সংবাদ সম্মেলনে চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরশ মিয়া:: কুচক্রিমহল মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক::
জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কুচক্রিমহল লন্ডনে বসে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে বলে দাবি করেছেন জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সুনামধন্য চেয়ারম্যান মো: আরশ মিয়া। তার দাবি, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাস্তা সংস্কারের ভুয়া ইস্যু তুলে তারা মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াতে চায়, তবে জনগণ তাদের এ মিথ্যাচার প্রত্যাখ্যান করছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রবিবার (৪ অক্টোবর) সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। লিখিত বক্তব্যে চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরশ মিয়া বলেন, দ্বিতীয় মেয়াদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর অত্যন্ত সুনাম-সুখ্যাতির সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। এর আগের মেয়াদেও আমি নিষ্টার সাথে আমার ওপর অর্পিত জনগণের দায়িত্ব পালন করেছি।

আমি যুক্তরাজ্য প্রবাসী হলেও এরাকাবাসীর ভালোবাসা ও মমতার টানে নির্বাচনে দাঁড়াই এবং বিপুল ভোটে বিজয়ী হই। লাগাতার দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালনে ইউনিয়নবাসী আমাকে সর্বাত্বকভাবে সহযোগিতা করছেন। যুক্তরাজ্যে আমার সুখের জীবন ও ব্যবসা বাণিজ্য ফেলে আমি সব সময় ইউনিয়নবাসীর কাছে ছুটে আসি। সাধারন মানুষের সূখে দূখে আমি জড়িত থাকার চেষ্টা করি।

ইউনিয়রবাসীর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হলেও আমি তাঁদের একজন হয়েই পরিবারের মতো সাথে রয়েছি। আপনারা জানেন জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়ন একটি হাওর বেষ্টিত জনপদ।তিনি দাবি করেন, সামনের নির্বাচনেও এলাকাবাসী আমাকেই চাইবেন এমন পরিস্থিতিতে আমার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচারে মেতে উঠেছেন।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে বসে ওই চক্রটি ‘রাস্তার কাজে বাধা দিচ্ছি’ এমন একটি খোঁড়া অভিযোগ তুলে ধরে নলুয়া প্রবাসী সংঘের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট।’ তিনি সত্যতা তুলে ধরে বলেন, উপজেলার বৃহত নলুয়া ও মইয়ার হাওর বেষ্টিত ‘চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় বছরের বেশির ভাগ সময়েই পানিতে নিমজ্জিত থাকে।

হেমন্তে কিছুদিন স্বাভাবিক হলেও ইউনিয়নবাসীকে বাকি সময় পানির সাথে মিলেমিশে জীবন-যাপন করতে হয়। আমার ইউনিয়নের একটি প্রাচীন ও জনগুরুত্বপূর্ণ রানীগঞ্জ- স্বজনশ্রী-সালদিগা সড়ক। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর সড়কটি বন্যায় একাধিকবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়। আমি জগন্নাথপুর- দক্ষিন সুনামগঞ্জ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান মহোদয়ের সহযোগিতায় একাধিকবার সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গাচোরা অংশ মেরামত ও সংস্কার কাজ করেছি।

কখনো সরকারি অর্থে আবার কখনো আমার নিজস্ব তহবিল থেকেও বিভিন্ন সময়ে সড়ক সংস্কার করেছি। এই সড়ক বাউধরন গ্রামের মোবারক মিয়ার বাড়ি থেকে পঞ্চগ্রাম গেইট পর্যন্ত দুই বছর পূর্বে সড়কটি আমার ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে তের লাখ টাকায় সংস্কার করে দেই। ৬ বছর পূর্বে বাঘময়না বেড়িবাধেঁর ভাঙ্গনে পঞ্চগ্রামে ক্ষতিগ্রস্থ অংশ আমি নিজস্ব অর্থ দিয়ে মেরামত করে দেই।

বেড়িবাধেঁর ভাঙ্গনের সড়কটির এই অংশটির অস্তিত্ব বিলিন হয়ে যায়, আমি সড়কটির নির্মাণ কাজের জন্য পঞ্চগ্রামের কমিটির কাছে টাকা দেই। পরের বছর আবার বন্যার কবলে পাকা করন সড়কটি বন্যার প্রচন্ড পানির আঘাতে সড়কটি ক্ষতিগ্রস্থ হলে সরকারের তহবিল থেকে দশ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কটি পূনরায় মেরামত করা হয়। এর দুই বছর পূর্বে খাগাউড়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল মিয়ার বাড়ির নিকট থেকে বাউধরন সজ্জাদ মিয়ার বাড়ির নিকট পর্যন্ত সাড়ে তিন লাখ টাকা ব্যয়ে সড়ক মেরামত করা হয়। এভাবে বন্যা ও প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ এই সড়কটির উন্নয়নে আমি সব সময়ই এলাবাসীর পরামর্শ ও সহযোগিতা নিয়ে সংস্কার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি।

