র‌হিমা রহমান লন্ডনের নিউহা‌মের প্রথম ব্রিটিশ বাঙালি বাংলা‌দেশি স্পীকার ‌নির্বাচিত

মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান ( লন্ডন) যুক্তরাজ্য থেকে :

যুক্তরাজ্যের লন্ডনের বাংলা‌দেশি ক‌মিউনিটির পরি‌চিত মুখ, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট , নারী জাগরণের অগ্রদূত, সংগঠক র‌হিমা রহমান।

তিনি গ্রেট ব্রিটেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাংলা‌দেশি ব্রিটিশ-বাঙালি জনবহুল বারা কাউন্সিল বা নগর কর্তৃপক্ষ নিউহাম কাউন্সিলের চেয়ার অব দ‌্য কাউন্সিল তথা স্পীকার নির্বা‌চিত হ‌য়ে‌ছেন।

র‌হিমা রহমানই প্রথম বাংলা‌দেশি, যি‌নি এ বারার স্পীকার নির্বা‌চিত হ‌লেন।

নিয়ম অনুযায়ী দা‌য়িত্ব পালনকা‌লে তিনি এই নিউহাম কাউন্সিলের ফার্ষ্ট সি‌টি‌জেন হি‌সে‌বে গণ্য হ‌বেন।

সোমবার (২২ মে ২০২৩ ) লন্ডনের স্থানীয় সময় রা‌তে নিউহাম কাউন্সিলের বা‌র্ষিক সাধারণ সভায় নির্বা‌চিত কাউন্সিলরদের প্রত‌্যক্ষ ভো‌টে চেয়ার অব দ‌্য কাউন্সিল বা স্পীকার নির্বা‌চিত হন র‌হিমা রহমান।

তিনি নিউহাম কাউন্সিলের চার বা‌রের নির্বা‌চিত কাউন্সিলর।

১৯৯৮ সালে র‌হিমা লেবার পার্টিতে স‌ক্রিয়ভাবে যোগ দেন।
বিলেতের মূল ধারার বি‌ভিন্ন সংবাদপ‌ত্র ও মাই লন্ডন ম‌্যাগা‌জি‌নে লন্ডন ও নিউহাম শহরের উন্নয়ন ভাবনা নি‌য়ে দেড় দশক আগেই র‌হিমার বি‌ভিন্ন নিবন্ধ প্রকা‌শিত হ‌য়।

তার শৈশব ও কৈ‌শোর কে‌টে‌ছে নিউহামেই। লিটল ইল‌ফোর্ড স্কুল ও নিউহাম ক‌লে‌জে লেখাপড়া ক‌রেন।
১৯৯৩ সালে ইউএলএ থেকে বিজনেস অ্যান্ড ফিন্যান্সে ডিগ্রি পাস করেন।
২০০৮ সালে ব্রিকবেক ইউনিভার্সিটি থেকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইন পলিট্রিক্স সম্পন্ন করেন।

নব্বই‌য়ের দশক থে‌কে র‌হিমা গ্রিন স্ট্রিট নেইবারহু‌ডের জন‌্য কাজ কর‌ছেন।
মা ও শিশুর জীবনমা‌নের উন্নয়ন নি‌য়ে নির‌বি‌চ্ছিন্নভা‌বে গত তিন দশক ধ‌রে কাজ ক‌রছেন র‌হিমা রহমান।

তিনি ২০০৬ সালে প্রথমবা‌রের ম‌তো নিউহাম কাউন্সিলের কাউন্সিলর নির্বা‌চিত হন।

রহিমা তার বাবার অনুপ্রেরণায় ছোটবেলা থেকেই কমিউনিটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

উল্লেখ্য নব নির্বা‌চিত সি‌ভিক স্পীকার র‌হিমা রহমা‌নের বাবা মো. আবুল খ‌য়ের হো‌সেন সিলেট বিভাগের নবীগ‌ঞ্জের সন্তান ‌। র‌হিমারা দুই ভাই ও তিন বোন।

কর্মসূত্রে বাবা বিলেত প্রবাসী থাকায় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে রহিমা রহমান ইংল্যান্ডে আসেন ১৯৮৭ সালে। ‌

২০০১ সালে সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার সদর উপ‌জেলার উত্তর মোলাইম গ্রামের মুজিবুর রহমান জসিমের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

রহিমা রহমা‌নের স্বামী মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সা‌বেক সভাপ‌তি মু‌জিবুর রহমান জসীম নিউহাম কাউন্সিলের দুই বা‌রের নির্বা‌চিত কাউন্সিলর।

সুনামগঞ্জ জেলা সমিতি অব মিশিগান – এর অভিযেক ২৫ ডিসেম্বরঃ-জগন্নাপুর টুডে;

এনামুল হক এনাম যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবেদকঃ-
যুক্তরাষ্ট্রে সুনামগঞ্জ জেলা সমিতি অব মিশিগান -এর অভিষেক অনুষ্ঠান আগামীকাল রবিবার ২৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

বিকাল ৫ টায় গেইট অব কলম্বাসে এই অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

মিশিগানে বসবাসরত সকল প্রবাসী বাংলাদেশী ভাই এবং বোনদের জাঁকজমকপূর্ণ অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহনের জন্য সমিতির পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সুনামগঞ্জ জেলা সমিতি অব মিশিগান-এর নেতৃবৃন্দরা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন। জটুডে /এহাই

সুনামগঞ্জ জেলা সমিতি অব মিশিগান – এর অভিযেক ২৫ ডিসেম্বরঃ-জগন্নাথপুর টুডে;

এনামুল হক এনাম যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবেদকঃ-

যুক্তরাষ্ট্রে সুনামগঞ্জ জেলা সমিতি অব মিশিগান -এর অভিষেক অনুষ্ঠান আগামীকাল রবিবার ২৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

বিকাল ৫ টায় গেইট অব কলম্বাসে এই অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

মিশিগানে বসবাসরত সকল প্রবাসী বাংলাদেশী ভাই এবং বোনদের জাঁকজমকপূর্ণ অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহনের জন্য সমিতির পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সুনামগঞ্জ জেলা সমিতি অব মিশিগান-এর নেতৃবৃন্দরা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন। জটুডে /এহাই

কমনওয়েলথের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রানির স্মৃতি উজ্জল রাখার আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কমনওয়েলথ থেকে প্রয়াত রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের স্মরণে যথাযথ কিছু করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কয়েক বছর ধরে ফোরামে তার নিবেদিত সেবা স্মরণে থাকে।

শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) কমনওয়েলথ মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড কিউসি লন্ডনে শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত রানীকে ‌‘মাতৃতুল্য ব্যক্তিত্ব’ হিসাবে অভিহিত করেছেন এবং রানীর সঙ্গে তার ব্যক্তিগত স্মৃতি স্মরণ করেছেন।
কমনওয়েলথ মহাসচিব কমনওয়েলথের প্রতি তার অঙ্গীকারের জন্য রানীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
কমনওয়েলথের নতুন প্রধান হিসেবে রাজা তৃতীয় চার্লস এই উত্তরাধিকারকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলেও তিনি আস্থা প্রকাশ করেন।

চলতি বছরের জুনে রুয়ান্ডায় কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের বৈঠকে মহাসচিব পদে প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তাকে অভিনন্দন জানান।
মহাসচিব নারীর ক্ষমতায়ন, শিশু উন্নয়ন, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সহিংস চরমপন্থা মোকাবিলায় শেখ হাসিনার অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি কোভিড-১৯ মহামারী সফলভাবে মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, কমনওয়েলথ সদস্য রাষ্ট্রগুলি সেই সঙ্কটের সময় যথেষ্ঠ আরও ভালো করেছিল যেগুলির নেতৃত্বে নারীরা রয়েছেন বা পরিচালনা প্রক্রিয়ায় নারীরা সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে কমনওয়েলথ পরিবারের নারী নেতৃত্ব তুলে ধরার বিষয়ে মহাসচিবের পরামর্শে প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সাড়া দেন।

তিনি আগামী বছর স্মারক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘শান্তির বছর’ এবং ‘যুব বছর’ পালনের জন্য কমনওয়েলথের সঙ্গে অংশীদারিত্বের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মহাসচিব প্রকৃতি সংরক্ষণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের কাজের উল্লেখ করেন এবং কমনওয়েলথের ‘লিভিং ল্যান্ডস’ উদ্যোগে নেতৃত্ব প্রদর্শনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান।
তিনি সংস্থার ‘ব্লু চার্টার’ উদ্যোগের সঙ্গে বাংলাদেশের নেতৃত্বের সম্পৃক্ততার কথাও স্মরণ করেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কমনওয়েলথের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের সক্রিয় পদচিহ্নের সঙ্গে ব্যবসা ক্ষেত্রে সংযোগের উন্নয়নে কাজ করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া এবং যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম।

লুৎফুর রহমান লন্ডন টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র নির্বাচিত

মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, লন্ডন থেকে :

যুক্তরাজ্যের লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলে
৫ মে বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে জনতার মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ব্রিটিশ বাঙালি লুৎফুর রহমান। আগামী চার বছর তার হাতে থাকবে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নতুন টাউন হলের দায়িত্ব।

শুক্রবার ৬ মে ২০২২ বিকেলে নির্বাচন কমিশনার টাওয়ার হ্যামলেটসের নতুন নির্বাহী মেয়র হিসেবে লুৎফুর রহমানের নাম ঘোষণা করেন।

প্রথম গননার ফলাফলে এগিয়ে ছিলেন লুৎফুর রহমান।
তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৩৯,৫৩৩ ।
লেবার দলীয় জন বিগস পেয়েছেন ২৭,৮৯৪।
লুৎফুর আর জন বিগসের ব্যবধান ১১ হাজার ৬৩৯ ভোটের। রাবিনা খান ৬,৪৩০ ভোট।

মোট ভোট গ্রহণ হয়েছে ৮৬ হাজার ৯। এরমধ্যে ১৮৬৪ ভোট বাতিল করে গননায় এসেছে ৮৪ হাজার ১২৫ ভোট।

দ্বিতীয় ভোট গননায়ও লুৎফুর রহমান এগিয়ে। সেখানে মোট ভোটের হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন বহুল আলোচিত টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের জনতার আপনজন লুৎফুর রহমান।

নির্বাচনী নিয়মানুযায়ী ভোট গণনার প্রথম রাউন্ডে লেবার দলের প্রার্থী জন রবার্ট বিগস ভোট পেয়েছেন ২৭,৮৯৪ ।
এস্পায়ার দলের প্রধান লুৎফুর রহমানের ভোটের সংখ্যা হয় ৩৯,৫৩৩ ।
দ্বিতীয় রাউন্ডের ভোট গণনা শেষে লুৎফুর রহমান মোট পেয়েছেন ৪০,৮০৪ ভোট এবং প্রতিদ্বন্দ্বী লেবারদলের প্রার্থী জন বিগস এর ভোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৩৪৮৭ ।

যুক্তরাজ্যে সৈয়দপুর যুবপরিষদ সিলেটের সাবেক সদস্যদের ঈদমিলনী অনুষ্ঠিত

লন্ডন ব্যুরো অফিস :

সৈয়দপুর ইয়থ অরগেনাইজেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (SYOD) এর উদ‍্যোগে যুক্তরাজ‍্যে বসবাসরত সৈয়দপুর যুবপরিষদ সিলেটের সাবেক সদস‍্যদের এক মিলনমেলা সম্পন্ন হয়েছে।

৪ঠা মে বুধবার যুক্তরাজ‍্যের বার্মিংহামের স্থানীয় একটি অভিজাত রেস্তুরার হলরোমে সংগঠনের ফাউন্ডার মেম্বার সৈয়দ শরীফ আহমেদ ও মোঃ সাব্বির আহমের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর ইয়থ অরগেনাইজেশন ফর ডেভেলপমেন্ট এর সি.ই.ও শাহ আজম কোরেশী এবং পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন সৈয়দ উজায়ের আহমদ।

