স্টাফ রিপোর্ট:
উপজেলার জগন্নাথপুর পৌর শহরের কেশবপুর মাঝপাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত গয়াছ আলীর স্ত্রী কুলসুমা বিবি (৫৫) প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। এদিকে প্রতিপক্ষের অব্যাহত হুমকিতে আতংকে দিন কাটাচ্ছেন আহত কুলসুমা বিবির পরিবারের সদস্যরা।
এ ঘটনায় আহত কুলসুমা বিবির ছেলে মো: রুবেল মিয়া বাদী হয়ে হামলা কারী কেশবপুর মাঝপাড়া এলাকার গোলাপ আলীর ছেলে মো: আবুল মিয়াকে(৪৫) প্রধান আসামী করে ৫জনের নাম উল্লেখ পূর্বক অজ্ঞাত নামা ২/৩ জনের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা যায় প্রতিপক্ষ জগন্নাথপুর পৌর শহরের কেশবপুর মাঝপাড়া এলাকার বাসিন্দা গোলাপ আলীর ছেলে মো: আবুল মিয়া ও তার পরিবারের লোকজন পূর্ব বিরোধের জেরে দীর্ঘ দিন ধরে উছশৃংখল আচরন সহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং ভয়ভীতি প্রর্দশন ও প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। তাদের অব্যাহত কর্ম কান্ডে অতিষ্ট হয়ে বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের জানালে প্রতিপক্ষরা ক্ষীপ্ত হয়ে উঠে।
এর জের ধরে গত ১৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় প্রতিপক্ষ আবুল মিয়ার স্ত্রী রানীয়া বেগম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এসময় আহত কুলসুমা বিবি গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে প্রতিপক্ষ আবুল মিয়া ও তার সহযোগিরা দেশীয় অ¯্র রামদা, লোহার রড, লাঠি সোটা নিয়ে কুলসুমা বিবির বসত ঘরে হামলা চালায়। হামলা কারীরা কুলসুমা বিবিকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে ।
এসময় হামলা কারীদের কবল থেকে মাকে বাচাতে এসে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হন কুলসুমা বিবির মেয়ে জগন্নাথপুর পৌর সভার সাবেক মহিলা কাউন্সিলর নাজমা বেগম(৩৪)সহ তার ২বোন। হামলা কারীরা পুরুষ শুন্য বাড়িতে মহিলাদের মারধর করে ক্ষান্ত হয়নি, তারা বসত ঘরে প্রবেশ করে তাদের ব্যবহৃত মালামাল ভাংচুর চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে। এসময় আহতদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে হামলা কারীদের কবল থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।
আহত কুলসুমা বিবির মেয়ে নাজমা বেগম সহ ৪জনকে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে কুলসুমা বিবির অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কুলসুমা বিবি হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন বলে পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন।
এদিকে আহত কুলসুমা বিবির ছেলে রুবেল মিয়া জানান প্রতিপক্ষ আবুল মিয়া ও তার ভাই সেলি মিয়া এবং আবুল মিয়ার স্ত্রী রানীয়া বেগম মেয়ে পিংকী বেগম ও মৃত রশিদ মিয়ার ছেলে ফারুক মিয়া সহ ভাড়াটে সন্ত্রাসী দ্বারা অব্যাহত ভাবে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ হত্যার হুমকিতে চরম আতংকে দিন কাটাচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা। এদিকে হামলার ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত থানায় মামলা রেকর্ড ভুক্ত হয়নি।
জ.টুডে- বি ডি নাথ