০৯:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে মধ্যপ্রাচ্যের জর্ডান থেকে ফেরৎ আসা অসুস্থ কিশোরীকে প্রধানমন্ত্রীর তহবীল থেকে ১ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান

  • Update Time : ০৬:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
  • / 685

স্টাফ রিপোর্ট
জগন্নাথপুরে এতিম অসহায় ষোড়শী কন্যা মধ্যপ্রাচ্যের জর্ডান ফেরৎ অসুস্থ সীমা বেগমকে প্রধানমন্ত্রীর তহবীল থেকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ১ লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহ্ফুজুল আলম মাসুমের প্রচেষ্টায় গতকাল বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অসহায় এতিম সীমা বেগম ও তার চাচা আবু তালিবের হাতে ১লাখ টাকার চেক তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহ্ফুজুল আলম মাসুম। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান উপজেলা শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন, বীর মুক্তিযুদ্ধা আব্দুল কাইয়ূম, জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার আইসিটি আশিষ চক্রবর্তী, জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের ট্রাষ্টী দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক সবুজ সিলেট প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল হাই, জগন্নাথপুর উপজেলা আইসিটি টেকনিশিয়ান অরূপ সরকার, ইউএনও অফিসের সহকারী আব্দুর রউফ, ফয়ছল চৌধূরী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের মৃত দবির মিয়ার ১৪ বছরের শিশু কন্যা সীমা বেগমকে তার চাচা আবু তালিব প্রায় ২ বছর আগে দালালদের মাধ্যমে গৃহকর্মী হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের জর্ডান পাঠিয়ে দেয়া হয়। প্রায় ১ বছর জর্ডান অবস্থানের পর শিশু কন্যা সীমা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়ে। গত বছরের নভেম্বর মাসে সীমা বেগম অসুস্থ শরীর নিয়ে জর্ডান থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসে। ঢাকা বিমান বন্দরে আসার পর সীমার আত্মীয় স্বজন না থাকায় বিমান বন্দরে অবস্থানরত মিডিয়া কর্মীরা অসুস্থ সীমাকে ঢাকার মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সীমার করুন কাহিনী নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। পরবর্তীতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অধিনে সীমা বেগমের চিকিৎসা আর্থিক অনুদান বাবদ ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ড হতে মঞ্জুরীকৃত ১ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। ষোড়শী কন্যা সীমা বেগম জানায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া আর্থিক অনুদানের টাকা দিয়ে আমার ভবিষ্যৎ জীবনের চলার পথ সুগম করবো। আমার বাবা মা ভাই বোন কেউ নেই। আমি পরিবারে একাই জীবিত আছি। আমার চাচা আবু তালিব আমাকে তার সংসারে দেখাশুনা করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

জগন্নাথপুরে মধ্যপ্রাচ্যের জর্ডান থেকে ফেরৎ আসা অসুস্থ কিশোরীকে প্রধানমন্ত্রীর তহবীল থেকে ১ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান

Update Time : ০৬:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

স্টাফ রিপোর্ট
জগন্নাথপুরে এতিম অসহায় ষোড়শী কন্যা মধ্যপ্রাচ্যের জর্ডান ফেরৎ অসুস্থ সীমা বেগমকে প্রধানমন্ত্রীর তহবীল থেকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ১ লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহ্ফুজুল আলম মাসুমের প্রচেষ্টায় গতকাল বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অসহায় এতিম সীমা বেগম ও তার চাচা আবু তালিবের হাতে ১লাখ টাকার চেক তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহ্ফুজুল আলম মাসুম। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান উপজেলা শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবেদীন, বীর মুক্তিযুদ্ধা আব্দুল কাইয়ূম, জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার আইসিটি আশিষ চক্রবর্তী, জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের ট্রাষ্টী দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক সবুজ সিলেট প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল হাই, জগন্নাথপুর উপজেলা আইসিটি টেকনিশিয়ান অরূপ সরকার, ইউএনও অফিসের সহকারী আব্দুর রউফ, ফয়ছল চৌধূরী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের মৃত দবির মিয়ার ১৪ বছরের শিশু কন্যা সীমা বেগমকে তার চাচা আবু তালিব প্রায় ২ বছর আগে দালালদের মাধ্যমে গৃহকর্মী হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের জর্ডান পাঠিয়ে দেয়া হয়। প্রায় ১ বছর জর্ডান অবস্থানের পর শিশু কন্যা সীমা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়ে। গত বছরের নভেম্বর মাসে সীমা বেগম অসুস্থ শরীর নিয়ে জর্ডান থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসে। ঢাকা বিমান বন্দরে আসার পর সীমার আত্মীয় স্বজন না থাকায় বিমান বন্দরে অবস্থানরত মিডিয়া কর্মীরা অসুস্থ সীমাকে ঢাকার মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সীমার করুন কাহিনী নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। পরবর্তীতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অধিনে সীমা বেগমের চিকিৎসা আর্থিক অনুদান বাবদ ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ড হতে মঞ্জুরীকৃত ১ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। ষোড়শী কন্যা সীমা বেগম জানায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া আর্থিক অনুদানের টাকা দিয়ে আমার ভবিষ্যৎ জীবনের চলার পথ সুগম করবো। আমার বাবা মা ভাই বোন কেউ নেই। আমি পরিবারে একাই জীবিত আছি। আমার চাচা আবু তালিব আমাকে তার সংসারে দেখাশুনা করছেন।