জগন্নাথপুরে কেন্দ্র থেকে জেএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু

স্টাফ রির্পোটার:
জগন্নাথপুর উপজেলায় স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের জেএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের একটি হল থেকে গণিত পরীক্ষার দুটি উত্তর পত্র হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুল আলম মাসুম কর্তৃক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম মুখলেছুর রহমানকে তদন্তের দায়িত্ব দেন । তদন্তকারী কর্মকর্তা এ কে এম মুখলেছুর রহমান জানান জেএসসি পরীক্ষার দুটি উত্তর পএ হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাটির তদন্ত শুরু করা হয়েছে । ২/৩ দিনের মধ্যে তদন্ত রির্পোট জমা দেয়া হবে । প্রসঙ্গত: গত বৃহস্পতিবার স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬টি বিদ্যালয়ের মোট ৪৯১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। ২০১৮ সালে গণিত পরীক্ষায় অকৃতকার্য ৬টি বিদ্যালয়ের ৯৮ জন পরীক্ষার্থী কেন্দ্রের ৮নং হলে গণিত পরীক্ষায় অংশ নেয়। নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শেষ হলে পরীক্ষার্থীরা উত্তরপত্র হল পরিদর্শকদের নিকট জমা দিয়ে হল ত্যাগ করেন। পরিদর্শকরা এ সময় উত্তর পত্র গুণতে গিয়ে ৯৮টি উত্তর পত্রের মধ্যে ৯৬টি পান। দুটি উত্তরপত্র না পেয়ে হল পরিদর্শক তিনজন দিশেহারা হয়ে পুরো হল এবং হলের আশেপাশে খুঁজতে থাকেন। উত্তরপত্র দুটি না পাওয়ার বিষয়টি কেন্দ্র সচিব ছায়াদ আলীকে জানানো হলে কেন্দ্রে দায়িত্বরত অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীরা পুরো কেন্দ্র জুড়ে তল্লাশী করেও উত্তরপত্রগুলো খুঁজে পেতে ব্যর্থ হন।
হারিয়ে যাওয়া উত্তরপত্র দুটির পরীক্ষার্থীদের নাম জগন্নাথপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী ফাইমা বেগম এবং সুমাইয়া আক্তার নিপা বলে জানা গেছে। ফাইমা বেগম পৌর শহরের জগন্নাথপুর এলাকার বাসিন্দা আক্কাছ আলীর মেয়ে এবং সুমাইয়া আক্তার নিপা শেরপুর এলাকার শাহিনুর রহমানের মেয়ে। দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উত্তর পত্র ২টির সন্ধান না পেয়ে রাত ৯টায় কেন্দ্রের হল পরিদর্শক প্রদীপ রঞ্জন দাস, মো. শাহ আলম ও ফুলনেছা তাহেরা জগন্নাথপুর থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এদিকে উত্তরপত্র হারিয়ে যাওয়ায় চরম উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ওই দুই শিক্ষার্থীর পরিবার। হারিয়ে যাওয়া উত্তর পত্রের পরীক্ষার্থী ফাইমা বেগমের পিতা আক্কাছ মিয়া ও সুমাইয়া আক্তার নিপার পিতা শাহিনুর রহমান তাদের মেয়েদের জেএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *