চলমান বিধিনিষেধ ১৬ জুন পর্যন্ত বাড়লো

টুডে ডেস্ক:-

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধ আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সকল রাজনৈতিক-সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

রবিবার (৬ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, খাবারের দোকান সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। সেই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার জেলা প্রশাসকরা স্ব স্ব এলাকায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এ বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব রকমের গণপরিবহন চলবে বলেও জানানো হয়। এর আগে গত ৩১ মে বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়িয়ে ৬ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। সেই হিসেবে আজ চলমান বিধিনিষেধ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

চলমান বিধিনিষেধ ১৬ জুন পর্যন্ত বাড়লো

প্রজ্ঞাপনে যেসব বিধিনিষেধের কথা বলা হয়েছে সেগুলো হলো:

১. সব পর্যটনস্থল, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

২. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান- ওয়ালিমা, জন্মদিন , পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি), রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে।

৩. খাবারের দোকান ও হোটেল- রেস্তোরাঁসমূহ সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ (টেকঅ্যাওয়ে/অনলাইন) করতে পারবে এবং আসন সংখ্যার অর্ধেক সেবাগ্রহীতাকে সেবা দিতে পারবে।

৪. কোভিড-১৯ এর উচ্চঝুঁকি সম্পন্ন জেলাসমূহের জেলা প্রশাসকরা সংশ্লিষ্ট কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে স্ব-স্ব এলাকার সংক্রমণ প্রতিরোধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

৫. আন্তঃজেলাসহ সব ধরনের গণপরিবহন আসনসংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে পারবে। তবে অবশ্যই যাত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

সারাদেশে গত ৫ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সাতদিনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। সেই বিধিনিষেধ আরও দুদিন চলার পর ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়। তবে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় বিধিনিষেধের মেয়াদ ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ২৮ এপ্রিল আবারও বিধিনিষেধ বাড়িয়ে করা হয় ৫ মে পর্যন্ত। এরপর গত ৩ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে আবারও বিধিনিষেধ বাড়িয়ে ১৬ মে এবং পরবর্তীতে তা ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। সেই বিধিনিষেধ ৩১ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। যা আরও এক সপ্তাহ বাড়লো।

দেশে করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু কমছে

টুডে ডেস্ক:-

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনায় দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১১ হাজার ৭৫৫ জনের।

এ সময় নতুন করে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৭৪২ জন। এতে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৩৩৮ জনে। বুধবার (৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা ভাইরাস নিয়ে নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৩৩ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৯৮ হাজার ৪৬৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় ২০ হাজার ২১৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ২০ হাজার ২৮৪টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৩২ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। মারা যাওয়াদের মধ্যে হাসপাতালে ৪৭ জন ও বাসায় ৩ জন মারা গেছেন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৩০ জনেরই বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ১৩, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৫, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ২ জন রয়েছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

 

১৬ মে পর্যন্ত বাড়ছে চলমান বিধিনিষেধ

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় চলমান বিধিনিষেধ আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।

করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার প্রথমে ৫ এপ্রিল গণপরিবহন ও অফিস-আদালত চালু রেখে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করেছিল। পরে তা আরও দুদিন বাড়ানো হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউন দেওয়া হয় দেশব্যাপী। এরপর ২২ এপ্রিল থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানো হয়। এতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এই মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে ৫ মে পর্যন্ত করে সরকার।

জলবায়ু মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের চার পরামর্শ শেখ হাসিনার

টুডে ডেস্ক:
কার্বন নিঃসরণ ঘটিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ‘মুজিব জলবায়ু উন্নয়ন কর্মসূচি’ হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আহ্বানে শুরু হওয়া জলবায়ু সামিট-২০২১ তে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা জানান।

বক্তব্যের শুরুতেই সামিটের আয়োজন ও আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ধন্যবাদ জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করার অংশ হিসেবে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফিরে আসাকে স্বাগত জানায় বাংলাদেশ।

