স্টাফ রিপোর্টার:
সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দীপঙ্কর কান্তি দেব’র পিতা জগন্নাথপুর উপেজেলার কলকলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দ্বিপক কান্তি দেব দিপালের শেষ কৃত্তান গরলোক গমন করেছেন। রবিবার (৬ অক্টোবর) সকাল ৬টায় সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় শশ্মানঘাটে শেষকৃত্যানুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ, কলকলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এসময় দ্বিপক কান্তি দে দিপালের স্মৃতি চারন করে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কলকলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আকমল হোসেন, শাহজালাল মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ এম এ মতিন, কলকলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফখরুল হোসেন প্রমূখ। শোকার্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত, তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল, সাংবাদিক খলিল রহমান, এমরান আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা শংকর দাশ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট বিমান রায়, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি জগদীশ দে রানা, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তনুজ কান্তি দেব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিক চৌধুরী, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তাদীর আহমদ মুক্তা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দ্বীপ সুত্রধর বীরেন্দ্র, আওয়ামী লীগ নেতা কালি কুমার রায়, কলকলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কুতুব উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, সাংগঠনিক সম্পাদক যুবরাজ মিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা আলাল হোসেন রানা, যুবলীগ নেতা সিপন মিয়া, ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেন সাজ্জাদ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক উপ সম্পাদক তৈয়বুর রহমান সিতু, জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল মুকিত, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক আক্তার হোসেন সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার ব্যক্তিবর্গ। দিপক কান্তি দে দিপাল বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দীতা করেছেন। উল্লেখ্য, জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের খাশিলা গ্রামের বাসিন্দা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক দ্বিপাল কান্তি দে দিপাল দীর্ঘদিন ধরে সুনামগঞ্জ শহরের নতুন পাড়ায় স্ব-পরিবারে বসবাস করে আসছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলেসহ অসংখ্যা আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে বিভিন্ন রোগে ভোগছিলেন। শনিবার (৫ অক্টোবর) রাত সোয়া ৯টায় সিলেট মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।