স্টাফ রিপোর্ট:
সু-শিক্ষার মাধ্যমেই আদর্শ সন্তান তৈরী সহজ ও সম্ভব, গর্বিত পিতা মাতা দেশ ও জাতির গৌরব। জাতির আদর্শ হচ্ছে শিক্ষিত সন্তান। সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর শহরের ইসহাকপুর এলাকার কৃতি সন্তান কবি ও লেখক দ্বীন মুহাম্মদ আরজুমন্দ আলী ও গৃহিনী আনোয়ারা বেগমের সাত সন্তান ব্রিটেনে উচ্চ শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়ে অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত রেখেছে ব্রিটেনে বসবাসরত এই পরিবারটি। বেডফোর্ডের বাসিন্দা দ্বীন মোহাম্মদ আরজুমন্দ আলীর আট সন্তানের সাত জনই এখন গ্র্যাজুয়েট।
তারা যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান থেকে বিভিন্ন বিষয়ে পারর্দশীতার সাথে ডিগ্রী অর্জন করে কর্ম জীবনে নিজেদের নিয়োজিত করে সাফল্য সৃষ্টি করেছেন। আরজুমন্দ আলীর বড় ছেলে প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বর্তমানে টাওয়ার হ্যামলেট্স এলাকায় একটি প্রতিষ্টানে কাজ করছেন। দ্বিতীয় ছেলে নাহিবুর রহমান র্রুনেল ইনিভার্সিটি থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি একজন প্র্যাকটিসিং সলিসিটর হিসেবে কাজ করছেন। তৃতীয় ছেলে মুহিবুর আলম বার্কলেস ব্যাংক কর্মকর্তা।
মুহিবুর আলম বেডফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে ইলেক্ট্রটেকনোলজি বিষয়ে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। চতুর্র্থ মেয়ে ফারহানা বেগম লন্ডনের একটি ঔষধ কোম্পানীতে কাজ করছেন। ফারহানা কিংস কলেজ থেকে ফার্মাকোলজিতে বিএসসি ডিগ্রি লাভ করেন।পঞ্চশ মেয়ে রুকসানা বেগম কিংস কলেজ থেকে পলিটিক্স-এ বিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ষষ্ট ছেলে নাঈম আলী একটি চক্ষু চিকিৎসা ক্লিনিকে কাজ করছেন। নাঈম কুঈন মেরি ইউনিভার্সিটি থেকে জিও গ্রাফী এন্ড জিওলজিতে বিএসসি ডিগ্রি লাভ করেন।

সপ্তম ছেলে মনসুর আলম রয়েল হলওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে জিওগ্রাফীতে বিএ ডিগ্রি অর্জন করে বর্তমানে মাষ্টার্সে অধ্যয়ন করছেন। কনিষ্ট মেয়ে হাসিনা বেগমও ডিগ্রি অর্জনে ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত আছেন। চাকুরীর পাশাপাশি আরজুমন্দ আলীর সন্তানরা বর্তমানে বেডফোর্ড এলাকায় ৫শ হাজার পাউন্ড ব্যয়ে বিভার গ্রিল নামে একটি যৌথ ব্যবসা প্রতিষ্টান গড়ে তুলেছেন। এতে ব্রিটেনের নানা দেশের নানা স্বাদ ও গন্ধের খাবার ছাড়াও বিনোদনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এছাড়া আরজুমন্দ আলীর একটি টেকওয়ে রয়েছে। দ্বীন মোহাম্মদ আরজুমন্দ আলী ১৩বছর বয়সে ১৯৬৬ সালে পিতার সাথে ব্রিটেনে যান। সন্তানদের সাফল্যে তিনি বলেন আমি চাই আমার পরিবারের মতো প্রবাসে বাংলাদেশী প্রতিটি পরিবার উজ্জল হোক। প্রতিজন বাবা মা আমাদের মতো গর্বিতবোধ করুন এই প্রত্যাশা করছি।
জগন্নাথপুর টুডে-১৯