স্টাফ রিপোর্টার::
সৌদি আবর থেকে জগন্নাথপুরের কিশোরী মেয়েকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। জগন্নাথপুর দক্ষিণ সুনামগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান নির্যাতিতা মেয়েটিকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে ইতো মধ্যে ডিও লেটার দিয়েছেন। জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, সৌদি আরবে জগন্নাধপুরের এক কিশোরী মেয়েকে আটকে রেখে নির্যাতনের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে ওই মেয়ের বিষয়ে খোঁজ নেয়া হয়েছে।নির্যাতিতা কিশোরীকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। প্রসঙ্গত, শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে জগন্নাথপুর থানায় মেয়ের মা রাজিয়া বেগম একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয় ,জগন্নাথপুর পৌরসভার বাড়ি জগন্নাথপুর এলাকার বাসিন্দা জগলু মিয়ার কিশোরী মেয়ে ফারহানা বেগম (১৫)কে একই এলাকার তারিফ উল্লার ছেলে স্থানীয় দালাল লিলু মিয়ার প্ররোচণায় চলতি বছরের ১০ মার্চ সৌদি আরবে পাঠানো হয়। সেখানে সৌদির রিয়াদ এরিয়ার সেমি এলাকায় কিশোরীকে একটি কক্ষে আটককে রেখে খারাপ কাজসহ অমানবিক নির্যাতন করা হচ্ছে। তাকে তার দেশে থাকা পরিবারের সাথে যোগাযোগ করতে দেয়া হচ্ছে না। সৌদি থেকে নির্যাতনের শিকার মেয়েটি মোবাইল ফোনে তার মাকে জানায়, সে খুবই বিপদে আছে, তাকে কোন ধরনের বেতন ভাতা দেওয়া হয় না। তাকে যেন দালালের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়, বলে মেয়েটি কান্নায় ভেঙে পড়ে। এসময় তার ফোনের লাইন কেটে যায়। এঘটনার পর মেয়ের মা গত ২ ডিসেম্বর লিলু মিয়াকে বিষয়টি জানিয়ে মেয়েকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বলেন। তখন দালাল লিলু মিয়া উত্তেজিত হয়ে মেয়ের মাকে বলে, তোমার মেয়েকে বিদেশ পাঠাতে আমার ২৫ হাজার টাকা খরছ হয়েছে, এই টাকা আমাকে না দিলে মেয়েকে আর তুমি পাবে না। বিদেশে তাকে আরো বেশি নির্যাতন করা হবে। মেয়ে মা রাজিয়া জানান, আমার মেয়ের ওপর অমানবিক নির্যাতন করা হচ্ছে। তাকে যেন দ্রæত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করি , বলেই সে কাঁদতে কাঁদতে ফোন কেটে দেয়। তিনি কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার মেয়ের জীবন এখন বিপন্ন।
Category: অন্যান্য
ব্রিটেনে কাল নির্বাচন: জগন্নাথপুরের আফসানা সহ আলোচনায় ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাঁচ নারী
ডেস্ক রিপোর্ট::
ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেন বের হবে কিনা অর্থাৎ ব্রেক্সিট কার্যকর হবে কিনা সেই ইস্যুতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার দেশটিতে পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটারদের কাছে পার্টির চেয়ে বড়ো ইস্যু হয়ে উঠছে ব্রেক্সিট। শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। এবারের সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কমপক্ষে ১০ জন প্রার্থী লড়াইয়ে রয়েছেন।
মধ্যবর্তী এই নির্বাচনে একটি ইস্যু প্রাধান্য পেলেও যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে এবার বাংলাদেশি প্রতিনিধিত্ব বাড়বে, এটা নিশ্চিত। তবে আলোচনা বেশি হচ্ছে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি পাঁচ নারীকে নিয়ে, যাদের তিনজন এখন সংসদ সদস্য। নিজ আসন ধরে রাখতে লড়ছেন রুশনারা আলী, টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক ও রূপা হক। তাদের সঙ্গে মাঠে নেমেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আফসানা বেগম এবং বাবলিন মল্লিক। এর মধ্যে টিউলিপ সিদ্দিক জয়ী হলে এবার হ্যাটট্রিক করবেন।
এ ছাড়া কনজারভেটিভ পার্টি থেকে ডা. আনোয়ারা আলী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে রাবিনা খান মনোনয়ন পেয়েছেন। লেবার পার্টির প্রার্থী হিসেবে রোশনারা আলী ২০১০ সাল থেকে লন্ডনের বেথনাল গ্রিন ও বো আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসছেন। বাংলাদেশি অধ্যুষিত এই আসনটিতে সব সময় লেবার পার্টির প্রার্থী জয়ী হয়ে থাকেন।
রুশনারা আলী: ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বাংলাদেশি-বংশোদ্ভূত প্রথম এমপি রুশনারা আলি। ২০১০ সালে তিনি লেবার পার্টি থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সিলেটের বিশ্বনাথের মেয়ে রুশনারা। তিনি পূর্ব লন্ডনের বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসন থেকে টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। আরও পাঁচ বছর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে থাকতে লড়ছেন।
২০১৭ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ পার্টির চার্লট চিরিকোর চেয়ে ৩৫ হাজার ৫৯৩ ভোট বেশি পেয়ে তিনি নির্বাচিত হন। বাংলাদেশি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস বারার অধীন রুশনারার আসনটি লেবার দলের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।
সাধারণ এক কর্মজীবী বাঙালির মেয়ে রুশনারা পরিবারের প্রথম সদস্য, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন। তিনি দর্শন, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে ডিগ্রি নিয়েছেন অক্সফোর্ডের সেইন্ট জন’স কলেজ থেকে।
টিউলিপ সিদ্দিক: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতি উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড কিলবার্ন থেকে নির্বাচিত লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিক।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ ২০১৫ সালে লেবার পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে জয়ী হন। পরের দফায় ২০১৭ সালের নির্বাচনে তিনি পুনর্র্নিবাচিত হন।
৩৭ বছর বয়সী টিউলিপ সিদ্দিককে পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছে। টিউলিপ প্রথমে ইংরেজি এবং পরে রাজনীতি, নীতি ও সরকার বিষয়ে লেখাপড়া করেছেন যুক্তরাজ্যের অন্যতম শীর্ষ দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেট দলের বারাক ওবামার প্রচারাভিযানে অংশ নেন।
রূপা হক: লন্ডনের ইলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন আসন থেকে টানা দুই বারের এমপি রূপা হকের জন্ম ও বেড়ে ওঠা লন্ডনে। বাংলাদেশে আদি বাড়ি পাবনায়। ৪৮ বছর বয়সী রূপা অল্প ভোটের ব্যবধানে হলেও ২০১৫ সালের নির্বাচনে রক্ষণশীলদের হাত থেকে আসনটি পুনরুদ্ধার করেন। ২০১৭ সালের নির্বাচনেও তিনি ব্যবধান বাড়িয়ে আসনটি ধরে রাখেন।
রূপ হক কেমব্রিজে রাজনীতি, সামাজিক বিজ্ঞান ও আইন পড়েছেন। তিনি পড়াচ্ছেন সমাজবিজ্ঞান, অপরাধবিজ্ঞান, গণমাধ্যম ও সংস্কৃতি অধ্যয়নের মতো বিষয়। শিক্ষক রূপা এর আগে ডেপুটি মেয়র হিসাবে স্থানীয় সরকারে দায়িত্ব পালন করেছেন।
আফসানা বেগম: টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকার পপলার অ্যান্ড লাইম হাউস আসন থেকে লেবার পার্টি থেকে এবার প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আফসানা বেগম। আফসানার জন্ম ও বেড়ে ওঠা টাওয়ার হ্যামলেটসে হলেও বাংলাদেশে তাদের আদি বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর শহরের লুদরপুরে । টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের আবাসন বিভাগে কর্মরত আছেন তিনি।
বাবলিন মল্লিক: ব্রিটেনের এবারের নির্বাচনের জন্য ড. বাবলিন মল্লিককে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করেছে সে দেশের উদার ধারার রাজনৈতিক দল লিবারেল ডেমোক্র্যাট (লিবডেম)। বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলা থেকে ব্রিটেনে স্থায়ী আবাস গড়া বাবলিন কার্ডিফ সেন্ট্রাল আসনের জন্য প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন। সাংবাদিকদের দেয়া সাক্ষাৎকারে বিজয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
বাবলিন মল্লিক মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কচুয়া গ্রামের মোহাম্মদ ফিরোজের মেয়ে। ছোটবেলায় মা-বাবার সঙ্গে যুক্তরাজ্যে আসেন তিনি। পরিবারের তিন সন্তানের মধ্যে কনিষ্ঠ বাবলিন বায়ো কেমিস্ট্রিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন। কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেছেন তিনি।
নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের কনজারভেটিভ পার্টি (টোরি পার্টি) এবং জেরেমি করবিনের লেবার পার্টির মধ্যে। এছাড়া আরো ছোটো দল রয়েছে যারাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এদের মধ্যে কেউ ইউরোপীয় ইউনিয়নপন্থি ও কেউ ইউরোপীয় ইউনিয়নবিরোধী দল হিসেবে পরিচিত।
টোরি ও লেবার পার্টি রাজনৈতিক সংকটের সমাধান তথা ব্রেক্সিট ইস্যুতে নানা প্রতিশ্রæতি দিচ্ছে। বিশেষ করে বাজেটে কাটছাঁট ইস্যুও আলোচনায় স্থান পাচ্ছে। জরিপে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি লেবার পার্টির চেয়ে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছে।
জ:টুডে/এ হাই/১১/১২/১৯
জগন্নাথপুরে মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে র্যালি আলোচনা সভা
স্টাফ রিপোর্টার::
‘মানবাধিকার সুরক্ষায় তারন্যের অভিযাত্রা‘ প্রতিপাদ্যে জগন্নাথপুরে বিশ^ মানবাধিকার দিবস উদযাপন কার হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে র্যালি পৌরশহরের গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা পরিষদ চত্ত¡রে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহ্ফুজুল আলম মাসুমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু , উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব , মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারজানা আক্তার , উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: খালেদ সাইফুল্লাহ , উপজেলা মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া, দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক সবুজ সিলেট প্রতিনিধি মো: আব্দুল হাই , তথ্য সেবা কর্মকর্তা লুফিয়া জান্নাত , উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাফরোজ ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অফিসের প্রশিক্ষনার্থী চাদনী বেগম প্রমূখ । এ সময় তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদ্প্তর জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার আশীষ চক্রবর্ত্তী , মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপার ভাইজার অরূপ রায় , ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা নব কুমার সিং , আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মো: জিল্লুর রহমান, ইউএনও কার্যালয়ের সহকারি ফয়সল চৌধুরী , উপজেলা টেকনোশিয়ান অরূপ সরকার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন ।সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুল আলম মাসুম মানবাধিকার বিষয়ক গুরুত্বপূর্ন তথ্য উপস্থাপন করে বলেন সরকার নাগরিক সুবিধায় বাস্তবমূখী নানান প্রদক্ষেপ নিয়েছেন । তিনি মানবতার দেয়ালে অসহায় দরিদ্রদের জন্য শীতব¯্র প্রদানের জন্য বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।
ছেলের হাতে মা খুন
ডেক্স নিউজ::
সিলেটের শহরতলীর খাদিমপাড়া ইউনিয়নের দলইপাড়া গ্রামে ছেলের হাতে খুন হয়েছেন এক মা। নিহত মহিলার নাম প্রেমলতা বাউড়ি (৬০)। ৯ ডিসেম্বর রোববার রাত ১১ টায় দলইপাড়া গ্রামের খৃষ্টান বাড়িতে হত্যাকান্ডটি ঘটে। এ ঘটনার পরই ঘাতক ছেলে দিপু বাউড়ি পালিয়ে যায়। পারিবারিক সমস্যা জনিত কারনে এ হত্যাকান্ড ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। শাহপরান থানার ওসি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শ করেছে। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। আসামী দিপু বাউড়ি’কে ধরতে পুলিশ অভিযানে নেমেছে।
জগন্নাথপুরে জয়িতাদের সংবর্ধনা
স্টাফ রিপোর্টার::
আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস-২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে “জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ” কার্যক্রমের আওতায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বর্ণাট্য র্যালি ও জয়িতাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ১১টায় বর্ণাট্য র্যালি উপজেলা সদরের প্রধান শড়ক প্রদিক্ষণ শেষে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহ্ফুজুল আলম মাসুমের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারজানা আক্তার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মধু সুধন ধর, থানা অফিসার ইনর্চাজ মো. ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী সহ আরো অনেকইে। পরে জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ কার্যক্রমের আওতায় ৫ ক্যাটাগরীতে ৫ জয়িতাদের সংবর্ধনা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
জগন্নাথপুরে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত
স্টাফ রিপোর্টার::
“আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের প্রাঙ্গনে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মাওলানা মুহিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নিজাম উদ্দিন জালালীর পরিচালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহ্ফুজুল আলম মাসুম, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, থানার অফিসার ইনর্চাজ মো, ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, জগন্নাথপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র শফিকুল হক। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জগন্নাথপুর বাজার বনিক সমিতির সভাপতি আফছর উদ্দিন ভ’ঁইয়া, সাংবাদিক শংকর রায়, জগন্নাথপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত কুমার দেব, সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদ, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য মাহমুদুল হক চৌধুরী রাসেল, আব্দুল হক, আনোয়ার হোসেন, শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার সাথী, তাহরিমা আক্তার শান্তা, প্রত্যয় ঘোপ। এসময় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
জগন্নাথপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে আনন্দ র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা কমান্ড মুক্তিযোদ্ধো সংসদের আয়োজনে জগন্নাথপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে আনন্দ র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গন থেকে আনন্দ র্যালি বের হয়ে উপজেলা সদরের প্রধান শড়ক প্রদিক্ষণ করে। উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহ্ফুজুল আলম মাসুমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকমল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব প্রমুখ। আনন্দ র্যালিতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম মোশাহিদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মধু সুধন ধর, পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র শফিকুল হক সহ উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দ।
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
স্টাফ রিপোর্টার::
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আজ রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় তিনি উদ্বোধন ঘোষণা করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিপিএলে যারা উপস্থিত হয়েছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আপনারা এই টুর্নামেন্ট উপভোগ করবেন। আমি এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি। এরপর পুরো শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের আকাশে আতশবাজির ঝলকানি ছিল দেখার মতো। পুরো স্টেডিয়ামকে রাঙানো হয়েছে বর্ণিলভাবে। প্রধানমন্ত্রীর বড় একটা ছবি শোভা পাচ্ছে পূর্ব গ্যালারিতে। সব মিলিয়ে জমকালো এক আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশেষ এই বিপিএল উদ্বোধন হলো। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগেই অবশ্য কনসার্ট দিয়ে শুরু হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে এটি শুরুর কথা থাকলেও বাংলাদেশি শিল্পী মহিদুল ইসলাম খান মঞ্চে ওঠেন সন্ধ্যা ৬টায়। কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল সরাসরি সম্প্রচার করছে এই অনুষ্ঠান। এ ছাড়া প্রতিটি বিভাগীয় শহরে জায়ান্ট স্ক্রিনে সরাসরি দেখানো হচ্ছে অনুষ্ঠানটি। ঢাকা শহরের বাছাই করা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসানো হয়েছে জায়ান্ট স্ক্রিন।
