স্টাফ রিপোর্টার::
জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামে রবিবার (৬ জানুয়ারী )বিকেল সাড়ে ৪টায় একটি মাছের ডোবা সেচ সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আব্দুল হক (৪৫) আহত হয়েছেন । তাকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় জগন্নাথপুর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । এ ঘটনায় আহতের স্ত্রী ওই দিন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন । আজ সোমবার (৬ জানুয়ারী )দুপুরে পুলিশ পাটলী চাঁনপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে হামলার সাথে জড়িত পাটলী চাঁনপুর গ্রামের মৃত ইছবর চৌধুরীর ছেলে আব্দুল মতিন চৌধুরী কদ্দুছ মিয়াকে আটক করেছেন। জানাযায় নেত্রকোনা জেলার কালিয়াজুড়ী উপজেলার মেন্দিপুর গ্রামের হাবিব মিয়ার ছেলে আব্দুল হক দীর্ঘ ২০ বছর ধরে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে পাটলী ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের লন্ডন প্রবাসী ফরিদ চৌধুরীর বাড়িতে বসবাস করে আসছেন । আব্দুল হক হেমন্ত মৌসুমে হাওর এলাকায় স্থানীয় লোকজনদের মাছ সংরক্ষনের ডোবা লীজ এনে তা সেচের মাধ্যমে মাছ আহরণ করে বিক্রয় করতেন । আহত আব্দুল হকের স্ত্রী জানান, প্রতি বছরের ন্যায় প্রায় ৩মাস আগে পাটলী চানঁপুর গ্রামের কদ্দুছ মিয়ার একটি ডোবা ৭ হাজার টাকায় আমার স্বামী আব্দুল হক ক্রয় করে সম্প্রতি ডোবাটি সেচে মাছ আহরণ করেন । ডোবাটি সেচের কারনে ডোবার মালিক আব্দুল মতিন চৌধুরী কদ্দুছ মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে আমার স্বামী আব্দুল হককে মারধর করার জন্য প্রস্তুতি নেয় । রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় গ্রামের মসজিদ থেকে আমার স্বামী আব্দুল হক নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে একা পেয়ে আব্দুল মতিন চৌধুরী কদ্দুছ মিয়া ও তার সহযোগিরা রাস্তায় আটক করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বেধরক পিঠিয়ে আব্দুল মতিন চৌধুরী কদ্দুছ মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যায় । খবর পেয়ে আমি আমার স্বামীকে তাদের নির্যাতন থেকে উদ্ধার করতে গেলে হামলাকারীরা আমাকেও এলোপাথারী ভাবে আঘাত করে। পরে স্থানীয় লোকজনদের সহযোগিতায় আমার স্বামীকে উদ্ধার করে গুরুত্বর আহত অবস্থায় জগন্নাথপুর হাসপাতারে ভর্তি করা হয় । আহত আব্দুল হকের স্ত্রী আরো জানান, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর থেকে প্রতিপক্ষের লোকজন আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে । জগন্নাথপুর থানার এসআই অনুজ কুমার জানান, আহত আব্দুল হকের স্ত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে আব্দুল মতিন চৌধুরী কদ্দুছ মিয়াকে আটক করা হয়েছে ।