জগন্নাথপুরে পূর্ব তিলক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভুমি নির্ধারন না করে নতুন ভবন নির্মাণ না করতে ইউএনও বরাবরে এলাকাবাসীর আবেদন


স্টাফ রির্পোটার::

জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের ৭৪ নং পূর্ব তিলক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভুমি নির্ধারন না করে নতুন ভবণ নির্মাণ না করার দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এলাকাবাসী।

বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা সদস্য তিলক গ্রামের শাহ্ আলম খাঁন এবং হাজি মছব্বির খান সহ ৩৫জন এলাকাবাসীর পক্ষে স্বাক্ষরিত আবেদনে উল্লেখ করা হয় নিম্নে বর্নিত ভূমির এস , এ রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন আমার পিতা মৃত আলফত খান এবং আমার চাচা মৃত আব্দুল গণি খাঁন । সেই সূত্রে আমার পিতা আলফত খাঁন এবং আমার চাচাতো ভাই হিরন খাঁন উভয়ে মিলে তপশীল বর্ণীত ভূমিতে ১৫ শতক ৭৪নং পূর্ব তিলক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দান করেন । সেই তপশীল বর্ণীত ভূমিতে স্কুলের কিছু ভূমি নিয়ে স্কুলের নতুন ভবন নিমনি হয় । বাকী দানকৃত অংশে স্কুলের কাজে সব সময় ব্যবহৃত হয়ে আসছে । দুঃখের বিষয় আমার বাবা এবং আমাদের কাউকে না জানিয়ে আমার চাচাতো ভাই অসৎ লোভের বশবর্তী হয়ে স্কুলে দানকৃত ভূমি স্কুলের কাজে ব্যবহার হচ্ছেনা বলে আমার বাবা আর আমরা ভাই বোনের সই দস্তখত জাল করে অন্য এক স্কুলের দলিল দেখিয়ে অন্য এক আদালতের রায় নিয়ে আসেন । রায় পাওয়ার পর উক্ত তপশীল বর্ণীত ভূমি এবং স্কুলের সাবেক জায়গার উপর সরকারী ভাবে লাগানো বেশ কয়েকটি দামী কাটের গাছ কেটে নিয়ে যান । যা এখনও দৃশ্যমান । এবং দানকৃত স্কুলের ভূমি বেদখল করে স্থাপনা নিমার্ণের কাজ সহ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন । যা এখনও দৃশ্যমান আছে । উক্ত ভূমি জালিয়াতির সাথে বর্তামনি স্কুলের সভাপতি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত । উক্ত জালিয়াতি মামলার বিরুদ্ধে স্কুলের পক্ষে সরকার বাদী হয়ে স্বত্ব আপিল মামলা ০৯ / ২০১৫ তারিখে সুনামগঞ্জ জেলা জজ আদালতে দায়ের করা হয় । যাহা বর্তমানে অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে বিচারাধীন আছে । এবং আমি স্কুলের ভূমি দাতা সদস্য স্কুলের পক্ষে বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ জেলা জজ আদালতে আরোও একটি মামলা দায়ের করি । সেই মামলা বিচারাধীন প্রক্রিয়ায় আছে । উক্ত তপশীল বর্ণীত ভূমির উপর সরকারের বাদী হওয়া মামলা এবং আমি দাতা সদস্য সরকার পক্ষে মামলার বাদী হওয়ায় এই দুই মামলা চলমান অবস্থায় উক্ত তপশীল বণীত ভূমি নির্ধারণ না করে সরকারী ভাবে কোন নতুন ভবন বা কোন স্থাপনা নির্মান না করার বিনীত অনুরুধ জানাচ্ছি । যাতে উক্ত সরকারী স্কুল তার নায্য ভূমি থেকে বঞ্চিত না হয় । সরকার পক্ষে আপিল মোকদ্দমা থাকা অবস্থায় এবং আমি একজন স্কুলের ভূমি দাতা সদস্য হয়ে স্কুলের ভূমি উদ্ধারে মামলা থাকাকালীন অবস্থায় আমার চাচাতো ভাই হিরন খাঁন প্রাইমারী স্কুলকে বঞ্চিত করার অসৎ উদ্দেশ্যে উক্ত তপশীল বণতি ভূমিতে জবর দখল ভাবে স্থাপনা নির্মানের পায়তারায় লিপ্ত । যদি তপশীল বর্ণীতি ভূমি ছাড়া সরকারী স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণ হয় তাহলে স্কুল তার ন্যায্য ভূমি থেকে বঞ্চিত হবে এবং উক্ত ভূমি ব্যক্তির দখলে চলে যাবে । আমার পিতা এবং আমি চাইনা আমার বাবার এবং আমার চাচার দেওয়া স্কুলের নামে দানকৃত ভূমি কারো অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলে কোন অসৎ চক্রের দখলে যাক । আমার বাবা এবং আমার চাচা উক্ত ভূমি স্কুলকেই দান করেছেন বিধায় উক্ত ভূমি স্কুলের ভবন নির্মানে কাজে লাগুক । আমরা দাতা সদস্যরা চাই এই নিমিত্তে আমি দাতা সদস্য বাদী হয়ে ৩৬ / ২০১৯ইং তারিখে স্বত্ব মামলা দায়ের করি। উক্ত মোকদ্দমা সমূহ ঢাকায় ৰণীত ভূমিতে কোন প্রকার স্থাপনা নিমণি হইতে বিরত থাকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গত যদি সরকারী ভাবে কোন ভবন নির্মান করার একান্ত ইচ্ছে হয় , তাহলে স্কুলের দক্ষিণ পশ্চিমের খালি ভূমিতে ভবন নির্মানে এলাকাবাসীর সর্ব সম্মতি আছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *