জগন্নাথপুরে দু-পক্ষের সংঘর্ষে নারী সহ আহত-৫

স্টাপ রিপোর্টার:
জগন্নাথপুরে দু-পক্ষের সংঘর্ষে নারী সহ উভয় পক্ষের ৫জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (১০ মে) দুপুরে উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের বালিকান্দি গ্রামে।
জানাযায়, বালিকান্দি গ্রামের জাবেদ মিয়া ও হামিম মিয়ার মধ্যে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের নারী সহ ৫জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে জহির উদ্দিন (৬০), হামিম মিয়া (১৮) ও আছিয়া বেগমকে (৪০) জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করা হয়েছে।

জগন্নাথপুর উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্টিত

স্টাফ রিপোর্টার:-
জগন্নাথপুর উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির দ্বি-মাসিক সভা অনুষ্টিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ মে) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুল আলম মাসুমের সভাপতিত্বে ও কেয়ার বাংলাদেশের কালেক্টিভ ইম্প্যাক্ট ফর নিউট্রিশন ইনিশিয়েটিভ এর টেকনিক্যাল অফিসার অরুপ রতন দাশের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সদস্য আতাউর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব ডাঃ মধু সুধন ধর, কেয়ার বাংলাদেশের কালেক্টিভ ইম্প্যাক্ট ফর নিউট্রিশন ইনিশিয়েটিভ এর টেকনিক্যাল ম্যানেজার মোঃ হাসানউজ্জামান প্রমূখ। সভায় পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভাপতি ইউএনও মাহফুজুল আলম মাসুম উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমটিরি বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনা তৈরী প্রসঙ্গে আলোচনা এবং খসড়া পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি এ উপজেলায় পুষ্টির কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার জন্য এবং জাতীয় পুষ্টি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করার লক্ষ্যে উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটিকে গুরুত্বের সাথে কাজ করতে হবে। এজন্য আমাদের একটা বার্ষিক পুষ্টি পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে এবং তা বাস্তবায়নে বিভিন্ন বিভাগকে সহায়তা করতে হবে। সভায় উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মধু সুধন ধর বিগত সভার কার্যবিবরণী থেকে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্তগুলো আলোকপাত করেন এবং কার্যক্রমকে বেগবান করতে কমিটির সদস্যদের প্রতি অনুরোধ জানান। সভায় উপস্থিত ছিলেন পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সদস্য উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারজানা আক্তার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান মজুমদার, উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার, পাটলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিরাজুল হক, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম রানা, আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ আবু ঈমানী, পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মখলুছ মিয়া, মীরপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জমির উদ্দিন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো: একরামুল হক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একে এম মোখলেছুর রহমান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: খালেদ সাইফুল্লাহ, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি শংকর রায়, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি মো: আব্দুল হাই, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: আব্দুর রব সরকার, উপজেলা আবাসিক প্রকৌশলী বিদ্যুৎ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল আজাদ পাবেল, সূর্যের হাসি ক্লিনিকের ম্যানেজার মো: রিয়াদ আহমদ, ইউজিডিপি (জাইকা) প্রকল্প কর্মকর্তা রাজীব কুমার দাস, মৎস্য অফিসের ফিল্ড অফিসার মো: রফিকুল ইসলাম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: সাইফুল ইসলাম, প্রভাষক হাছফা বেগম, সমাজসেবা কার্যালয়ের ইউনিয়ন সমাজকর্মী সুব্রত তালুকদার, মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের প্রশিক্ষক মো: উনু মিয়া প্রমূখ।

জগন্নাথপুরে অগ্নিকান্ডে ঘর পুঁড়ে ছাঁই ॥ ৫লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