রানীগঞ্জ-স্বজনশ্রী-সালদিগা সড়কের ৬ কিলোমিটার জুড়ে বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গাচোরা অংশ প্রতিনিয়তই সংস্কার ও মেরামতের আওতাধীন রয়েছে। এই সড়কটি রানীগঞ্জ কলেজ থেকে স্বজনশ্রী নতুন পাকা রাস্তা পর্যন্ত প্রায় দেড় কোটি টাকার কাজের টেন্ডার হয়েছে গত মার্চ মাসে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে ঠিকাদার কর্তৃক কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু এর আগেই খাগাউড়া পুরাতন গলির রাস্তার নিকট থেকে সালদিগা ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তার কাজ শেষ হয়েছে। মধ্যখানে স্বজনশ্রী গ্রামের হান্নান মিয়ার বাড়ির নিকট থেকে খাগাউড়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল মিয়ার বাড়ির নিকট পর্যন্ত তিন কিলোমিটার আরসিসি ঢালাই এর কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কাজটি শীঘ্রই শুরু করা হবে। এই সড়কটি সংস্কার ও পূননির্মাণে আরো অনেক কাজ করেছি। ২০১৯ সালে ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে স্বজনশ্রী মুরাকান্দির নিকট থেকে ১ কিলোমিটার আরসিসি ঢালাই কাজ করা হয়। ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে স্বজশ্রী গ্রামের হান্নান মিয়ার বাড়ির নিকট থেকে বাউধরন গ্রামের ফিরোজ মিয়ার ফিশারী পর্যন্ত কংক্রিটের কাজ করা হয়। ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে স্বজনশ্রী গ্রামের খাড়ারপারে একটি বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হয়। এছাড়াও ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে খাগাউড়া গ্রামের আলমাছ মিয়ার বাড়ি থেকে পঞ্চগ্রামের গেইটের নিকট পর্যন্ত মেরামত কাজ করা হয়।

২০১২ সালে ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে রানীগঞ্জ ইউনিয়নের সীমান্ত থেকে স্বজনশ্রী হয়ে বাউধরন গ্রামের গনিপাড় পর্যন্ত মাটি ভরাট কাজ করা হয়। ২০১৪ সালে রানীগঞ্জ ইউনিয়নের সীমান্ত হয়ে আরসিসি ঢালাই স্বজনশ্রী মুড়াকান্দি পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের টাকায় করা হয়। প্রতি বছরই কুশিয়ারা নদীর বেড়িবাধের পানির তোড়ে বাঘময়না এলাকায় সড়কের ঢালাই বেঙ্গে যায়। ফলে প্রতি বছরই এই অংশ মেরামত করতে হয়। এই সড়কের সমস্যা নিত্যদিনের চলতি বছরের বন্যায় সড়কটি ক্ষতিগ্রস্থ হলে আমার নিজের অর্থ দিয়ে ৩৫ হাজার টাকা ব্যয়ে কিছুদিন আগেও রানীগঞ্জ থেকে পঞ্চগ্রাম পর্যন্ত সড়কটিতে কংক্রিট ফেলে মেরামত করা হয়। বাউধরন গ্রামের নোয়াগাঁওয়ের আনর মিয়ার দায়িত্বে এই কাজটি করানো হয়।

এর কয়েকদিন পর আবার টমটম চলতে সমস্যা দেখা দেয়ায় ফের ১২ হাজার টাকা ব্যয়ে তা সংস্কার করাই, যাতে টমটম সহ ছোট যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকে এবং যাতায়াতে এলাকাবাসীর ভোগান্তি কমে। কিন্তু বর্তমানে খারাপ আবহাওয়ার কারণে এই সড়কটির কাজ করানো সম্ভব হচ্ছে না।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, প্রবাসের সূখ সাচ্ছন্দ্যের জীবন ত্যাগ করে আমি দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। পরপর দুই মেয়াদের প্রায় দশ বছর কাল আমি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনে ইউনিয়নবাসীর সাথে আমার অত্যন্ত নিবিড় ও ঘনিষ্ট ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। আমাকে ইউনিয়নবাসী এতটাই ভালোবাসেন যে, আমি যেন সব সময়ই জনগনের পাশে থাকি এমনটাই ইউনিয়নবাসীর চাওয়া। এখন নতুন ইউপি নির্বাচনের তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

আগামী নির্বাচনেও ইউনিয়নবাসী আমাকেই চাইবেন এমন পরিস্থিতে আমার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচারে মেতে উঠেছেন। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে আমার বিরুদ্ধে রাস্তার কাজে বাধাঁ দিচ্ছি এমন একটি খোঁড়া অভিযোগ তুলে ধরে নলুয়া প্রবাসী সংঘের ব্যানারে কতিপয় ব্যক্তি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আমি আগে যে রাস্তার সংস্কার কাজের বর্ণনা দিলাম এই রাস্তার কাজে আমি নাকি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছি। মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি বলে যে একটি কথা আছে এটা যেনো তেমন ব্যাপার। সূখ আর বিলাসের লন্ডনের জীবন ত্যাগ করে আমি আমার ইউনিয়নের নাগরিকবৃন্দের সুখ দূখের সাথী হয়ে গত এক যুগ থেকে ত্যাগ ও পরিশ্রমের জীবন বেছে নিয়েছি।

যারা লন্ডনে বসে আমার সম্পর্কে মিথ্যাচার করেছেন তারা ইউনিয়নের নাগরিকদের জন্য কি করেছেন, তা ইউনিয়নবাসীর কাছে আপনারা জানতে পারবেন। আমি একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী হলেও ইউনিয়নের সকল মত ও পথের লোকজনের সাথে মিলেমিশে ইউনিয়নের উন্নয়ন , অগ্রগতি , সম্প্রীতি ও ঐক্যের পরিবেশে কাজ করে যাচ্ছি। আমি অত্যন্ত সহজ-সরল প্রকৃতির মানুষ বলে সবাই জানেন। আমি আগেই রানীগঞ্জ-সালদিঘা সড়কটির সংস্কার ও মেরামত কাজের বর্ণনা দিয়েছি।

চলতি বছরের মে জুনের দিকে আমার ইউনিয়নের কয়েকজন প্রবাসী ও দেশে অবস্থানরত কয়েকজন ব্যক্তি নিজেরা নলুয়া প্রবাসী সংঘ গঠন করে সড়ক উন্নয়নে স্বজনশ্রী এলাকায় তিন কিলোমিটার মাটি ভরাট কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছেন বলে আমাকে জানান, আমি তাতে খুশি হই এবং আমি এই কাজে ১০ লাখ টাকা দিয়ে সহযোগিতা করার প্রস্তাব দেই। কিন্তু তারা আমার টাকা নেবেন না বলে প্রথমে জানান। পরে তারা আমাকে দুই লাখ টাকা দিয়ে সহযোগিতা করতে বললে আমি তাতে রাজি হই। গত ২৪ জুন মাটি ভরাট কাজের উদ্বোধন করতে গেলে ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের শতাধিক জনসাধারণের সামনে চিহ্নিত কয়েকজন আমাকে চরমভাবে লাঞ্ছিত করেন। আমি এলাকাবাসীর সহায়তায় সেখান থেকে মান-সম্মান নিয়ে কোনোমতে সরে আসতে সক্ষম হই। পরে আমি এ বিষয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি।

