সাইনবোর্ডেই সর্বোচ্চ সরকারীকরণ: বেড়াঁজালে বন্দি ওসমানীনগরের বড় দিরারাই বিদ্যালয়

শিপন আহমদ, ওসমানীনগর (সিলেট)::

বিদ্যালয়হীন গ্রামে ১৫শ’ বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত হলেও নানা বেড়াঁজালে বন্দি হয়ে মুখ থুবরে পড়েছে সিলেটের ওসমানীনগরে দয়ামীর ইউনিয়নের বড় দিরারাই বিদ্যালয়। কাগজে পত্রে সরকারীভাবে বিদ্যালয়টি স্থাপিত হলেও বাস্তবে সাইনবোর্ডেই সর্বোচ্চ রয়ে আছে সরকারীকরণ। বঞ্চিত রয়েছে সরকারী সকল সুযোগ সুবিধা থেকে।

স্থাপনের ৮ বছর অতিবাহিত হলেও বিদ্যালয়ে সরকারীভাবে কোনো শিক্ষকও নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না। প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন ও জড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে স্থানীয়রা প্রবাসীদের সহযোগিতায় একটি ভবন নির্মান করে চারজন সেচ্চাসেবী শিক্ষকদের মাধ্যমে কার্যক্রম চালিয়ে চালিয়ে গেলেও উপবৃত্তিসহ সার্বিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীরা।

সূত্র জানায় ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদে এক সংসদ সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তৎকালিন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজারের ১৫ শ বিদ্যালয়ের আওতায় স্থাপিত বিদ্যালগুলোতে দ্রæত শিক্ষক নিয়োগের আশ্বাসের পর দেশের অনান্য স্থানে স্থাপিত বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদায়ন করা হলেও এ বিদ্যালয়টি রয়ে গেছে বঞ্চিতের খাতায়। বিদ্যালয়ে দ্রæত শিক্ষক নিয়োগসহ সার্বিক সুযোগ সুবিধার বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও প্রাথমিক ও গন শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

জানা যায়, ওসমানীনগরের দয়ামীর ইউনিয়নের সরকারী সুবিধা বঞ্চিত বৃহত্তর বড় দিরারাই এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় কোনো সরকারী বা বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় কোমলমতি শিশুরা প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত থাকতে হতো।

অবশেষে গ্রামবাসী সম্মেলিত ভাবে এ ব্য্পাারে এগিয়ে এসে তৎকালিন স্থানীয় সংসদ সদস্যের সহযোগিতায় আওয়ামীলীগ সরকারের সারা দেশে বিদ্যালয়বীহিন গ্রামে ১৫শ বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের আওতায় অবহেলিত এ গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপনের কাযক্রম শুরু হয়। সরকারী নিয়মানুযায়ী বিদ্যালয়ের নামে জমি রেজিষ্ট্রারি করে দেয়ার পর এলজিইডি কর্তৃপক্ষের তত্বাবধানে ৫০ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা ব্যায়ে ২০১২ সালে বিদ্যালয়ে গভীর নলক‚প স্থাপন ও দ্বীতল ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করে এলজিইডির অর্ন্তভুক্ত সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয়ে নলকূফ স্থাপনের পর দ্বীতল বিল্ডিংয়ের কাজ হওয়ায় গ্রামবাসীর মনে আশার আলো জেগে উঠলেও ভাবনের আংশিক কাজ সম্পন্নের পর মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় বন্ধ হয়ে যায় নির্মাণ কাজ।

২০১৫ সালে উচ্চ আদালত মামলাটি নিস্পত্তি করে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আদেশ প্রদান করলেও তা বাস্থবায়িত হয়নি। উপজেলা এলজিইডি বিভাগের পক্ষ থেকে বড় দিরারাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্মাণাধিন দ্বীতল ভবনের অসম্পন্ন সম্পন্ন করার জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বরাবরে একাধিক প্রতিবেদন পাঠানো হলেও অদৃশ্য কারনে তা আজও আলোর মুখ দেখেনি।

ফলে বিদ্যালয়ের সামনে থাকা অসম্পন্ন ভবনের ফাইলিংয়ের স্থানে বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিনিহত দূর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। প্রতিবছর ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পঞ্চম শ্রেনীর প্রাথমিক সমাপনি পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করে শতভাগ ফলাফল করলেও সরকারী বিদ্যালয়ের সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে তারা। নামে সরকারী বিদ্যালয় হলেও বাস্তবে তার সুফল পাচ্ছেনা।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম আক্তার, সাবেক মেম্বার আহমদ আলী, মস্তাব আলী, আব্দুল খালিকসহ বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা জানান, বিদ্যালয়টি নামে সরকারী থাকলেও বাস্তবে বঞ্চিত। বিদ্যালয়ে দিন দিন শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বাড়লেও সরকারি সুযোগ সুবিধা পেতে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দিনের পর দিন ধর্ণা দিয়েও কাজ হচ্ছে না। এব্যাপারে আমারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সুহেল আহমদ, শিক্ষক সোহানা বেগম বলেন, আমরা নানা সংকটের মধ্যে দিয়ে বিদ্যালয়টির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। নামে সরকারী থাকলেও একমাত্র বস্তুনিষ্ঠ পাঠদান ছাড়া সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বিদ্যালয়টি বঞ্চিত রয়েছে। সুযোগ সুবিধা না পাওয়ায় এবং এলাকার অন্য কোনো বিদ্যালয় না থাকায় এলাকায় জড়ে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়া বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় সরকারী প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধিন অসম্পন্ন ভবনের ফাইলিংয়ের গর্ত থাকায় ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থী পাঠদান করতে হচ্ছে।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা দিলীপময় চৌধুরী বলেন, ওসমানীনগর একটি নতুন উপজেলা। বিগত এক বছর থেকে এ উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কাজ চালু হয়েছে। আমরা এখনও এ বিদ্যালয়ের সরকারী করণের বিষয়ে কোনো কাগজপত্র পাইনি।

সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: বায়োজিদ খান বলেন, বড় দিরারাই প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৫শ বিদ্যালয়ের আওতায় সরকারীকরনের বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিশ্বম্ভরপুরের পলাশ ইউনিয়নে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::

সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি’র বরাদ্ধ কৃত ত্রাণ দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির (টিআর ও কাবিটা) ২০১৯-২০ অর্থ বছরের আওতায় সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে।

শনিবার(১৩জুন)ইউনিয়নে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনের শুভ উদ্বোধন করেন,বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল কাদির।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি সুহেল আহমদ, টিএমএসএস এরিয়া পরিচালক ফজলুর রহমান, আওমী লীগ নেতা, মোতালিব, পলাশ মসজিদ কমিটির সেক্টেটারি আলাল, তারা মিয়া, আবুচান, জাপা পলাশ ইউনিয়ন সাধারন সম্পাদক, স্বপন পাল, জাপা নেতা, পলাশ পেনেল চেয়ারম্যান কামরুনজামান বুলবুল, জাপা নেতা, মোহাম্মদ আলী, নুরুল আমিন, রবি, সিরাজ, মোতিন, জুলহাস প্রমুখ।

সুনামগঞ্জের ধনপুর ইউনিয়নে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক::

সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি’র বরাদ্ধ কৃত ত্রাণ দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির (টিআর ও কাবিটা) ২০১৯-২০ অর্থ বছরের আওতায় সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ জুন) ইউনিয়নে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন,বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল কাদির, ধনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো.রবিকুল ইসলাম,ওকিল মিয়া,আওয়ামীলিগ নেতা বাবুল, জয়নাল,মতি মিয়া, নুরজামাল,মোনতাজ উদ্দিন,জাপানেতা নূরুল হক,রাকিবুল হাসান,সিরাজ,জাহাঙ্গীর আলম,মজিবুর প্রমুখ।

সুনামগঞ্জের ৩ টি গ্রামে বিদ্যুতায়ন করলেন হুইপ পীর মিসবাহ্ এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক::

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কুরবাননগর ইউনিয়নের রাজনগর কুরবাননগর ও হাছনপুর গ্রামে বুধবার বিকালে শুভ বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করলেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ ও সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্।

এসময় তিনি বলেন আমার নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুত লাইন সম্প্রসারণের কাজ সমাপ্ত করা হয়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে শতভাগ বিদ্যুত সংযোগ প্রদানের কাজ চলছে।

তিনি বলেন এখনও যে সকল গ্রাহক বিদ্যুত সংযোগ পাননি তারা পল্লী বিদ্যুত অফিসের সাথে যোগাযোগ করবেন, প্রতিটি ঘরেই বিদ্যুত পৌঁছে দেওয়া হবে।এই তিনটি গ্রামে বিদ্যুতায়িত করার মধ্য দিয়ে আজকে কুরবাননগর ইউনিয়ন শতভাগ বিদ্যুতায়িত হল। এটি আমাদের জন্য গৌরবের।

বিরোধী দলীয় হুইপ আরো বলেন, বিদ্যুতের আলোয় আপনার ঘর আজ আলোকিত হয়েছে কিন্তু প্রকৃত আলো হল শিক্ষার আলো আপনার সন্তানদের কে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার মাধ্যমে  আপনার ঘর ও সমাজকে আলোকিত করবেন এটাই প্রত্যাশা করি।শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সহযোগিতা দিচ্ছেন উপবৃত্তি দিচ্ছেন এই সুবিধাগুলো কাজে লাগান সন্তানকে আলোকিত মানুষ হিসাবে তৈরী করুন।

তিনি বলেন, আমি আপনাদের সন্তান আপনাদের উন্নয়নে  কাজ করছি। সকল উন্নয়নই হবে আপনারা সহযোগিতা করবেন।এসময় তিনি করোনা প্রতিরোধে সকলকে মাস্ক ব্যবহার ও হাত ধোয়া সহ স্থাস্থ্য বিধি মেনে চলতে অনুরোধ করেন।কুরবাননগরের সকল গ্রামকে পাকা সড়কের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন কুরবাননগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল বরকত সুুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের এজিএম (সদস্য ও সেবা) শাহরিয়ার জামিল সুুনামগঞ্জ সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সজ্জাদুর রহমান সাজু,কুরবাননগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি তৈয়ব আলী।

উপস্থিত ছিলেন কুরবাননগর ইউপি সদস্য নুরুল হক,মানিক মিয়া আওয়ামীলীগ নেতা সারাজ মিয়া কুরবাননগর জাপার আহবায়ক আলী নুর মিয়া জাপানেতা সাইফুল ইসলাম,জিয়ানূর হাছনপুর গ্রামের মুরব্বী ওদুদ মিয়া রাজনগর গ্রামের মুরব্বী নুরমিয়া মড়ল প্রমুখ।

উল্লেখ্য কুরবান নগর রাজনগর ও হাছনপুর গ্রামে ২ কোটি ১৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৪,২৬৮ কিঃমিঃ লাইন নির্মাণ করা হয়েছে যার মাধ্যমে ১৫৩ জন গ্রাহক কে প্রাথমিক ভাবে বিদ্যুত সংযোগ প্রদান করা হয়েছে।

 

সুনামগঞ্জে করোনা প্রতিরোধে ৭১’র চেতনার স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::

সুনামগঞ্জে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করেছে মুক্ত চিন্তার সামাজিক সংগঠন ৭১’র চেতনা সুনামগঞ্জ জেলা শাখা।
মঙ্গলবার (০৯ জুন) সকালে ৭১ চেতনার অস্থায়ী কার্যালয়ে ঐ সেচ্ছাসেবক দল গঠন করা হয়।

স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যরা হলেন দুর্জয় দত্ত পুরকায়স্থ, এস.এ. তাহের আলী, আরিফুল হাসান সোহান,অমিত দাস গুপ্ত,লুৎফুর রহমান লাবিব, ইয়াছির আহমেদ জাওয়াদ,অভিজিৎ পাল,মো.সানোয়ার আহমেদ, মারুফ আল মারজান,মো.সাজিদুর রহমান, আসিফ মিয়া,সাদিকুর রহমান, হাসিবুর রহমান রিফাত, জুবেল আহমেদ, রিমন পাল প্রমুখ।

পরে ৭১’র চেতনার স্বেচ্ছাসেবক দলের তালিকা জেলা প্রশাসকের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

৭১’চেতনা সুনামগঞ্জ জেলা শাখার আহবায়ক দুর্জয় দত্ত পুরকায়স্থ বলেন, করোনাকালে সেবার হাত বাড়িয়ে দিতে আমরা এই স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করেছি।

সুনামগঞ্জের নদী ও হাওরে দেশীয় বিভিন্ন পোনা অবমুক্ত করেন বিরোধী দলীয় হুইপ পীর মিসবাহ্ এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক::

সুনামগঞ্জের সুরমা নদী ও দেখার হাওরে ৫৭১ কেজি দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির রেনু পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

রবিবার বিকালে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে পোনা মাছ অবমুক্ত করেন,জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,জেলা মৎস্য অফিসার মো.আবুল কালাম আজাদ,সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন নাহার রুমা,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো.আবুল হোসেন,সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার সীমা রানী বিশ্বাস, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সজ্জাদুর রহমান সাজু,জেলা ছাত্র লীগের সাবেক সম্পাদক রফিক আহমদ চৌধুরী,জেলা ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রিপন প্রমুখ।

এ সময় জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি বলেন,মৎস্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত এই সুনামগঞ্জে এক সময় ছিল জেলার বিভিন্ন হাওরের দেশীয় প্রজাতির সুস্বাদু মাছ জেলার মানুষের আমীষের চাহিদা মিঠিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিদেশে রপ্তানী করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব ছিল। কিন্তু প্রাকৃতিক র্দূযোগ ও হাওরের জলাশয় ও নদীগুলোতে পলি জমে নাব্যতা হ্রাস পাওয়ার কারণে দেশীয় প্রজাতির অনেক সুস্বাদু মাছ হারিয়ে যেতে বসেছে। তাই এই মাছের প্রজনন বাড়াতে পোনা মাছ অবমুক্ত এবং রক্ষনাবেক্ষণ করা গেলে আবারো সেই মাছের রাজধানী হিসেবে খ্যাত সুনামগঞ্জের মৎস্যভান্ডারের ্ঐতিহ্য আবারো ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সুনামগঞ্জে বিনামুল্যে ৪৭টি অসহায় পরিবারের মাঝে সোলার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক::

সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় বিনামুল্যে সোলার বিতরণ করেন-সুনামগঞ্জ-১আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন।

আজ রবিবার সকালে উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়ন মাঠে সোলার বিতরণ করা হয়।

জয়শ্রী ইউনিয়ন পরিষদ ও সহযোগীতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের নির্বাচনী এলাকা ভিত্তিক কাবিটা ও টি আর প্রকল্পের আওতায় বিনামুল্য ২ টি প্রতিষ্টান সহ ৪৭টি অসহায় পরিবারের মাঝে সোলার বিতরণ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।

জয়শ্রী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সঞ্জয় রায় চৌধুরীর সভাপতিত্ব সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সুনামগঞ্জ-১আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন।

বিশেষ অতিথি ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রোকন,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ বিলকিস,সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মনিন্দ্র চন্দ্র তালুকদার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বৃন্দাবন নগর বিদ্যুতায়ন করলেন বিরোধী দলীয় হুইপ পীর মিসবাহ্ এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক::

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের বৃন্দাবননগর গ্রামে শনিবার বিকালে বিদ্যুতায়নের শুভ উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্ এমপি।

 

এ সময় তিনি বলেন আমার নির্বাচনী এলাকা শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হবে এমনটি আপনাদের আমি বলেছিলাম। সেই অনুযায়ী আমার নির্বাচনী এলাকার সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুত লাইন সম্প্রসারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে । অচিরেই সকল পর্যায়ে বিদ্যুত সংযোগ প্রদানের মাধ্যমে এর সফল পরিসমাপ্তির দ্বারপ্রান্তে আমরা। সকল গ্রামে বিদ্যুত ও সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে আমি কাজ করছি।

 

বিদ্যুতায়ন যেভাবে শতভাগ করতে পেরেছি ইনশাআল্লাহ্ আপনাদের সাথে নিয়ে আমার নির্বাচনী এলাকায় শতভাগ পাকা সড়ক নির্মাণের কাজও শতভাগ সম্পন্ন করা হবে। এসময় তিনি করোনা ভাইরাস রোধে সকলকে শারিরীক দূরত্ব বজায় রাখা মাস্ক ব্যবহার করা সহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে অনুরোধ করেন।

 

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-আহবায়ক রসিদ আহম্মদ, সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত সমিতির এজিএম আব্দুল বাছেত, আবুল কাশেম, রঙ্গারচর ইউপি জাপার আহবায়ক ফয়জুর রহমান তালুকদার, স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য সুরুজ মিয়া,আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান, সাবেক ইউপি মেম্বার আনোয়ার মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা রইছ মিয়া, মুরব্বী জুবেদ আলী, জাপা নেতা মমশির মিয়া, মহসিন মিয়া, রাখাল মিয়া, রজব আলী, আলী হুসেন প্রমুখ।

 

সুনামগঞ্জে হুইপ মিসবাহ এমপি’র ব্যাক্তিগত অর্থায়নে ১টিসহ ৩ টি কোভিড-১৯ বুধ স্থাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক::

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ব্যক্তিগত অর্থায়নে কোভিড-১৯ নমুনা সংগ্রহ বুথ উদ্বোধন করেছেন সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলের হুইপ পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি। শনিবার দুপুরে এর উদ্বোধন করা হয়।

এদিকে,সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে একটি সংস্থার সৌজন্যে স্থাপিত অপর একটি বুথটিও উদ্বোধন করেন তিনি। এছাড়া আগামী রবিবার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে বুথ স্থাপন করার কথা জানিয়েছেন পীর মিসবাহ।

কোভিড-১৯ নিরাপদ নমুনা সংগ্রহ বুথ উদ্বোধন শেষে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ অ্যাড.পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এমপি বলেন,৩ টি বুধ স্থাপন করেছি,৩ টি বুধের মাধ্যেমে নমুনা পরিক্ষা করাতে পারবেন। করোনা উপসর্গ থাকা যে কেউ বিনামুল্যে এসকল বুথে গিয়ে পরিক্ষা করাতে পারবেন।কোভিড-১৯ পরিস্থিতে স্বাস্থ্য বিভাগ সকল কর্মকর্তারা করোনা যোদ্ধা হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। সুনামগঞ্জবাসীকে আর ও সচেতন হতে হবে, আমরা সবাই যদি সচেতন হই তাহলে আমরা সবাই করোনা যুদ্ধে আমরা জয়ী হব।

বুথ উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডাঃশামস উদ্দিন,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৌমিত্র চক্রবর্তী, সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃরফিক আহমদ সহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা,কর্মচারীসহ অনেকেই।

 

সিলেট বিভাগে দ্রুত বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

জগন্নাথপুর টুডে ডেক্স::

সিলেট বিভাগীয় শহরে দোকানপাট, ব্যবসা কেন্দ্র ও অফিস খোলা হয়েছে। মানুষও ঘর থেকে বেরিয়েছে। এরই মধ্যে সিলেট বিভাগে করোনা আক্রান্তের রোগীর সংখ্যাও হাজার ছড়িয়েছে। বিশেষ করে সিলেট জেলায় অত্যধিক হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।

এদিকে সিলেট বিভাগে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৫-এ। এর মধ্যে সিলেট জেলায় সর্বোচ্চ ৫৫৫ জনের বেশি আক্রান্ত। আক্রান্তের পাশাপাশি এ বিভাগে মোট মারা যাওয়া ১৯ জনের মধ্যে সিলেট জেলায়ই মারা গেছেন ১৪ জন। আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় সিলেটে স্বাস্থ্য বিভাগে রীতিমতো উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক সূত্র জানিয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মানুষ বেশ আতংকে রয়েছেন। সিলেটে এখনো করোনা চিকিৎসা কেন্দ্রের অবস্থাও পর্যাপ্ত নয়। তাই দক্ষিণ সুরমায় নর্থ ইষ্ট মেডিকেল কলেজকে করোনা চিকিৎসার জন্য নেয়ার জোর প্রচেষ্টা চলছে।

