স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে বৃহস্পতিবার(২৩ আগষ্ট) গরু চুরির ঘটনার জের ধরে দফায় দফায় সংঘর্ষে সালিশী ব্যাক্তি সহ উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানার উপ পরিদর্শক এস আই লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্য পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।
নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল মখলিছের ছেলে সোনা মিয়া ও মৃত রইছ উল্লাহর ছেলে আব্দুল হান্নানের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানাযায় নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত আলতা মিয়ার ছেলে আপ্তাব উদ্দিনের একটি কোরবানির গরু সপ্তাহ খানেক পূর্বে গভীর রাতে চোরেরা গোয়াল ঘরের দরজা খুলে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি কালে গরুর মালিক আপ্তাব উদ্দিনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন।
এ সময় গরু চোর বাগময়না গ্রামের এক যুবককে গরু চুরির সাথে জরিত থাকায় আটক করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে গরু চুরির সাথে নোয়াগাঁও গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে জাকির মিয়া সহ অন্যান্য সহযোগিদের নাম প্রকাশ করে। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ঈদের পর শুক্রবার ২৪ আগষ্ট জুমার নামাজের পর গরু চুরির ঘটনায় শালিস বৈঠকের স্বীদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় রানীগঞ্জ ফেরির দক্ষিন পাড়ের একটি মার্কেটে বিবদমান দু গ্রুপের আব্দুল হান্নানের ভাতিজা ছায়াদ মিয়া ও সোনা মিয়ার শ্যালক শাজাহান মিয়ার মধ্যে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। ঐ দিন সন্ধ্যায় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীও অস্র শস্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে । প্রায় ৩ ঘন্টা ব্যাপী দফায় দফায় সংঘর্ষে শালিসী ব্যাক্তি সহ উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হন।
জগন্নাথপুর টুডে/বিপ্লব