আলোচনা সভার শুরুতেই স্বাগত ব্ক্তব‍্য রাখেন সৈয়দপুর যুবপরিষদ সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা সমন্বয়কারী অধ্যাপক সাজিদুর রহমান।

শুভাকাঙ্খীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হাফিজ সৈয়দ কফিল আহমেদ, কাউন্সিলর সাজু মিয়া, সৈয়দ মারুফ আলী,মোহাম্মদ ময়নুল হক, সৈয়দ আকতার হোসেন কিবরিয়া, মজনু সাবের, সুহেল আহমেদ, শেখ রেজওয়ানুর রহমান, মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, অলি আহমদ রুনু, মোহাম্মদ ফাজাক্কির , সৈয়দ হুমায়ুন রশীদ, মির্জা রায়হান প্রমুখ।

সৈয়দপুর যুবপরিষদ সিলেটের প্রতিষ্ঠা হতে এ পর্যন্ত দায়িত্বশীদের প্রজেক্টরের মাধ্যমে পরিচয় পরিচয় পর্ব এবং শুভাকাঙ্খীদের শুভেচ্ছা বার্তা পরিচালনা করেন সৈয়দ রিয়াদ আহমেদ।
সৈয়দপুর যুবপরিষদ সিলেটের সাবেকদের মধ‍্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সৈয়দ মোশাররফ আলী, সৈয়দ শাহেদ ইমরান, সৈয়দ জহিরুল হক লিটন, সৈয়দ আফ্ফান আহমদ, সৈয়দ সায়েদ আহমদ, মল্লিক শাহী মাহমুদ নয়ন, সৈয়দ মাহফুজ আহমেদ, আব্দুল আউয়াল লালা, সৈয়দ জামিল, সৈয়দ জাবের, সৈয়দ মারহানুল হক, শেখ শাহীন হাসান, সৈয়দ মিজান আহমেদ, মোফাস্সিল আহমদ, সৈয়দ মাসুক মিয়া, সৈয়দ মাসুদ,লকামরান আহমেদ, আবু তারেক, সৈয়দ সাকাল আবেদীন, সৈয়দ শাকির আহমেদ, সৈয়দ সুহেল।
অনুষ্ঠানে আগত সকলেই এরকম একটি সুন্দর আয়োজনের জন্য সৈয়দপুর ইয়থ অরগেনাইজেশন ফর ডেভেলপমেন্ট এর ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সংগঠনটির উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করেন।

অন‍্যান‍্যের মধ‍্যে উপস্থিত ছিলেন লুৎফুর রহমান মেরাজ, তুহেল আহমেদ, সৈয়দ মিসকাত,হোসেন মিয়া ,সৈয়দ সুমন,সৈয়দ ইমরান আহমেদ,মোহাম্মদ জাবের,সৈয়দ জাবের,সৈয়দ জাকির আহমেদ,কাওসার আহমদ,সৈয়দ রাজু মিয়া,আবিদ মল্লিক,সৈয়দ সাবির, সৈয়দ শরীফ,সৈয়দ শাহীর আহমদ,মল্লিক তাহসীন আহমদ,শেখ শাহবাজ আহমেদ শিপু,সৈয়দ কামরান, সৈয়দ সামি প্রমূখ।

লন্ডনে লাভ টাওয়ার হ্যামলেটেসের ক্যাম্পেইন

 লন্ডন অফিস :

লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ্যামলেটসের রাজনীতি, সংস্কৃতি এবং মাইগ্রেন্ট কমিউনিটির জন্য কাজ করেছেন এবং কমিউনিটিতে আলো দিয়েছেন, যারা সাবেক এমপি, লেবার পার্টির নেতা মুলধারায় বাঙালির বসতি স্থাপনে যিনি ছায়া হয়ে ছিলেন সেই বাতিঘর পিটার সোর এমপি, কমিউনিটির নিবিড় পরিচর্যায় যিনি ছিলেন মরহুম মিয়া আক্তার হোসেন ছানু মিয়া, সাংবাদিক, সাবেক কাউন্সিলর মরহুম শাহাব উদ্দিন বেলাল ও মরহুম আব্দুস সালিক যিনি ব্রিকলেনের সালিক ভাই নামে পরিচিত ছিলেন। তাদের স্মৃতি স্মারক প্রতিষ্ঠার জন্য বৃহস্পতিবার লাভ টাওয়ার হ্যামলেটেসের পক্ষে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের কালচারাল লিড মেম্বার কাউন্সিলর সাবেক স্পিকার সাবিনা আক্তারের কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রস্তাবনা দিয়েছেন এবং ক্যাম্পেইন শুরু করেছেন নেতৃবন্দ।

ক্যাম্পেইনের সময় পূর্ব লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে সাইট ভিজিটে- এ সময় উপস্থিত ছিলেন, টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের মাননীয় স্পিকার কাউন্সিলর আহবাব হোসেন। কেম্পেইন গ্রুপের পক্ষ, আনসার আহমদ উল্লাহ, আহাদ চৌধুরী বাবু, জামাল খান, জুয়েলরাজ। এতে ক্যাম্পেইন গ্রুপের পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়। এ প্রসঙ্গে মুখপাত্র সাংবাদিক আহাদ চৌধুরী বাবু জানান তৃতীয় বাংলার কমিউনিটির আলোকিত মানুষদের কাজ এবং ত্যাগকে মুল্যায়নে আমরা একটি প্রেসার গ্রুপ হিসাবে কাজ করবো এবং এর ধারবাহিকতায় টাওয়ার হ্যামলেটসের ইতিহাস ঐতিহ্যের স্মারক বীরদের বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা থাকবে ৷

