স্টাফ রিপোর্টার –
জগন্নাথপুর পৌরশহরের শান্তিনগর বাজার (হাসপাতাল পয়েন্ট) এলাকার প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী জিয়া লাইটিং এর সত্ত্বাধিকারী জিয়াউর রহমানকে জেলার ছাতক উপজেলার ঝিগলীতে মারামারির ঘটনায় আসামি করায় ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে। তাকে হয়রানি করার জন্য ওই মামলায় ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে আসামি করা হয়েছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন।
জানা যায়, গত শুক্রবার (১২ জুন) সকালে ছাতক উপজেলার ভাতঁগাও ইউনিয়নের দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ছাতক থানায় পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সাবেক মেম্বার মৃত মানিক মিয়ার ছেলে সুজাত মিয়া বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ১২ নং আসামি করা হয় জিয়া ড্রিংকিং ওয়াটারের সত্ত্বাধিকারী জিয়াউর রহমানকে। জিয়া তার প্রতিষ্ঠিত ওই প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়াও পেরুয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ডিএমডি ও শান্তিনগর বাজার (হাসপাতাল পয়েন্ট) বাজার তদারক কমিটির উপদেষ্টা সদস্য ও জালালপুর জামে মসজিদের উপদেষ্টা কমিটির সদস্যের দায়িত্বে রয়েছেন। শান্তস্বভাবের জিয়া দীর্ঘ ২ যুগের উপরে শান্তিনগর বাজার (হাসপাতাল পয়েন্ট) -এ সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
এ ঘটনায় শান্তিনগর বাজার (হাসপাতাল পয়েন্ট) কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান ও জালালপুর গ্রামের বাসিন্দা ও শান্তিনগর বাজার (হাসপাতাল পয়েন্ট) কমিটির সদস্য ব্যবসায়ী সাদেক আহমদ বলেন, জিয়া একজন সুনামধন্য ব্যবসায়ী। তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকার পরও তাকে আসামি করায় আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে শাহনাজ প্লাজার মালিক জিলু মিয়া পাঠান বলেন, জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আমার মার্কেটে ব্যবসা করে আসছেন। তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তাকে হয়রানি করতে ষড়যন্ত্রমূলক এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।
তদন্তপূর্বক ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমানকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন শান্তিনগর বাজার (হাসপাতাল পয়েন্ট) কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাজী সাজিদুর রহমান। তিনি বলেন, আমাদের এ ব্যবসায়ীকে হয়রানি করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলার আসামি করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।