স্টাফ রিপোর্টার:
জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগামী কাল সোমবার। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৬, সংরক্ষিত নারী সদস্যা পদে ১১ এবং সাধারন সদস্য পদে ৪৭জন সহ মোট ৬৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। দুই ইউনিয়নের সীমানা জটিলতার অজুহাতে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে স্থগিত থাকার পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের তফশীল ঘোষনা করেন। ফলে ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারনের মধ্যে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। নির্বাচনের তফশীল অনুযায়ী আগামীকাল সোমবার (১৪ অক্টোবর) ভোট গ্রহন অনুষ্টিত হবে। শনিবার মধ্যরাত থেকে প্রার্থীদের আনুষ্টানিক নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা বন্ধ রয়েছে। ভোটাররা এখন তাদের পছন্দের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে শেষ মুহুর্তের প্রানপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে ভোটাররা প্রার্থীদের নিয়ে চুলছেরা বিশ্লেষন করছেন। কে হচ্ছেন মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেই আশা নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন প্রবাসে অবস্থানরত মিরপুর ইউনিয়নের নাগরিকবৃন্দের পাশাপাশি উপজেলার সর্বস্তরের নাগরিকবৃন্দ। অবাধ, সুষ্টু ও শান্তিপূর্ন ভোট গ্রহন অনুষ্টানে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্তৃক সকল প্রকার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে গ্রহন করেছেন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল কাদির (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মাহবুবুল হক শেরীন (আনারস), জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী আব্বাছ মিয়া (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাহাব উদ্দিন (টেলিফোন), শওকত আলী (চশমা), আতাউর রহমান (মটর সাইকেল)। নির্বাচনী এলাকা ঘুরে ভোটারদের অভিমত থেকে জানাযায় নির্বাচনে ৩প্রার্থীর মধ্যে ভোট যুদ্ধ হলেও মূল লড়াই হবে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল কাদির (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মাহবুবুল হক শেরীন ( আনারস)। সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ড থেকে রাবিয়া বেগম (তালগাছ), হাসনা হেনা (হেলিকপ্টার) ও রাহেলা আক্তার (মাইক)। ৪, ৫, ৬ নং ওয়ার্ড থেকে সরিফুল বেগম (সূর্য্যমুখি ফুল), নাজমিন আক্তার মিনা (তালগাছ), মোহন মালা (মাইক) ও আকজান বিবি (কলম)। ৭, ৮, ৯ নং ওয়ার্ড থেকে পারুল রাণী পাল (সূর্য্যমুখি ফুল), ফুল বেগম (তালগাছ), ফিরোজা বেগম (বই) ও হাওয়ারুন্নেছা (মাইক)। সাধারন সদস্য পদে ১নং ওয়ার্ড থেকে শফিক আলী (তালা), লিটন আহমদ (আপেল), ছইল মিয়া সুহেল (ঘুড়ি), আবদুল আহাদ (ভ্যানগাড়ি), খলিল উদ্দিন (ফুটবল), হাবিব খান (টর্চ লাইট), জাবেদ খান (বৈদ্যুতিক পাখা) ও সাজর আলী (টিউবওয়েল)। ২নং ওয়ার্ড থেকে কমর উদ্দিন (তালা), সাহাব উদ্দিন (টিউবওয়েল), মাহবুব হোসেন (ঘুড়ি) ও সেলিম হোসেন (ফুটবল)। ৩নং ওয়ার্ড থেকে হোসেন রাসেল (ফুটবল), আওলাদ আলী (মোরগ) ও মাহমুদ মিয়া (টিউবওয়েল)। ৪নং ওয়ার্ড থেকে বর্তমান সদস্য রফা মিয়া (ফুটবল), হাফিজুর রহমান খালেদ (ঘুড়ি), রুহেল মিয়া (টিউবওয়েল), আসাদুজ্জামান আনছার (বৈদ্যুতিক পাখা) হোসেন মিয়া (আপেল) ও আশিকুর রহমান (তালা)। ৫নং ওয়ার্ড থেকে সাহেদ মিয়া (টিউবওয়েল), আজির উদ্দিন খান (তালা) ও আবদুস শহীদ (ফুটবল)। ৬নং ওয়ার্ড থেকে মুজাম্মিল খান (মোরগ), নজির আলী (ফুটবল) ও ইমরান হোসেন (তালা)। ৭নং ওয়ার্ড থেকে আনোয়ার আলী (তালা), আবদুল ওয়াহাব (ভ্যানগাড়ি), আবদুল কদ্দুছ (বৈদ্যুতিক পাখা), হান্নান মিয়া (ঘুড়ি), সেবুল আহমদ (ফুটবল), রফিক উদ্দিন (টিউবওয়েল) ও মাহমুদ আলী (মোরগ)। ৮নং ওয়ার্ড থেকে ফয়জুর রহমান (ফুটবল), আবুল হোসেন (টিউবওয়েল), আবদুল আলিম (মোরগ), ফরহাদ আহমদ (তালা), মোস্তাক আহমদ (আপেল), ফয়জুল হক (ঘুড়ি) ও আলী হোসেন (বৈদ্যুতিক পাখা)। ৯নং ওয়ার্ড থেকে নেওয়ার হোসেন (টিউবওয়েল), মইনুল গণি (আপেল), নানু মিয়া (তালা), বদরুল গণি মোরগ), সাজাদ খান (ফুটবল) ও মোস্তফা মিয়া (ভ্যানগাড়ি)।