স্টাফ রিপোর্ট:-
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরের পূর্ব ভবানীপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে একটি টিন সেড ঘর পুঁেড় ছাঁই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছে। পৌর শহরের পূর্ব ভবানীপুর এলাকার বাসিন্দা উপজেলা সেটেলম্যান্ট অফিসের মহড়ার রেজাউল করিম রাজুর বসত বাড়ির বৈঠকখানা ও গোয়াল ঘরে হঠাৎ করে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে মুহুর্তেই উভয় ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এসময় বাড়ির লোকজনদের চিৎকারে এবং আগুনের লেলিহান শিখা দেখে আশ-পাশের শত শত লোকজন আগুন নেভাতে ছুটে আসেন। অগ্নিকান্ডের খবর জগন্নাথপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে জানানো হলে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অগ্নিকান্ডস্থলে ছুটে আসেন। এসময় ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজনদের প্রায় ঘন্টাব্যাপী প্রানপন চেষ্টা চালিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হলেও ততক্ষনে উভয় ঘরটি সম্পূর্ন পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়। এতে বৈঠক খানার কাঠের মালামাল ও জরুরী কাগজপত্রসহ গোয়ালঘর পুঁেড় প্রায় ৫লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ গৃহকর্তা রেজাউল করিম রাজু জানান, কিভাবে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়েছে তা আমি বুঝে উঠতে পারছিনা। ঘটনার সময় আমি বাড়িতে না থাকলেও আমার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন হঠাৎ করে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় গোয়াল ঘরের প্রায় ৮/১০টি গরু বাহির করা সম্ভব হলেও অন্যান্য মালামাল রক্ষা করা যায়নি। তিনি জানান, অগ্নিকান্ডের ফলে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এতে প্রায় ৫লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

জগন্নাথপুরের হলিকোনার মেলা ভেঙ্গে দিল প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের হলিকোনা বাজারে রবিবার সন্ধায় অনুমোদনহীন মেলার আয়োজন করা হয়। আয়োজক কমিটি মেলার ঐতিহ্য রক্ষা না করে ভাড়তি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্যেশে জুয়া খেলা সহ অসামাজিক কার্যকলাপে মেতে উঠেন।

জানা যায়, হলিকোনা বাজারে খাগাউড়া-মহিষাকোনা গ্রামের কতিপয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি পায়দা হাসিলের উদ্যোশে প্রতিবছর এ মেলার আয়োজন করে থাকেন। মদ, জুয়া সহ অশালিনতা থাকায় এলাকার সচেতন জনসাধারন সহ পুলিশ প্রশাসন মেলাটি আয়োজন করতে বাঁধা প্রদান করেন।

কিন্তু স্বার্থন্বেশী মহল এলাকার মানুষ ও পুলিশ প্রশাসনের বাঁধা বিপত্তি উপেক্ষা করে মেলার আয়োজন করে। শনিবার সন্ধায় পুলিশ প্রশাসন সরজমিনে গিয়ে মেলাটি ভেঙ্গে দিয়ে আসেন।

স্থানীয়রা জানান, জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গত বছর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের হলিকোনার মেলা ও কলকলিয়া ইউনিয়নের সাদিপুরের মেলার

নামে মদ, জুয়া খেলা সহ অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে গতবারের ন্যায় এবারও উপজেলাবাসীকে রক্ষা করেছেন। তিনি মেলার নামে মদ, জুয়া, অশ্লীলতা বন্ধ করাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে সফল হয়েছেন।

এ মেলা বন্ধ করায় এলাকায় আনন্দের বন্যা বইছে।

এব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, জগন্নাথপুর উপজেলায় মেলার নামে যাত্রা গান, মদ, জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আমি যুদ্ধ ঘোষনা করেছি।

কিছু মানুষ মেলার নামে মদ, জুয়া, যাত্রাগান সহ অশালিনতা করছে। গত বছরও হলিকোনা ও সাদিপুরের মেলা ভেঙ্গে দিয়েছিলাম।

আজ আমার নিদের্শে এসআই লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে সংগীয় এসআই আফছার আহমদ, এসআই মনির, এএসআই সাদেকুর রহমান, এএসআই আনোয়ার হোসেন ও শহীদ সহ বিপুল সংখ্যক পুলিশদল মেলার নামে নির্মিত পেন্ডেল স্থায়ী ভাবে উচ্ছেদ করেন।

মেলার নামে জুয়াসহ অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ করায় স্থানীয় লোকজন ও জগন্নাথপুরবাসী পুলিশ প্রসাশনকে ধন্যবাদ জানায়।

এলাকার শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখতে মেলার নামে অসামাজিকতা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ায় থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এলাকাবাসী।

হবিবপুর সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নারী শিক্ষার এক অন্যন্য প্রতিষ্ঠান

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরের অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত হবিবপুর সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি নারী শিক্ষার এক অন্যন্য প্রতিষ্টান হিসেবে ইতো মধ্যে উপজেলায় প্রশংসিত হচ্ছে। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মরহুম মাস্টার মন্তেশর আলীর ছেলে ম্যাজিষ্ট্রেট সুয়েব আহমদ তালুকদার নারী শিক্ষা প্রসারে নিজস্ব ভূমিতে পারিবারিক অর্থায়নে তিনির মায়ের নামে সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্টা করেছেন। বিদ্যালয়টিতে দক্ষ শিক্ষক দ্বারা শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি ম্যাজিষ্ট্রেট সুয়েব আহমদ তালুকদারের দিক নির্দেশনায় ইতোমধ্যে ছাত্রীদের লেখা পড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা মূলক কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন রত ছাত্রীরা এবং তাদের অভিভাবকরা মহা আনন্দিত হয়েছেন। এদিকে প্রতিবছরের ন্যায় জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত ২০১৮সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে স্কাউট, গার্লস গাইড, কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রর্দশনীতে হবিবপুর সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রথম পুরস্কার অর্জন করে। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০১৬সালের ,জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি সামাজিক,ধর্মীয়,মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধের উপর সুশিক্ষা দিয়ে আসছে। ছাত্রীদেরকে বিদ্যালয়ে আসার ব্যাপারে উৎসাহিত করার জন্য সংক্ষিপ্ত আকারে সকল ছাত্রীদের জন্ম তারিখ পালন করা হয় এবং তাদের নগদ অর্থ ও ফুলের মালা প্রদান করা হয় । আন্তর্জাতিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য এ বিদ্যালটি সকল ছাত্রীদের কে ফ্রি ইংরেজী শিক্ষার কোর্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা সুয়েব আহমদ তালুকদার যুক্তরাজ্য থেকে সরাসরি ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে তদারকি করছেন ফলে ছাত্রীরা ইংরেজি শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন করছে। প্রতি সপ্তাহে একদিন তাদের মাথায় উকুন আছে কিনা সেটাও পরিষ্কা করা হয়ে তাকে এবং তাদের পোশাক পরিষ্কার পরিচ্ছন কিনা সেটাও তদারকি করা হয়। সকল ছাত্রীকে একটা করে ব্যক্তিগত ডায়রি দেওয়া হয়েছে। প্রদিতদিন তার কত ঘন্টা লেখাপড়া করে সেটা ডায়রিতে লিখতে হয় এবং তাদের পিতা অথবা মাতা কর্র্তৃক সত্যায়িত করে স্বাক্ষর দিতে হয়। হাখিুশি ও আনন্দমুখর পরিবেশে রাখার জন্য এখানে বৎসরে বিভিন্ন ধরনের কমপক্ষে ১২টি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় । যেমন: সামাজিক, সাংস্কৃতিক, বির্তক প্রতিযোগিতা ,পিঠা উৎসব ,শরীরচর্চা ও অন্যান্য সামাজিক মূল্যবোধের আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ে একজন ওয়েল ফেয়ার অফিসার আছেন । যার দায়িত্ব হচ্ছে প্রতিদিন অনুপস্থিত ছাত্রীদের বাড়ী পরিদর্শন করা, অনুপস্থিতির কারণ নির্নয় করা এবং অসুস্থ হলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ প্রদান করা হয়। ছাত্রীদের কে উৎসাহিত করার জন্য সমাজের বিশিষ্ঠ ব্যাক্তিদের কে গেষ্ঠ স্পিকার হিসাবে বিদ্যালয়ে আমন্ত্রন করা হয়। আমন্ত্রীত ব্যক্তিগণ তারা তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা ও সফলতা নিয়ে ছাত্রীদের কে বলেন। এবং উন্নত মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা অর্জন করার জন্য ছাত্রীদেরকে উপদেশ দিয়ে থাকেন ও উৎসাহিত করেন । পরিস্কার পরিচ্ছনতার শিক্ষা দেয়ার জন্য এ বিদ্যালয়ের প্রতিটি স্থানে ডাস্টবিন এর ব্যবস্থা রয়েছে। ছাত্রীরা রাস্তায় নিরাপদে যাতায়াত এবং ইভটিজিং এর ব্যপারে সর্তক তাকতে পারে সে ব্যাপারে তাদেরকে প্রশিক্ষন দেওয়া হয় । আত্্রহত্যা এবং অন্যান্য সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় থেকে বাচার জন্য এ বিদ্যালয়ে একজন স্টুডেন্ট কাউন্সিলর রয়েছে। স্টুডেন্ট কাউন্সিলর তাদেরকে সকল সময় প্রয়োজনীয় পরামর্শ ,সহযোগিতা ও সাহস প্রদান করে থাকেন । শিক্ষদেরকে প্রতিমাসে দু’বার বিভিন্ন বিষয়ের উপর অত্র বিদ্যালয় প্রতিষ্টাতা সুয়েব আহমেদ তালুকদার যুক্তরাজ্য থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশিক্ষন প্রদান করছেন। ছাত্রীরা বাসায় খাওয়া দাওয়া করেছে কিনা এবং বিদ্যালয় প্রতিদিন টিফিন বক্স এনেছে কিনা প্রয়োজনীয় পানি পান করেছে কিনা সেটাও তদারকি করা হয় । এ বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের উপস্থিতির হার সন্তোশ জনক । এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ অত্যন্ত মনোরম ,পরিস্কার,পরিচ্ছন্ন,আধুনিক । সাজেদা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি এমন একটি মান সম্মত প্রতিষ্টান যেখানে আধুনিক শিক্ষার ব্যাবস্থা রয়েছে যা আর্ন্তজাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থার অনুকরনীয় । প্রকৃত মানুষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার জন্য যা কিছু প্রয়োজন সব কিছুই এ বিদ্যালয় থেকে প্রদান করা হয়।ফলে এ প্রতিষ্টানের ছাত্রীরা অত্যন্ত র্স্মাট ,ন¤্র,ভদ্র,ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার সুযোগ পেয়েছে।