এই ঘটনার পর আমি জানতে পারি নলুয়া প্রবাসী সংঘের বেশিরভাগ সদস্যই এই সংগঠনের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। কিন্তু সংবাদ সম্মেলনে তারা আমাকে নানাভাবে রাস্তা সংস্কার কাজে বাধা দিচ্ছি বলে অপপ্রচার চালায়। রাস্তা সংস্কার কাজ যথানিয়মেই হচ্ছে এবং হবে। এখানে রাস্তার সংস্কার কাজ বা ইউনিয়নের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা আসলে তাদের উদ্দেশ্য নয়। তাদের উদ্দেশ্য বা মতলব ভিন্ন । রাস্তা সংস্কারের একটি খোঁড়া ইস্যু তুলে তারা ইউনিয়নবাসীকে আমার সর্ম্পকে বিভ্রান্তি ছড়াতে চায়। আমার জনপ্রিয়তায় চরমভাবে ঈর্ষান্বিত এই মহল নিজেরা যেনো জ¦লে পুড়ে মরছে। আমাকে তারা সহ্য করতে না পেরে লন্ডনে বসে ইউনিয়নের নাগরিকবৃন্দের কাছে মিথ্যা বক্তব্য সাজিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করছেন। ইউনিয়নবাসী এধরনের মিথ্যাচার প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এসব মিথ্যাচারে বিভ্রান্ত না হতে জনসাধারণের প্রতি আহবান জানাচিছ। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হাজি মো. আলা উদ্দিন , পঞ্চগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি হাজি মনির উদ্দিন , চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ৭,৮ ও ৯ নং ওর্য়াডের নারী সদস্যা শাকিরুন নেছা, বাউধরন গ্রামের ডা: মো. হিরা মিয়া, মো.আশ্বাদ মিয়া, মো. তালেব উদ্দিন (মেম্বার),মো. মিজানুর রহমান, মো. আক্কাস মিয়া, মো. আমির উদ্দিন, মো. বশির মিয়া, রইছ মিয়া, মো. ইলাক উদ্দিন, স্বজনশ্রী গ্রামের মো. আবরুছ মিয়া, মো. আব্দুল কালাম, ইছমাইলচক গ্রামের মো. ছালিক মিয়া, মো. ময়না মিয়া , মো.বাবুল মিয়া, সমাজকর্মী ইমন মিয়া সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

ডেস্ক ‍রির্পোট:-

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ছুটি আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো বিষয়ে ডা. দীপু মনি বলেন, ‘বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তাই আগামী ৩ অক্টোবরের পরও ছুটি বাড়ছে। কত দিন ছুটি বাড়ছে, সেটা আমরা জানিয়ে দেব। তবে ধাপে ধাপে ছুটি বাড়ানো ছাড়া অন্য কোনো যৌক্তিক পদ্ধতি আমাদের কাছে নেই।’

কবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারে, সে ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় আগে খোলার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। আমরা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারটি বিবেচনা করব। আবার শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের কথাও বিবেচনা করব, তবে কোনো অবস্থাতেই আমরা শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না।

নৌকায় ভোট দিয়ে পৌরসভার উন্নয়ন কে ত্বরান্বিত করতে হবে -সিদ্দিক আহমেদ

স্টাফ রিপোর্টার – সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি সিদ্দিক আহমেদ বলেছেন নৌকা মানে উন্নয়ন আর উন্নয়ন মানেই নৌকা। তাই আগামী ১০ অক্টোবর জগন্নাথপুর পৌর সভার মেয়র পদে উপ নির্বাচনে নৌকা কে বিজয়ী করে জগন্নাথপুর পৌর সভার উন্নয়ন কে ত্বরান্বিত করতে হবে। তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলে জগন্নাথপুর বাজারে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী মিজানুর রশিদ ভূঁইয়ার নৌকা প্রতীকের সমর্থনে গণসংযোগকালে ভোটারদের উদ্দেশ্য উপরোক্ত কথা বলেন। এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লুৎফুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ডা. আবদুল আহাদ,সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, আওয়ামী লীগ নেতা তাজ উদ্দিন আহমেদ, আব্দুর রজ্জাক, উপজেলা যুবলীগ সহ সভাপতি শিক্ষক সাইফুল ইসলাম রিপন, কাউন্সিলর সুহেল মিয়া, বাজার সেক্রেটারি জাহির উদ্দিন ব্যবসায়ী নুর আহমেদ, ছাত্রলীগ নেতা জুনেদ আহমদ,ফরহাদ হোসেন,জুহের আহমেদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

লন্ডনে টাওয়ার হ্যামলেটসের স্পিকার নির্বাচিত হলেন জগন্নাথপুরের আহবাব হোসেন

মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, লন্ডন থেকে :
লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন জগন্নাথপুরের আহবাব হোসেন। ডেপুটি স্পিকারও নির্বাচিত হয়েছেন জগন্নাথপুরের জেনেট রহমান কাউন্সিলার।

