মো: আব্দুল হাই:
সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি ও পৌরসভার অধীনে সড়কে অসংখ্য খানা খন্দক সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিনিয়ত যানবাহন দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। পাশাপাশি যাত্রীদের জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। সড়কটির সংস্কার কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়ার কথা বলে এলজিইডির মাসের পর মাস আশ্বাসের বাণী আর অন্যদিকে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে শীঘ্রই কাজ শুরুর আশ^াসে পৌর কর্তৃপক্ষের এমন দুটি আশ্বাসের বাণী প্রতিনিয়ত শুনছেন ভুক্তভোগী জনসাধারন। উপজেলা সদর থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত এলজিইডির ১ কিলোমিটার সড়কের পুরো অংশই খানা খন্দকে ভরপুর। পৌর শহরে যাতায়াতের জন্য রিক্্রা, টমটম, সিএনটি, অটোরিক্্রা সহ ছোট বড় সব ধরনের যানবাহন চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে। বিগত ৩মাস পূর্বে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ সংস্কার কাজ করলেও কাজে আসেনি। বর্তমানে সড়কটির অডিটোরিয়াম মোড়, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মোড়, সিলেটী বাসস্ট্যান্ড এলাকা, বটেরতল ও হামজা কমিউনিটি সেন্টার এলাকাটি এখন মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হয়েছে। বুধবার (১১সেপ্টেম্বর) হামজা কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় সড়কটিতে এলজিইডি কর্তৃক গর্ত ভরাটের কাজ চলাকালীন সময়ে একটি মালবাহি ট্রাক গর্তে পড়ে পার্শ্ববর্তী খাদে উল্টে যায়। এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার জানান, সড়কটির হাসপাতাল এলাকায় সাময়িকভাবে সংস্কার এবং গর্ত ভরাটের কাজ শুরু করা হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে উপজেলা সদর থেকে কেউনবাড়ি পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কে ৩৫ কোটি টাকা ব্যায়ে সড়ক সংস্কার কাজ শুরু হবে। ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এদিকে জগন্নাথপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোড় থেকে ডাকবাংলো পর্যন্ত পৌরসভার সড়কটিতে গর্তের পাশাপাশি অসংখ্য খানা খন্দকের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচলতো দূরের কথা পায়ে হেঁটে যাতায়াত ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। এ সড়ক দিয়ে দুটি সরকারি হাই স্কুল ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি জনসাধারন যাতায়াত করে থাকেন। সড়কটির করুন অবস্থায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছেন। মঙ্গলবার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে ঝুঁকি পূর্ন সেতুর বিধবস্ত এ্যাপ্রোচে পড়ে একটি টমটম গাড়ি পার্শ্ববর্তী খালে ছিটকে পড়ে যায়। এতে যাত্রী সহ চালক আহত হয়। পৌরসভার প্রকৌশলী স্বতীশ গোস্মামী জানান, সড়কটি সংস্কারে ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে।