জগন্নাথপুরের মিরপুরে ফিলিস্তিনি মুসলমানদের গণহত্যার প্রতিবাদে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্ট ঃ ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে ও ফিলিস্তিনি মুসলিম নারী শিশু সহ সর্বস্তরের মুসলমানদের উপর নির্বিচারে বোমা ও গুলি চালিয়ে গণহত্যার প্রতিবাদে
জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের বড়কাপন, আধুয়া, কড়িয়াইন ও মিরপুর সহ সর্বস্তরের তাওহিদী জনতার উদ্যোগে এবং আইয়ুব আলী, আমানুর রহমান, মোঃ শানুর আলী, মোঃ রুয়েল মিয়া, নুমান আহমদ ও আব্দুল গাফফারের সার্বিক সহযোগিতায় বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

আজ শুক্রবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৩ টায় এলাকার পাড়া মহল্লা থেকে শুরু করে বিক্ষোভ মিছিলটি মিরপুর ইউনিয়নের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিরপুর বাজারে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বড়কাপন ও আধুয়া ইমদাদুল উলূম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি হামিদুল হক রাহমানীর সভাপতিত্বে ও মাওলানা তারেক আহমদের পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুস সুবহান, মাওলানা আবুল খয়ের, হাজী আলাউদ্দিন, আফতাব আলী, আলী হোসেন মোঃ আলী আহমদ সহ আরো অনেকে ।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে প্রিন্সিপাল মুফতি হামিদুল হক রাহমানী বলেন ইজরাইলের এই বর্বর হামলা ও গণহত্যার প্রতিবাদ করে তা বন্ধের আহ্বান জানান,এবং ফিলিস্তিনের মুসলমানদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে বিশ্বের সকল মুসলমানকে তাদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন ইজরাঈলের পণ্য বয়কট করে তাদের অর্থনৈতিক চাপে ফেলার জন্য ধর্ম প্রাণ মুসলামানদের প্রতি অনুরোধ জানান।

পরে ফিলিস্তিনের মুসলমানদের শান্তি ও ফিলিস্তিনের নিহতদের শাহাদাতের মর্যাদা কামনা ও আল্লাহর পক্ষ থেকে গায়েবী সাহায্যের আকুতি জানিয়ে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন বড়কাপন ও আধুয়া ইমদাদুল উলূম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি হামিদুল হক রাহমানী।
জটুডে /এহাই

ডক্টর মাওলানা মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম পারভেজ হবিবপুর কেশবপুর ফাযিল মাদ্রাসা গভর্নিং বডির বিদ্যুৎসাহী সদস্য মনোনীত

স্টাফ রিপোর্ট ঃ জগন্নাথপুর পৌর শহরের ঐতিহ্যবাহী স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান হবিবপুর কেশবপুর ফাযিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির বিদ্যুৎসাহী সদস্য মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক ডক্টর মাওলানা মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম পারভেজ।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কর্তৃক তিনি মনোনীত হন।

আজ মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের (ঢাকা ও সিলেট বিভাগের) পরিদর্শক মুহাম্মদ সাজিদুল হক কর্তৃক স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

জগন্নাথপুর পৌরশহরে হবিবপুর শাহপুর এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মরহুম মোহাম্মদ দীনুল ইসলাম ও মরহুমা গোলবাহারের সন্তান বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক ডক্টর মাওলানা মোহাম্মমদ ঈনুল ইসলাম পারভেজ জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান হলিয়ার পাড়া জামেয়া কাদেরিয়া সুন্নিয়া ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত আছেন।

জটুডে /এহাই

জগন্নাথপুরে রাজনৈতিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি নেতাদের আচরণবিধিতে সাক্ষর

স্টাফ রির্পোটার :মর্যাদা, নিরাপত্তা, বহুত্ববাদ ও শান্তি-সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে আচরণবিধি স্বাক্ষর করেছে জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও জাতীয় পার্টি নেতারা।

“সংঘাত নয় ঐক্যের বাংলাদেশ চাই” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জগন্নাথপুর পৌর চত্ত্বরে সর্বদলীয় সম্প্রীতি উদ্যোগ জগন্নাথপুর (পিএফজি)’র উদ্যোগে ও হ্যাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের সহযোগিতায় এক ব্যতিক্রমী আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়।

সর্বদলীয় সম্প্রীতি উদ্যোগ জগন্নাথপুর’র কো-অর্ডিনেটর ড. মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ এর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের পিস এম্বাসেডর ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়ার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আবু হুরায়রা ছাদ মাস্টার, উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র মিজানুর রশীদ ভূইয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি রেজাউল করিম রিজু,

উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খলিলুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবুল হোসেন লালন, সাবেক পৌর কমিশনার ও আওয়ামী লীগ নেতা লুৎফুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দ্বীপ সূত্রধর বীরেন্দ্র, পৌরসভার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র কাউন্সিলর শফিকুল হক শফিক, উপজেলা আল ইসলাহ’র সাবেক সভাপতি মাওলানা আজমল হোসাইন জামী,

ঘোষগাও মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদের ইমাম মোঃ আব্দুল কাইয়ূমের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া খানম সাথী, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল কাইয়ূম মোশাহিদ,

জগন্নাথপুর উপজেলা আল ইসলাহ সভাপতি মাওলানা মহি উদ্দিন এমরান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নুর আহমদ, উপজেলা কোর্ট জামে মসজিদের সাবেক ইমাম মাওলানা নিজাম উদ্দিন জালালী, সর্বদলীয় সম্প্রীতি উদ্যোগ জগন্নাথপুর এর সদস্য, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপি নেতা সামছুল হক, মোঃ দিলু মিয়া, মুহিবুর রহমান শিশু, আওয়ামীলীগ নেতা আলাউর রহমান, লক্ষী রানী দাস, শিপ্রা রানী দাস,

জাতীয় পার্টি নেতা আব্দুল কাহার, আকলিছ আলী, আব্দুস শহীদ, আবদুর রহমান, উলামা পার্টির আহবায়ক শাহ মোঃ শানুর আলী, জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি রিয়াজ রহমান, সহ সভাপতি হুমায়ুন কবির, কোষাধ্যক্ষ আলী হোসেন খান প্রমূখ।

সভায় রাজনৈতিক সহিংসতা, প্রতিরোধ ও উপজেলায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গিঁকার ব্যক্ত করে কোড অব কন্ট্রাক পেপারে আচরণবিধিতে সাক্ষর করেন আওয়ামীলীগ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিজানুর রশীদ ভূইয়া, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু হুরায়রা ছাদ মাস্টার, জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান।

এ সময় বক্তারা বলেন, এই মহতি উদ্যোগ যেন বাংলাদেশের জন্য মাইলফলক হয়। রাজনীতির উর্ভর ভূমি জগন্নাথপুর উপজেলায় অতীতও সম্প্রীতি ছিলো এখনও আছে।

বক্তারা আরো বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচী পালনের ক্ষেত্রে সহিংসতাকে সর্বতোভাবে পরিহার করে ব্যক্তির জান-মাল ও সম্পদের নিরাপত্তার প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। প্রতিপক্ষ দল বা ব্যক্তির প্রতি আচরণ ও সম্ভাষণে সৌজন্য ও সৌহার্দ্যপূর্ণ থাকতে হবে। প্রতিপক্ষের জন্যে মর্যাদাহানীকর কোনও বক্তব্য প্রদান, কটূক্তি করা থেকে বিরত থেকে সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারা গড়ে তোলতে হবে।
আমরা নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্বাচনী আচরণবিধি যথাযথ ও আন্তরিকতার সাথে পালন করার মাধ্যমে আইনী বিবেচনায় যে কোনও ধরণের সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে হবে।
এ সময় হ্যাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্নয়ক মোজাম্মেল হক ও সিলেট অঞ্চলের হিসাব রক্ষক একে কুদরত পাশা সহ নানা শেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

জগন্নাথপুর থানা পুলিশের অভিযানে ভারতীয় মালামাল সহ গ্রেপ্তার-৩

স্টাফ রিপোর্ট ঃ  জগন্নাথপুরে রানীগঞ্জ মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস থেকে ১৭ বস্তা ভারতীয় মালামালসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার তাদের সুনামগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তাকৃতরা হলেন, তাহিরপুর উপজেলার লাউড়ের গড় গ্রামের মৃত রাজ আমিনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪৪), একই গ্রামের আশরাফ উদ্দিনের ছেলে নজির হোসেন (২৫) ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের মৃত তজমিল আলীর ছেলে ফরহাদ আলম সাগর (২৪)।

পুলিশ জানান, রবিবার রাত সাড়ে ১২টায় জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমানের নেতৃত্ব এস আই জিনাতুল ইসলাম সহ একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার রানীগঞ্জ মহাসড়কের ইছগাঁও কাটাগাঙ্গ সেতু এলাকায় সুনামগঞ্জ জেলা সদর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আল-শামীম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস তল্লাশি করে। এসময় বাসটির মালামাল রাখার স্থান থেকে ১৭ বস্তা ভারতীয় তৈরী ফুচকা, হরলিক্স ও কোল্ড ড্রিংকস জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৫০ টাকা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান জানান, ভারতীয় মালামাল অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত থেকে এনে ঢাকায় বিক্রয়ের জন্য নেওয়ার পথে এসব পণ্য জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত জাহাঙ্গীর ও নজির হোসনসহ বাসের সুপারভাইজার ফরহাদ আলম সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অফিসার ইনচার্জ আরো জানান যাত্রীবাহী বাসটিকেও জব্দ করা হয়েছে। তবে, বাসে থাকা বাকি যাত্রীদের অন্য গাড়ি দিয়ে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

জটুডে /এহাই

জগন্নাথপুরে মাদরাসা শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা

স্টাফ রিপোর্ট ঃ   জগন্নাথপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মোখলেছুর রহমানের অবসর জনিত বিদায় উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথপুর উপজেলা মাদরাসা শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে বিকেল তিনটায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সমিতির সভাপতি হলিয়ারপাড়া মাদরাসার অধ্যক্ষ ডক্টর মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সৈয়দপুর সৈয়দিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ ডক্টর সৈয়দ রেজওয়ান আহমদের সঞ্চালনায় এই  সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

 

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাজেদুল ইসলাম।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন -মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোখলেছুর রহমান একজন দায়িত্ব পরায়ণ, কর্মনিষ্ঠ ও বিশ্বস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। কর্মস্পৃহার মাধ্যমে তিনি জগন্নাথপুরের শিক্ষা পরিবারে ভালবাসা ও আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন।

আমার দীর্ঘ দুই বছরে কাছ থেকে দেখা একজন কর্তব্য পরায়ণ অফিসার ছিলেন তিনি। তাঁর অবসরকালীন জীবন যেন সূখময় ও শান্তিময় হয়, মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে দোয়া করি।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, জগন্নাথপুর মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সাব্বির আহমদ চৌধুরী।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সহ -সভাপতি মাওলানা মখছুছুল করীম চৌধুরী, মাওলানা তাজুল ইসলাম আলফাজ, অর্থ সম্পাদক মাওলানা আমির আলী, নির্বাহী কমিটির সদস্য মাওলানা ফয়েজ উদ্দিন, মাওলানা আজমল হোসাইন জামী, মোঃ আনোয়ারুল হক প্রমূখ।

পরে সমিতির পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী প্রদান করেন সমিতি নেতৃবৃন্দ।

জটুডে /এহাই

ডক্টর মঈনুল ইসলাম পারভেজকে জড়িয়ে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা: মাদরাসা শিক্ষক সমিতির ক্ষোভ ও নিন্দা

মাদরাসা শিক্ষক সমিতি, জগন্নাথপুর উপজেলা সভাপতি হলিয়ারপাড়া জামেয়া কাদেরিয়া সুন্নীয়া ফাজিল মাদরাসার স্বনামধন্য অধ্যক্ষ ডক্টর মাওলানা মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম পারভেজকে

মাদরাসা এলাকার দুটি পক্ষের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিনের বিরোধ সমঝোতা না হওয়ায় উক্ত বিষয়কে অধ্যক্ষের ওপর চাপিয়ে দিয়ে মামলা দায়ের করার ফলে তিনি আদালতে হাজির হলে বিজ্ঞ আদালত জামিন না মন্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

একটি কাল্পনিক ষড়যন্ত্রমূলক মামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন জগন্নাথপুর উপজেলা মাদরাসা শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। মামলার সুষ্টু তদন্ত এবং কারাগার থেকে জামিন প্রার্থনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ( ৭ সেপ্টেম্বর) মাদরাসা শিক্ষক সমিতি জগন্নাথপুর উপজেলার জরুরি সভায় সমিতির সভাপতি ডক্টর মঈনুল ইসলাম পারভেজের উপর ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে তাঁকে কারাবাসী করায় সমিতির নেতৃবৃন্দ দুঃখ, ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন।

নেতৃবৃন্দরা বলেন, মামলা দায়ের হওয়ার পর সমিতির এক সভায় নেতৃবৃন্দরা তিনির বিরুদ্ধে মামলা এবং মামলায় বর্ণিত প্রবাসীদের ফান্ড সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে ডক্টর পারভেজ বলেন বিষয়টি সত্য নয় কারণ উক্ত ফান্ড প্রবাসীদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

মাদরাসায় বছরে একবার চেকের মাধ্যমে অনুদান প্রদান করা হলে মাদরাসা তা ব্যায় করেন।

উক্ত ফান্ড আমি বা মাদরাসা কমিটির সদস্যদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়না।

এ কথা বলে তিনি উক্ত ফান্ডের মাধ্যমে প্রাপ্ত টাকার রশিদ বহি, ব্যাংক স্টেটম্যান্ট কপি ও মাদরাসার নামের একাউন্টে জমাকৃত টাকার স্লিপ ও মাদরাসার নামে সঞ্চয়ী হিসাবের ব্যাংক স্টেইটমেন্ট এবং মাদরাসার নামের এফ.ডি.আর দেখালে তা সমিতির নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে কয়েকজন পর্যবেক্ষণ করেন।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ বিগত ২০০০ সাল থেকে মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সাথে জড়িত এবং একজন দায়িত্বশীল হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

বর্তমানে তিনি শিক্ষক সমিতির সভাপতি। অর্থ সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে সব সময় তিনি সতর্ক থাকেন।

তাছাড়া তিনি দীর্ঘ ২৩বছর থেকে সমিতিসহ বিভিন্ন সংস্থার সাথে জড়িত রয়েছেন।

কিন্তু অর্থ সংক্রান্ত কোন ত্রুটি তার বিরুদ্ধে আমরা কোনদিন শুনিনি।

তিনি একজন স্বচ্ছ দায়িত্বশীল। তাই আমরা নির্ধিদায় বলতে পারি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে বাস্তব সত্য মূল ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

এদিকে সমিতির কয়েকজন নেতৃবৃন্দ বৃহস্পতিবার ( ৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় হলিয়ারপাড়া ফাজিল মাদরাসার গভর্ণিং বডির সম্মানিত সদস্য ও শিক্ষক স্টাপের সাথে ভিন্ন ভিন্ন বৈঠক করে মামলায় বর্ণিত প্রবাসী কল্যাণ ফান্ড এবং অধ্যক্ষ সম্পর্কে বাস্তব অবস্থা জানতে চান।

এসময় গভর্ণিং বডির সভাপতি মোঃ ফয়যুর রহমান বলেন; আমরা আজ ব্যথিত ও মর্মাহত।

ডক্টর মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ মূলত এলাকার দুটি পক্ষের দন্ধের স্বীকার হয়ে তিনি আজ কারাগারে়।

আমি প্রায় ২ বছর থেকে মাদরাসার গভর্ণিং বডির সভাপতির দায়িত্বে আছি, মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা পারভেজ অর্থ তসররুফ সংক্রান্ত কোন ধরণের ত্রুটি আমার কাছে পরিলক্ষিত হয়নি।

তিনি বলেন, অধ্যক্ষ মাওলানা পারভেজ একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি।

পুলিশ কর্মকর্তা এবং অনেক সাংবাদিক আমার কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ মুলক ত্রুটি আছে কি না জানতে চেয়েছেন, আমি স্পষ্ট বলে দিয়েছি এমন কোন কিছুর বাস্তবতা নেই।

মূলত দু -পক্ষের লড়াইয়ের স্বীকার হয়েছেন মাদরাসার অধ্যক্ষ ।

মাদরাসার শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ঠিক এমনিভাবে স্পষ্ট বক্তব্য এসেছে।

তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়,অধ্যক্ষ মঈনুল ইসলাম পারভেজ এলাকার একটি পক্ষের সাথে থাকার কারণে আজ তাকে কারাগারে যেতে হয়েছে।

শিক্ষকদের প্রশ্ন! আজ তাঁদের ভূমিকা কোথায়? কয়েকজন শিক্ষক কেঁদে কেঁদে বলেন; আমাদের প্রিন্সিপালের সুনাম ও খ্যাতি জগন্নাথপুর তথা সুনামগঞ্জে নয় বরং তিনি গোটা বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান ও সুপরিচিত ব্যক্তি।

এলাকার দুটি পক্ষের দন্ধের বলি হয়ে আজ তিনি কারাগারে যেতে হলো।

সমিতির সকল সিদ্ধান্তে আমরা একমত পোষণ করছি এবং যে কোন কর্মসূচীতে আমরা এগিয়ে আসবো, ইনশাল্লাহ।

তারা আরও বলেন, আমাদের খুবই কষ্ট লাগে যখন দেখা যায়,কতিপয় সংবাদকর্মী বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে একজন সম্মানিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানহানিকর কথা বলে। আমরা আল্লাহর কাছে এর বিচার চাই।

বিবৃতি দাতা হলেন- জগন্নাথপুর উপজেলা মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সহ সভাপতি মাওলানা মখছুছুল করীম চৌধুরী, সহ-সভাপতি, মাওলানা তাজুল ইসলাম আলফাজ, সহ-সভাপতি মাওলানা জমির আহমদ, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম

রসুলগন্জ মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু ইউসুফ মানিক সাধারণ সম্পাদক ডক্টর সৈয়দ রেজওয়ান আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা সাইফুল ইসলাম,

সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সালেহ আহমদ, অর্থ সম্পাদক মাওলানা আমির আলী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ওলিউর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক মাওলানা নিজাম আহমদ,

পীরের গাঁও মাদরাসার সুপার মাওলানা নিজাম উদ্দিন,রসুল পুর মাদরাসার সুপার মাওলানা তাজুল ইসলাম, শাহজালাল জামেয়ার সুপার মাওলানা লুৎফুর রহমান,হলিয়ার পাড়া মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা নূরুল হক,জয়দার সহ সুপার মাওলানা মাহমুদুল হাসান,

হযরত আবু বকর মাদরাসার সুপার মোঃ ইকবাল হোসেন চৌধুরী, এডিএম ফখর উদ্দিন (সৈয়দপুর), রফিকুল ইসলাম মল্লিক (হলিয়ারপাড়া),

মাওলানা মোঃ রুহুল আমীন (সুপার, বাউধরন), মাওলানা মোঃ তাজুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত,পাঠকুড়া দাখিল মাদরাসা), মাওলানা ফয়েজ উদ্দিন (শিক্ষক, হবিবপুর কেশবপুর মাদরাসা),

মাওলানা সানাওর আলী (শিক্ষক, হবিবপুর কেশবপুর মাদরাসা), মাওলানা আম্বর আলী (শিক্ষক, চিলাউড়া মাদরাসা), মোঃ ইলিয়াস মিয়া (শিক্ষক, রসুলগঞ্জ মাদরাসা) মাওলানা কাওসার আহমদ (শিক্ষক, রসুলপুর বনগাও মাদরাসা),

মাওলানা আব্দুল মান্নান (শিক্ষক, চরা মাদরাসা), মোঃ রফিকুল ইসলাম (শিক্ষক, পীরেরগাও মাদরাসা), মোঃ শফিউল ইসলাম (শিক্ষক, পূর্ববুধরাইল মাদরাসা),

মোঃ আনোয়ারুল হক (শিক্ষক, বালিকান্দি মাদরাসা), মাওলানা আব্দুল মান্নান (শিক্ষক, রসুলপুর চিলাউড়া মাদরাসা), মোঃ রফিকুল ইসলাম (শিক্ষক, শাহজালাল জামেয়া দ্বীনিয়া), মোঃ শহীদুল ইসলাম (শিক্ষক, বাউধরন মাদরাসা)

মাওলানা মোঃ আফজল হোসেন (সুপার, উত্তর কালনীরচর মাদরাসা), মাওলানা মোঃ রুহুল আমীন (সুপার, বাউধরন মাদরাসা), মোঃ শহীদুল ইসলাম (শিক্ষক, বাউধরন),

মাওলানা মোঃ তাজুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত,পাঠকুড়া), মাওলানা মোঃ আবু তাহের (সুপার, শ্রীরামসী, ইবি মাদরাসা), মাওলানা মোঃ আশরাফ আলী (সুপার, আল ইহসান, ইবি মাদরাসা),

মাওলানা মোঃ ইকবাল হোসাইন, (সুপার, লতিফ নগর, ইবি মাদরাসা), মাওলানা মোঃ শাহ আলম (সুপার, হযরত বিলাল রা. ইবি মাদরাসা) সহ আরো অনেকে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

ডক্টর মঈনুল ইসলাম পারভেজকে জড়িয়ে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা: মাদরাসা শিক্ষক সমিতির ক্ষোভ ও নিন্দা

মাদরাসা শিক্ষক সমিতি, জগন্নাথপুর উপজেলা সভাপতি হলিয়ারপাড়া জামেয়া কাদেরিয়া সুন্নীয়া ফাজিল মাদরাসার স্বনামধন্য অধ্যক্ষ ডক্টর মাওলানা মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম পারভেজকে

মাদরাসা এলাকার দুটি পক্ষের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিনের বিরোধ সমঝোতা না হওয়ায় উক্ত বিষয়কে অধ্যক্ষের ওপর চাপিয়ে দিয়ে মামলা দায়ের করার ফলে তিনি আদালতে হাজির হলে বিজ্ঞ আদালত জামিন না মন্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

একটি কাল্পনিক ষড়যন্ত্রমূলক মামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন জগন্নাথপুর উপজেলা মাদরাসা শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। মামলার সুষ্টু তদন্ত এবং কারাগার থেকে জামিন প্রার্থনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ( ৭ সেপ্টেম্বর) মাদরাসা শিক্ষক সমিতি জগন্নাথপুর উপজেলার জরুরি সভায় সমিতির সভাপতি ডক্টর মঈনুল ইসলাম পারভেজের উপর ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে তাঁকে কারাবাসী করায় সমিতির নেতৃবৃন্দ দুঃখ, ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন।

নেতৃবৃন্দরা বলেন, মামলা দায়ের হওয়ার পর সমিতির এক সভায় নেতৃবৃন্দরা তিনির বিরুদ্ধে মামলা এবং মামলায় বর্ণিত প্রবাসীদের ফান্ড সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে ডক্টর পারভেজ বলেন বিষয়টি সত্য নয় কারণ উক্ত ফান্ড প্রবাসীদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

মাদরাসায় বছরে একবার চেকের মাধ্যমে অনুদান প্রদান করা হলে মাদরাসা তা ব্যায় করেন।

উক্ত ফান্ড আমি বা মাদরাসা কমিটির সদস্যদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়না।

এ কথা বলে তিনি উক্ত ফান্ডের মাধ্যমে প্রাপ্ত টাকার রশিদ বহি, ব্যাংক স্টেটম্যান্ট কপি ও মাদরাসার নামের একাউন্টে জমাকৃত টাকার স্লিপ ও মাদরাসার নামে সঞ্চয়ী হিসাবের ব্যাংক স্টেইটমেন্ট এবং মাদরাসার নামের এফ.ডি.আর দেখালে তা সমিতির নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে কয়েকজন পর্যবেক্ষণ করেন।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ বিগত ২০০০ সাল থেকে মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সাথে জড়িত এবং একজন দায়িত্বশীল হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

বর্তমানে তিনি শিক্ষক সমিতির সভাপতি। অর্থ সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে সব সময় তিনি সতর্ক থাকেন।

তাছাড়া তিনি দীর্ঘ ২৩বছর থেকে সমিতিসহ বিভিন্ন সংস্থার সাথে জড়িত রয়েছেন।

কিন্তু অর্থ সংক্রান্ত কোন ত্রুটি তার বিরুদ্ধে আমরা কোনদিন শুনিনি।

তিনি একজন স্বচ্ছ দায়িত্বশীল। তাই আমরা নির্ধিদায় বলতে পারি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে বাস্তব সত্য মূল ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

এদিকে সমিতির কয়েকজন নেতৃবৃন্দ বৃহস্পতিবার ( ৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় হলিয়ারপাড়া ফাজিল মাদরাসার গভর্ণিং বডির সম্মানিত সদস্য ও শিক্ষক স্টাপের সাথে ভিন্ন ভিন্ন বৈঠক করে মামলায় বর্ণিত প্রবাসী কল্যাণ ফান্ড এবং অধ্যক্ষ সম্পর্কে বাস্তব অবস্থা জানতে চান।

এসময় গভর্ণিং বডির সভাপতি মোঃ ফয়যুর রহমান বলেন; আমরা আজ ব্যথিত ও মর্মাহত।

ডক্টর মাওলানা মঈনুল ইসলাম পারভেজ মূলত এলাকার দুটি পক্ষের দন্ধের স্বীকার হয়ে তিনি আজ কারাগারে়।

আমি প্রায় ২ বছর থেকে মাদরাসার গভর্ণিং বডির সভাপতির দায়িত্বে আছি, মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা পারভেজ অর্থ তসররুফ সংক্রান্ত কোন ধরণের ত্রুটি আমার কাছে পরিলক্ষিত হয়নি।

তিনি বলেন, অধ্যক্ষ মাওলানা পারভেজ একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি।

পুলিশ কর্মকর্তা এবং অনেক সাংবাদিক আমার কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ মুলক ত্রুটি আছে কি না জানতে চেয়েছেন, আমি স্পষ্ট বলে দিয়েছি এমন কোন কিছুর বাস্তবতা নেই।

মূলত দু -পক্ষের লড়াইয়ের স্বীকার হয়েছেন মাদরাসার অধ্যক্ষ ।

মাদরাসার শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ঠিক এমনিভাবে স্পষ্ট বক্তব্য এসেছে।

তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়,অধ্যক্ষ মঈনুল ইসলাম পারভেজ এলাকার একটি পক্ষের সাথে থাকার কারণে আজ তাকে কারাগারে যেতে হয়েছে।

শিক্ষকদের প্রশ্ন! আজ তাঁদের ভূমিকা কোথায়? কয়েকজন শিক্ষক কেঁদে কেঁদে বলেন; আমাদের প্রিন্সিপালের সুনাম ও খ্যাতি জগন্নাথপুর তথা সুনামগঞ্জে নয় বরং তিনি গোটা বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান ও সুপরিচিত ব্যক্তি।

এলাকার দুটি পক্ষের দন্ধের বলি হয়ে আজ তিনি কারাগারে যেতে হলো।

সমিতির সকল সিদ্ধান্তে আমরা একমত পোষণ করছি এবং যে কোন কর্মসূচীতে আমরা এগিয়ে আসবো, ইনশাল্লাহ।