কাউন্সিলার সাবিনা আক্তার বিষয়টি নিয়ে প্রদক্ষেপ গ্রহণে সংক্রিয় হবেন বলে আশ্বাস দেন । ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রেসিডেন্ট , স্বাধীনতা টাস্ট্রের আনসার আহমদ উল্লাহ বলেন- আমরা মূলধারার নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছি ৷ বর্ণবাদ ও কমিউনিটি উন্নয়নে যাদের প্রত্যক্ষ অবদান রয়েছে তাদের স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য আহবান জানিয়েছি, এতে ইতিহাস সমৃদ্ধ হবে ৷ স্পিকার কাউন্সিলার আহবাব হোসেন এধরণের ক্যাম্পেইন বহুজাতিক সংস্কৃতিতে অন্যতম উদাহরণ বলে মন্তব্য করেন ।

জ.টুডে- এ হাই

কল্যাণমূলক কাজের প্রত্যয়ে লন্ডনে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির অভিষেক সম্পন্ন

লন্ডন অফিস :

কল্যাণমূলক কাজের প্রত্যয়ে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২য় অভিষেক সম্পন্ন হয়েছে। ব্রিটেনে রিপোর্টার্সদের ঐক্যতানে, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রেরণে, ব্রিটিশ বাঙালিদের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয়ে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির যাত্রা শুরু হওয়া ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২য় অভিষেক হলো আনন্দঘন মনোভাবে নবীন প্রবীন সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ।

রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর ২০২১) দুপুরে পূ্র্ব লন্ডনে একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির ফাউন্ডিং প্রেসিডেন্ট , বাংলা মিরর পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক বাংলা সংলাপের সহকারী সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ রাহমানের সভাপতিত্বে এজিএম ও অভিষেক অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ব্রিটিশ বাংলা নিউজের সম্পাদক, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক এটিএম মনিরুজ্জামান।

এ সভায় ২০১৮/২০২০ সালের কার্যকরী কমিটির বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করেন ট্রেজারার মিজানুর রহমান মীরু এবং সেক্রেটারি এটিএম মনিরুজ্জামান বার্ষিক সেক্রেটারি রিপোর্ট উপস্থাপন করেন। রিপোর্টে বলা হয় বিগত দিনে প্রায় লক্ষাধিক টাকা ব্রিটেন ও বাংলাদেশে সমাজের অসহায় সুবিধাবন্চিত মানুষের মাঝে কিছু অর্থ অনুদান হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।

পরে এ সভার সম্মতিক্রম ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২০২১/২০২২ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা করা হয়। নবনির্বাচিত কার্যকরী কমিটির সভাপতি হলেন- ডেইলী স্টারের যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি আনসার আহমদ উল্লাহ। সাধারণ সম্পাদক হলেন বাংলা সংলাপের সিনিয়র রিপোর্টার ও জগন্নাথপুর টাইমস এর সহকারী সম্পাদক সাজিদুর রহমান।

নবনির্বাচিত কমিটির অন্যান্যরা হলেন – ভাইস প্রেসিডেন্ট উত্তরপূর্বের যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি মতিয়ার চৌধুরী, ব্রিটিশ বাংলা নিউজের সম্পাদক এটিএম মনিরুজ্জামান, লন্ডন টাইমস এর সম্পাদক সৈয়দ শাহ সেলিম আহমদ। এসিসটেন্ট সেক্রেটারি – এটিএন বাংলা ম্যানচেস্টার প্রতিনিধি আমিনুল হক ওয়েছ। ট্রেজারার – বাংলা নিউজ ইউএস ডটকমের যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি মুহাম্মদ সালেহ আহমদ, এসিসটেন্ট ট্রেজারার – জগন্নাথপুর টাইমস এর সিনিয়র রিপোর্টার – এসকেএম আশরাফুল হুদা , অর্গানাইজিং সেক্রেটারি – বিশ্ববাংলা নিউজ২৪ এর সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান।

মিডিয়া এন্ড আইটি সেক্রেটারি- স্বদেশ বিদেশ এর বিশেষ প্রতিনিধি শাহ রুমি হক, সোসিয়াল ওয়েলফেয়ার সেক্রেটারি- বালাগঞ্জ প্রতিদিন এর বিশেষ প্রতিনিধি ও মাসিক বিলেত এর ম্যানেজিং এডিটর মিজানুর রহমান মীরু। ফাস্ট এক্সিকিউটিভ মেম্বার হলেন- বাংলা মিররের বিশেষ প্রতিনিধি মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান। অন্যান্য এক্সিকিউটিভ মেম্বার হলেন- জে টাইমস টিভির ল এন্ড ইমিগ্রেশন রিপোর্টার ব্যারিস্টার মো: ইকবাল হোসেইন, বাংলা সংলাপের প্রকাশক আনসার মিয়া , ইউরোবিডি নিউজ ডটকমের ইউকে প্রতিনিধি সেলিনা আক্তার জোছনা, ও ডেইলী আমাদের সময়ের চীফ ইউরোপ করেসপনডেন্ট – রুমানা আফরুজ রাখি।

২য় পর্বে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২০২১/২০২২ সালের কার্যকরী কমিটি অভিষেকে নব নির্রাচিত সভাপতি আনসার আহমদ উল্লার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাজিদুর রহমানের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন – বাংলাদেশ হাই কমিশন লন্ডনের মিনিস্টার প্রেস এন্ড মিডিয়া – মিস্টার আশিকুন নবী চৌধুরী।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন – সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, দ্যা এডিটরের সম্পাদক আহাদ চৌধুরী বাবু, জে টাইমস টিভির ব্যারিস্টার ইকবাল হোসেইন, বিশ্ববাংলা নিউজের সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, ২৬ টেলিভিশনের সিইও জামাল খান, সোহেল আহমদ প্রমুখ। ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান তাঁর বক্তব্যে -সরকারী উদ্দোগে ব্রিটেনে কালচারাল সেন্টার স্থাপন প্রসঙ্গে আহবান জানালে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ব্রিটেনে বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রেস মিনিস্টার আশিকুন নবী চৌধুরী বলেছেন, বিলেতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে চলছে। বৈশ্যিক মহামারির কারণে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে।