ব্রিটেনে মেইনস্টিম রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে আরো একজন বাঙালি ইতিহাসে স্থান করে নিলেন নন্দিতস্তরে। তিনি হলেন কাউন্সিলার মোহাম্মদ আহবাব হোসেন। তিনি গত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রথমবার অংশগ্রহণ করে কাউন্সিলার নির্বাচিত হন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০)ভার্চুয়াল কাউন্সিল মিটিংয়ে এই নির্বাচন সম্পন্ন হয়। এখন থেকে পরবর্তী স্পিকার নির্বাচন পর্যন্ত তিনি টাওয়ার হ্যামলেটস এ রাণীর প্রতিনিধি হিসেবে এই পদে আসীন থাকবেন।

উল্লেখ্য ২০১৮ সালের ৩রা মে অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে টাওয়ার হ্যামলেটস এর বেথনাল গ্রীণ ওয়ার্ড থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে মোহাম্মদ আহবাব হোসেন কাউন্সিলার নির্বাচিত হন।

২০১৯ শের মে মাস থেকে তিনি ডেপুটি স্পিকারের দ্বায়িত্ব পালন করেন।কাউন্সিলার মোহাম্মদ আহবাব হোসেনের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার প্রভাকর পুর গ্রামে। তার পিতার নাম মরহুম মদরিছ মিয়া আর মাতার নাম মরহুমা শিরিয়া বেগম। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক

কাউন্সিলার আহবাব হোসেন প্রভাকরপুর প্রাইমারি স্কুল, এইডেড হাইস্কুল ও মদনমোহন কলেজের ছাত্র ছিলেন। তাছাড়া লন্ডনে তিনি এইচ এন ডি ইন বিজনেস কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী ছাত্র লীগের সিলেট জেলার জয়েন্ট সেক্রেটারি ছিলেন। লন্ডনে টাওয়ার হ্যামলেটসের স্পিকার নির্বাচিত হলেন জগন্নাথপুরের আহবাব হোসেন

মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, লন্ডন থেকে :
লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন জগন্নাথপুরের আহবাব হোসেন। ডেপুটি স্পিকারও নির্বাচিত হয়েছেন জগন্নাথপুরের জেনেট রহমান কাউন্সিলার।

ব্রিটেনে মেইনস্টিম রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে আরো একজন বাঙালি ইতিহাসে স্থান করে নিলেন নন্দিতস্তরে। তিনি হলেন কাউন্সিলার মোহাম্মদ আহবাব হোসেন। তিনি গত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রথমবার অংশগ্রহণ করে কাউন্সিলার নির্বাচিত হন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০)ভার্চুয়াল কাউন্সিল মিটিংয়ে এই নির্বাচন সম্পন্ন হয়। এখন থেকে পরবর্তী স্পিকার নির্বাচন পর্যন্ত তিনি টাওয়ার হ্যামলেটস এ রাণীর প্রতিনিধি হিসেবে এই পদে আসীন থাকবেন।

উল্লেখ্য ২০১৮ সালের ৩রা মে অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে টাওয়ার হ্যামলেটস এর বেথনাল গ্রীণ ওয়ার্ড থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে মোহাম্মদ আহবাব হোসেন কাউন্সিলার নির্বাচিত হন।

২০১৯ শের মে মাস থেকে তিনি ডেপুটি স্পিকারের দ্বায়িত্ব পালন করেন।কাউন্সিলার মোহাম্মদ আহবাব হোসেনের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার প্রভাকর পুর গ্রামে। তার পিতার নাম মরহুম মদরিছ মিয়া আর মাতার নাম মরহুমা শিরিয়া বেগম। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক

কাউন্সিলার আহবাব হোসেন প্রভাকরপুর প্রাইমারি স্কুল, এইডেড হাইস্কুল ও মদনমোহন কলেজের ছাত্র ছিলেন। তাছাড়া লন্ডনে তিনি এইচ এন ডি ইন বিজনেস কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী ছাত্র লীগের সিলেট জেলার জয়েন্ট সেক্রেটারি ছিলেন।

চলতি সপ্তাহের শেষে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পেতে পারে

 

ডেস্ক নিউজ;-সপ্তাহের শেষে সারাদেশে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে,খুলনা,বরিশাল,চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারী ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমী বায়ুর অক্ষ উত্তর প্রদেশ,বিহার,পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারী অবস্থায় বিরাজ করছে।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি

জগন্নাথপুরে নদীর পাড় কেটে মাটি উত্তলোনের দায়ে এক শ্রমিকের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সুনামগঞ্জরে জগন্নাথপুরে নদীর পাড় কেটে অবৈধ ভাবে মাটি কাটার দায়ে রহিম মিয়া ( ৩৫)
নামের এক ব্যক্তি কে এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়ছে।
দন্ডিত ব্যক্তি জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ইছগাঁও গ্রামের মৃত সাদেক মিয়ার ছেলে
আজ বৃহস্পতিবার উপজেলা সহকারী কমিমনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ইয়াসির আরাফাত এই
দণ্ড্যাদেশ দেন।
আজ সকাল ১১ টায় জগন্নাথপুর-রানীগঞ্জ-আউশকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ঘোষগাঁও স্টিল ব্রিজ এলাকায়
নদীর পাড় থেকে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে, এমন খবর পেয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার
ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ইয়াসির আরাফাত সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় অভিযান চালিয়ে মাটি
কাটায় ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ মাটি কাটা শ্রমিক রহিম মিয়াকে আটক করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাকে এক মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক জগন্নাথপুর উপজলো সহকারী কমশিনার (ভূমি) মো: ইয়াসির আরাফাত
জানান, অবৈধভাবে সরকারি ভূমি থেকে মাটি কাটার দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন,
২০১০ এর ১৫(১) ধারা মোতাবেক এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। তিনি জানান,
র্দীঘদিন ধরে একটি চক্র জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ ও নদীর পাড় হতে
অবৈধ ভাবে মাটি কেটে ব্যবসা করে আসছিল।

জগন্নাথপুর উপজেলা আন্তর্জাতিক গীতিকবি সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্যের কমিটি গঠন

