প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জগন্নাথপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজুর মাইকিং প্রচারণা

স্টাফ রিপোর্টার::
নিজে নিরাপদ থাকুন ও সবাইকে নিরাপদ রাখুন। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু গত চারদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জনসাধারণকে সচেতন করতে মাইকিং ও প্রচারপত্র বিতরণ করছেন।

প্রচার পত্রে জানানো হয়:: করোনা ভাইরাস নিয়ে আতংকিত না হয়ে সচেতন থাকুন:: অযথা ঘুরাফেরা না করে বাড়িতে অবস্থান করুন:: বিশেষ জরুরী কাজে বাহিরে গেলে বাড়ি ফিরে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত , মূখ পরিষ্কার করুন:: থুথু যেখানে সেখানে ফেলবেন না :: জনবহুল স্থানে না যাওয়াই উত্তম , আর যদিও জরুরী প্রয়োজনে যেতে হয় মাস্ক ব্যবহার করুন ও সর্তক থাকুন:: আপনি নিজে সর্তক থাকুন ,অন্যকে সর্তক করুন :: শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি সর্তক ও যতœবান হউন::

নিজ ঘরে অবস্থান করুন :: প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন:: মাস্ক ব্যবহার করুন :: শাক সবজি ফলমূল ও ভিটামিন সি- যুক্ত খাবার খান:: সব সময় জীবানুনাশক দিয়ে ঘর , পোষাক , আসবাবপত্র পরিস্কার রাখুন:: কোনো ব্যক্তির সাথে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে দূরে থাকুন:: সাধারণ সর্দি -জ¦র বা কাশির জন্য হাসপাতালে না গিয়ে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন:: নিজে নিরাপদ থাকুন , আপনার পরিবারকে নিরাপদে রাখুন ।

র‌্যাব-৯ এর অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার:

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯ এর অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী মো: সাদ্দাম হোসেনকে (২৮) গ্রেফতার করা হয়েছে । সে সিলেট জেলার মোগলাবাজার থানার তইকামাল গ্রামের মৃত মো: আব্দুলের ছেলে ।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ) সোয়া ৭টায় র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯ এর সিলেট ক্যাম্পের স্পেশালাইজড কোম্পানী এর অপারেশন কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: সামিউল আলমের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল অবৈধ মাদক উদ্ধার ও আসামী গ্রেফতার অভিযান চালিয়ে জকিগঞ্জ আমলশীদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের ওপর থেকে ৩শ ৪০ পিস ইয়াবা সহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী মো: সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেফতার করেন।

সিলেট র‌্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে । র‌্যাব আরো জানায় , উদ্ধারকৃত আলামত সহ গ্রেফতারকৃত সাদ্দাম হোসেনকে জকিগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে ।

চাঞ্চল্যকর শিশু ইমন হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী ছালেহ আহমদ গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার::
শিশু ইমন হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী ছালেহ আহমদকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বিপিএম মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় এবং সহকারি পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন সহ ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল এর তত্বাবধানে উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান পিপিএম এর নেতৃত্বে এএসআই মহিউদ্দিন, কনস্টেবল সৌরভ বিশ্বাস, সাকির হোসাইন ও আব্দুর রশিদ কাইয়ুম সহ পুলিশ দল ছাতক উপজেলার বাতিরকান্দি গ্রামের চাঞ্চল্যকর সাত বছরের শিশু মোস্তাফিজুর রহমান ইমন হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী বাতিরকান্দি গ্রামের মৃত কবির মিয়ার ছেলে ছালেহ আহমদ(২৫) কে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ছদ্মবেশে গাজীপুর জেলার বাসন উপজেলার চান্দনা বৌবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় ।

