মোঃ হুমায়ুন কবির:-
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মাওলানা ইউসুফ আশরাফ বলছেন ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে নবীপ্রেমীক মুসলিম জনতার উপর নরকীয় গণহত্যা ২১ শের মোদি বিরোধী আন্দোলন ও ২০২৪ এর জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদদের বিচার নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে যৌক্তিক সময়ে নির্বাচন দিতে হবে।
তিনি বলেন জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ ইসলামি রাজনীতির উর্বর ভূমি , আগামী জাতীয় নির্বাচনে এ আসেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে তৃনমূল পর্যায়ে সংগঠনের কাজকে বেগবান করতে হবে।
আজ শনিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা শাখার যৌথ উদ্যোগে সুনামগঞ্জ -৩ সংসদীয় আসনের ১৫৩ টি ওয়ার্ড প্রতিনিধিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ড প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।
কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা সাইফুর রহমান সাজাওয়ার ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজির উদ্দিন এর যৌথ পরিচালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শায়খ ফয়েজ আহমদ, মাওলানা এনামুল হক্ব মুসা,
সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি মুফতি আজিজুল হক, সিলেট মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এমরান আলম, সুনামগঞ্জ জেলা সহ সভাপতি মাওলানা সৈয়দ শাহীদ আহমদ। অন্যান্যের মধ্য বক্তব্য রাখেন সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক সুনামগঞ্জ জেলা খেলাফত মজলিসের সাধারন সম্পাদক হাফেজ সৈয়দ জয়নুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সুনামগঞ্জ জেলা সহ- সাধারন সম্পাদক মাওলানা রমিজ উদ্দিন, শান্তিগঞ্জ উপজেলা সভাপতি সাংবাদিক কাজী জমিরুল ইসলাম মমতাজ, বিশ্বনাথ উপজেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল মতিন,

জগন্নাথপুর উপজেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল মুনঈম কামালী শাহিন, সুনামগঞ্জ জেলা নেতা ছমির উদ্দিন ছালেহ, ছাত্র মজলিস নেতা হাফিজ মঈনুল বিন জামান, জগন্নাথপুর উপজেলা খেলাফত সহ-সভাপতি মুফতি আকমল হোসাইন, সুনামগঞ্জ জেলার নির্বাহী সদস্য আলমাছ উদ্দিন মামুন, জগন্নাথপুর উপজেলা সহ সভাপতি ছানাউর আলী, সহ- সাধারন সম্পাদক মাওলানা তারেক আহমদ, মিরপুর ইউনিয়ন
খেলাফত মজলিস নেতা কাউছার আহমদ চৌধুরী, জগন্নাথপুর উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফজলে রাব্বি মারুফ, শান্তিগঞ্জ উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কবির আহমদ, খেলাফত মজলিস নেতা মাওলানা ওয়ালী উল্যা অলি, শান্তিগঞ্জ উপজেলা নেতা দেলোয়ার হোসাইন, খেলাফত মজলিস নেতা মাহফুজ আলম, হেলাল আহমদ নাহিম আহমদ,
মাওলানা বেলাল আহমদ, মাওলানা বদরুল আলম, মাহমুদুল হাছান, মাওলানা আজিজুর রহমান, মাওলানা নূরুল হক, চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আমির আলী, কলকলিয়া ইউনিয়ন খেলাফত মজলিস নেতা আতাউর রহমান হানিফ, খেলাফত মজলিস নেতা মাওলানা জাহাঙ্গীর বিন হারুন, মাওলানা সুহেল আমিন, মাওলানা শরিফ কামালী।
সভাপতির বক্তব্যে সাবেক সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী বলেছেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রাজ পথে অবস্থান করলেও বিগত নির্বাচনে আমাকে ও আমার ছেলেকে হত্যার ভয় দেখিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার পাট প্রতীক নিয়ে আমাকে নির্বাচন করতে বাধ্য করেছে। আমি আওয়ামী লীগের দোসর নয়, আমি আওয়ামীলীগের জম। তারা বলেছে ইসলামের বিরুদ্ধে আর আমি তার প্রতিবাদ করেছি।
বাংলাদেশকে ফ্যাসিস্টমুক্ত করার জন্য সংস্কারের মাধ্যমে বিলম্বে হলেও আমরা নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ সৈয়দ আতিকুল হক। সম্মেলন শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন মজলিসের কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা ইউসুফ আশরাফ।