অন্যদিকে সন্দেহ জনক অবস্থা নিয়ে অনেকেই শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে গিয়ে নমুনা দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে নিতেও ভয় পাচ্ছেন। কারণ এখানে করোনা রোগী ভর্তি আছেন এবং ভিড় হলে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। সিলেট বিভাগের শাবি ল্যাব ও ওসমানী হাসপাতাল ল্যাবে করোনা পরীক্ষা হয়। তবে স্বাস্থ্য বিভাগ বা শামসুদ্দিনের ‘রেফারেন্স’ ছাড়া করোনা পরীক্ষার সুযোগ নেই। শাবিতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের রোগীদের করোনা পরীক্ষা করা হয়। শাবিতে কোন রোগীর কাছ থেকে সরাসরি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয় না। ঐ ল্যাবে স্থাপনকৃত পিসিআর মেশিনে সিঙ্গেল সাইকেলে প্রতিদিন ৯৪ টি নমুনা শনাক্ত করা যায়। এতে সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টার মতো সময় লাগতে পারে। একইভাবে ডাবল সাইকেলে করলে প্রায় ১৮৮টি নমুনা শনাক্ত করা সম্ভব।

বিভিন্ন স্থানে বুথ স্থাপন জরুরি বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরের সন্দেহভাজন করোনা রোগীরা যাতে সহজে নমুনা দিতে পারেন তার জন্য বিভিন্ন স্থানে ‘নমুনা সংগ্রহ বুথ’ স্থাপন জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সুযোগের অভাবে অনেকেই করোনা নিয়ে অবাধে ঘুরছেন, পরিবারের সাথেও মিশছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বেশি করে বুথ চালু করলে ঘরে ঘরে সংক্রমণ হবে না। এসব ‘বুথ‘-এ গিয়ে সন্দেহভাজনরা নমুনা দিয়ে আসবেন কয়েক মিনিটে। আর পরের দিন মোবাইল ফোনেই জেনে যাবেন তার রিপোর্ট। তারা মনে করেন এটা বাস্তবায়নের জন্য শুধু সিদ্ধান্তের প্রয়োজন। দক্ষিণ সুরমা এলাকায় কয়েকদিনের মধ্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নমুনা নেয়ার জন্য একটি ‘বুথ’ খেলা হবে জানিয়ে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ইত্তেফাককে বলেন, ‘আপাতত একাটি বুথ খেলার সিদ্ধান্ত হলেও প্রয়োজনে আরো কয়েকটি খোলা হবে।’

এদিকে সুনামগঞ্জ জেলার পাগলা এলাকায় করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করার জন্য নমুনা সংগ্রহের জন্য উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের পাগলা উপ-স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে একটি বুথ স্থাপন করা হয় গত শনিবার। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের স্থাপনকৃত এ বুথ থেকে উপজেলার যে কোনো ব্যক্তি বিনামূল্যে তার নমুনা প্রদানের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারবেন। কর্মকর্তারা জানান এই ‘বুথ’ স্থাপনের ফলে এই উপজেলার সন্দেহভাজনদের আর সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে যেতে হবো না।

১৫ এপ্রিল মারা যান সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মঈন উদ্দিন। তিনি সিলেটে প্রথম আক্রান্ত হন এবং করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া দেশের প্রথম চিকিৎসক। এবার শুক্রবার মধ্যরাতে মারা যান সিলেটের শামসুদ্দিন হাসপাতালের নার্সিং কর্মকর্তা রুহুল আমিন। করোনায় মারা যাওয়া দেশের প্রথম নার্স তিনি। অবশ্য ঐ নার্সের সন্তানদের পড়াশুনার দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী এমএ মোমেন। সিলেটের আরও কয়েকজন চিকিৎসকসহ বেশ কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। তবে বেশিরভাগই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

তাছাড়া আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) সফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও সিসিকের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের স্ত্রী আওয়ামী লীগ নেত্রী আসমা কামরান করোনা আক্রান্ত হয়ে বাসায় আইসোলেশনে। সিলেটের যুবলীগ নেতা আজাদুর রহমান আজাদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।