জগন্নাথপুর-পাগলা মহা সড়কের বেইলী ব্রীজের পাঠাতন ভেঙ্গে যাওয়ায় ৫দিন ধরে সরাসরি যান চলাচল বন্ধ

মো: আব্দুল হাই:
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের জগন্নাথপুর-পাগলা আঞ্চলিক মহা সড়কের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার আক্তাপাড়া বাজার এলাকায় বেইলী ব্রীজের পাঠাতন ভেঙ্গে যাওয়ায় গত ৫দিন ধরে সুনামগঞ্জ জেলা সদরের সাথে জগন্নাথপুর উপজেলার সরাসরি যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে জনসাধারন যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

গতকাল সোমবার সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের দায়িত্বরত প্রকৌশলীদের উপস্থিতিতে শ্রমিকরা বেইলী ব্রীজের দূর্বল পাঠাতন গুলোর উপরে ওভার ব্রীজ নির্মাণ কাজ দ্রুত চালিয়ে যাচ্ছেন। বেইলী ব্রীজের দু-পাড়ে যাত্রীবাহি বাস, লেগুনা, সিএনজি অটোরিক্সা রয়েছে। যাত্রীরা ব্রীজের পূর্বপাশের মাঠ দিয়ে প্রায় অর্ধ কিলোমিটার হেঁটে যানবাহন দিয়ে গন্তব্য স্থানে যাচ্ছেন।

বিশেষ করে নারী, শিশু ও শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন। গত শুক্রবার ভোররাতে বেইলী ব্রীজের পাঠাতন ভেঙ্গে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান ঐ সড়ক দিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলায় আসতে চাইলে তিনিও দূর্ভোগের শিকার হন।

তিনি ঐ সময় তার ব্যবহৃত গাড়ি রেখে পায়ে হেঁটে আক্তাপাড়া বাজার এলাকা থেকে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়ি যোগে জগন্নাথপুরে বিভিন্ন অনুষ্টানে যোগদান করেন। প্রতিমন্ত্রী ঐ সময় ভেঙ্গে যাওয়ায় বেইলী ব্রীজটি পরিদর্শন করেন এবং দ্রুত মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: শফিকুল ইসলাম জানান ভেঙ্গে যাওয়ায় ব্রীজের পাঠাতন গুলোর উপরে ওভার ব্রীজ নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। আগামী ২/১ দিনের মধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরো জানান ডাবর পয়েন্ট থেকে জগন্নাথপুর উপজেলা পর্যন্ত মহা সড়কের ৭টি বেইলী ব্রীজ নির্মাণে টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

মূল্যায়ন প্রতিবেদন ও মন্ত্রনালয়ের আদেশ পেলেই কাজ শুরু হবে। জনসাধারনের যাতায়াত সমস্যায় ভোগান্তি লাগবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের দায়িত্বরত প্রকৌশলী ও কর্মকর্তা কর্মচারিরা শ্রমিকদের নিয়ে দিন রাত দ্রুত গতিতে ব্রীজের কাজ সম্পন্ন করনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জ.টুডে- বি ডি নাথ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *