স্টাফ রিপোর্টার:
জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের খানপুর ও আলীপুর গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে কচুরিপানা বেষ্টিত খালের পানি থেকে নিখোঁজ হওয়ার ১৫ ঘন্টা পর সিএনজি অটোরিকসা চালক মামুন আহমদের (২০) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মামুন আহমদ জগন্নাথপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যসমত গ্রামের আব্দুল মালিকের ছেলে। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় জগন্নাথপুর থানা পুলিশ নিহত মামুনের মৃত দেহটি উদ্ধার করেছেন। অফিসার ইনচার্জ মো: ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, উদ্ধারকৃত লাশের মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা মামুনকে নৃশংস কায়দায় হত্যা করে ওই স্থানে লাশ ফেলে দেয়। মুটিভ উদঘাটনে এস আই লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা মাঠে কাজ করছেন। নিহত মামুনের ভাই টিপু মিয়া জানান, মামুন আহমদ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় যাত্রী নিয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা সদরে যায়। জরুরী প্রয়োজনে রাত সাড়ে ৯টায় মামুন আহমদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এতে সন্দেহ হলে মামুন আহমদকে সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করে তাকে পাওয়া না গেলেও তার ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকসাটি ইনাতগঞ্জ বাজারে গাড়ি স্ট্যান্ডে পাওয়া যায়। শুক্রবার সকাল ১১টায় জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের খানপুর ও আলীপুর গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে কচুরিপানা বেষ্টিত খালে একটি লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন বলাবলি করলে খবর পেয়ে আমরা ওই স্থানে পৌছে লাশটি মামুন আহমদের সনাক্ত করি। মামুন আহমদের মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ থাকায় ধারনা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা আমার ভাই মামুনকে হত্যা করে লাশ এখানে ফেলে দেয়। এদিকে সহকারি পুলিশ সুপার জগন্নাথপুর সার্কেল মাহমুদুল হাসান চৌধুরী উদ্ধারকৃত লাশের স্থানটি পরিদর্শন করেছেন। জগন্নাথপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) লুৎফুর রহমান জানান, উদ্ধারকৃত সিএনজি অটোরিকসা চালক মামুন আহমদের লাশ ময়না তদন্তের জন্য আজ শুক্রবার সুনামগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।