তারা আরও বলেন, আমাদের খুবই কষ্ট লাগে যখন দেখা যায়,কতিপয় সংবাদকর্মী বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে একজন সম্মানিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানহানিকর কথা বলে। আমরা আল্লাহর কাছে এর বিচার চাই।

বিবৃতি দাতা হলেন- জগন্নাথপুর উপজেলা মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সহ সভাপতি মাওলানা মখছুছুল করীম চৌধুরী, সহ-সভাপতি, মাওলানা তাজুল ইসলাম আলফাজ, সহ-সভাপতি মাওলানা জমির আহমদ, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাকিম

রসুলগন্জ মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু ইউসুফ মানিক সাধারণ সম্পাদক ডক্টর সৈয়দ রেজওয়ান আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ মাওলানা সাইফুল ইসলাম,

সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সালেহ আহমদ, অর্থ সম্পাদক মাওলানা আমির আলী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ওলিউর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক মাওলানা নিজাম আহমদ,

পীরের গাঁও মাদরাসার সুপার মাওলানা নিজাম উদ্দিন,রসুল পুর মাদরাসার সুপার মাওলানা তাজুল ইসলাম, শাহজালাল জামেয়ার সুপার মাওলানা লুৎফুর রহমান,হলিয়ার পাড়া মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা নূরুল হক,জয়দার সহ সুপার মাওলানা মাহমুদুল হাসান,

হযরত আবু বকর মাদরাসার সুপার মোঃ ইকবাল হোসেন চৌধুরী, এডিএম ফখর উদ্দিন (সৈয়দপুর), রফিকুল ইসলাম মল্লিক (হলিয়ারপাড়া),

মাওলানা মোঃ রুহুল আমীন (সুপার, বাউধরন), মাওলানা মোঃ তাজুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত,পাঠকুড়া দাখিল মাদরাসা), মাওলানা ফয়েজ উদ্দিন (শিক্ষক, হবিবপুর কেশবপুর মাদরাসা),

মাওলানা সানাওর আলী (শিক্ষক, হবিবপুর কেশবপুর মাদরাসা), মাওলানা আম্বর আলী (শিক্ষক, চিলাউড়া মাদরাসা), মোঃ ইলিয়াস মিয়া (শিক্ষক, রসুলগঞ্জ মাদরাসা) মাওলানা কাওসার আহমদ (শিক্ষক, রসুলপুর বনগাও মাদরাসা),

মাওলানা আব্দুল মান্নান (শিক্ষক, চরা মাদরাসা), মোঃ রফিকুল ইসলাম (শিক্ষক, পীরেরগাও মাদরাসা), মোঃ শফিউল ইসলাম (শিক্ষক, পূর্ববুধরাইল মাদরাসা),

মোঃ আনোয়ারুল হক (শিক্ষক, বালিকান্দি মাদরাসা), মাওলানা আব্দুল মান্নান (শিক্ষক, রসুলপুর চিলাউড়া মাদরাসা), মোঃ রফিকুল ইসলাম (শিক্ষক, শাহজালাল জামেয়া দ্বীনিয়া), মোঃ শহীদুল ইসলাম (শিক্ষক, বাউধরন মাদরাসা)

মাওলানা মোঃ আফজল হোসেন (সুপার, উত্তর কালনীরচর মাদরাসা), মাওলানা মোঃ রুহুল আমীন (সুপার, বাউধরন মাদরাসা), মোঃ শহীদুল ইসলাম (শিক্ষক, বাউধরন),

মাওলানা মোঃ তাজুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত,পাঠকুড়া), মাওলানা মোঃ আবু তাহের (সুপার, শ্রীরামসী, ইবি মাদরাসা), মাওলানা মোঃ আশরাফ আলী (সুপার, আল ইহসান, ইবি মাদরাসা),

মাওলানা মোঃ ইকবাল হোসাইন, (সুপার, লতিফ নগর, ইবি মাদরাসা), মাওলানা মোঃ শাহ আলম (সুপার, হযরত বিলাল রা. ইবি মাদরাসা) সহ আরো অনেকে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

পাক হানাদার বাহিনীর শ্রীরামসি গণহত্যার বেদনা বিধুর স্মৃতি নিয়ে শ্রীরামসি শহিদ স্মৃতি সংসদের আঞ্চলিক শোক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন

মোঃ আব্দুল হাই ঃ জগন্নাথপুর – শান্তিগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান একত্রিশে আগষ্ট পাক হানাদার বাহিনীর গণহত্যাযজ্ঞে নিহত শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন বেদনা বিধুর এই স্মৃতিকে গণমানুষের হৃদয়ে জাগ্রত রাখার প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠিত শ্রীরামসি শহীদ স্মৃতি সংসদের মহতি উদ্যোগের জন্য অভিনন্দন জানান।

পরিকল্পনা মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন তথ্য প্রযুক্তির এই যোগে মেধা ভিত্তিক শিক্ষার্জনে মনোযোগি হয়ে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে হবে।

মন্ত্রী দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে বলেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বিএনপির এক নেতাকে ইঙ্গিত করে বলেন, কেউ কেউ দণ্ডিত হয়ে বিদেশে বসে দেশ পরিচালনা করতে চায়।তিনি বলেন দেশ পরিচালনা করতে হলে দেশে আসতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন  বাংলাদেশ আমাদের সবার দেশের শান্তি শ্ঙ্খৃলা বজায় রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব, বিশৃঙ্খলাকারী কাউকে এদেশের মানুষ পছন্দ করে না।

বৃহস্পতিবার (৩১ আগষ্ট) দুপুরে জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের শ্রীরামসি স্কুল এন্ড কলেজ ক্যাম্পাসে শ্রীরামসি আঞ্চলিক গণহত্যা দিবস উপলক্ষে শহিদ স্মৃতি সংসদ শ্রীরামমির উদ্যোগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। উন্নয়নের ধারাবারিকতা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে হবে।