প্রসঙ্গত:: গ্রেফতারকৃত আসামী ছালেহ আহমদ সহ তাহার সহযোগী আরো ৩জন মিলে ২০১৫ সালের ২৭ মার্চ বিকেলে শিশু মোস্তাফিজুর রহমান ইমনকে অপহরণ করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপন আদায় করার পর , শিশু ইমনকে হত্যা করে বাতিরকান্দি হাওরে লাশ গুম করে রাখে। ঘটনার ২২ দিন পর শিশু ইমনের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের পর হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত ছালেহ আহমেদের ৩জন সহযোগী গ্রেফতার হলেও প্রধান খুনি ছালেহ আহমদ ওই সময় থেকে গাজীপুর জেলার বাসন উপজেলার চান্দনা বৌবাজার এলাকায় আত্মগোপন করে । আসামী ছালেহ আহমদ পলাতক থাকা অবস্থায় দ্রæত বিচার আদালত সিলেট দ্রæত বিচার (দায়রা) -০৪/২০১৬, জিআর-৬৫/২০১৫ (ছাতক) ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধীত-২০০৩) এর ৮/৩০ তৎসহ পেনাল কোড ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় প্রধান আসামী ছালেহ আহমদ সহ তাহার সহযোগী তিনজনকে বিজ্ঞ আদালত ২০১৯ সালের ৬ ফেব্রæয়ারী মৃত্যুদন্ড (ফাসীঁর আদেশ) প্রদান করেন।

এদিকে আসামী ছালেহ আহমদের নামে ওপর আরেকটি দ্রæত বিচার ০৯/১৪, জিআর-১৮৯ (ছাতক) ধারা- আইন শৃঙ্খলা বিঘœকারী অপরাধ (দ্রæত বিচার) এর ৪(১) মামলায় ও ০৩ (তিন) বছরের সশ্রম কারাদন্ড হয়। উক্ত মামলায় ও সে পলাতক ছিল। কুখ্যাত খুনি মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী ছালেহ আহমদের গ্রেফতারের খবর দ্রæত ছাতক উপজেলায় ছড়িয়ে পড়লে শিশু ইমনের পরিবার সহ জনসাধারনের মধ্যে স্বস্থি ফিরে আসে। পুলিশের সফল অভিযানে ছাতক থানা এবং জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্ত সহ ছাতক থানার উপ পরিদর্শক (এসআই ) হাবিবুর রহমানের প্রতি অভিনন্দন জানিয়েছেন উপজেলার নাগরিকবৃন্দ।

জগন্নাথপুরে ইসলামপুর গ্রামে স্বপ্নসিঁড়ি সমাজ কল্যাণ সংস্থার ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে ৫ শতাধিক অসহায় রোগীদের চিকিৎসা সেবা

স্টাফ রিপোর্টার:-
জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে স্বপ্নসিঁড়ি সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এম এ গফুর ও বেগম রোকেয়া ট্রাস্টের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

শনিবার পাটলী ইউনিয়নের ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা যুক্তরাজ্যের ক্রয়ডন মেয়র কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির ও জুবায়ের কবির তাদের মা বাবার রুহের মাগফিরাত কামনায় নিজ অর্থায়নে এবং ইসলামপুর স্বপ্নসিঁড়ি সমাজ কল্যাণ সংস্থার বাস্তবায়নে দিন ব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে এলাকার পাচঁ শতাধিক অসহায় দরিদ্র সকল বয়েসী লোকজনদের মধ্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ প্রদান করা হয় ।

চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত ছিলেন সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্টার মো: মামুন মিয়া , ডেন্টাল বিশেষজ্ঞ ডাক্টার পারভেজ আহমদ মুন্না ও ডাক্টার অলীদ বিন এনাম । এদিকে ইসলামপুর স্বপ্নসিঁড়ি সমাজ কল্যাণ সংস্থা কর্তৃক ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজকদের সম্মানে সংবর্ধণা প্রদান করা হয় ।

স্বপ্নসিঁড়ি সমাজ কল্যাণ সংস্থার সহ-সভাপতি টিপু সুলতানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফাতেহ রহমানের পরিচালনায় সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, যুক্তরাজ্যের ক্রয়ডন মেয়র কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির, এবং তার ভাই যুক্তরাজ্য প্রবাসী জুবায়ের কবির। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,

লন্ডন টাওয়ার হ্যামলেট্সের ডেপুটি স্পিকার কাউন্সিলর মো: আহবাব হোসাইন, পাটলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান যুক্তরাজ্য প্রবাসী সিরাজুল হক, জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের সেক্রেটারী হাসনাত আহমদ চুনু, সাবেক সেক্রেটারী মুজিবুর রহমান মুজিব, ব্র্রিটিশ বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি নেছার আলী লিলু। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, স্বপ্নসিঁড়ি সমাজ কল্যাণ সংস্থার ফয়ছল আহমদ, ইয়াছিন রহমান, লিমন আহমদ, রাজু মিয়া, খালিদ বিন এনাম সহ আরো অনেকে।

এসময় স্বপ্নসিঁড়ি সমাজ কল্যাণ সংস্থার রুম্মান আহমদ, জাকারিয়া আহমদ, সিদ্দিকুর রহমান শুভ, রায়হান মিয়া , হাসনাত আহমদ, মুজাহিদ মিয়া, রুহেল মিয়া, লোকমান মিয়া , বুরহান আহমদ, শাওন দাস, মহি উদ্দিন, সাগর দাস , জুনু মিয়া, খায়রুল ইসলাম, সুয়েব আহমদ, মুয়াজ আহমদ সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন ।

পরে সংবর্ধিত অতিথিদের সম্মাননা স্মারক ক্রেষ্ঠ তুলে দেন স্বপ্নসিঁড়ি সমাজ কল্যান সংস্থার সদস্যরা । স্বপ্নসিঁড়ি সমাজ কল্যাণ সংস্থার সহ সভাপতি টিপু সুলতান জানান, স্বপ্নসিঁড়ি সমাজ কল্যাণ সংস্থা ২০১৯ সালের ২২শে ফেবরুয়ারী প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইসলামপুর গ্রামে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এসবের মধ্যে রয়েছে মাহে রমজান উপলক্ষে খাদ্য বিতরণ, ঈদের পোশাক বিতরণ, শিক্ষা ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে সহায়তা ।

সামাজিক কর্মকান্ডে ইসলামপুর গ্রামের প্রবাসীরা সহযোগিতা করে আসছেন। এছাড়াও স্বপ্নঁসিড়ি’র সকল সদস্য নিয়মিত মাসিক চাঁদা প্রদানের মাধ্যমে এলাকার সেবা মূলক কাজে ভূমিকা রাখছেন। “আলো আসবেই” এই ¯েøাগানে ইসলামপুর গ্রামকে একটি আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে স্বপ্নসিঁড়ি।

বিশ্বনাথ নিউজ ২৪ ডটকম’র অফিস উদ্বোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

স্টাফ রিপোর্টার::
সিলেটের বিশ্বনাথে প্রথম ও জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘বিশ্বনাথ নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম’ এর নতুন অফিস উদ্বোধন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ ফেব্রæয়ারি) বেলা ২টায় বিশ্বনাথ উপজেলা সদরের পুরনা বাজারে হাজী ইন্তাজ আলী মার্কেটস্থ নিউজ পোর্টালের অফিসে এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম নুনু মিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা হাবিবুর রহমান, বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছয়ফুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক লিলু মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মকদ্দছ আলী, নিউজ পোর্টালের চেয়ারম্যান ও বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের সাধারণ সম্পাদক মিছবাহ উদ্দিন, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি এস এম আরশ আলী বাবলু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বশির আহমদ,

উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন, উপজেলা আল-ইসলাহ’র সভাপতি তালুকদার ফয়জুল ইসলাম, বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, ট্রাস্টী ফজলুর রহমান, জুয়েল বকত চৌধুরী, জামান এজেন্সীর ম্যানেজার মো. বদরুজ্জামান, বিশ্বনাথ প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, সহ সভাপতি ও বিশ্বনাথ বিডি ২৪ ডটকম সম্পাদক-প্রকাশক তজম্মুল আলী রাজু,

প্রেস ক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ শহিদুর রহমান, সমাজসেবক আনফর আলী, আব্দুন নুর, ব্যবসায়ী আব্দুন নুর, ইউসুফ আলী, রিপন আলী, শামিম আহমদ, আবুল কালাম রুনু, বাঁচাও বাসিয়া ঐক্য পরিষদের আহবায়ক ফজল খান, সংগঠক কাওছার আলী, তাজুল ইসলাম, আল আমিন, যুবলীগ নেতা ফজলুর রহমান, সায়েদ আহমদ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সিজিল মিয়া, যুবদল নেতা আবু সুফিয়ান, নানু মিয়া, ছাত্রদল নেতা শাহ আমির উদ্দিন, হোসাইন আহমদ প্রবেল,

