স্টাফ রিপোর্টার :-
জগন্নাথপুর উপজেলার একটি গ্রামের অজোপাড়া গাঁেয়র ৮ম শ্রেনীতে পড়–য়া স্কুল ছাত্রীকে গনধর্ষনের ঘটনায় আড়াই মাস পর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। ধর্ষিতা কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে ৯জনের বিরুদ্ধে ২৪ মে জগন্নাথপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেছেন। পুলিশ গনধর্ষনের মূল ধর্ষক হাই স্কুল শিক্ষক মিশন সেন বাপ্পাকে (২৬) গ্রেফতার করেছে। সে জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের খাশিলা গ্রামের মৃত মলয় সেনের ছেলে। মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তার ৮ম শ্রেনীতে পড়–য়া মেয়েকে গত ৪ মার্চ স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা থেকে হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক মিশন সেন বাপ্পা অপহরন করে ছাতক উপজেলার তকিপুর (চাঁনপুর) গ্রামের আব্দুস সামাদ আজাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে একটি কক্ষে আমার মেয়েকে আটকে রেখে মিশন সেন বাপ্পা ও তার বন্ধু ঐ বাড়ির মালিক আব্দুস সামাদ আজাদ পালাক্রমে ধর্ষন করে। গনধর্ষনের ঘটনাটি গ্রামে জানাজানির হলে ধর্ষকরা ধর্ষিতার পিতা মামলার বাদীকে হত্যার হুমকি দেয়। মেয়েটি ২মাসের অন্তস্বত্তা হলে গনধর্ষনের ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়। মামলার বাদী জানান, গনধর্ষনের অভিযোগে মিশন সেন বাপ্পা এবং তার বন্ধু আব্দুস সামাদ আজাদ ও কাউছার মিয়াকে আসামী করা হয়েছে। জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষনের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ধর্ষক মিশন সেন বাপ্পাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শনিবার ( ২৫ মে) গ্রেফতারকৃত ধর্ষক মিশন সেনকে আদালতে এবং ধর্ষিতাকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।