০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাংবাদিক রানার ৬ মাসের জেল

  • Update Time : ০২:০৯:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪
  • / 249

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ  শেরপুরের নকলা উপজেলায় এক সাংবাদিককে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এ কারাদণ্ড দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শিহাবুল আরিফ।

এ সময় ইউএনও সাদিয়া উম্মুল বানিন উপস্থিত ছিলেন। ওই সাংবাদিক ইউএনও অফিসে তথ্য চাওয়ার জন্য গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

সাজা পাওয়া শফিউজ্জামান রানা দৈনিক দেশ রূপান্তরের নকলা উপজেলা সংবাদদাতা। ইউএনও সাদিয়া উম্মুল বানিন বলেন, অফিসে ঢুকে গোপন তথ্যের ফাইল নেওয়ার জন্য টানাটানি করেন ওই সাংবাদিক।

বাধা দিলে অফিসের এক নারী কর্মচারীর সঙ্গে অসদাচরণ করেন। এ সময় এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকেও ধাক্কা দেন তিনি।

শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুকতাদিরুল আহমেদও একই তথ্য জানান। তিনি বলেন, ওই সাংবাদিক ইউএনও অফিসে গিয়ে এক নারী কর্মীর সঙ্গে অশ্লীল ভাষায় কথা বলেন। তিনি অফিসের ডকুমেন্ট নিয়ে চলে যাওয়ার জন্য এসেছিলেন। এমন সময় তাকে আটক করা হয়।

তবে ভুক্তভোগী সাংবাদিকের স্ত্রী বন্যা আক্তার ভিন্ন দাবি করছেন। তিনি সাংবাদিকদের কাছে বলেন, তথ্য চেয়ে ইউএনও কার্যালয়ে আবেদন জমা দেন তার স্বামী।

আবেদন করার পর আবেদনের রিসিভ কপি চান তিনি। এ সময় ইউএনওর অনুমতি ছাড়া রিসিভ কপি দেবেন না বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের গোপনীয় সহকারী (সিএ) শিলা আক্তার। এ নিয়ে তর্কের জেরে তাকে সাজা দেওয়া হয়েছে।  জটুডে/এহাই

Please Share This Post in Your Social Media

ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাংবাদিক রানার ৬ মাসের জেল

Update Time : ০২:০৯:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ  শেরপুরের নকলা উপজেলায় এক সাংবাদিককে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এ কারাদণ্ড দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শিহাবুল আরিফ।

এ সময় ইউএনও সাদিয়া উম্মুল বানিন উপস্থিত ছিলেন। ওই সাংবাদিক ইউএনও অফিসে তথ্য চাওয়ার জন্য গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

সাজা পাওয়া শফিউজ্জামান রানা দৈনিক দেশ রূপান্তরের নকলা উপজেলা সংবাদদাতা। ইউএনও সাদিয়া উম্মুল বানিন বলেন, অফিসে ঢুকে গোপন তথ্যের ফাইল নেওয়ার জন্য টানাটানি করেন ওই সাংবাদিক।

বাধা দিলে অফিসের এক নারী কর্মচারীর সঙ্গে অসদাচরণ করেন। এ সময় এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকেও ধাক্কা দেন তিনি।

শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুকতাদিরুল আহমেদও একই তথ্য জানান। তিনি বলেন, ওই সাংবাদিক ইউএনও অফিসে গিয়ে এক নারী কর্মীর সঙ্গে অশ্লীল ভাষায় কথা বলেন। তিনি অফিসের ডকুমেন্ট নিয়ে চলে যাওয়ার জন্য এসেছিলেন। এমন সময় তাকে আটক করা হয়।

তবে ভুক্তভোগী সাংবাদিকের স্ত্রী বন্যা আক্তার ভিন্ন দাবি করছেন। তিনি সাংবাদিকদের কাছে বলেন, তথ্য চেয়ে ইউএনও কার্যালয়ে আবেদন জমা দেন তার স্বামী।

আবেদন করার পর আবেদনের রিসিভ কপি চান তিনি। এ সময় ইউএনওর অনুমতি ছাড়া রিসিভ কপি দেবেন না বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের গোপনীয় সহকারী (সিএ) শিলা আক্তার। এ নিয়ে তর্কের জেরে তাকে সাজা দেওয়া হয়েছে।  জটুডে/এহাই