শামছুল ইসলাম মাসুদ, দিলোওয়ার হোসেন সজিব, শিমুল আহমদ, আব্দুল তুহিন কালাম, বিশ্বনাথ ইসলামী ছাত্র সংস্থার সভাপতি মুহাম্মদ আবুল কাশেম। এছাড়া বিশ্বনাথ নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম’র সম্পাদক ও প্রকাশ এমদাদুর রহমান মিলাদ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার মো. নূর উদ্দিন, আবুল কাশেম, ফটো সংবাদিক শফিকুল ইসলাম সফিক সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জগন্নাথপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান: ১৫টি মামলা, ২৫টি গাড়ি আটক

স্টাফ রিপোর্টার::
জগন্নাথপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে মটরযান অধ্যাদেশ আইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স, ফিটনেস সার্টিফিকেট, রুট পারমিট, ইন্সুরেন্স, হেলমেট, যত্রতত্র পার্কিং সহ বিভিন্ন অপরাধে ১৫টি মামলার মাধ্যমে সাড়ে ৪৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: ইয়াসির আরাফাত জগন্নাথপুর পৌর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অভিযান পরিচালনা করেন ।

এবং ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এসব জরিমানা আদায় করা হয়। এসময় অনুমোদন বিহীন ২৫টি ইজিবাইক ( টমটম) গাড়ি আটক করা হয়েছে । ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানাযায় অভিযান কালে জগন্নাথপুর- রানীগঞ্জ মহা সড়কের ওপর প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় পাঁচটি মোটরযান মেরামতের দোকানে অর্থদÐ করা হয়। এছাড়াও জগন্নাথপুর- সিলেট সড়কের হাসপাতাল পয়েন্টে সড়কের পাশে যানবাহন রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় কয়েকটি যানবাহন আটক করা হয় এবং অর্থদন্ড করা হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর সকল ধারা প্রতিপালন করার বিষয়ে সকলকে সচেতন করা হয়। ড্রাইভিং লাইসেন্স, ফিটনেস সার্টিফিকেট, রুট পারমিট, ইন্সুরেন্স, হেলমেট, যত্রতত্র পার্কিং না করা ইত্যাদি বিষয়ে পরিবহন সংশ্লিষ্ট সকলকে উপদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মো: ইয়াসির আরাফাত ।

পারস্পরিক অনৈক্য ও সংঘাত কোনোদিনও ইসলামী সমাজ বিপ্লবের জন্য সহায়ক হতে পারে না

হাদীসে উল্লেখ রয়েছে “এক মুসলমান অন্য মুসলমানের জন্য এক শরীর সদৃশ। যদি এর একটি অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হয় তবে এর প্রভাবে সারা শরীর ব্যথিত ও আঘাতপ্রাপ্ত হয়।” অদৃশ্য এই শক্তিই মুসলমানদের অবিস্মরণীয় বিজয়ের গোপন রহস্য।

সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ূবী রহ. বায়তুল মুকাদ্দাস পুনর্উদ্ধারের জন্য ঐ সময় চূড়ান্ত বিজয়ের প্রস্তুতি নেন, যখন মুসলমানদের পারস্পরিক বন্ধন সুদৃঢ় হয় এবং শামের নেতৃস্থানীয়রা একই প্লাটফর্মে জড়ো হন।

ইতিহাসের ঘটনাবলী বিশ্লেষণ করলে একথা স্পষ্ট হয়ে উঠে যে, মুসলমানরা কোনো একটি যুদ্ধেও সফলকাম হতে পারেনি; যতক্ষণ না তাদের মধ্যে ঐক্য ও সংহতির সুদৃঢ় বন্ধন স্থাপিত হয়েছে।

মতবিরোধ ও ভেদাভেদ থেকে নিস্কৃতি পেয়েছে। কিন্তু যখন প্রত্যেক ব্যক্তি নিজস্ব মত-পথ ও চিন্তাধারায় খেয়ালী বিচরণ করবে; নিজেদের মধ্যে সৃষ্ট মত পার্থক্য শত্রুতার রূপ নেবে; তখন সফলতার আর কোনো প্রচেষ্টাই কাজে আসবে না। সর্ব ক্ষেত্রে মুসলমানরা হবে অপদস্থ। তাদের জন্য থাকবে পরাজয়ের গ্লানি।

দুনিয়াতে আজ মুসলামানদের রয়েছে বৃহৎ একটি জনগোষ্ঠী। পৃথিবীর এক চতুর্থাংশ মুসলমানদের। তবুও দুনিয়ার অন্যান্য শক্তির কাছে আজ নত। মুসলিমরা লাঞ্ছিত ও নিস্পেষিত হচ্ছে দেশে দেশে।

তাদের দেখে বিদ্রুপের হাসি হাসছে বাতিল শক্তি। কিন্তু মুসলমানদের এই অবস্থা হলো কেন? এর একমাত্র কারণ, মুসলিম উম্মাহর ভেতরে ঢুকে পড়েছে অনৈক্যের বীজ। মুসলিম বিশ্ব আজ শতধা বিভক্ত।

তাদের খন্ড খন্ড শক্তি নির্জীব হয়ে আছে। প্রত্যেকে তাদের নিজস্ব মতের পূঁজায় লিপ্ত। উম্মতের এই অনৈক্য ও অসংহতি সৃষ্টি করছে মারাত্মক বিষক্রিয়ার। ফলে তারা কাটাচ্ছে মুমূর্ষু অবস্থা ।

কর্মপরিকল্পনা ও কার্যপ্রণালীর আছে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি। পরিবেশ পারিপার্শিকতাও সর্বত্র এক নয় । তাছাড়া ইসলামী কার্য সম্পাদনকারীদের মত ও চিন্তার ক্ষেত্রে পার্থক্য থাকাও স্বাভাবিক। সে হিসেবে কৌশলগত ও চিন্তাগত আংশিক মতবিরোধ তেমন দোষের কিছু নয়।

কিন্তু এই মত পার্থক্য যখন ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্ব, দলীয় বিবেদ ও শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের রূপ নেয়, তখন তা জন্ম দেয় ভয়াবহ পরিস্থিতির। গঠনমূলক কাজের পরিবর্তে চর্চা হয় বিনষ্টের। অবশেষে আত্মঘাতি এই কর্মকান্ড ইসলামের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

গণ্য হয় ইসলাম নিশ্চি‎েহ্নর কারণ হিসেবে। ইসলামী সমাজ যখন বিভক্ত হয় দলে-উপদলে। প্রত্যেকে বিভোর হয় অনিষ্টের চিন্তায়। তখন উম্মতের অস্তিত্ব আর টিকিযে রাখা যায় না। নিজেরাই কারণ হয় নিজেদের পতনের।

কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, এই ধ্বংসাত্মক কাজকে অনেকেই দ্বীনি কাজ হিসেবে মনে করে। অথচ এটি মারাত্মক একটি ভুল। পারস্পরিক অনৈক্য ও সংঘাত কোনোদিনও ইসলামী সমাজ বিপ্লবের জন্য সহায়ক হতে পারে না।

বর্তমান মুসলমানদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক সত্য হচ্ছে তারা আজ বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত। গঠনমূলক কাজের পরিবর্তে ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত। গড়ার চেয়ে ভাঙ্গার ক্ষেত্রে বেশি উদ্যোগী। নেতৃত্ব দানকারীরা প্রত্যেকেই আত্ম-পূঁজারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ।

“নিজের মত ও চিন্তাই বিশুদ্ধ; এটিই একমাত্র পথ ও পদ্ধতি” এই আত্ম-তুষ্টিতে ভুগছে সবাই। অন্যদের গুরুত্ব দিতে রাজি নয় কেউই। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পরমত সহিষ্ণুতা, সহমর্মিতা ও সহযোগিতাবোধ নেই বললেই চলে।

আকীদাগত, চিন্তাগত, রাজনৈতিক, সামাজিক প্রতিটি ক্ষেতেই আমাদের পথ নির্দেশকরা ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে। পরস্পরে কাঁদা ছুড়াছুড়ি করছে; লেগে আছে একে-অন্যের পেছনে। মন্তব্য করছে ঢালাওভাবে।

প্রকৃত অবস্থা জানার আগেই গোমরাহ, ভন্ড, দালাল হিসেবে আখ্যায়িত করছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ নিজেকে খাটিঁ নবী প্রেমিক মনে করে বিরোধীদেরকে রাসূলের সাথে বেয়াদবীর অপবাদ দিচ্ছে। কেউ নিজেদেরকে হাদীসের প্রকৃত আমলকারী মনে করে অন্যদেরকে গোমরাহ, বিদাতি ও কুফর-শিরকের পর্যায়ে ফেলে দিচ্ছে।

আবার কেউ ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্বে, দলীয় মোহে অন্য ইসলামি দলের বিরুদ্ধে অনবরত কুৎসা রটাচ্ছে। এভাবে তাদের পরস্পরে সৃষ্টি হচ্ছে বৈরী সম্পর্ক। বাড়ছে হিংসা, বিদ্বেষ ও শত্রুতা। দূর হচ্ছে তাকওয়া, ইখলাস ও দীনের প্রকৃত চেতনা। মুসলমানদের পরস্পরে বিভক্তির মহড়া চলছে এভাবেই।

অত্যন্ত আফসোস ও আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, আমরা ভাঙ্গা ও নষ্টের দিকে এগুচ্ছি; অথচ স্থাপন ও গড়ার অলিক স্বপ্ন দেখছি। যখন শত্রুরা সবাই ঐক্যবদ্ধ; চালাচ্ছে ইসলাম নির্মূলের সম্মিলিত প্রয়াস; বাতিলচক্র নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে এগুচ্ছে দৃঢ়গতিতে।

তখন মুসলমানরা আত্মকলহে লিপ্ত। হালকা এবং সাধারণ জিনিসকে কেন্দ্র করে চলছে অঘোষিত লড়াই। আত্ম-প্রতিষ্ঠার জন্য সবাই মরিয়া।

শুধু মুসলিম ব্যক্তিত্বদের মাঝেই নয়; মুসলিম রাষ্ট্র সমূহেও চলছে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব-সংঘাতের খেলা। খুব বড় বিষয় নিয়ে নয়; মামুলি বিষয় নিয়ে। এগুলো সমাধানের জন্য তেমন কোন উদ্যোগেরও প্রয়োজন হয় না। আলোচনা-পর্যালোচনা দ্বারাই সম্ভব।

মুসলমান পরস্পরে ভাই ভাই। সে হিসেবে পারস্পরিক সম্পর্ক হওয়া উচিত ভ্রাতৃত্বের, সম্প্রীতি ও মাধুর্যের। প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নয়। যিনি কাজ করেছেন তার দিকে নয়, চেয়ে দেখা উচিত কী কাজ করেছেন।

ভাল কাজ হলে তার স্বীকৃতি দেয়া। ব্যক্তি যে কেউই হোক। ইসলাম ও গঠণমূলক সামাজিক কাজের প্রতি সর্বাত্মক সহযোগিতা বাঞ্ছণীয়। কিন্তু যখন কাজের চেয়ে কর্তা বেশি গুরুত্ব পায়; প্রত্যেক কাজকে নিজের অবদান মনে করা হয় এবং খ্যাতির আশা থাকে, তখনই ঘটে বিপত্তি।

বর্তমানে ইসলামী কর্মীদের অভ্যাস এই দাঁড়িয়েছে যে, তাঁরা শুধু অন্যের দোষ-ত্রুটিই দেখে। অন্যের ভুলগুলো প্রকাশ করেই শান্তি পায়। নিজের ভুল কিছুই ধরা পড়েনা তাদের রঙ্গীন চশমায়। নিজের মধ্যে হাজার দোষ থাকার পরও অন্যের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালিয়ে মজা পায়। নিজেরটি একমাত্র কাজ; অপরেরটি কিছুইনা; এই ধারণা তাদের ভেতর।

তাদের ভাব দেখে মনে হবে ইসলামের রক্ষক একমাত্র তারাই। তাদের অস্তিত্ব ও পতনের মাঝে ইসলামের উত্থান-পতন নিহিত! ইসলামের কৃত্রিম কান্ডারী বনে ইসলামী ঐতিহ্যকে বদনাম করার কোনো প্রয়োজন নেই।

কারণ আমাদের উদ্দেশ্য কখনো খ্যাতি ও নেতৃত্ব, কখনো নিজের দল ও মতের শ্রেষ্ঠত্ব ও প্রাধান্য, আবার কখনো নিজের জ্ঞান বা বুদ্ধির বিকাশ। অথচ আমরা নিজেদের ভাবছি পূত-পবিত্র! আর অন্যদেরকে মনে করছি ভ্রষ্ট ও অচ্ছুত! এটি সরাসরি ইসলামের সাথে প্রতারণা। নিছক ব্যক্তি স্বার্থে ইসলামের অপব্যবহার।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন “মুসলমান তাঁর ভাইয়ের সম্মান করবে। প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার আদায় করবে। পরস্পরে হিতকামী হবে।সাহায্য-সহযোগিতার হাত প্রসারিত করবে। হিংসা-বিদ্বেষ, সংকীর্ণ মানসিকতা রাখবেনা।” আল্লাহ তায়ালাও নির্দেশ করেছেন মুসলমানদের সাথে সদাচরণ করতে।

এমনকি কাফিরদের সাথেও ভাল ব্যবহার করতে বলেছেন। আল কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে: “যারা পবিত্র মসজিদ থেকে তোমাদের বাধা প্রদান করেছিল, সেই সম্প্রদায়ের শত্রুতা যেন তোমাদেরকে সীমালঙ্ঘনে প্ররোচিত না করে। সৎকর্ম ও খোদাভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর। পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।” (আল কুরআন: ৫ : ২)

এই আসমানী বার্তা প্রমাণ করে ইসলাম একটি উদার, সহনশীল ও সার্বজনীন সম্প্রীতির ধর্ম। বিবেদ ও সংঘাতের এখানে কোনো স্থান নেই। পরিস্থিতির ভয়াবহতা ইঙ্গিত করে মুসলমানদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিরসনের। আর এর জন্য প্রয়োজন সবার আন্তরিকতা। এই প্রবণতা দূর করতে হলে ব্যক্তি স্বার্থ থেকে ইসলামের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে।

অপরের বিরুদ্ধে ঢালাও ভাবে মন্তব্য করা চলবে না। নিজে গঠনমূলক কাজ করবে। অন্যের বিচ্যুতির পেছনে লেগে অহেতুক সময় নষ্ট করবে না। যে সকল জিনিস বিবেদ বা সংঘাত সৃষ্টি করতে পারে তা থেকে দূরত্ব বজায় রাখবে। সব সময় সহযোগিতামূলক মনোভাব পোষণ করবে। কেননা ‘আল্লাহ— বান্দাকে সাহায্য করেন, যতক্ষণ বান্দা তার ভাইকে সাহায্য করে।

কচুরিপানা নিয়ে ভুল বক্তব্য উপস্থাপন: পরিকল্পনামন্ত্রীর কাছে সাংবাদিকদের দু:খ প্রকাশ

ডেক্স রিপোর্ট:
কচুরিপানা’ প্রসঙ্গে নিজের বক্তব্য গণমাধ্যমে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিষয়টি নিয়ে তিনি গবেষণার আহ্বান জানালেও তিনি যেভাবে কথা বলেছিলেন, গণমাধ্যমে সেভাবে বিষয়টি আসেনি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রæয়ারি) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় মন্ত্রী ‘কচুরিপানা’ প্রসঙ্গে তার বক্তব্যের ব্যাখা তুলে ধরেন। এর আগে, সোমবার (১৭ ফেব্রæয়ারী)এক অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী কচুরিপানা নিয়ে গবেষণার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তিনি বলেছিলেন, কচুরিপানার পাতা তো গরু খায়। তাহলে আমরা খেতে পারব না কেন? এটা নিয়ে গবেষণা করা প্রয়োজন । সে প্রসঙ্গে মঙ্গলবার একনেক বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, যেকোনো বিষয় নিয়ে গবেষণা করা যেতে পারে। এ বিষয়ে গবেষকদের পরামর্শ দেওয়ার কথা যেভাবে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমে সেভাবে আসেনি। তিনি বলেন, ‘আমি এই বাংলার মানুষ। আমি কিভাবে কচুরিপানা খাওয়ার কথা বলি? তাহলে আমি কি কচুরিপানা খাই? আপনারাই বলেন। গবেষণা তো কত কিছু নিয়েই করা যায়। আমি শুধু কচুরিপানা নয়, কাঁঠাল ছোট করার বিষয়েও আমার গবেষকদের গবেষণা করতে বলেছি।

’ পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রূপান্তর কৃষিতেই হয়েছে। ওখান থেকে অন্যান্য ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়েছে। কৃষিসহ অন্য ক্ষেত্রে গবেষণা আরও বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছি। এরপর হাসতে হাসতে রসিকতা করে আমি গবেষকদের বললাম, আর কচুরিপানার কিছু করা যায় কি না দেখেন। পাশ থেকে একজন গবেষক বললেন, কচুরিপানা গরু খায় স্যার। তখন গবেষকদের কচুরিপানা নিয়ে গবেষণা করতে বলেছি। আমি আবারও বলছি, কাউকে খাওয়ার জন্য বলিনি।

এম এ মান্নান বলেন, মিডিয়ার অবাধ স্বাধীনতা আছে কিন্তু সেটা যেন শুদ্ধ চর্চা হয়। আমি আশা করব প্রিয় সাংবাদিকরা, দয়া করে এই বিষয়টি ভবিষ্যতে খেয়াল রাখবেন। কারণ, স্বাধীন সাংবাদিকতা মানে যা খুশি তা লিখে দেওয়া নয়। সবাই যেন বিষয়টি বুঝে শুনি লিখি। পরে সংবাদ সম্মেলনে নিউজ ভুলভাবে উপস্থাপন করার জন্য সাংবাদিকেরা দুঃখ প্রকাশ করেন মন্ত্রীর কাছে।

মৎস্য কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি, উপজেলা চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত

ডেস্ক নিউজ::

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নজরুল ইসলামকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানা যায়।

মানিকগঞ্জ স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ফৌজিয়া খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, এর আগে ৪ ফেব্রুয়ারি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগের উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন মৎস্য কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।

জিডি সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সময় চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান তার লোকজন দিয়ে প্রশাসনিক কাজে মৎস্য কর্মকর্তা নজরুল ইসলামকে চাপ দিয়ে আসছেন। ৪ ফেব্রুয়ারি বেলা পৌনে একটার দিকে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তার দফতরে কাজ করছিলেন। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যানের নির্দেশে তার বাহিনীর সদস্য পিণ্টু, আমির হামজা, মো. আজম ও মো. শুভসহ অজ্ঞাত সাত-আট জন মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রবেশ করেন এবং উপজেলা চেয়ারম্যান তাকে যেতে বলেছেন। কাজ শেষ করে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে করবেন বলে জানান। তবুও তারা তাকে জোর করে উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে নিয়ে যান। এসময় উপজেলা পরিসংখ্যান বিভাগে গণনাকারী (সুপারভাইজার) নিয়োগকে কেন্দ্র করে উপজেলা চেয়ারম্যান তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এরপর তাকে বদলিসহ প্রাণনাশের হুমকি দেন।

মৎস্য কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, চেয়ারম্যানের লোকজন তাকে টেনেহিঁচড়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভেতরে নিয়ে যান। এরপর গণনাকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগের বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এই ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যানকে পদ হতে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এবং প্যানেল চেয়ারম্যান-১ কে উপজেলা পরিষদের কাজ পরিচালনার জন্য পরিষদের আর্থিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়। 

জগন্নাথপুরের সৈয়দপুর বাজারে নদী তীরবর্তী সরকারি ভূমির ওপর নির্মিত ৩৭ টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

স্টাফ রিপোর্টার::
জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর বাজার এলাকায় মাগুরা নদীর তীরবর্তী স্থান সহ বিভিন্ন স্থানে ৩৭টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসির আরাফাত অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ৩৭টি অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছেন।

¬উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইয়াসির আরাফাত জানান,দীর্ঘদিন ধরে মাগুরা নদীর তীরবর্তী সৈয়দপুর বাজার এলাকায় প্রভাবশালী কিছু লোক সরকারি ভূমি দখল করে সেখানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেন ।

এছাড়াও সৈয়দপুর মল্লিকপাড়া গ্রামে সড়কের জায়গা দখল করে শামীম আহমদের নির্মিত বাড়ির সীমানা প্রাচীরের সামনের অংশ উচ্ছেদ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, নদী খালের জায়গা দখলমুক্ত রাখার বিষয়ে স্থানীয় লোকজনকে সচেতন করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানকে জনসাধারণ স্বাগত জানিয়েছেন। সরকারি ভূমি দখলদারদের কবল থেকে উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইয়াসির আরাফাত ।