জগন্নাথপুরে কৃতি ফুটবলার মরহুম আব্দুন নুর ও মরহুম ইউনুস মিয়া স্মরনে গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুর উপজেলার দুই প্রবীণ কৃতি ফুটবলার মরহুম আব্দুন নুর ও মরহুম ইউনুস মিয়া স্মরণে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নমেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ১৬ র্ফেরুয়ারি জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের মীরপুর স্টেডিয়ামে সিলেট বিভাগ সোনালী অতীত ইউ কের আয়োজনে ও কৃতি ফুটবলার জোবায়ের আহমদ হামজা ,এম এ ওয়াদুদ,সৈয়দ দবির ,সফু মিয়া ,জামাল উদ্দিন,সৈয়দ নব্বীর ,আক্তার হোসেন , কামাল উদ্দিন , এম এ রউফ মাক্কু,মতচ্ছির আলী ,জয়নাল আবেদীন ,মকন,জামাল উদ্দিন (শ্রীরামসী ) আজম খান,গোলাম কিবরিয়ার সার্বিক সহযোগিতায় আব্দুন নুর ইউনুস গোল্ডকাপ ২০১৯এর খেলার উদ্¦োধনী অনুষ্টানের শুরুতে জগন্নাথপুর উপজেলার মীপুর ইউনিয়নের মীরপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃতি ফুটবলার মরহুম আব্দুন নুর ও সৈয়দ পুর শাহার পাড়া ইউনিয়নের বুধরাইল গ্রামের বাসিন্দা মুরহুম ইউনুস মিয়া স্মরণে ১মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ।

