স্টাফ রিপোর্টার:
আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীর দক্ষিনপাড়ে বাসস্ট্যান্ড সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দু-পক্ষের মূখোমূখী সংঘর্ষে বন্দুকের গুলিতে হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছাব্বির মিয়া (১২) নিহত হয়েছে। এবং গুলিবিদ্ধ মোজাম্মিল (২০) ও আকবর আলী (৩০)কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত মাদ্রাসার ছাত্র ছাব্বির মিয়া হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার দিঘলবাক ইউনিয়নের কামারগাঁও নগরকান্দি গ্রামের আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে রানীগঞ্জ ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে তার মামা ইজাজ মিয়ার বাড়িতে থেকে স্থানীয় হাফিজি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতো। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত মোজাম্মিল একই ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের নছর উদ্দিনের ছেলে ও আকবর আলী নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুল মালিকের ছেলে। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়েছেন।
এলাকাবাসী জানান, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের বাসিন্দা সাবেক পোষ্ট মাষ্টার আবু তাহের মজনুর মালিকানাধীন কুশিয়ারা নদীর দক্ষিন পাড়ের বাসস্ট্যান্ড সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী নোয়াগাঁও ও বাগময়না গ্রামের বাসস্ট্যান্ড সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে আভ্যন্তরিন বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে আছরের নামাজের পর বাস স্টেশন এলাকায় বৈঠক বসে। সন্ধ্যায় এনিয়ে আলমপুর ও নোয়াগাঁও গ্রামের আবু তাহের মজনু ও ইজাজ মিয়ার পক্ষের লোকজনদের মধ্যে মূখোমূখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যেক্ষদর্শীরা জানান ঘটনার সময় মজনু মিয়ার ছেলে নোমান আহমদ বন্দুক দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি করলে ইজাজ মিয়ার ভাগনা মাদ্রাসার ছাত্র ছাব্বির মিয়া নিহত হয়। একই সময় মজনু মিয়ার গুলিতে মোজাম্মেল ও আকবর আলী সহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। এদিকে রাত ১০টায় সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার এবং অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।