চৌহাট্টাস্থ আলিয়া মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, ‘সিলেটের উন্নয়নের জন্য স্কুল, রাস্তাঘাট করে দিয়েছি। গত জানুয়ারিতে এসে অনেক প্রকল্প উদ্বোধন করে যাই। সিলেটে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি। সিলেটের সকল জেলায় যাতে বিশ্ববিদ্যালয় হয়, সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় করতে উদ্যোগ নিচ্ছি।

সিলেট-ঢাকা চারলেন সড়ক দ্রুত শুরু হবে। সিলেট বিভাগের সকল প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করে দিচ্ছি। সিলেটে প্রথম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আওয়ামী লীগ সরকার করে দিয়েছিল। এখন লন্ডন থেকে সরাসরি বিমান দেশে আসে। জলাবদ্ধতা যাতে না হয়, তার ব্যবস্থা করেছি। সুপেয় পানির ব্যবস্থা করে দিয়েছি, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম করে দিয়েছি। দৃষ্টিনন্দন স্টেডিয়াম এখন অনেকেই দেখতে আসে।

তিনি বলেন, ‘জানুয়ারিতে সিলেট থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছিলাম। আবারও আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। বিজয়ের মাসে আপনাদের সামনে এসেছি। আগামী নির্বাচনে আমরা যে প্রার্থী দিয়েছি, তাদের জন্য নৌকা প্রতীকে ভোট চাইতে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০১ সালে গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এস এম কিবরিয়াকে হত্যা করা হলো। সারাদেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল। বাংলাদেশকে দুর্নীতিবাজ দেশ হিসেবে, জঙ্গিবাদি দেশ হিসেবে, সন্ত্রাসী দেশ হিসেবে পরিচয় করিয়েছে। দেশের মানুষের মান ইজ্জত সব শেষ করে দিয়েছে। তাদের অরাজকতার কারণে দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল।

২০১৪ সালে নির্বাচন ঠেকানোর নামে জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছিল বিএনপি -জামায়াত। তারা মানুষ পুড়ানো, অস্ত্রবাজি, দুর্নীতি করা ছাড়া আর কিছু জানে না। এতিমের টাকা আত্মসাৎ করেছিল। খালেদা জিয়ার প্রিয় ব্যক্তিরাই তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তার বিরুদ্ধে আমি বা আওয়ামী লীগ মামলা দেয়নি। সেই মামলা দশ বছর ধরে চলে শাস্তি দেয়া হয়েছে। একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আইভি রহমানসহ ২৪ নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়। আওয়ামী লীগের অনেক নেতা স্পিøন্টার নিয়ে জীবন কাটাতে হচ্ছে। দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত তারেক রহমান বিদেশে বসে কলকাঠি নাড়ছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়, দারিদ্রের হার কমে। আমাদের প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬ ভাগে উন্নীত করেছি। আমরা সকলের জন্য বিনা পয়সায় বই দিচ্ছি। দুই কোটি চার লাখ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিচ্ছি। মায়ের মোবাইল ফোনে উপবৃত্তির টাকা দিচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ১৯৯৬ সালে মোবাইল ফোন বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করে দেই। সারাদেশে ইন্টারনেট চালু করেছি। স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করেছি। মোবাইল ফোন এখন সবার হাতে। মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে সবাই এখন বিশ্বকে দেখতে পারে, আত্মীয়স্বজনকে দেখতে পারে। মোবাইল ফোনে আমরা টু জি থেকে থ্রিজি, থ্রিজি থেকে ফোরজিতে চলে এসেছি। আগামীতে আমরা ফাইভ জি চালু করবো।’

দীর্ঘ বক্তব্যে শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘আমরা হাওরাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি। হাওরবাসী যাতে শুধু মাছ চাষেই নয়, অন্যান্য ক্ষেত্রেও তাদের এগিয়ে নিতে বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা আমরা গ্রহণ করেছি। হাওরাঞ্চলে যাতে শিল্প গড়ে ওঠে, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। প্রতিটি মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে বাংলাদেশকে নিয়ে উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সিলেট বিভাগের বিভিন্ন নদী ভাঙন ঠেকাতে, নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা নিয়েছি। সিলেট বিভাগের সকল জেলায় সার্বিক উন্নয়নে আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি। আবার ক্ষমতায় এলে তা বাস্তবায়ন হবে। দারিদ্র বলে কিছু থাকবে না। মানুষ সুন্দরভাবে জীবনযাপন করবে।’

‘নৌকা হচ্ছে মানুষের বিপদের বন্ধু’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নুহ নবীর আমলে মহাপ্লাবন থেকে মানুষ জাতিকে রক্ষা করেছিল নৌকা। নৌকা বাংলাদেশকে স্বাধীনতা দিয়েছি। নৌকা দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন বিশ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করেছে। ২০২১ সালের মধ্যে প্রতিটি ঘরে ঘরে আমরা আলো জ্বালবো, কোনো ঘর অন্ধকার থাকবে না। এই নৌকায় ভোট দিয়ে দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। বাংলাদেশ একসময় নেতিবাচক পরিচিতি পেয়েছিল। এখন বাংলাদেশ মানে উন্নয়ন। বাংলাদেশ বিশ্বে মর্যাদা পেয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘পদ্মা সেতু নিয়ে বিশ্ব ব্যাংক দুর্নীতির অভিযোগ করেছিল। আমি চ্যালেঞ্জ করেছিলাম। আমি দুর্নীতি করতে আসিনি। আমি বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছি, নিজের ভাগ্য গড়তে আসিনি। যে অভিযোগ ওঠেছিল, তা বানোয়াট ছিল প্রমাণ হয়ে গেছে। চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলাম, নিজেদের টাকায় পদ্মাসেতু করবো। আল্লাহর রহমতে তা আমরা করছি।’

‘বিএনপি-জামায়াত জোট বাঙালি জাতির মানসম্মান ভুলুণ্ঠিত করেছিল’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘হত্যা, দুর্নীতি এগুলো ছিল তাদের নীতি। নির্বাচনে তারা একেক আসনে চার-পাঁচজনকে নমিনেশন দিয়েছে। পরে অকশনে দিয়েছে। যে বেশি টাকা দিয়েছে, তাকে মনোনয়ন দিয়েছে।’

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ইনাম আহমদ চৌধুরী আওয়ামী লীগে যোগদান করায় তাকে স্বাগত জানান শেখ হাসিনা। লন্ডনে থাকা সাজাপ্রাপ্ত তারেক রহমানকে দেশে এনে বিচারের রায় কার্যকর করা হবে বলেও মন্তব্য করে তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বে যে সম্মান অর্জন করেছে, তা ধরে রাখতে হবে। যে সম্মান বিশ্বে পায়, তার জন্য নৌকায় ভোট দিতে হবে। আমি নৌকা প্রতীকে ভোট চাইতে এসেছি। শুধু নৌকা প্রতীক নয়, আমরা মহাজোটের সকল প্রার্থীর জন্য ভোট চাইতে এসেছি।

জগন্নাথপুর টুডে-১৮

জনসভায় সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনে মহাজোটের সকল প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেন শেখ হাসিনা।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নৌকা প্রতীক বাংলাদেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে সমৃদ্ধ দেশ। ২১০০ সালের মধ্যে ডেল্টা প্ল্যানের মাধ্যমে বাংলাদেশেকে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।