বিপুল সংখ্যক দর্শকের উপস্থিতিতে প্রবীণ ও নবীন কৃতি ফুটবলার বৃন্দের মিলন মেলায় মাঠে আনন্দ মূখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় ।খেলার উদ্বোধনী অনুষ্টানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মীরপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল খালিক, হরমুজ আলী মাস্টার, প্রবীন ফুটবলার আবু হোরায়রা ছাদ মাস্টার, সিলেট বিভাগ সোনালী অতীত ইউকের আহ্বায়ক জগন্নাথপুর উপজেলার ক্রীড়া ও নাট্যজগতের প্রিয় মূখ নাট্য অভিনেতা সাংবাদিক জোবায়ের আহমদ হামজা, প্রবীণ ফুটবলার এম এ রউফ মাক্কু, প্রবীণ ফুটবলার সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য সৈয়দ সাব্বির মিয়া ছাবির, সাবেক পৌর কমিশনার লুৎফুর রহমান, কৃতি ফুটবলার সিরাজ উদ্দিন মাস্টার, সিলেট বিভাগ সোনালী অতীত ইউকের সদস্য এম এ ওয়াদুদ, সফু মিযা, মল্লিক খালিক, প্রবীণ ফুটবলার মবশ্বির মিয়া, ফারুক মিয়া, আবুল খয়ের, খালিক মিয়া, করিম মিয়া, কর্ণেল আবেদীন, মধু মিয়া, হারিক মিয়া, ছাতক উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক লাল মিয়া, মীরপুর যুব সংঘ ফুটবল একাদশের সভাপতি সাদেকুর রহমান সাদ, সহ-সভাপতি সোহেল আহমদ, জাকারিয়া আবু, মুহিব উদ্দিন সেলিম, আলাল আহমদ, জুনেদ আহমদ, জীবন আহমদ, রাশেদ আহমদ, প্রমূখ। খেলার শুরুতে সিলেট বিভাগ সোনালী অতীত ইউকের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমদ হামজা কৃতি ফুটবলার মরহুম আব্দুন নুর ও মরহুম ইউনুস মিয়ার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন ক্রীড়াঙ্গনে তাদের স্মৃতি আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি তরুন প্রজন্মের কাছে তাদের অবদান তুলে ধরতে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।পরে জুবাযের আহমদ হামজার সম্পাদনায় হৃদয়ে আব্দন নুর ও ইউনুস মিয়া স্মৃতি স্মারক উন্মোচন করা হয়। উদ্বোধনী খেলায় তরুন সংঘ সৈয়দপুর বনাম একতা ফুটবল ক্লাব করিমপুরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। খেলার দ্বিতীয়ার্ধে ১-০ গোলে তরুন সংঘ সৈয়দপুর বিজয়ী হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি নুনু একাডেমি ওসমানী নগর বনাম খেলোয়ার কল্যাণ সমিতি সিলেট, ২০ ফেব্রুয়ারি বিশ্বনাথ উপজেলা ফুটবল এসোসিয়েশন বনাম রয়েল ফ্রেন্ডস্ এফসি সিলেট , এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি আমীর হাবিব বালাগঞ্জ বনাম সানজানা ইলেভেন স্টারের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

জগন্নাথপুরে র‌্যাবের অভিযানে ভারতীয় নাসির বিড়ি সহ গ্রেফতার ১

নিজস্ব প্রতিনিধি:

উপজেলা জগন্নাথপুর পৌরশহরের প্রধান ব্যবসা কেন্দ্র- জগন্নাথপুর বাজার থেকে ভারতীয় নাসির বিড়ি ও সিগারেট সহ সুমন আহমদ (৩৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব ৯।

