স্টাফ রিপোর্টার::
শিশু ইমন হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী ছালেহ আহমদকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বিপিএম মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় এবং সহকারি পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন সহ ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল এর তত্বাবধানে উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান পিপিএম এর নেতৃত্বে এএসআই মহিউদ্দিন, কনস্টেবল সৌরভ বিশ্বাস, সাকির হোসাইন ও আব্দুর রশিদ কাইয়ুম সহ পুলিশ দল ছাতক উপজেলার বাতিরকান্দি গ্রামের চাঞ্চল্যকর সাত বছরের শিশু মোস্তাফিজুর রহমান ইমন হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী বাতিরকান্দি গ্রামের মৃত কবির মিয়ার ছেলে ছালেহ আহমদ(২৫) কে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ছদ্মবেশে গাজীপুর জেলার বাসন উপজেলার চান্দনা বৌবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় ।
প্রসঙ্গত:: গ্রেফতারকৃত আসামী ছালেহ আহমদ সহ তাহার সহযোগী আরো ৩জন মিলে ২০১৫ সালের ২৭ মার্চ বিকেলে শিশু মোস্তাফিজুর রহমান ইমনকে অপহরণ করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপন আদায় করার পর , শিশু ইমনকে হত্যা করে বাতিরকান্দি হাওরে লাশ গুম করে রাখে। ঘটনার ২২ দিন পর শিশু ইমনের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের পর হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত ছালেহ আহমেদের ৩জন সহযোগী গ্রেফতার হলেও প্রধান খুনি ছালেহ আহমদ ওই সময় থেকে গাজীপুর জেলার বাসন উপজেলার চান্দনা বৌবাজার এলাকায় আত্মগোপন করে । আসামী ছালেহ আহমদ পলাতক থাকা অবস্থায় দ্রæত বিচার আদালত সিলেট দ্রæত বিচার (দায়রা) -০৪/২০১৬, জিআর-৬৫/২০১৫ (ছাতক) ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধীত-২০০৩) এর ৮/৩০ তৎসহ পেনাল কোড ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় প্রধান আসামী ছালেহ আহমদ সহ তাহার সহযোগী তিনজনকে বিজ্ঞ আদালত ২০১৯ সালের ৬ ফেব্রæয়ারী মৃত্যুদন্ড (ফাসীঁর আদেশ) প্রদান করেন।
এদিকে আসামী ছালেহ আহমদের নামে ওপর আরেকটি দ্রæত বিচার ০৯/১৪, জিআর-১৮৯ (ছাতক) ধারা- আইন শৃঙ্খলা বিঘœকারী অপরাধ (দ্রæত বিচার) এর ৪(১) মামলায় ও ০৩ (তিন) বছরের সশ্রম কারাদন্ড হয়। উক্ত মামলায় ও সে পলাতক ছিল। কুখ্যাত খুনি মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী ছালেহ আহমদের গ্রেফতারের খবর দ্রæত ছাতক উপজেলায় ছড়িয়ে পড়লে শিশু ইমনের পরিবার সহ জনসাধারনের মধ্যে স্বস্থি ফিরে আসে। পুলিশের সফল অভিযানে ছাতক থানা এবং জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্ত সহ ছাতক থানার উপ পরিদর্শক (এসআই ) হাবিবুর রহমানের প্রতি অভিনন্দন জানিয়েছেন উপজেলার নাগরিকবৃন্দ।