১২:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৩শতাধিক পরিবারের মধ্যে ত্রান সামগ্রী বিতরন

  • Update Time : ০৭:২৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯
  • / 1202

স্টাফ রিপোর্টার:
জগন্নাথপুরে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মধ্যে ত্রান সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রান তহবিল হতে প্রদত্ত জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসন ও ত্রান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের তত্ত্বাবধানে খাদ্য সামগ্রীর ১০ কেজি চাল, ১ লিটার সোয়াবিন তৈল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি চিড়া, ১ কেজি চিনি, ১ কেজি লবন, ১ প্যাকেট নুডুস, মুড়ি, দিয়াশলাই, মোমবাতি, পানি বিশুদ্ধ করন ট্যাবলেট সহ প্যাকেটজাত খাদ্য সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বলাই নগর, ঘোষগাঁও, টিয়ারগাঁও, আশারকান্দি ইউনিয়নের ছোট শেওড়া, বড় শেওড়া, ফেচী শেওড়া, পাঠকুড়া, দয়াল নগর সহ আশ পাশের ৫/৬টি গ্রামের ৩শতাধিক পরিবারের মধ্যে প্যাকেটজাত খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত ) ইয়াসির আরাফাত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাইফুদ্দিন খান। এসময় আওয়ামী লীগ নেতা আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুব খান, আশারকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আবুল কয়েছ ইসরাঈল, জগন্নাথপুর পৌর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক মো: আব্দুল হাই, আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বকুল চন্দ্র দাশ, ইউপি সদস্য ফজলু মিয়া, ইউপি সদস্য ছানু মিয়া, আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব তোফাজ্জুল হোসেন, ইউএনও কার্যালয়ের হাবিবুর রহমান হাবিব, প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের মানিক মিয়া প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ইয়াসির আরাফাত জানান, বৃষ্টিপাত না হলেও বন্যার পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র খোলা রাখা হয়েছে। ২/১টি আশ্রয় কেন্দ্রে অল্প সংখ্যক পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয় কেন্দ্র সহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারদের মধ্যে ত্রান সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়াও বন্যা পরিস্থিতির সার্বক্ষনিক খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে। পর্যাপ্ত ত্রান সামগ্রী মজুদ রয়েছে। পর্যায়ক্রমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রান সামগ্রী বিতরন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

জগন্নাথপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৩শতাধিক পরিবারের মধ্যে ত্রান সামগ্রী বিতরন

Update Time : ০৭:২৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার:
জগন্নাথপুরে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মধ্যে ত্রান সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রান তহবিল হতে প্রদত্ত জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসন ও ত্রান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের তত্ত্বাবধানে খাদ্য সামগ্রীর ১০ কেজি চাল, ১ লিটার সোয়াবিন তৈল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি চিড়া, ১ কেজি চিনি, ১ কেজি লবন, ১ প্যাকেট নুডুস, মুড়ি, দিয়াশলাই, মোমবাতি, পানি বিশুদ্ধ করন ট্যাবলেট সহ প্যাকেটজাত খাদ্য সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বলাই নগর, ঘোষগাঁও, টিয়ারগাঁও, আশারকান্দি ইউনিয়নের ছোট শেওড়া, বড় শেওড়া, ফেচী শেওড়া, পাঠকুড়া, দয়াল নগর সহ আশ পাশের ৫/৬টি গ্রামের ৩শতাধিক পরিবারের মধ্যে প্যাকেটজাত খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত ) ইয়াসির আরাফাত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাইফুদ্দিন খান। এসময় আওয়ামী লীগ নেতা আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুব খান, আশারকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আবুল কয়েছ ইসরাঈল, জগন্নাথপুর পৌর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক মো: আব্দুল হাই, আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বকুল চন্দ্র দাশ, ইউপি সদস্য ফজলু মিয়া, ইউপি সদস্য ছানু মিয়া, আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব তোফাজ্জুল হোসেন, ইউএনও কার্যালয়ের হাবিবুর রহমান হাবিব, প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের মানিক মিয়া প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ইয়াসির আরাফাত জানান, বৃষ্টিপাত না হলেও বন্যার পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র খোলা রাখা হয়েছে। ২/১টি আশ্রয় কেন্দ্রে অল্প সংখ্যক পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয় কেন্দ্র সহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারদের মধ্যে ত্রান সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়াও বন্যা পরিস্থিতির সার্বক্ষনিক খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে। পর্যাপ্ত ত্রান সামগ্রী মজুদ রয়েছে। পর্যায়ক্রমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রান সামগ্রী বিতরন করা হবে।