তবে মান্যবর হাই কমিশনারের উদ্যোগে ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এটি অতি শ্রিগ্রই আলোর মুখ দেখবে বলে আমরা আশাবাদী । তিনি বলেন ব্রিটেনের বাংলা সংবাদ পত্রের শতাধিক বছরের গৌরব উজ্জল ইতিহাসে অংশ হচ্ছে প্রথম সংবাদ পত্র সত্যবাণী পত্রিকা যেটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত হয়, যার ধারাবাহিকতা আজ বিলেতে বাংলা সংবাদ পত্র শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে এখনো ৷ তিনি গ্রেট ব্রিটেনের ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশ ও কল্যাণমূলক কাজের ভূয়শী প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে তাঁকে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির অনারারী মেম্বারশিপ পদ প্রদান করায় রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সভায় বক্তারা বলেন – বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি কল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রেখে রিপোর্টার্স ইউনিটির দ্বিতীয় অভিষেক যা কমিউনিটির জন্য আশার আলো ।

জ.টুডে/এ হাই

ব্রিটেনে রানির সম্মাননা পেলেন- কবি দবিরুল, লুৎফুর, সেলিম, সৈয়দ আফসার, সাজ্জাদ, অলি , সুফু ও নীলিমা

মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান :

গ্রেটব্রিটেনে নানা জাতি, পেশার মানুষেরা কমিউনিটিতে এবং জাতীয় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কল্যাণমূলক কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ প্রতিবছর রাণীর জন্মদিনে ওবিই, এমবিই, বিইএম সহ অন্যান্য সম্মাননা প্রদান করা হয়ে থাকে।
এবছরও রাণীর জন্মদিনের সম্মাননায় অন্যান্য জাতির মতো ব্রিটিশ বাঙালি যারা এইসব অ্যাওয়ার্ডের জন্য তালিকাভূক্ত হয়েছেন ।

ব্রিটেনের রানির মর্যাদাকর সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি ব্রিটিশ বাঙালি, কবি দবিরুল ইসলাম চৌধুরী, কাউন্সিলর লুৎফুর রহমান, আবু সেলিম আহম্মেদ , শিক্ষক -সাংবাদিক সৈয়দ আফসার উদ্দিন, সাজ্জাদ মিয়া, অলি খান, সুফু ও নীলিমা রহমান।

ব্রিটেনে রাণীর জন্মদিন উপলক্ষে এ বছরে সম্মানিত ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ করেছে ব্রিটেনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তমধ্যে রয়েছেন করোনাভাইরাস মহামারিকালিন সময়ে অবদান রাখা ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় কমিউনিটিতে এবং সরকারের উচ্চ পর্যায়ে অবদান রেখেছেন এমনসব ব্যক্তিবর্গ।
এ বছর মোট ১৪৯৫ জনকে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়েছে। যার মধ্যে ৭২ শতাংশ হচ্ছেন স্থানীয় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। যারা নিজ নিজ কমিউনিটিতে অবদান রাখার পাশাপাশি ব্রিটিশ সমাজের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। এ বছর বেশ কয়েকজন ব্রিটিশ বাংলাদেশী এই সম্মান অর্জন করেছেন।

কভিড১৯ এর সময়ে লন্ডনে চ্যারিট্যাবল সার্ভিসের জন্য ওবিই সম্মাননা পেয়েছেন ব্রিটিশ বাঙালি কবি দবিরুল ইসলাম চৌধুরী।

যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার থেকে কাউন্সিলর লুৎফুর রহমান চলতি এবছরে রাণীর জন্মদিনে ওবিই এ্যাওয়ার্ডের জন্য ভূষিত হয়েছেন।

তাছাড়া সন্ত্রাসবাদ, মুসলিম বিদ্বেষ বিভিন্ন কার্যক্রমে অনন্য অবদানের জন্য চলতি বছর ওবিই খেতাব প্রাপ্ত হয়েছেন আরেকজন ব্রিটিশ বাঙালি আবু সেলিম আহম্মেদ ।

এ প্রতিবেনদটি তৈরীর সময়ে রাণীর জন্মদিনের সম্মাননায় অন্যান্য ( এমবিই ও বিইএম ) খেতাবে যারা ভূষিত হয়েছেন এবং যাদের তথ্য পাওয়া গিয়েছে— তারা হলেন:

শিক্ষাক্ষেত্রে এই প্রথম একজন ব্রিটিশ বাঙালি এমবিই খেতাব প্রাপ্ত— ব্রিটেনের বাংলা গণ্যমাধ্যমে অত্যন্ত পরিচিত প্রিয়মুখ, গণমাধ্যম কর্মী, শিক্ষাবিদ সৈয়দ আফসার উদ্দিন। তিনি ব্রিটেনের রানির মর্যাদাকর এই সম্মাননা এমবিই (Member of the Order of the British Empire) খেতাবে ভূষিত হয়েছেন।

তাছাড়া লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ্যামলেটসে কমিউনিটি সার্ভিসের জন্য এমবিই ( MBE) এ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হলেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব সাজ্জাদ মিয়া এবং
যুক্তরাজ্যের লুটন এন্ড ভার্ডপরশায়ার থেকে বিশেষ করে কভিড১৯ এর সময়ে চ্যারিটিবল কাজের সম্মাননা হিসেবে এমবিই (MBE) অ্যাওয়ার্ড পেলেন ব্রিটিশ বাঙালি অলি খান, রেষ্টুরেন্ট ব্যবসায় সেবা, চ্যারিটি ও কমিউনিটি ওয়ার্কের জন্য এই এমবিই খেতাবপ্রাপ্ত হয়েছেন জর্জ মিয়া সুফু ।
এবং
বিইএম ( BEM) অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন যুক্তরাজ্যের সাউথশীন্ড থেকে ব্রিটিশ বাঙালি নারী নীলিমা রহমান।


গ্রেট ব্রিটেনে ২০২০ সালের জন্য রাণীর জন্মদিনে ওবিই, এমবিই ও বিইএম সম্মাননা প্রাপ্ত ব্রিটিশ বাঙালিদের সংক্ষিপ্ত জীবন তথ্য নিম্নরূপ :

দবিরুল ইসলাম চৌধুরী ওবিই :

স্যার ক্যাপ্টেন টম ম্যুরের দৃষ্টান্ত অনুস্মরণ করে দবিরুল ইসলাম চৌধুরী তার বাগানে হাঁটা শুরু করেছিলেন এবং পেলেন পুরস্কার।
ব্রিটেনের রানীর জন্মদিনে ব্রিটিশ বাংলাদেশী শতবর্ষী দবিরুল ইসলাম চৌধুরীর নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে ওবিই সম্মাননার জন্য।

কভিড কালীন সময়ে রোযা রেখে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জন্য অর্থ সংগ্রহের এমন নজির স্থাপনের জন্য দবিরুল ইসলাম চৌধুরীকে অর্ডার অব ‌দ্যা ব্রিটিশ এম্প্যায়ার সম্মাননার জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়।

করোনাকালীন বৈরী সময়ে বিশ্বের অসহায় মানুষের জন্য মানবকল্যাণে কাজ করায় দ্রুত স্বীকৃতি পেলেন দবিরুল ইসলাম চৌধুরী।
গত রমজানে করোনাভাইরাস সঙ্কটে দুর্গত মানুষের জন্য তহবিল সংগ্রহ করায় ব্রিটিশ রানি এলিজাবেথের জন্মদিনে দেওয়া অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (ওবিই) খেতাব প্রাপ্ত শতবর্ষী ব্রিটিশ বাংলাদেশি বাঙালি দবিরুল ইসলাম চৌধুরী পূর্বলন্ডনের বো এলাকায় তার বাড়ির সামনের বাগানে পুরো রমজান মাস ৯৭০ দফা হেঁটে চ্যারিটির জন্য ৪ লাখ ২০ হাজার পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা) তহবিল সংগ্রহ করেন।

রামাদান ফ্যামিলি কমিটম্যান্ট নামের একটি চ্যারিটির জন্য তোলা এই অর্থ থেকে ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসে (এনএইচএস) দান করা হয় ১১৬ হাজার পাউন্ড এবং বাকি অর্থ আরও ২৬টি দাতব্য প্রতিষ্ঠানকে বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে মহামারীতে বিপর্যস্ত গরিব-দুঃখী অসহায় মানুষদের খাবারসহ বিভিন্ন সেবামূলক কাজে এই অর্থ ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য ১৯২০ সালের ১ জানুয়ারি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার কুলঞ্জ গ্রামে জন্ম নেওয়া দবিরুল ইসলাম চৌধুরী ব্রিটেনে পাড়ি জমিয়েছিলেন ১৯৫৭ সালে।

লেখাপড়ার পর সেখানে চাকরির পাশাপাশি কমিউনিটির কাজেও জড়িয়ে পড়েন তিনি।
তার স্ত্রী খালেদা দবীর চৌধুরী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যুক্তরাজ্য শাখার একজন অন্যতম কর্মী ।

বাঙালি কমিউনিটিতে সুপরিচিত সমাজকর্মী দবিরুল ইসলাম চৌধুরীকে অনেকেই চেনেন কবি দবিরুল হিসাবে। কবিতাপ্রেমী দবিরুল এখনো দেশে বিদেশে কোনো সভা-সমাবেশে গেলে স্বরচিত কবিতা পড়ে শোনান। তার লেখা কবিতাগ্রন্থও প্রকাশিত হয়েছে।

কাউন্সিলর লুৎফুর রহমান ওবিই :

কভিড১৯ এর সময়ে ইক্সিকিউটিভ মেম্বার ফর কালচার এন্ড লেজার ম্যানচেস্টার সিটি কাউন্সিল ফর সার্ভিসিজ টু লোকাল গভরনেন্ট থেকে কমিউনিটির জন্য বিশেষ অবদান রাখার জন্য কাউন্সিলর লুৎফুর রহমান চলতি বছরে রাণীর জন্মদিনে ওবিই এ্যাওয়ার্ডের জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছেন।

ব্রিটেনের রাণীর জন্মদিনে প্রদত্ত সম্মাননায় এবার ওবিই খেতাব পেয়েছেন বাংলাদেশি ব্রিটিশ রাজনীতিক লুৎফুর রহমান।
জনপ্রতিনিধি হিসেবে স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ন ভূমিকার জন্য লুৎফুর এ সম্মাননায় ভূষিত হন।
লুৎফুর রহমান ম্যানচেষ্টার সিটি কাউন্সিলের নির্বাচিত সুপরিচিত একজন কাউন্সিলর।

তিনি ২০০৮ সালে প্রথম কাউন্সিলার নির্বাচিত হন।এরপর তিনি ২০১২, ২০১৬, ২০১৮ তে ম্যানেচষ্টারের লংসাইট ওয়ার্ড থেকে বার বার নির্বাচিত হয়েছেন।

লুৎফুর রহমান বর্তমানে ম্যানচেষ্টার সিটি কাউন্সিলের কালচার এন্ড লেজারের নির্বাহি সদস্য হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত।

লু্ৎফুর রহমান ১৯৮০ সালে তাঁর পরিবারের সাথে বাংলাদেশ থেকে ম্যানচেষ্টারে আসেন।
ম্যানচেষ্টারের কলেজে পড়াকালীন সময়েই তিন তাঁর পিতার সাথে রেষ্টুরেন্ট ব্যবসার সাথে জড়িযে পড়েন।
প্রায় ২২ বছর ক্যাটারিং ব্যবসার সাথেই জড়িত ছিলেন। একসময় তিনি মর্টগেজ এডভাইজার হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং এসময়েই কাউন্সিলার নির্বাচিত হন। একসময় তিনি মর্টগেজ এডভাইজারসহ অন্য সকল কিছু থেকে অবসর নিয়ে ২০১৬ থেকে ম্যানচেষ্টার সিটি কাউন্সিলে একজন সার্বক্ষনিক জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর ওয়ার্ডের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি ম্যানচেষ্টারের বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক এবং কমিউনিটির বিভিন্ন সেক্টরে সফলতার সাথে কাজ করেন ।
বিশেষ করে যুবসমাজের উন্নয়নে, লাইব্রেরীর উন্নতিসাধনে, ক্রীড়া এবং বিনোদনে তিনি অসাধারন কাজ করেন।
লুৎফুর রহমান শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশে অনন্য অবদান রেখেছেন।