শ্রীরামসি  শহিদ স্মৃতি সংসদের সভাপতি শ্রীরামসি স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক নুর মোহাম্মদ জুয়েলের সভাপতিত্বে
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি সিদ্দিক আহমদ,

জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক ও লেখক হাসান মোরশেদ।

শহিদ স্মৃতি সংসদ শ্রীরামসি এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলামের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শহীদ পরিবারের সন্তান জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের একাধিকবারের চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত আকমল হোসেনের সন্তান মোস্তাকিন আহমদ।

বক্তব্য রাখেন সহকারী পুলিশ সুপার জগন্নাথপুর সার্কেল সুভাশীষ ধর,
স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুব আলম,

জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, সাবেক সহ সভাপতি ও স্মৃতি সংসদের সাবেক সভাপতি  হাজি আব্দুল কাইয়ুম মশাহিদ ,

জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন লালন,মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাহবুবুল হক শেরিন,

শ্রীরামসি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হাজের আলী, জগন্নাথপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র উপজেলা ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি সাফরোজ ইসলাম,

শ্রীরামসি শহিদ স্মৃতি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শওকত আহমদ,গোলাম রব্বানী রুনু,

শ্রীরামসি শহিদ স্মৃতি সংসদের সাবেক সভাপতি মিরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া,সাবেক সভাপতি মুহিবুর রহমান,

সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহিবুর রহমান, জুয়েল মিয়া, মামুন আহমদ,প্রমুখ।

শুরতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করেন শহিদ স্মৃতি সংসদের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল রাজ্জাক।

পরে শহিদ স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে গণহত্যায় নিহত, শহিদ পরিবারের মধ্যে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

এছাড়াও মেধা বৃত্তি পরীক্ষায় উর্ত্তীণ শিক্ষার্থীদের ক্রেষ্ট ও সনদ বিতরণ করা হয়।

এদিকে শহিদ পরিবারের সদস্যদের উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানকে আরো অর্থবহ করার জন্য স্মৃতি সংসদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়।

এছাড়াও দেশ এবং প্রবাস থেকে যারা সহযোগিতা করেছেন যথাক্রমে আহবাব হোসেন, আব্দুস সোবহান,লয়লুছ মিয়া, আব্দাল মিয়া,আক্তার হোসেন, আকছার আহমদ, মিজানুর রহমান সোরাব আলী, মিসবাহ উদ্দিন, ছাদিকুর রহমান, জান্নাতুল ইসলাম বাবুল,

সৈয়দ আজিজুর রহমান শামীম,আবু আনাস, আব্দুল মুকিত,জয়নাল হোসেন, আলী আসকর,
শিবুল মিয়া, তফজ্জুল হোসেন,আলী হোসেন, বেলাল মিয়া,
মাহবুব হোসেন, আজিজুল মিয়া,মাছুম খান, আবুল কাশেম
বেলাল উদ্দিন মিঠু সহ

শোকসভায় উপস্থিত হয়ে সংগঠনের উন্নয়নের জন্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুস শহিদ অনুদান ঘোষণা দেয়ায় স্মৃতি সংসদের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

এদিকে গণহত্যা দিবসের শুরুতেই দিনব্যাপী নানান কর্মসূচির মধ্যে ছিল কালো ব্যাজ ধারন,জাতিয় ও কালো পতাকা উত্তোলন, শহিদ স্মৃতি সংসদের নেতৃবৃন্দ,শ্রীরামসি স্কুল এন্ড কলেজর পক্ষ থেকে কলেজ ক্যাম্পাসে স্মৃতি সৌদে পুষ্পস্তবক অর্পণ,  মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল সাড়ে ১১ টায় পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান সহ অতিথিবৃন্দ স্মৃতি সৌদে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এদিকে এলজিইডির বাস্তবায়নে ৯৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকা ব্যয়ে ছিরামিশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়  ও ৯০ লাখ ৯৬ হাজার ৮০০ টাকা ব্যয়ে মশাজান কাদিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্ধোধন করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান।

জটুডে /এহাই

সৈয়দপুর আদর্শ কলেজের ভবণ উদ্বোধন ঃ মিথ্যাচার করে দেশের ১৮কোটি মানুষকে বোকা বানানো যাবে না,,,,,, মন্ত্রী এমএ মান্নান

স্টাফ রিপোর্ট ঃ    জগন্নাথপুর – শান্তিগন্জ আসনের সংসদ সদস্য পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নানকে জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুর গ্রামবাসীর উদ্যোগে গণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

বিপুল উতসাহ উদ্দীপনায় বিপুল সংখ্যক জনসাধারণের উষ্ণ ভালোবাসা,আর ফুলেল শুভেচ্ছায় অভিভূত হয়েছেন হাওর রত্ন পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান।

আজ বুধবার দুপুরে সৈয়দপুর আদর্শ কলেজ মিলনায়তনে সৈয়দপুর বাসীর উদ্যোগে তাঁকে দেয়া গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদেরকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র দিয়েছেন।

দেশ এখন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে  উন্নয়নের মহাসড়কে।

তিনি বলেন এদেশের মানুষকে গোলামী শৃঙ্খল পড়াতে একটি গোষ্টি বাহিরের লোকজনকে নিয়ে ঢাকায় এসি রুমে বসে চা, আর স্যান্ডউইচ খেয়ে বলে, এদেশে আইন নেই, গণতন্ত্র নেই।

এসব আজগবি গল্প দেশের মানুষ বিশ্বাস করে না।

নির্বাচনে আসুন, নির্বাচন করতে হবে। আমরা নির্বাচন করব। নির্বাচন না করলে দেশের সংবিধান, আইন থাকবে না।

মিথ্যাচার করে দেশের ১৮কোটি মানুষকে বোকা বানানো যাবে না

ভোটের মাধ্যমে উন্নয়নের জন্য আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন এই সরকারকে আবারও বিজয়ী করবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন, দেশের সংবিধান অনুয়ায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সুষ্ঠু নির্বাচনে জন্য নির্বাচন কমিশন রয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছেন। জনগনের ভোটে যারা বিজয়ী হবেন তাঁরাই সরকার পরিচালনা করবেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী আরো বলেন, অভাবি মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে জননেত্রী শেখ হাসিনা নিরসলভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিশুদ্ধ পানি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতাসহ সার্বিক উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করছে।

এ সরকারের ধাবাবারিক উন্নয়নের জন্য আবারো আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করার জন্য তিনি জনসাধারণের প্রতি আহবান জানান।

সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের স্বনামধন্য চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবুল হাসানের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাইদুল হকের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন , সুনামগঞ্জে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি সিদ্দিক আহমদ,,
জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আতাউর রহমান,জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু,
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: কামরুজ্জামান,।

স্বাগত বক্তব্য রাখার সৈয়দপুর আদর্শ কলেজের স্বনামধন্য অধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান।

পরে মন্ত্রীকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

এরআগে মন্ত্রী শিক্ষা প্রকৌশল অতিদপ্তরের বাস্তবায়নে সাড়ে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সৈয়দপুর আদর্শ কলেজের নবনির্মিত আইসিটি ও একাডেমিক ভবন উদ্ধোধন করেন।

এছাড়াও তিনি,এলজিইডির বাস্তবায়নে ৮৯ লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়ে আউদত পূর্ব বুধরাইল আটঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন , ১ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার ৭০০ টাকা ব্যয়ে পূর্ব তিলক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন,

৮৮ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫ টাকা ব্যয়ে চকতিলক-দাওরাই সড়কের আধা কিলোমিটার অংশে আরসিসি”র কাজ ও ভবের বাজার-সৈয়দপুর-গোয়ালাবাজার সড়কের কাঁঠালখাইড় অংশে ৯ কোটি ৮৩ লাখ ৫৩ হাজার ৪৮১ টাকা ব্যয়ে পুনর্বাসন কাজের উদ্ধোধন করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান।

জটুডে/ এহাই

চিলাউড়ায় আনোয়ার মিয়া ট্রাষ্টের উদ্যোগে বিভিন্ন পন্যের খাদ্য সামগ্রী বিতরন

স্টাফ রিপোর্ট ঃ  জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী চিলাউড়া গ্রামের কৃতি সন্তান যুক্তরাজ্য প্রবাসী হাজ্বী মোঃ আনোয়ার মিয়া কর্তৃক

গরীব অসহায় মানুষের কল্যাণে প্রতিষ্ঠিত হাজ্বী “আনোয়ার মিয়া ট্রাষ্ট” প্রতি মাসের ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে একশত পরিবারের মধ্যে চাল,তৈল,লবন,পিয়াজ,আলো সহ বিভিন্ন পণ্যের খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।

চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদুল ইসলাম বকুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চিলাউড়া রসুলপুর গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী মোঃ আলা উদ্দিন।

সভাপতির বক্তব্যে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদুল ইসলাম বকুল বলেন বিগত ৯ বছর ধরে আনোয়ার মিয়া ট্রাষ্ট বিভিন্ন ইউনিয়নের অসহায় দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী প্রদান হাসপাতালে ভর্তি রোগীর চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ হত দরিদ্র মানুষদের পুর্নবাসন সহ সহায়তা দিয়ে আসছেন।

আমাদের গ্রামবাসীর গর্ব “আনোয়ার ট্রাষ্ট” এবং এলাকা বাসীর পক্ষ থেকে আশা করব যেভাবে কার্যক্রম চলছে ইনশাআল্লাহ অব্যাহত থাকবে।

পাশাপাশি হাজ্বী আনোয়ার মিয়ার নেক হায়াত ও দির্ঘায়ু কামনা করি।

পরে আনোয়ার মিয়া ট্রাষ্টের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি যুক্তরাজ্য প্রবাসী আলা উদ্দিনকে সম্মাননা স্মারক ক্রেষ্ট ও রৌপ্য মেডেল প্রদান করা হয়।

আনোয়ার ট্রাষ্টের সাফল্য ও পরিবারের সকলের জন্য উজ্জল জীবন ও সমস্ত মুরদেগানদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফিজ ক্বারী জাহিদ হাসান ইমন।

পরে চিলাউড়া শাখার ম্যানাজার মোঃ আব্দুল মমিনের পরিচালনায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

এসময় চিলাউড়া গ্রামের প্রবীণ মুরুব্বী ও শালিসি ব্যক্তিত্ব মোঃ আব্দুল মন্নান, ট্রাষ্টের উপদেষ্টা মোঃ নুরুল আমিন, চিলাউড়া বাজার তদারক কমিটির সভাপতি আব্দুল মালেক,মোঃজামাল হোসেন,রেদ্বওয়ান আহমেদ (বাবুল) ও শামিম আহমেদ উপস্থিত ছিলেন ।

দেশ এবং প্রবাস থেকে অনেকেই হাজ্বী আনোয়ার মিয়া ট্রাষ্টের সাফল্য কামনা করেন।

জটুডে /এহাই