জলবায়ু মোকাবিলায় প্রতিবছর আমরা প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার অর্থ ব্যয় করি। যা মোট জিডিপির ২ দশমিক ৫ শতাংশ, যোগ করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশজুড়ে ৩০ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে এবং কার্বন নিঃসরণ ঘটিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে ‘মুজিব জলবায়ু উন্নয়ন কর্মসূচি’ হাতে নেওয়া হয়েছে।

জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত ফোরাম (সিভিএফ) এবং ভি২০- এর চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য হলো জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মাঝে ইন্টারেস্ট ধরে রাখা। আমরা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক কার্যালয় পরিচালনা করছি।

এ সময় জলবায়ু মোকাবিলায় চারটি পরামর্শ দেন বাংলাদেশের সরকার প্রধান। বলেন, কার্বন নিঃসরণের মাধ্যমে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে উন্নত দেশগুলোকে তাৎক্ষণিক এবং উচ্চমানের পদক্ষেপ নিতে হবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোকেও এই সেক্টরে নজর দিতে হবে।

দ্বিতীয় পরামর্শটি হলো, বার্ষিক টার্গেট ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার তহবিল নিশ্চিত করতে হবে। যা জলবায়ুতে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার জন্য অভিযোজন এবং প্রশমনের ক্ষেত্রে ৫০-৫০ করে ভাগ করে দিতে হবে।

তৃতীয় পরামর্শ, প্রধান অর্থনৈতিক দেশ, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাতগুলোকে জলবায়ু মোকাবিলায় আর্থিক সহায়তা ও আবিস্কারের ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। এবং চতুর্থ পরামর্শ, সংশ্লিষ্ট জাতিগুলোর মাঝে সবুজ অর্থনীতি এবং কার্বন নিরপেক্ষ প্রযুক্তি উৎপাদনে নজর দিতে হবে।

সূত্র—-ইত্তেফাক

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৮ জনের মৃত্যু

টুডে ডেস্ক:-

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১০ হাজার ৭৮১ জনে। এর আগের দিন বুধবার ৯৫ জন মারা গিয়েছিল। এই নিয়ে টানা দুইদিন শতকের নিচে মৃত্যু থাকলো।

 

 

২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ১৪ জন। এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৭ লাখ ৩৬ হাজার ৭৪ জন। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

 

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনামুক্ত হয়েছেন ৭ হাজার ২৬৬ জন। আর এখন পর্যন্ত সর্বমোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৩২ হাজার ৪৪৯ জন।

 

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭ হাজার ৭৮৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ২৭ হাজার ৪২৯ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

 

 

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৯৮ জনের মধ্যে পুরুষ ৬২ জন ও নারী ৩৬ জন। ঢাকা বিভাগেরই রয়েছেন ৫৫ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ২০, রাজশাহীতে ৬, খুলনায় ৫, সিলেটে ৪, রংপুরে ৩ ও ময়মনসিংহে ৫ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে ৯২ জন হাসপাতালে মারা গেছেন। বাড়িতে ৬ জন মারা যান।

 

 

গত একদিনে মৃত্যুদের বয়স বিবেচনায় ষাটোর্ধ্ব ৫৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের এর মধ্যে ২০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের এর মধ্যে ১৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের এর মধ্যে ২ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন ও ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ২ মারা গেছেন।

সূত্র—ইত্তেফাক

 

 

 

 

 

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরো ৯৫ জনের মৃত্যু

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনামুক্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৭২ জন। আর এখন পর্যন্ত সর্বমোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৩৫ হাজার ১৮৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ হাজার ৫৬১ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ২৮ হাজার ৪০৮ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ০৭ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৯৫ জনের মধ্যে পুরুষ ৫৯ জন ও নারী ৩৬ জন। ঢাকা বিভাগেরই রয়েছেন ৫৮ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৭, রাজশাহীতে ৮, খুলনায় ৩, বরিশালে ২, সিলেটে ২, রংপুরে ২ ও ময়মনসিংহে ১ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে ৯১ জন হাসপাতালে মারা গেছেন। বাড়িতে ৪ জন মারা যান।

গত একদিনে মৃত্যুদের বয়স বিবেচনায় ষাটোর্ধ্ব ৫৭ জন, ৫১ থেকে ৬০ এর মধ্যে ২২ জন, ৪১ থেকে ৫০ এর মধ্যে ১৩ জন, ৩১ থেকে ৪০ এর মধ্যে ৩ জন মারা গেছেন।

সূত্র—ইত্তেফাক

লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রধানমন্ত্রীর

টুডে ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের কারণে চলমান লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র, দুঃস্থ, ভাসমান এবং অসচ্ছল মানুষকে সহায়তার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকগণের অনুকূলে ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বুধবার (২১ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জেলা প্রশাসকগণের অনুকূলে এ সহায়তা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

বরাদ্দকৃত এই টাকা দিয়ে জেলা প্রশাসকগণ লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র, দুঃস্থ, ভাসমান এবং অসচ্ছল মানুষকে নানা সহায়তা দেবেন।

সূত্র–ইত্তেফাক

একদিনে করোনায় সর্বোচ্চ ১১২ জনের মৃত্যু

টুডে ডেস্ক:

দেশে বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই মৃত্যুর রেকর্ড ভাঙছে। গত তিনদিন শতাধিক মৃত্যু হয়েছে। সেই রেকর্ড ভেঙে ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ ১১২ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১০ হাজার ৪৯৭ জনে।

২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ২৭১ জন। এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৭ লাখ ২৩ হাজার ২২১ জন। সোমবার (১৯ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনামুক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৩৬৪ জন। আর এখন পর্যন্ত সর্বমোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ২১ হাজার ৩০০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ হাজার ২১২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ২৪ হাজার ১৫২ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১১২ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই রয়েছেন ৭১ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৯, রাজশাহীতে ৫, খুলনায় ১০, বরিশালে ১, সিলেটে ৩, রংপুরে ২ ও ময়মনসিংহে ১ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে ১০৮ জন হাসপাতালে মারা গেছেন। বাড়িতে ১ জন মারা যান। আর মৃত অবস্থায় একজনকে হাসপাতালে আনা হয়। এর মধ্যে পুরুষ ৭৫ জন ও নারী ৩৭ জন।

সূত্র—ইত্তেফাক

করোনায় আজও ১০১ জনের মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৭৩ জন। এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৭ লাখ ১৫ হাজার ২৫২ জন। শনিবার (১৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনামুক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৯০৭ জন। আর এখন পর্যন্ত সর্বমোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ৪১৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬ হাজার ১৮৫ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

সূত্র–ইত্তেফাক

কাল শুক্রবার থেকে শপিংমল দোকানপাঠ খোলা

টুডে ডেস্ক:
আগামী কাল শুক্রবার থেকে ১৩ এপ্রিল মঙ্গলবার পর্যন্ত কঠোর স্বাস্থ্য বিধি মেনে শপিংমল দোকান পাঠ সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। সরকারি প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। সরকারি প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, করোনা ভাইরাস জনিত রোগ কোভিট ১৯এর বিস্তার রোধ কল্পে শর্ত সাপেক্ষে সার্বিক কার্যাবলী/ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ কর্তৃক নির্দেশনা জারি করা হয়।

 

আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ মাঠ প্রশাসন সমন্বয় অধিশাখার উপ-সচিব মো: রেজাউল ইসলাম কর্তৃক স্বাক্ষরিত আগামী ৯-১৩ এপ্রিল ২০২১ মেয়াধে সকাল ৯টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কঠোর স্বাস্থ্য বিধি প্রতিপালন সাপেক্ষে দোকানপাঠ ও শপিংমল খোলা রাখা যাবে। তবে স্বাস্থ্য বিধি প্রতিপালন না করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এবং কোভিট ১৯ এর ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম যথারিতি চলমান থাকবে।