গ্রেফতারকৃত সুমন আহমদ জগন্নাথপুর পৌরশহরের শেরপুর এলাকার ছমরু মিয়ার ছেলে। মঙ্গলবার তাকে সুনামগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে। সোমবার রাত ৮টায় র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন

র‌্যাব ৯ সিলেটের একটি দল জগন্নাথপুর বাজারে মাছ বাজারে সুমন আহমদের দোকানে অভিযান চালিয়ে দোকানের ভেতর থেকে দেড় লক্ষ পিস ভারতীয় নিষিদ্ধ বিড়ি ও বিশ হাজার পিস সিগারেট সহ সুমন আহমদকে গ্রেফতার করে জগন্নাথপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

জগন্নাথপুরে যুবলীগের ৪৬তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী পালন

স্টাফ রিপোর্ট:
জগন্নাথপুরে যুবলীগের ৪৬তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আবুল হোসেন লালনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর উপজেলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম মশাহিদ, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হাজি ইকবাল হোসেন ভুইয়া,

সাংস্কৃতিক সম্পাদক শুকুর আলী ভুইয়া, কলকলিয়া ইউনিযন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক দ্বিপাল কান্তি দে দিপাল, সহ-সভাপতি নুরুল হক, পৌর আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইউনুছ মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাহবুব, এম ফজরুল ইসলাম, সালেহ আহমদ,

দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক ফারুক মিয়া, এনামুল হক এনাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের রুহান, জুবেদ খান, দপ্তর সম্পাদক দিলদার মিয়া মিঠু, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহিম আলী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু জিলানী আবু, সহ সম্পাদক রমজান আলী ছানা, যুবলীগ নেতা কবির মালদার, কবির আহমদ,

জাহাঙ্গীর খান, পৌর যুবলীগ নেতা আকমল হোসেন ভুইয়া, সিদ্দিকুর রহমান, সৈয়দ জিতু মিয়া, রাসেল মিয়া, আক্তার মিয়া, রাজিব চৌধুরী বাবু, সুমন মিয়া, সাফরোজ ইসলাম, ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আব্দুল আহাদ, মুহিবুর রহমান, আব্দুল আহাদ দুলন, সুজাত মিয়া, রাজিব তালুকদার, শিশু মিযা, জাবির মিয়া, আখলাক মিয়া,

রেজাউল করিম রেজা, আবুল কালাম, সাজাদ খান, কিরন বৈদ্য, জাকির হোসেন, সৈয়দ নিজাম, রায়হান কামালী শিশু, কয়ছর রশীদ, আব্দুল কাইয়ুম, কামরুল বক্স, আনা মিয়া, হারুন মিযা, রিজু সুলতান, শালেহ তালুকদার, জাবেদ মিয়া, কামাল হোসেন, গোলাম রাব্বানী, মাহবুব হোসেন মিঠু, ফজলুর রহমান মনাই,

তমির হোসেন, দোলা মিয়া কামালী, নুরজ্জামাল, আফরোজ আলী, তোফায়েল আহমদ, ওলিউর রহমান প্রমূখ। আলোচনা সভার শুরুতে প্রতিষ্টা বার্ষিকীর কেক কাটা হয়। এদিকে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন মাদার তেরেসা এ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় তাকে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা অভিনন্দন জানান।

জগন্নাথপুর টুডে/১৮

র‌্যাবের অভিযানে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী আটক

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ ক্যাম্পের লেঃ কমান্ডার ফয়সল আহমদের নেতৃত্বে একটি অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (১১ নভেম্বর) অভিযান চালিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার

ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী মোঃ গোলাম রাব্বি জুহিন (২৭) কে আটক করেছে। ধৃত আসামী সুনামগঞ্জ সদর থানার আরপিননগর এলাকার বন্ধন-৫৪ বাসার মৃত আব্দুল হাদির ছেলে।

র‌্যাব-৯ সিলেটের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় আটককৃত আসামীকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি

জগন্নাথপুর টুডে/১৮