“মুজিববর্ষ” ও আমাদের প্রত্যাশা
বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন হোক মুজিব বর্ষের প্রেরণা-
১৭ মার্চ, ২০২০ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী। আগামী ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ১৭ মার্চ ২০২১ সালকে “মুজিববষ” ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর জীবনী, আদর্শ, উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাঁর ত্যাগ, স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি স্ব-নির্ভর, সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণ-পণ প্রচেষ্টা, এমনকি দেশ ও জনগণের স্বার্থে এদেশীয় কতিপয় বিশ্বাস ঘাতক, মীরজাফরদের হাতে নিজের স্ব-পরিবারে জীবন উৎসর্গ তথা শাহাদাৎ বরণ এবং সর্বোপরি তাঁর আদর্শে, পরিকল্পনায় বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে এগিয়ে চলা উন্নয়ন কর্মকান্ডের উপর নানান অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ সরকার। আরো গৌরবের বিষয় যে, বাংলাদেশের সাথে ইউনেস্কো ঘোষিত ১৯৫ টি দেশে জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকী তথা মুজিববর্ষ উদ্যাপিত হবে। আগামী ১৭ মার্চ, ২০২০ রাজধানীর জাতীয় প্যারেড স্কোয়াডে বছরব্যাপী অনুষ্টেয় অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে “মুজিববর্ষ উদ্যাপিত হবে সার্বজনীনভাবে। “মুজিববষ” উদ্যাপনের প্রেরণা হোক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়ন- আমাদের ব্যক্তিজীবন, পরিবার, সমাজ-রাজনীতি, কর্ম ও রাষ্ট্রনীতিতে। আজ থেকে প্রায় শতবর্ষ পূর্বে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম (শেখ পরিবার) পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাবা শেখ লুৎফুর রহমান ও মা সায়েরা খাতুনের ঔরসজাত সন্তান, সেদিনের সেই “খোকা” বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শৈশবকাল থেকেই ছিলেন স্বাধীনচেতা, সততা, মানবপ্রেম, দেশাত্মবোধ ও বিপ্লবী চেতনার অধিকারী। প্রবাদ আছে, “গড়ৎহরহম ঝযড়ংি ঃযব ফধু” অর্থাৎ ভোরের আলোই হচ্ছে দিনের প্রতিচ্ছবি । তেমনি বঙ্গবন্ধুর শৈশবকাল থেকে তাঁর চলন-বলন, নীত-আদর্শই বলে দেয় যে, তিনি পরবর্তী সময়ের একজন মহীরুহ, মহাপুরুষ। বঙ্গবন্ধুর সেই অসাধারণ ব্যক্তি ও চারিত্রিক গুণাবলী প্রস্ফুটিত হয় তাঁর শৈশব থেকে শুরু করে জীবনব্যাপী মহা কর্মযজ্ঞে। যেমন:
গ্রামের বন্ধুদের সাথে দিনভর খেলাধুলার পর বিকেলে সব বন্ধুদের সাথে নিয়ে বাড়ীতে এসে মায়ের কাছে সবাইকে খাবার দেয়ার আহ্বান। মা’ও হাসিমুখে সন্তানের সেই আবদার পূরণ করতেন।
বর্ষাকালে নিজের ছাতা গরীব বন্ধুকে দিয়ে, নিজে বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ীতে আসা।
বাবার কিনে দেয়া চাদরখানা শীতার্ত বৃদ্ধাকে দিয়ে বুক ফুলিয়ে বাড়ীতে এসে বললেন, বাবা আমি চাদরখানা পথের এক বৃদ্ধা মহিলাকে দিয়ে দিয়েছি। এমন উদারতা! মানবতা! বন্ধুপ্রীতি! সত্যিই খুবই বিরল।
১৯৩৯ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল পরিদর্শনে এলে বঙ্গবন্ধু স্কুলের ছাদ দিয়ে পানি পড়ার সমস্যা সমাধানসহ ছাত্রাবাস প্রতিষ্ঠার দাবী তুলে ধরার মাধ্যমে অধিকার/দাবী আদায়ে তাঁর সাহস, প্রজ্ঞা ও মেধার পরিচয় দেন।
১৯৪৩ সালে সক্রিয়ভাবে মুসলীমলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে পরবর্তী ভাষা আন্দোলন, ছয়দফা, গণঅভ্যুত্থান ইত্যাদি আন্দোলনের মাধ্যমে মাতৃভাষা, দেশের স্বাধীনতা-স্বাধীকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, জেল-জুলুমসহ অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেন।
সশ¯্র ক্ষমতাধর পাকিস্তানী বাহিনীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু অসীম সাহসিকতা,দৃঢ় মনোবল, প্রবল আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে সুদৃঢ় চিত্তে, দৃপ্ত কন্ঠে জ্বালাময়ী ভাষণ প্রদান করেন; “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম”, “রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ।” বঙ্গবন্ধুর এমন জ্বালাময়ী, প্রেরণাদায়ক ভাষণে স্বাধীনতা পিপাসু নিরস্ত্র বাঙালীরা স্বাধীনতার সু-পেয়, অমিয় সুধা পানের জন্য নব উদ্যমে, দৃঢ় মনোবল ও অসীম সাহসিকতার সাথে ঝাপিয়ে পড়ে মুক্তি সংগ্রামে। কৃষক-মজুর, ছাত্র-শিক্ষক, সাংবাদিক-বুদ্ধিজীবী তথা সর্ব শ্রেণির নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সংগ্রামে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলার আকাশে উদিত হয় স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য, সবুজ-শ্যামল বাংলার বুকে উড়ে লাল-সবুজের কেতন, বিশ্ব মানচিত্রে স্থাপিত হয় স¦াধীন বাংলাদেশ। আর এই দূর্লভ,কাঙ্খিত বিজয়ের মহানায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিুর রহমান।
১০ জানুয়ারী ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, ১২ জানুয়ারী রাষ্ট্রের দায়িত্বভার গ্রহণ পূর্বক প্রশাসনিক ব্যবস্থার পূনর্গঠন, সংবিধান প্রণয়ন, এক কোটি মানুষের পূনর্বাসন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক স্কুল পর্যায়ে বিনামূল্যে বই বিতরণ, মদ,জুয়া,ঘোড় দৌড়সহ সমস্ত ইসলাম বিরোধী কার্যক্রম কার্যকরভাবে নিষিদ্ধকরণ, ইসলামকি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড পূনর্গঠন, ১১ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্টাসহ প্রায় ৪০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণ, দুস্থ মহিলাদের কল্যাণের জন্য নারী পূনর্বাসন সংস্থা, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন, বিনামূল্যে/স্বল্পমূল্যে কৃষকদের মধ্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ ইদ্যাদি কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যান উন্নয়নের অগ্রপথে।
বঙ্গবন্ধুর এসমস্ত কার্যক্রম, আদর্শ, রাজনীতি বিশ্লেষণ করলে তাঁর যে অন্যতম বৈশিষ্টগুলো প্রাধান্য পায় তা হলো- সর্বোচ্চ ত্যাগ, প্রশ্নাতীত সততা, দেশ ও জনগণের প্রতি গভীর ভালোবাসা, অসীম সাহস, মানবতাবাদী এবং লক্ষ্যে অবিচল।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী তথা “মুজিববর্ষ” উদযাপনের পাশপাশি বঙ্গবন্ধুর উপর্যুক্ত সোনালী আদর্শগুলো অনুসরণ, অনুকরণ পূর্বক বাস্তবায়িত হোক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার, সোনার মানুষের কৃত-কর্মে, ধ্যানে-প্রাণে, সমাজ-রাষ্ট্রে। মুজিব বর্ষে এই হোক আমাদেরথ প্রত্যয়, প্রত্যাশা।

লেখক: মো. রুহুল আমিন, সহকারি শিক্ষক, গণেশ্বরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ।
কলকলিয়ায় তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে সংঘর্ষে আহত-৬
স্টাফ রিপোর্টার::
জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৪জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ২ জনকে জগন্নাথপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায় সোমবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় ওই গ্রামের সিরাজ মিয়ার পক্ষের লোকজনের সাথে তাঁর চাচাত্ব ভাই নুর মিয়ার তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের ৭জন আহত হন। আহতদের মধ্যে নুর মিয়া (৩৪), সালিক মিয়া (৪০), সিরাজ মিয়া (৫৭) ও রাজু মিয়াকে(২৫) সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ইউপি সদস্য সাজ্জাদ মিয়া জানান, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে চাচাত্ব ভাইদের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
জগন্নাথপুর থানার ওসি (তদন্ত) নব গোপাল দাস জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়েছি । লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।