বিশেষ প্রতিনিধি::
জগন্নাথপুর উপজেলার বাসিন্দা বাংলাদেশে এবং বিশে^র বিভিন্ন দেশে বসবাসরত গীতিকার, সাংস্কৃতিক সংগঠক ,শিল্পী,কবি,সাহিত্যিক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ,ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে সাহিত্য,সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে মানুষের হৃদয়ে জাগ্রত রাখার প্রত্যয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা আন্তর্জাতিক গীতিকবি সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্য এর কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে সোমবার (১০ আগষ্ট) পূর্ব লন্ডনের জাইকা রেস্টুরেন্টে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। কবি আব্দুল মুকিতের সভাপতিত্বে ও গীতিকার শাহ ইয়াওর মিয়া ও গীতিকার জুবায়ের আহমদ হামজার যৌথ পরিচালনায় এবং আতাউর রহমানের কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন , টাওয়ার হ্যামলেটের সাবেক লিডার হেলাল আব্বাস, সাবেক মেয়র সেলিম উল্লা, কাউন্সিলার তারেক খাঁন, সাবেক ডেপুটি স্পিকার আব্দুস শহিদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সৈয়দ ময়েজ আহমদ, আশিকুল হক, সাজ্জাদুর রহমান, কন্ঠ শিল্পী আব্দুল কাইয়ুম কায়া, বাউল আব্দুস শহিদ, কল্পনা হামজা, এম জেড বাবুল,নেপুর আহমদ প্রমূখ।

সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সর্বসম্মতি ক্রমে, গীতিকার শাহ ইয়াওর মিয়াকে সভাপতি ,গীতিকার জুবায়ের আহমদ হামজাকে সাধারণ সম্পাদক ,গীতিকার মনোয়ার কাবেরীকে কোষাধ্যক্ষ করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট জগন্নাথপুর উপজেলা আন্তর্জাতিক গীতিকবি সাংস্কৃতিক পরিষদ যুক্তরাজ্য এর কমিটির গঠন করা হয়।

কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা হলেন, সিনিয়র সহ সভাপতি: নেপুর আহমদ,

সহ সভাপতি : কবি আব্দুল মুক্তার মুকিত, মোফাজ্জুল মিয়া, আসকর আলী, পীর চনা মিয়া, শেখ আব্দুল মজিদ, জিলু মিয়া, শাহ শফিক মিয়া, বিজন কুমার দেব (ভাইস চেয়ারম্যান জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ), শফিকুল হক (ভারপ্রাপ্ত মেয়র জগন্নাথপুর পৌরসভা), মাহতাব-উল হাসান সমুজ ( সদস্য জেলা পরিষদ সুনামগঞ্জ), সৈয়দ মুরশেদ আহমদ, কবি দিলদার হোসেন দিলু,

সহ সাধারণ সম্পাদক : আশিকুল হক, ফরহাদ আহমদ, আবু সুফিয়ান, এম জেড বাবুল , সাইদুর রহমান, সফু মিয়া , জমজম রশীদ, মুজিবুর রহমান, শাহীন আহমদ, মুক্তাদির আহমদ মুক্তা (সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ), জয়দ্বীপ সূত্রধর বীরেন্দ্র, সোহেল আহমদ ( প্যানেল মেয়র জগন্নাথপুর পৌরসভা), গিয়াস উদ্দিন মুন্না (পৌর কাউন্সিলার জগন্নাথপুর), আব্দুল পরান, নুরুল ইসলাম, আলীনুর ,

সহ সম্পাদক: আতাউর রহমান, আব্দুল মতিন লাকি, আবিদুল ইসলাম আরজু, সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দেক, মামুনুর রশীদ ভূইয়া, সৈয়দ কবি কলমদর আলী, লুৎফুর রহমান, মল্লিক রফু মিয়া, জয়নুল ইসলাম, মো: জিলু মিয়া, শাহ রুবেল মিয়া ,

সাংগঠনিক সম্পাদক: মির্জা রুহুল আমিন, মাসুদ আহমদ, মিজান আহমদ, হেভেন খাঁন, সৈয়দ শামীম আহমদ খোকন, রনক আহমদ, লাকি মিয়া, মোস্তাক আহমদ, জাবির আহমদ, মনি চৌধুরী, শামীম খাঁন, বাউল কয়েছ উদ্দিন, মদব্বির হোসেন রবিন, আব্দুল আলী,

মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা: মিসেস কল্পনা হামজা, সহ সম্পাদিকা: মিসেস ছুফিয়া নূরুজ,

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: কবি মনজুর রহমান লেবু, মো: আব্দুল হাই (সাংবাদিক), অমিত কান্তি দেব (সাংবাদিক), আলী আহমদ(সাংবাদিক), সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: সেলিম খাঁন, বিপ্লব দেব নাথ(সাংবাদিক) শাহ রমিজ আলী,

আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক: আফসর কোরেশী, শাহিন আহমদ, শফিনূর, জাকির হোসেন,

ত্রান ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক: খলকু মিয়া, শাহাবুল আহমদ, সহ সম্পাদক: সুমন মিয়া,

সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক: মো: তোফায়েল হোসেন, শ্রীমতি বিথি রাধা নাথ, সহ সম্পাদক: মির্জা ইমন, শেখ মহছিন ,শামছুল হক,

দপ্তর সম্পাদক: দুলদুল বারী, সহ দপ্তর সম্পাদক: খালেদ আহমদ, লাহিন আকরাম, আলমগীর হোসেন, মনজুর শাহ,

আইন বিষয়ক সম্পাদক: ব্যারিস্টার কাহার চৌধুরী, সহ সম্পাদক: রয়েল তালুকদার ,এমদাদ হোসেন,

সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক: আকতার হোসেন, আবুল কাশেম, সহ সম্পাদক: আখি আক্তার, সেলিম আহমেদ,

শিক্ষা ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক: সালেহা পারভীন, সহ সম্পাদক: মুজিবুর রহমান, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক: মো: কবির মিয়া, সুজেল আহমদ, সহ সম্পাদক: মিনার মিয়া, শামছুল হক।

উপদেষ্ঠা: সাবেক ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরী, কবি চিত্র শিল্পী সাবেক জেলা পরিষদ প্রশাসক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন, সিলেট লিডিং ইউনিভারসিটির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মোস্তাক আহমদ দীন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী গীতিকার দিলাউর রহমান মুজিব, সাপ্তাহিক সুরমা পত্রিকার সম্পাদক সৈয়দ ময়েজ আহমদ, সংগীত সংগঠক যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুস শহিদ, সাংবাদিক ইকবাল হোসেন আনা,

নাট্য অভিনেতা মাস্টার আনোয়ার গনি, সংগীত সংগঠক যুক্তরাজ্য প্রবাসী সিরাজ হক, কবি মাসুক ইবনে আনিস, মালুম শাহ, আজম খান, আলতাফ হোসেন, নূর মিয়া, শাহ গয়াছ আলী, হারুনুর রাশীদ, আবুল ফয়েজ, ছুফি মিয়া, ফারুক কামালী, মির্জা জুয়েল আমীন, কবি আব্দুল অদুদ, দিনুল ইসলাম বাবুল,

জগন্নাথপুর উপজেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি মো: আজাদ আলী, গীতিকার আব্দুল কাইয়ুম, আলীনুর , শিক্ষক মোশারফ হোসেন , বাউল মকদ্দুছ আলম উদাসী, জয়নাল কোরেশী, সাদেক আহমদ চৌধুরী , ফারুক মিয়া ,

সম্মানীত সদস্য: আব্দুল কাইয়ুম কায়া, বাউল বাবুল শাহ, মির্জা লয়লুছ , রমজান আলী, সেলিম আহমদ, শাহ রাসেল , আলীউর রহমান, আবুল হোসেন, মির্জা নিক্সন মিয়া, গোলাম মৌলা চৌধুরী নিক্সন, আওলাদ হোসেন, দারা মিয়া, শেখ নেজয়ানুর রহমান, ফয়সল গনী, আনোয়ার হোসেন, হারুনুর রশীদ, ফারুক মিয়া, রফিক মিয়া, সৈয়দ শহিদুর রহমান, আবুল হাসনাত, শামছুজ্জামান লিটু, রুবেল মিয়া, আহমদ আলী,

মাহবুব হোসেন, বাউল লেচু সরকার, ফিরোজ মিয়া, সৈয়দ জহুরুল হক, সালাউদ্দিন মিঠু, আনোয়ার মিয়া, আমীর হোসেন, সজ্জাদ মিয়া, জুয়েল আমীন, মতছির আলী, মানিক মিয়া, ইব্রাহিম আহমদ পাপন, সাজু আহমদ, আছকির আলী, রমজান আলী, জুয়েল আমীন, তারা মিয়া, রুহেল মিয়া, কমর উদ্দিন,

সুজন রশীদ, জিল্লুল হক, গোবিন্দ দেব(সাংবাদিক), দুলাল মিয়া, সুমেল মিয়া, উজ্জল মিয়া, সাজুর আলী, দিনাউর আলী, সাদিক মিয়া, ইসাইদ আহমদ, গুলজার আলী আহমদ, দীল মোক্কারাম , আলী আহমদ, আকবর উদ্দিন, অজিত সেন, বাউল ছোবাহান উদ্দিন, রনেশ বৈদ্য, রজব আলী, তসলিম উদ্দিন, আজম আলী, বাউল নুনু গাজী।

প্রতারক শাহেদকে গ্রেফতারে মৌলভীবাজারে পুলিশ ,র‌্যাবের তল্লাশি

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

দেশের বহুল সমালোচিত প্রতারক রিজেন্ড হাসপাতাল লিমিটেড এর শাহেদ উরোপে শাহেদ করিম লুকিয়ে আছে সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কোন এক নিরাপদ স্থানে।

আইন প্রয়োগ কারী সংস্থার সুত্রে জানা গেছে অত্র এলাকার কোন এক স্থানে লুকিয়ে আছে তিনি, তবে আমরা আশা করছি সে দ্রুত ধরা পরবে।

মৌলভীবাজার জেলায় শাহেদ লুকিয়ে আছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে এক সিনিয়র রাজনীতিবিদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, শাহেদ পুর্ব থেকে বিএনপির লোক ছিল সুতরাং এমনটি হতেই পারে কোন বিএনপি নেতার মাধ্যমে কোন পাহাড়ি রিসোর্ট বা অতি সাধারণ কোন স্থানে লুকিয়ে থাকতে পারে।

বহুমুখী প্রতারক শা‌হেদ দীর্ঘ অনেক বছর ধ‌রে তার প্রতারণা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে তিনি নিজেকে বুদ্ধিজীবি এবং আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় আওয়ামী লীগ সেজে চিকিৎসার নামে অবৈধ ব্যবসা করে যাচ্ছে।

জানা গেছে বর্তমানে মোঃ শাহেদ/সা‌হেদ হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকলেও তার আসল নাম কিন্তু মোঃ শাহেদ করিম, পিতাঃ সিরাজুল করিম, মাতাঃ মৃত সুফিয়া করিম। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা মাত্র এসএস‌সি।

প্রতারক শা‌হে‌দের একাধিক নাম রয়েছে। সে কখনো কখ‌নো মেজর ইফতেকার আহম্মেদ চৌধুরী, ক‌র্নেল ইফতেকার আহম্মেদ চৌধুরী, কখ‌নো মেজর শাহেদ করিম হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে। কিন্তু তার আসল নাম জাতীয় পরিচয় পত্রে শাহেদ করিম লেখা।

ঠিকানা হরনাথ ঘোষ রোড, লালবাগ, ঢাকা-১২১১ রয়েছে। গ্রামের বাড়ী সাতক্ষীরা জেলায়। এক নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান হয়েও প্রতারণা বাটপারি করে আজ শত শত কোটি টাকার মালিক। বিএনপি সরকারের আমলে রাজাকার মীর কাসেম আলী ও গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের সাথে সর্ম্পক গড়ে তা‌দের মাধ্য‌মে তা‌রেক জিয়ার হাওয়া ভব‌নের অন্যতম কর্তাব্য‌ক্তি হ‌য়ে উ‌ঠে সে।

শা‌হে‌দের বেশ কিছু প্রতারণার প্রমাণ তৎকালীন প্রভাবশালী ছাত্রদল নেতা বর্তমা‌নে জাতীয় পা‌র্টির সাংগ‌ঠিনক সম্পাদক সৈয়দ মঞ্জু , ঢাকা বিশ্ব‌বিদ্যালয়ের সা‌বেক সাহসী ছাত্রলীগ নেতা এসএম হ‌লের শামীম তথা শামীম আহ‌মেদ এবং সা‌বেক ছাত্রলীগ নেতা পলাশ চৌধুরী থেকে সাংবাদিকরা সংগ্রহ করেছে।

১/১১ ফকরু‌দ্দিন সরকা‌রের সময় আর খাম্বা মামুনের সাথে সে ২ বছর জেলও খাটে। জেল থে‌কে বের হ‌য়ে শা‌হেদ ২০১১ সালে ধানমন্ডির ১৫ নং রোডে এমএলএম কোম্পানী বিডিএস ক্লিক ওয়ান নামে বাটপারী ব্যবসা প্র‌তিষ্ঠান খু‌লে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা ক‌রে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। আর সেসময় তার নাম ছিল মেজর ইফতেখার করিম চৌধুরী।

তার বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় ২টি মামলা, বরিশালে ১ মামলা, বিডিএস কুরিয়ার সার্ভিসে চাকরির নামে মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রতারণার কারনে উত্তরা থানায় ৮টি মামলাসহ রাজধানীতে ৩২টি মামলা রয়েছে।

অন্যদিকে, সে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক বিমানবন্দর শাখা থেকে ৩ কোটি টাকা লোন নেয় আর সেখানে সে নিজেকে কর্নেল (অব.) পরিচয় দিয়ে কাগজপত্র দাখিল করেন সে ব্যাপারে আদালতে ২টি মামলা চলমান আছে। এ সম্প‌র্কে একুশে টিভি ২০১৫/১৬ সা‌লে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করে।

এই প্রতারক মোঃ শাহেদ ওরফে ‌মেজর/ক‌র্নেল ইফতেখার আহম্মেদ চৌধুরী, ওরফে শাহেদ করিম, ওরফে মোঃ সাহেদ বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকা‌রের বি‌ভিন্ন মন্ত্রী ও কর্তা ব্য‌ক্তি‌দের কা‌ছের লোক পরিচয় দিয়ে থাকে। প্রকা‌শ্যে অনেক মন্ত্রীর নাম ব্যবহার করেই মানুষকে হুমকি দিয়ে আসছে।

তার গাড়ীতে ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ড ও সাইরেনযুক্ত হর্ন ব্যবহার করে। সে নিজেকে কখনো মেজর, ক‌র্নেল, সচিব, এমনকি সে নাকি ৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রধানমন্ত্রীর এডিসি ছিলো এমন পরিচয়ও দিয়ে থাকে। আবার কিছুদিন যাবৎ সে বিভিন্ন টিভিতে টকশোতে খুব নীতিবাক্য বলে আসছিলো।

বর্তমানে সে উত্তরাস্থ ১১ নং সেক্টরের ১৭ নং রোডে, বাড়ী নং-৩৮ একটি হাসপাতাল গড়ে তুলেছে যার কোন বৈধ্য লাইসেন্স নেই, যা র‌্যাব এর অভিযানেই প্রমানিত হয়েছে আর হাসপাতাল চালা‌নোর মত কোন ডাক্তার, নার্স, যন্ত্রপা‌তি নেই তবুও দালালের মাধ্যমে টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল, বাংলাদেশ মেডিকেল ক‌লেজ হাসপাতাল থেকে রোগী ক্রয় করে এনে তাদের আটকিয়ে রেখে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

এছাড়াও প্রতারণার টাকায় সে উত্তরা প‌শ্চিম থানার পা‌শে গ‌ড়ে তু‌লে‌ছে রিজেন্ট কলেজ ও ইউনির্ভাসিটি, আরকেসিএস মাইক্রোক্রেডিট ও কর্মসংস্থান সোসাইটি যদিও এর একটিরও কোন বৈধ লাইসেন্স নেই। আর অনু‌মোদনহীন আরকেসিএস মাইক্রোক্রেডিট ও কর্মসংস্থান সোসাইটির ১২টি শাখা করে হাজার হাজার সদস্যদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।

শা‌হে‌দের বেশ ক‌য়েক‌টি গাড়ি রয়েছে সে গাড়িগুলোর কোন বৈধ কাগজপত্র নেই। তার গাড়ী‌তে ভি‌ভিআই‌পি ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ড, অবৈধ ওয়ারল্যাস সেট আর অস্ত্রসহ ৩ জন বডিগার্ড থাকার কারনে সাধারণত পুলিশ তার গাড়ী থামাবার সাহস পাইনি বলে ও অভিযোগ রয়েছে।

তার অফিসে লাঠিসোটা রাখা হত। এমনিক তার অফিসের ভেতরে একটি টর্চার সেলও রয়েছে। কোন পাওনাদার টাকা চাইতে আস‌লে পাওনাদার‌দের সেখা‌নে টর্চার করা হয়। তার অফিসে সুন্দরী মেয়েদের রাখা হয় বেশী আর অনেক সুন্দরীর সাথে তার অবৈধ সর্ম্পক র‌য়ে‌ছে।

তার বিরুদ্ধে ৩২ টি মামলা রয়েছে দেশের বিভিন্ন থানায় এর মধ্যে ধানমন্ডি, মিরপুর, উত্তরায় বেশী সেগুলোর ক‌য়েক‌টি মামলার নং- বাড্ডা- ৩৭(৭)০৯, আদাবর-১৪(৭)০৯, লালবাগ-৪৭(৫)০৯, উত্তরা ২০(৭)০৯, উত্তরা১৬(৭)০৯, উত্তরা ৫৬(৫)০৯, উত্তরা ১৫(৭)০৯, ৩০(৭)০৯, ২৫(৯)০৯, ৪৯(০৯)০৯, ১০(৮)০৯ সবগুলো মামণাআ ৪২০ ধারায়।

উল্লেখ্য, রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেড এর স্বত্বাধিকারী মোস্ট ওয়ান্টেড শাহেদ আত্মগোপন করে আছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব পুলিশের বিভিন্ন সংস্থা শ্রীমঙ্গল এলাকাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চেয়ারম্যান , পরিকল্পনামন্ত্রী ভাইস চেয়ারম্যান ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল গঠন

স্টাফ রিপোর্টার :
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডেল্টাপ্ল্যান ২১০০ বাস্তবায়নের জন্য ডেল্টা গর্ভন্যান্স কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান কে ভাইস চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়েছে।

শতবছরের মহাপরিকল্পনা ‘বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চেয়ারপারসন করে ‘ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল’ গঠন করা হয়েছে।

১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠনের পর গত পহেলা জুলাই গেজেট প্রকাশ করেছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে সদস্য করা হয়েছে কৃষি, অর্থ, খাদ্য, পরিবেশ ও জলবায়ু ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীদের ।

মন্ত্রী /প্রতিমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ,নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়,পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক মন্ত্রণালয়,সদস্য সচিব করা হয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ সদস্য কে।

এদিকে সুনামগঞ্জ -৩ জগন্নাথপুর- দক্ষিণ সুনামগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান কে শতবছরের মহাপরিকল্পনা ‘বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান মনোনীত করায় নির্বাচনী এলাকাসহ পুরো জেলা ব্যাপি আনন্দের বন্যা বইছে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্ব পাওয়ায় বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান কে অভিনন্দন জানানো হয়।

৪৭ হাজার গ্রাম পুলিশের চাকরি জাতীয়করণে হাইকোর্টের রায়

জগন্নাথপুর টুডে ডেস্ক::

দেশের প্রায় ৪৭ হাজার গ্রাম পুলিশ সদস্যের চাকরি জাতীয়করণে রায় প্রকাশ হয়েছে। রায়ে গ্রাম পুলিশের মধ্যে মহল্লাদারদের জাতীয় বেতন স্কেলের ২০তম গ্রেড এবং দফাদারদের ১৯তম গ্রেডে বেতন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের স্বাক্ষরের পর বাংলায় ১৮ পৃষ্ঠায় দেয়া এ রায় সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির (পল্লব) রায় প্রকাশের বিষয়টি জানান।

রায়ে বলা হয়, এটা স্পষ্ট যে, গ্রাম পুলিশ ও মহল্লদাররা ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক নিয়োগ পেয়ে প্রজাতন্ত্রের ৭০ প্রকার কাজে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থাকেন। সাধারণ মানুষের সবচেয়ে নিকটতম আত্মীয়ের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে তারা নিয়োজিত। ঝড়-বৃষ্টি, বিপদ-আপদ উপেক্ষা করে তারা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্য থাকেন। দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার কাকে বলে এরা জানে না। গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর সংক্ষিপ্ত রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

রায়ে আরো বলা হয়, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩১ মোতাবেক আইনানুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে তার ন্যায্য অধিকার থেকে তথা ন্যায্য প্রাপ্যতা থেকে তথা ন্যায্য প্রত্যাশা থেকে তথা আইনসম্মত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় না।

দরখাস্তকারীরাসহ সব মহল্লাদার ও দফাদারগণের ন্যায্য অধিকার বিধিমালা ২০১১ অনুযায়ী বেতন-ভাতাদি পায়। কিন্তু প্রতিপক্ষগণ স্পষ্টত: দরখাস্তকারীগণ সহ সকল মহল্লাদার ও দফাদারগণকে ন্যায্য অধিকার থেকে বেআইনিভাবে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত করে আসছে।

রায়ের আদেশ অংশে বলা হয়, ২০১১ সালের ২ জুন হতে মহল্লাদারগণকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০০৯ (বর্তমানে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫) এর ২০তম গ্রেডে বেতন ভাতাদি প্রদান করতে এবং দফাদারগণকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০০৯ (জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫) এর ১৯ তম গ্রেডে বেতন ভাতাদি প্রদান করতে নির্দেশ প্রদান করা হলো। ২০১১ সালের ২ জুন তারিখের পর হতে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) কর্মচারী চাকরি বিধিমালা ২০১১ বহির্ভূতভাবে মহল্লাদার ও দফাদার এর যে কোনো নিয়োগ অবৈধ ও বেআইনি মর্মে গণ্য হবে। ওই তারিখের পর হতে বিধিমালা ২০১১ বহির্ভূত যে কোনো নিয়োগ আপনা আপনি বাতিল।

২০১৭ সালের ৩ ডিসেম্বর ঢাকার ধামরাইয়ের টুপিরবাড়ীর হাটকুশারা এলাকার বাসিন্দা লাল মিয়াসহ কয়েকজন গ্রাম পুলিশ সদস্য রিটটি দায়ের করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছিল হাইকোর্ট। ওই রুল যথাযথ ঘোষণা করে আজ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।