১০:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরের হলিকোনার মেলা ভেঙ্গে দিল প্রশাসন

  • Update Time : ০৮:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
  • / 988

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের হলিকোনা বাজারে রবিবার সন্ধায় অনুমোদনহীন মেলার আয়োজন করা হয়। আয়োজক কমিটি মেলার ঐতিহ্য রক্ষা না করে ভাড়তি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্যেশে জুয়া খেলা সহ অসামাজিক কার্যকলাপে মেতে উঠেন।

জানা যায়, হলিকোনা বাজারে খাগাউড়া-মহিষাকোনা গ্রামের কতিপয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি পায়দা হাসিলের উদ্যোশে প্রতিবছর এ মেলার আয়োজন করে থাকেন। মদ, জুয়া সহ অশালিনতা থাকায় এলাকার সচেতন জনসাধারন সহ পুলিশ প্রশাসন মেলাটি আয়োজন করতে বাঁধা প্রদান করেন।

কিন্তু স্বার্থন্বেশী মহল এলাকার মানুষ ও পুলিশ প্রশাসনের বাঁধা বিপত্তি উপেক্ষা করে মেলার আয়োজন করে। শনিবার সন্ধায় পুলিশ প্রশাসন সরজমিনে গিয়ে মেলাটি ভেঙ্গে দিয়ে আসেন।

স্থানীয়রা জানান, জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গত বছর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের হলিকোনার মেলা ও কলকলিয়া ইউনিয়নের সাদিপুরের মেলার

নামে মদ, জুয়া খেলা সহ অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে গতবারের ন্যায় এবারও উপজেলাবাসীকে রক্ষা করেছেন। তিনি মেলার নামে মদ, জুয়া, অশ্লীলতা বন্ধ করাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে সফল হয়েছেন।

এ মেলা বন্ধ করায় এলাকায় আনন্দের বন্যা বইছে।

এব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, জগন্নাথপুর উপজেলায় মেলার নামে যাত্রা গান, মদ, জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আমি যুদ্ধ ঘোষনা করেছি।

কিছু মানুষ মেলার নামে মদ, জুয়া, যাত্রাগান সহ অশালিনতা করছে। গত বছরও হলিকোনা ও সাদিপুরের মেলা ভেঙ্গে দিয়েছিলাম।

আজ আমার নিদের্শে এসআই লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে সংগীয় এসআই আফছার আহমদ, এসআই মনির, এএসআই সাদেকুর রহমান, এএসআই আনোয়ার হোসেন ও শহীদ সহ বিপুল সংখ্যক পুলিশদল মেলার নামে নির্মিত পেন্ডেল স্থায়ী ভাবে উচ্ছেদ করেন।

মেলার নামে জুয়াসহ অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ করায় স্থানীয় লোকজন ও জগন্নাথপুরবাসী পুলিশ প্রসাশনকে ধন্যবাদ জানায়।

এলাকার শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখতে মেলার নামে অসামাজিকতা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ায় থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এলাকাবাসী।

Please Share This Post in Your Social Media

জগন্নাথপুরের হলিকোনার মেলা ভেঙ্গে দিল প্রশাসন

Update Time : ০৮:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের হলিকোনা বাজারে রবিবার সন্ধায় অনুমোদনহীন মেলার আয়োজন করা হয়। আয়োজক কমিটি মেলার ঐতিহ্য রক্ষা না করে ভাড়তি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্যেশে জুয়া খেলা সহ অসামাজিক কার্যকলাপে মেতে উঠেন।

জানা যায়, হলিকোনা বাজারে খাগাউড়া-মহিষাকোনা গ্রামের কতিপয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি পায়দা হাসিলের উদ্যোশে প্রতিবছর এ মেলার আয়োজন করে থাকেন। মদ, জুয়া সহ অশালিনতা থাকায় এলাকার সচেতন জনসাধারন সহ পুলিশ প্রশাসন মেলাটি আয়োজন করতে বাঁধা প্রদান করেন।

কিন্তু স্বার্থন্বেশী মহল এলাকার মানুষ ও পুলিশ প্রশাসনের বাঁধা বিপত্তি উপেক্ষা করে মেলার আয়োজন করে। শনিবার সন্ধায় পুলিশ প্রশাসন সরজমিনে গিয়ে মেলাটি ভেঙ্গে দিয়ে আসেন।

স্থানীয়রা জানান, জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গত বছর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের হলিকোনার মেলা ও কলকলিয়া ইউনিয়নের সাদিপুরের মেলার

নামে মদ, জুয়া খেলা সহ অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে গতবারের ন্যায় এবারও উপজেলাবাসীকে রক্ষা করেছেন। তিনি মেলার নামে মদ, জুয়া, অশ্লীলতা বন্ধ করাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে সফল হয়েছেন।

এ মেলা বন্ধ করায় এলাকায় আনন্দের বন্যা বইছে।

এব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, জগন্নাথপুর উপজেলায় মেলার নামে যাত্রা গান, মদ, জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আমি যুদ্ধ ঘোষনা করেছি।

কিছু মানুষ মেলার নামে মদ, জুয়া, যাত্রাগান সহ অশালিনতা করছে। গত বছরও হলিকোনা ও সাদিপুরের মেলা ভেঙ্গে দিয়েছিলাম।

আজ আমার নিদের্শে এসআই লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে সংগীয় এসআই আফছার আহমদ, এসআই মনির, এএসআই সাদেকুর রহমান, এএসআই আনোয়ার হোসেন ও শহীদ সহ বিপুল সংখ্যক পুলিশদল মেলার নামে নির্মিত পেন্ডেল স্থায়ী ভাবে উচ্ছেদ করেন।

মেলার নামে জুয়াসহ অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ করায় স্থানীয় লোকজন ও জগন্নাথপুরবাসী পুলিশ প্রসাশনকে ধন্যবাদ জানায়।

এলাকার শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখতে মেলার নামে অসামাজিকতা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ায় থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এলাকাবাসী।