কাউন্সিলার লু্ৎফুর রহমান ন্যাশনাল ফুটবল মিউজিয়াম, ম্যানচেষ্টার একটিভ, আপরাইজিং গ্রেটার ম্যানচেষ্টার, স্ট্যটেজিক এডুকেশন পার্টনারশীপ, এবং গ্রেটার ম্যানেচষ্টার স্কিলস বোর্ডের সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করছেন।

উল্লেখ্য সুনামগন্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী (সাতহাল) গ্রামের কৃতিসন্তান লু্ৎফুর রহমান ।

বাবা সুবাবুর রহমান বর্তমানে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার শহরের বাসিন্দা। যুক্তরাজ্যের অত্যন্ত সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব, ম্যানচেষ্টার শাহজাল মসজিদের সাবেক চেয়ারম্যান, গ্রেটাম ম্যানচেষ্টার আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন ।
বাবা ছেলে দুজনই কমিউনিটির জন্য অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন।

আবু সেলিম আহম্মেদ ওবিই :

আবু সেলিম আহম্মেদ ওবিই, বৃটেনের হোম অফিসে সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত।
এবছর বৃটেনের রানী কর্তৃক ওবিই খেতাব প্রাপ্ত একজন ব্রিটিশ বাঙালি আবু সেলিম আহম্মেদ।
সন্ত্রাসবাদ, মুসলিম বিদ্বেষ বিভিন্ন কার্যক্রমে অনন্য অবদানের জন্য তিনি চলতি বছর এই ওবিই খেতাব প্রাপ্ত হন আবু সেলিম আহম্মেদ ।

সৈয়দ আফসার উদ্দিন এমবিই :

গ্রেটব্রিটেনে শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানে স্বীকৃতিস্বরুপ ‘শিক্ষায় ‘ প্রথম বাঙালি এমবিই খেতাব প্রাপ্ত হলেন শিক্ষক সৈয়দ আফসার উদ্দিন ।

ব্রিটেনের বাংলা গণ্যমাধ্যমে অত্যন্ত পরিচিত প্রিয়মুখ, গণমাধ্যম কর্মী, শিক্ষাবিদ সৈয়দ আফসার উদ্দিন ব্রিটেনের রানির মর্যাদাকর সম্মাননা এমবিই (Member of the Order of the British Empire) পেয়েছেন।

সৈয়দ আফসার উদ্দিন লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ্যামলেটসে শিক্ষা ও কমিউনিটিতে বিভিন্ন সেবা ও অনুপ্রেরণামূলক কাজের অবদানের জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

ব্রিটেনের বাঙালি কমিউনিটিতে অত্যন্ত জনপ্রিয় টিভি সংবাদ পাঠক হিসেবে তিনি অধিক পরিচিত।
১৯৯৯ সালে ব্রিটেনের প্রথম স্যাটেলাইট বাংলা চ্যানেল- বাংলা টিভিতে সংবাদ পাঠক হিসাবে ব্রিটেনে বাংলা গণমাধ্যমে তিনি নিজেকে সংযুক্ত করেন।

বাংলাদেশে থাকাকালীন সৈয়দ আফসার উদ্দিন সংবাদ এবং সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত ছিলেন।
ইত্তেফাক গ্রুপের স্পোর্টস রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন।
যুক্তরাজ্যে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস রেডিও তে খেলাধুলা এবং ম্যাগাজিন প্রোগ্রামগুলিতে কাজ করেছেন আট বছর
এবং চার বছরের জন্য ভয়েস অফ আমেরিকা রেডিও লন্ডন’র সাংবাদিক হিসাবে কাজ করেছেন।
শিক্ষকতায় তার রয়েছে ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

১৯৯৫ সাল থেকে ওকল্যান্ড সেকেন্ডারী স্কুলে ফুলটাইম বাংলা শিক্ষক হিসেবে শিক্ষা দান করেন। পাশাপাশি তিনি বাংলা ভাষার পরীক্ষক হিসেবে প্রায় ১৯ বছর দায়িত্ব পালন করেন।

সন্ধ্যাকালীন চাকুরী হিসেবে তিনি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত সৈয়দ আফসার উদ্দিন ইসল লেকচারার হিসাবে টাওয়ার হ্যামলেটস কলেজের জন্য কাজ করেন।
বর্তমানে চ্যানেল এস এর সিনিয়র সংবাদ প্রেজেন্টার হিসেবে কাজ করছেন।

২০০৫ সাল থেকে তিনি লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের একজন সদস্য।
নাট্যকর্মী, আবৃত্তিশিল্পী, ক্রীড়া লেখক ইত্যাদি কাজে যুক্তরাজ্যে তিনি সুপরিচিত একজন কমিউনিটি এক্টিভিস্ট।

তাঁর দেশের বাড়ি চট্রগ্রামের মিরশ্বরাই উপজেলায়। তবে জন্ম এবং বেড়ে ওঠা ঢাকায়।
তার সহধর্মিণীর বাড়ি সুনামগন্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে।
পারিবারিক জীবনে সৈয়দ আফসার উদ্দিন স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে লন্ডনে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তাঁর স্ত্রী লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসের একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

সাজ্জাদ মিয়া এমবিই :

লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ্যামলেটসে কমিউনিটি সার্ভিসের জন্য বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ এবারে ব্রিটেনের রাণীর জন্ম দিনের সম্মাননা এমবিই ( MBE) এ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হলেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব সাজ্জাদ মিয়া।

ব্রিটেনের রাণী এলিজাবেথ কর্তৃক এমবিই খেতাবে ভূষিত হয়েছেন পূর্বলন্ডনের ব্রিকলেন জামে মসজিদ ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট সাজ্জাদ মিয়া।
লন্ডনে দীর্ঘদিন ধরে কমিউনিটি সেবা প্রদানের পুরস্কার হিসেবে রাণীর সম্মান সূচক মেম্বার অফ ব্রিটিশ এম্পায়ার বা এমবিই খেতাব পান কমিউনিটির গুণী এই সমাজকর্মী।

অলি খান এমবিই :

তিনি লুটন এন্ড ভার্ডপরশায়ার থেকে
বিশেষ করে কভিড১৯ এর সময়ে
হসপিটালি ইন্ড্রাস্টি এন্ড চ্যারিটি ইন দ্যা ইউকে এবং ইউকের বাইরে মানবকল্যাণে চ্যারিটিবল কাজের সম্মাননা হিসেবে এমবিই অ্যাওয়ার্ড বা এই উপাধী পেয়েছেন

জর্জ মিয়া সুফু এমবিই:

চলতিবছর ব্রিটেনের রাণী কর্তৃক এমবিই খেতাব পেয়েছেন শ্রুশভুরীর ওজওয়েষ্ট্রির ব্রিটিশ বাঙালি জর্জ মিয়া সুফু।
রেষ্টুরেন্ট ব্যবসায়ী জর্জ মিয়া সুফু চ্যারিটি ও কমিউনিটি ওয়ার্কের জন্য এই খেতাবপ্রাপ্ত হয়েছেন।

১৯৬৭ সালে কিশোর বয়সে চাচার হাত ধরে যুক্তরাজ্যে আসেন আজকের এই কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব।
তিনি শ্রুশভুরীর ওজওয়েষ্ট্রিতে বসবাস করে চার দশকেরও বেশী সময় ধরে চ্যারিটি ও কমিউনিটি ওয়ার্ক করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে। সমাজ ও মানবকল্যাণে তার পরিবারের প্রতিটি সদস্য করেছেন সম্পৃক্ত। বিশেষ করে তার সহধর্মিনী এসব কল্যাণমূলক কাজে সর্বাত্মক সহযোগিতার হাত বাড়াচ্ছেন সারাক্ষণ।

উল্লেখ্য সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দেওকলসে জন্ম নেওয়া জর্জ মিয়া সুফুর ১৯৭৫ সাল থেকে যুক্তরাজ্যের জওয়েষ্ট্রিতে সিমলা রেষ্টুরেন্ট নামে একটি রেষ্টুরেন্ট প্রতিষ্ঠা করে এখনো সুনামের সাথে পরিচালনা করে আসছেন। পাশাপাশি কমিউনিটি ওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছেন দেশে বিদেশে। কাজের স্বীকৃতি পেয়েছেন রানী কর্তৃক সম্মাননা এমবিই এই খেতাব।

নীলিমা রহমান (BEM) বিইএম :

ফাইনালসিয়াল সার্ভিস এন্ড কমিউনিটি ওয়ার্কের জন্য বিইএম ( BEM) অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ব্রিটিশ বাঙালি নারী নীলিমা রহমান।
কভিড১৯ এর সময়ে গ্রেট ব্রিটেনের সাউথশীন্ড কমিউনিটি থেকে ফাইনালসিয়াল সার্ভিস এন্ড কমিউনিটি ওয়ার্কের জন্য ব্রিটিশ বাঙালি একমাত্র নারী নীলিমা রহমান বিইএম ( মেডেলিস্ট অব দ্যা অর্ডার অব দ্যা ব্রিটিশ এ্যামফায়ার ) এ্যাওয়ার্ড ২০২০ইং এর জন্য তালিকাভুক্ত হন।

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের ভার্চুয়াল সভা

লন্ডন, ২৮ সেপ্টেম্বর : শেখ হাসিনা শুধু রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি সামাজিক নেতা একজন অর্থনৈতিক নেতা। তাঁর নেতৃত্ব আজ বিশ্বসভায় প্রশংসিত। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রখ্যাত সাংবাদিক গাফফার চৌধুরী উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা আজকে একজন স্টেটসম্যান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। বিশ্বের বহু বড় বড় স্টেটসম্যানকে বহুক্ষেত্রে ছাড়িয়ে গেছেন শেখ হাসিনা। গত ১২ বছরে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের চেহারা পাল্টে দিয়েছেন। দেশকে ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত, মঙ্গামুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত করেছেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ। সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুকের পরিচালনায় সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সারা বিশ্বের ৩ বিলিয়ন বাঙালির প্রতিনিধিত্ব করেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ অনন্য উচ্চতায়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি বলেন, উপমহাদেশের উজ্জল আকাশের নক্ষত্রের নাম শেখ হাসিনা। অন্ধকারে তলিয়ে যাওয়া বাংলদেশেকে হাল ধরে শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশকে আলোকজ্জ্বল করেছেন। শেখ হাসিনা বাংলার অসহায়, বঞ্চিত মানুষের আস্থার জায়গা হিসেবে তাঁর কাজের মাধ্যমে স্থান করে নিয়েছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রানলয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারনে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সাফল্য দেখিয়েছে। শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার এন্ড কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সহ সভাপতি সঙ্গীতা আহমেদ।

সভায় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব জালাল উদ্দীন, প্রফেসর আবুল হাসেম, যুগ্ম সম্পাদক নঈম উদ্দিন রিয়াজ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ মিয়া, অফিস সেক্রেটারী শামীম আহমেদ, পাবলিক রিলেশন সেক্রেটারী রবিন পাল, হিউম্যান রাইটস সেক্রেটারী শারব আলী, এনআরবি সেক্রেটারী আনছারুল হক প্রমূখ। এদিকে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বাদ আসর ব্রিকলেইন জামে মসজিদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।—–প্রেস বিজ্ঞপ্তি